নোটিশ বোর্ড

সম্মানিত অতিথি আপনার প্রিয় নজরুলগীতিটি এই ওয়েব সাইটে খুঁজে না পেলে অনুগ্রহ করে আমাদের জানান। আমরা যথা-শীঘ্র সেইটি সংযোজন করার চেষ্টা করবো।

গান শুনুন

Print

আমার খোকার মাসি শ্রীঅমুকবালা দাসী

বাণী

(ওগো)আমার খোকার মাসি শ্রীঅমুকবালা দাসী,

মোরে দেখেই সর্বনাশী ফেলে ফিক্ করে সে হাসি।।

তার চোখ প্রায় পুটী মৎসই

তার চেহারাও নয় জুৎসই

আবার(তার) আছে তিনটি বৎসই কিন্তু সে স্বাস্থ্যে খোদার খাসি।।

সে খায় বটে পান-জর্দা

তার চেহারাও মর্দ্দা-মর্দা

তবু বুঝলে কি না বড়দা আমি তারেই ভালোবাসি।।

শালী অর্থাৎ কি না বউ সে পনর আনাই,

তারে দিয়ে একটা ‌‘আনি’ দাদা ঘরে যদি আনি

সে বউ হয় ষোল আনাই। কি বল দাদা এ্যা?

আমি তারই লাগি জেলে, মরবো ঘানি ঠেলে,

তারে নিয়ে ভাগ্‌বো রেলে, না হয় পর্‌বো গলায় ফাঁসি।।

 

রাগ ও তাল

রাগঃ 

তালঃ কাহার্‌বা

Print

আজ্‌কা হইবো মোর বিয়া কাল্‌কা আইমু বউ লইয়া

বাণী

আজ্‌কা হইবো মোর বিয়া কাল্‌কা আইমু বউ লইয়া,

থাইগ্‌বা তোমরা ফ্যাল-ফ্যালাইয়া বুঝ্‌ল্যা গোপ্‌লা মুকুন্দ্যা।।

তাইরে নাইরে নাইরে না, রইমু ঘরে বাইরে না

হকাল হইন্ধ্যা দুপইত্‌ত্যা চইল্যা যাইবো কোহান্ দ্যা।।

[আরে ও পরামানিকের পো, ক্ষুরবার লইয়া যাইতাছো কই?

আমারে বর কামান কামাইয়া দিয়া যাওছ্যান!

আইজগ্যা যে আমার বিয়া হইবো! [হ আরে আহো! আহো]

তাইরে নাইরে নাইরে না, রইমু ঘরে বাইরে না

হকাল হইন্ধ্যা দুপইত্‌ত্যা চইল্যা যাইবো কোহান্ দ্যা।।

[হউর হাউরী পাইমু কাল্‌, হুমুন্দী, আর হালার পাল

কইবো মোরে, হুনত্যাছ? ও-জামাই, কড়াকড়ির কী কাম আছে,

আর দুইডা দিন থাইক্যা যাও না ক্যা? অ্যা!]

আরে আমি উঠ্‌মু কি গাছত্ গিয়া, উৎকা মাইর্যা  ফাল দিয়া,

ভাইরে, হালার পরান ডা, (ভাইরে) নাইচ্যা উঠ্‌ছে এ্যাহন্ থ্যা।

তাইরে নাইরে নাইরে না, রইমু ঘরে বাইরে না

হকাল হইন্ধ্যা দুপইত্‌ত্যা চইল্যা যাইবো কোহান্ দ্যা।।

[আরে ও মুখুজ্যা ভাই, মুখুজ্যা ভাই, আরে যাও কই, হুইনা যাও।

হুইনা যাও। হক্‌কল দিনই তো বলদ লইয়া মাঠে চরাইবার যাও।

আজকা আমারে লইয়া মাইয়ার বাড়ি যাওন লাগ্‌বো,

খাওন-দাওন আছে খাওন-দাওন আছে! ঠইগ্‌বা না, ঠইগ্‌বা না!]

তাইরে নাইরে নাইরে না, রইমু ঘরে বাইরে না

হকাল হইন্ধ্যা দুপইত্‌ত্যা চইল্যা যাইবো কোহান্ দ্যা।।

[খাইমু কি কি আরে হুনছ — গোপ্‌লা, ও মুকুন্দ্যা!

আরে, মুকুন্দ্যা ঐ খানে যাইয়া খারাইয়া আছত্ কিল্ল্যাইগ্যা? আহো, হুনো!

মাংস খাইমু, লুচি খাইমু, পাত্‌ক্ষীর খাইমু, আর দইও খাইমু। আর তোমরা

অভাগ্যা, অভাগ্যার পাল! তোমরা তো খাইবা না, তোমরা চাইটবা! চুকা

কাসুন্দ্যা চাইটবা।]

ফুচ্‌কি দিয়া তোমরা চোর, দেখ্‌বার চাইবা বউরে মোর,

রাখুম তারে লুকাইয়া, হোগলার বস্তা চাপুনদ্যা।।

তাইরে নাইরে নাইরে তাই, বউরে ছাইর্যা  যাইরে ভাই

থাক্‌তে পরান অসুম্ না, (ভাই) পইচ্যা হইমু ফাপুন্দ্যা।।

[আরে গোরা-চাঁন যে, অকালের গাড়িতে আইল্যা বুঝি?

তোমরা দুই ভাইয়েই তো কোলকাতায় আষ্ট বছর কাল

ঘরজামাই হইয়া আছো। বউর লগে ভাব ক্যামুন। চালতাছে

ক্যামন? অ্যা?]

 

রাগ ও তাল

রাগঃ 

তালঃ দ্রুত-দাদ্‌রা

Print

সাবিত্রী সমান হও লহ লহ এই আশিষ

বাণী

সাবিত্রী সমান হও, লহ লহ এই আশিষ।

শ্বশুর শাশুড়ির মা বাপের, কুলের তারা হয়ে হাসিস।।

রামের মত স্বামী পাস, সতী হ’স সীতার সম

দশরথ কৌশল্যার মত শ্বশুর শাশুড়ি অনুপম।

লক্ষ্মণ সম দেবর পেয়ে সুখের সায়রে ভাসিস।।

গোয়ালে গরু, মরায়ে ধান সিঁথেয় সিঁদুর, মুখে পান

আল্‌তা পায়ে চির-এয়োতি যায় সুখে দিন এক সমান

অন্নপূর্ণা জগৎ জীবের মা হয়ে ফিরে আসিস।।

সভা-উজ্জ্বল জামাই পাস ভুবন-উজ্জ্বল দুঃখ পাস

ধরার মত সহ্য পাস জন্মায়স্তে কাল কাটাস।

পাকা চুলে পরিস্ সিঁদুর হয়ে থাকিস্ স্বামীর গো।

বেঁচে থাকিস্ যতকাল অক্ষয় থাক তোর হাতের নো।

পুত্র দিয়ে স্বামীর কোলে গঙ্গাজলে দেহ রাখিস।।

 

নাটিকাঃ ‘পুতুলের বিয়ে’

রাগ ও তাল

রাগঃ 

তালঃ ফের্‌তা

Print

লাল টুক্‌টুক্‌ মুখে হাসি মুখখানি টুলটুল

বাণী

লাল টুক্‌টুক্‌ মুখে হাসি মুখখানি টুলটুল।

বিনি পানে রঙ দেখে যায় লাল-ঝুঁটি বুলবুল।।

দেখতে আমার, খুকুর বিয়ে

সূয্যি ওঠেন উদয় দিয়ে,

চাঁদ ওঠে ঐ প্রদীপ নিয়ে গায় নদী কুল্‌কুল্‌।।

 

নাটিকাঃ ‘পুতুলের বিয়ে’

রাগ ও তাল

রাগঃ 

তালঃ দ্রুত-দাদ্‌রা

Print

মিলন-গোধূলি রাঙা হয়ে এলো ঐ সোনার গগনময়

বাণী

মিলন-গোধূলি রাঙা হয়ে এলো ঐ সোনার গগনময়।

দাও আশিস অভয়, হে দেব জ্যোতির্ময়।।

মিলিল আবার দুইটি প্রাণ

কত যুগ পরে, হে ভগবান

সার্থক কর, হে মনোহর, এ মিলন অক্ষয়

যেন চির-সুখী হয়, হে দেব জ্যেতির্ময়।।

 

নাটিকাঃ ‌‘পুতুলের বিয়ে’

রাগ ও তাল

রাগঃ 

তালঃ দাদ্‌রা

Print

নিখিল ঘুমে অচেতন সহসা শুনিনু আজান

বাণী

নিখিল ঘুমে অচেতন সহসা শুনিনু আজান

শুনি’ সে তকবিরের ধ্বনি আকুল হল মন-প্রাণ

বাহিরে হেরিনু আসি বেহেশতী রৌশনীতে রে

ছেয়েছে জমিন ও আসমান

আনন্দে গাহিয়া ফেরে ফেরেশ্‌তা হুর গেলেমান –

এলো কে, কে এলো ভুলোকে! দুনিয়া দুলিয়া উঠিল পুলকে।।

তাপীর বন্ধু, পাপীর ত্রাতা, ভয়-ভীত পীড়িতের শরণ-দাতা

মুকের ভাষা নিরাশার আশা, ব্যথার শান্তি, সান্ত্বনা শোকে

এলো কে ভোরের আলোকে।।

দরুদ পড় সবে : সাল্লে আলা, মোহাম্মদ মোস্তফা সাল্লে আলা।

কেহ বলে, এলো মোর কম্‌লিওয়ালা - খোদার হাবীব কেহ কয় নিরালা

মোহাম্মদ মোস্তফা সাল্লে আলা।

কেহ বলে, আহমদ নাম মধু ঢালা - মোহাম্মদ মোস্তফা সাল্লে আলা।

মজনুঁরও চেয়ে হল দীওয়ানা সবে, নাচে গায় নামের নেশায় ঝোঁকে।।

রাগ ও তাল

রাগঃ 

তালঃ কাহার্‌বা

লগইন

বাণী দেখা হয়েছে

গানের বাণী দেখা হয়েছে 1553641 বার

ওয়েব সাইটটি দেখা হয়েছে

ওয়েব সাইটটি দেখা হয়েছে 3755880 বার