নোটিশ বোর্ড

সম্মানিত অতিথি আপনার প্রিয় নজরুলগীতিটি এই ওয়েব সাইটে খুঁজে না পেলে অনুগ্রহ করে আমাদের জানান। আমরা যথা-শীঘ্র সেইটি সংযোজন করার চেষ্টা করবো।

গান শুনুন

Print

আয় মরু পারের হাওয়া নিয়ে যা রে

বাণী

আয় মরু পারের হাওয়া নিয়ে যা রে মদিনায় —
জাত-পাক মুস্তাফার রওজা মুবারক যেথায়।।
মরিয়া আছি দুখে মাশরেকী এই মুল্লুকে,
পড়ব মাগরিবের নামাজ কবে খানা-এ কা'বায়।।
হজরতের নাম তসবি করে যাব রে মিসকিন বেশে
ইসলামের ঐ দ্বীনী ডঙ্কা বাজল প্রথম যে দেশে।
কাঁদব ধরে মাজার শরীফ ধরে শুনব সেথায় কান পাতি, —
নবীর মুখে তেমনি কি রে রব ওঠে 'এ্যায় উম্মতি'!
পাক কোরানের কালাম হয়ত সেথা শোনা যায়।।

রাগ ও তাল

রাগঃ মাঢ় মিশ্র

তালঃ দাদ্‌রা

ভিডিও

স্বরলিপি

Print

আমার বিছানা আছে বালিস আছে

বাণী

শ্যালিকা: জামাইবাবু, বলি ও জামাইবাবু ।
জামাইবাবু: কে? ও, আমার বিরহতুত শালী বুঝি?
শ্যালিকা: আহা হা, দিদির বিরহে তোমার চাঁদ মুখ যে অমাবস্যার চাঁদের মত হয়ে উঠেছে । তা, তার বিরহের
একটা গান শোনাও?
জামাইবাবু: হ্যাঁ, তা মন্দ বলিস নি ভাই, তা মন্দ বলিস নি। তোর মারফতে যদি আমার দুষ্কের কথা তার কাছে
গিয়ে পৌঁচয় । শোন্‌ ভাই, শোন্‌।

আমার বিছানা আছে বালিস আছে বৌ নাই মোর খাটে
(ওগো) তার বিরহে বারোটা মাস কেমন ক'রে কাটে ও দাদা গো।।
আ, হাহাহা, বিরহে, বিরহে খাট আমার আধখানা হয়ে গেছে
বৈশাখ মাস, বৈশাখে প্রাণ ভ'য়সা যেন ধুকে রোদের তাতে (বাবু গো)
হাত-পাখা আর নড়ে না ভাই রাতে পিয়ার হাতে
জৈষ্ঠি মাস, জৈষ্ঠি মাসের গরমে হিয়ার গুষ্ঠি শুদ্ধু ফাটে ও দাদা গো।।
আষাঢ় মাস, আষাঢ় মাসে কট্‌কটে ব্যাঙ ছট্‌ফটিয়ে কাঁদে, উহুহুহুহুহু — বাবা রেএএএ
ওগো চুলকানি যে উঠলো বেড়ে প্রেমের মইষা দাদে
শ্রাবণ মাস, শ্রাবণ মাসে রাবুণে প্রেম জাগে জলের ছাটে, ও দাদা গো।।
ভাদ্র মাস, ভাদ্র মাসে আপনার বৌ হলো ভাদ্র বধূ (বাবু গো)
আশ্বিন মাসে চাখলাম না হায় পূজার মজার মধু
আমার পরাণ লাফায় পাঁঠা যেমন দাপায় হাঁড়িকাঠে ও দাদা গো।।

শ্যালিকা: তারপর কি?
জামাইবাবু: তারপর? তারপর আর নেই!
শ্যালিকা: বা-রে! এই তো মাত্র ভাদ্র-আশ্বিন হলো। আর ছ'মাস যে বাকি রইলো।
জামাইবাবু: না-রে ভাই, আর বাকি নেই, আর বাকি নেই, আর বাকি নেই।
শ্যালিকা: বলবে না? বলবে না তো? আহা ভাল লাগলো কিনা, তাই এতো খোসামুদি করছি। না গাইবে তো
যাও, তোমার সঙ্গে আর আমি কখখনো ...
জামাইবাবু : ওরে ওরে ওরে ওরে, শোন্‌ শোন্‌ শোন্‌ শোন্‌, ও ভাবে যাস্‌ নি, যাস্‌ নি। ওরে তুই রাগ করিস নে
রে ভাই, তুই রাগ করিস নে। দ্যাখ, এই বার মাস বিরহে বিরহে আমার কাটছে। ওরে তুই আমার
একমাত্র শান্ত্বনা। তুই যদি রাগ করে চলে যাস তাহলে আমার অবস্থাটা কি হবে একবার বোঝ্‌।
আচ্ছা, গাইছি শোন্‌।

কার্তিক মাস, হ্যাঁ? কার্তিকে মোর ময়ূরী এই কার্তিককে ফেলে (ওরে)
ও তার দাদার ঘরের রাধা হয়ে বেড়ায় পেখম মেলে

শ্যালিকা: যাঃ, ভারি দুষ্টু!
জামাইবাবু: না, না, সত্যি, সত্যি, সত্যি, শোন্‌ না, শোন্‌ না।

অঘ্রাণ, অঘ্রাণে ধান কাটে চাষা আমার কেঁদে কাটে ও দাদা গো।।
পৌষ মাস, পৌষে আমার বৌ সে কোথায় গুড়ের পিঠা খায় (বাবু গো)
আর হেথায় আমার জিহ্বা দিয়া নাল ঝরিয়া যায়
মাঘ মাস, ওরে মাঘ মাসে যার মাগ নাই সে যাক না শ্মশান ঘাটে ও বাবু গো।।
ফাল্গুন মাস, ফাল্গুনে ছাই ডাল-নুনে কি মেটে প্রেমের খিদে
হাতের কাছে কাকে খুঁজি রাতের বেলায় নিদে (আমি)
চৈত্র মাস, চৈত্র মাসে মধু খুঁজি হায়রে কদুর বাটে।।

রাগ ও তাল

রাগঃ

তালঃ ফের্‌তা (দাদ্‌রা ও কাহার্‌বা)

স্বরলিপি

Print

ডুবু ডুবু ধর্ম-তরী ফাট্‌ল মাইন

বাণী

কোরাস্:
ডুবু ডুবু ধর্ম-তরী, ফাট্‌ল মাইন সর্‌দা’র
সামাল সামাল পড়ল সাড়া ব-মাল মেয়ে মর্দার।।
এ কোন্ এলো বালাই, এবে পালাই বল কোন্ দেশ,
গাছের নীচে ঘ’ড়েল শেয়াল, কাকের মুখে সন্দেশ।
কন্যা-ডোবা কন্যা এলো, ভাস্ল বুঝি ঘর-দ্বার।।
আয়েস্ ক’রে ধুম্‌ড়ো মেয়ের বাড়বে বয়েস চৌদ্দ
বাপের বুকের তপ্ত-খোলায়? দিব্যি গেয়ান-বোধ তো!
হদ্দ হ’লেন বৌদি ভেবে, ছাড়ল্ নাড়ী বড়দা’র।।
দিব্যি স্বর্গ-মার্গে যেত গৌরী-দানের মারফৎ
যমের যমজ জামাতৃকে লিখে দিয়ে ফার্খত!
(হ’ল) নৈকষ্য কস্য এখন, জাত গেল ‘মেল-খড়দা’র।।
দেব্‌তা বুড়ো শিব যে মাগেন আট-বছরী নাতনি,
চতর্দশী মুক্তকেশী — ক’নে নয়, সে হাত্‌নী!
পুঁটুলি নয় — এঁটুলি সে, কিংবা পুলিশ-সর্দার।।
সিঙ্গি-চড়া ধিঙ্গি মেয়ে বৌ হবে কি? বাপ্ রে!
প্রথম প্রণয়-সম্ভাষণেই হয়ত দিবে থাপ্‌ড়ে।
লাফ দিয়ে সে বাইরে যাবে ঝাঁপ খুলে ঐ পর্দার।।
সম্বন্ধ ভুলে শেষে যা-তা বলে ডাকব?
বধূ তো নয়, যদুর পিসি! কোথায় তারে রাখব?
ধর্মিণী নয়, জার্মানী শেল! গো-স্বামী, খবরদার।।
টাকাতে নয়, ভাব্‌নাতে শেষ মাথাতে টাক পড়বে,
যোদ্ধা বামা গুটিয়ে জামা কথায় কথায় লড়বে,
যেই পাবে না সেমিজ, বডিস, কৌটো পানের জর্দার।।
স্বামীকে সে বলবে নাথ, রাখ্‌বে না মান দুর্গার,
হয়ত কবে বল্‌বে, ‘পিও, ঝোল রেঁধেছি মুর্গার!’
আন্‌বে কে বাপ গুর্খা-সেপাই দন্ত-নখর-বর্দার।।
গটমটিয়ে কইবে কথা, কট্‌মটিয়ে চাইবে,
‘বামা’ সে নয়, ‘ডাইনে সে যে, ডাইনে’ সদা ধাইবে!
নিতুই নতুই চাইবে যেতে সিমলা শিলং হর্‌দ্বার।।
ভেবেছিলাম জাত নিয়েছিস, জাতিটা নয় যাক্‌গে,
গৃহিণীরূপ গ্রহণী রোগ, তাও ছিল শেষ ভাগ্যে!
দোক্ত ফেলে গিন্নি কাঁদেন, কর্তা করেন ঘর-বার।।

রাগ ও তাল

রাগঃ বেহাগ

তালঃ দাদ্‌রা

স্বরলিপি

Print

পরজনমে দেখা হবে প্রিয়

বাণী

পরজনমে দেখা হবে প্রিয়।
ভুলিও মোরে হেথা ভুলিও।।
এ জনমে যাহা বলা হ’ল না,
আমি বলিব না, তুমিও ব’লো না।
জানাইলে প্রেম করিও ছলনা,
যদি আসি ফিরে, বেদনা দিও।।
হেথায় নিমেষে স্বপন ফুরায়,
রাতের কুসুম প্রাতে ঝ’রে যায়,
ভালো না বাসিতে হৃদয় শুকায়,
বিষ-জ্বালা-ভরা হেথা অমিয়।।
হেথা হিয়া ওঠে বিরহে আকুলি’
মিলনে হারাই দু’দিনেতে ভুলি’,
হৃদয়ে যথায় প্রেম না শুকায়
সেই অমরায় মোরে স্মরিও।।

রাগ ও তাল

রাগঃ পরজ

তালঃ একতাল

ভিডিও

স্বরলিপি

Print

বেসুর বীণায় ব্যথার সুরে

বাণী

বেসুর বীণায়	ব্যথার সুরে বাঁধ্‌ব গো
পাষাণ-বুকে		নিঝর হয়ে কাঁদব গো।।
কুলের কাঁটায়	স্বর্ণলতার দুল্‌ব হার,
ফণীর ডেরায়	কেয়ার কানন ফাঁদ্‌ব গো।।
ব্যাধের হাতে	শুনব সাধের বঙশী-সুর,
আস্‌লে মরণ	চরণ ধ’রে সাধব গো।।

রাগ ও তাল

রাগঃ পিলু-খাম্বাজ

তালঃ কাহার্‌বা

ভিডিও

স্বরলিপি

Print

রে অবোধ শূন্য শুধু শূন্য

বাণী

রে অবোধ!		শূন্য শুধু শূন্য ধূলো মাটির ধরা।
শূন্য ঐ		অসীম আকাশ রংবেরং-এর খিলান-করা।।
হাওয়াতে		শূন্য নিমেষ নিমেষে যার হ’য়ে শেষ।
এসেছি		পথিক এ পর-দেশ জীবন-মৃত্যু ভরা।।
হুরী আর		গানের প্রিয়া, সাথে তার শারাব নিয়া
চল ঐ		সবুজ-বিথার ঝর্না-কিনার গোলাব-ঝরা।।
এর অধিক		সুখের বিলাস স্বরগে করিসনে আশ
সে স্বরগ		নাই রে কোথাও এমন উধাও দুখ্-পসরা।।

রাগ ও তাল

রাগঃ বেহাগ

তালঃ দাদ্‌রা

ভিডিও

স্বরলিপি

লগইন

বাণী দেখা হয়েছে

গানের বাণী দেখা হয়েছে 4182346 বার

ওয়েব সাইটটি দেখা হয়েছে

ওয়েব সাইটটি দেখা হয়েছে 6354338 বার