নোটিশ বোর্ড

নজরুল সংগীতে অমূল্য অবদান রেখে যাওয়া বিশিষ্ট নজরুল সংগীত শিল্পী সুধীন দাসের মৃত্যুতে গভীর শ্রদ্ধা ও শোক জ্ঞাপন করছি।

গান শুনুন

সকল গানের বাণী

Print

তোমায় কূলে তুলে বন্ধু আমি নামলাম জলে


বাণী

তোমায় কূলে তুলে বন্ধু আমি নামলাম জলে।
আমি কাঁটা হয়ে রই নাই বন্ধু তোমার পথের তলে॥
আমি তোমায় ফুল দিয়েছি কন্যা তোমার বন্ধুর লাগি’
যদি আমার শ্বাসে শুকায় সে ফুল তাই হলাম বিবাগী।
আমি বুকের তলায় রাখি তোমায় গো, ওরে শুকায়নি ক’ গলে॥
(ওই) যে-দেশ তোমার ঘর্‌ রে বন্ধু সে দেশ হতে এসে,
আমার দুখের তরী দিছি ছেড়ে, (বন্ধু) চলতেছে সে ভেসে।
এখন যে-পথে নাই তুমি বন্ধু গো, তরী সেই পথে মোর চলে॥

রাগ ও তাল

রাগঃ
তালঃ কাহার্‌বা

Print

তোমায় দেখি নিতুই চেয়ে চেয়ে


বাণী

স্ত্রী    :    তোমায় দেখি নিতুই চেয়ে চেয়ে
        ওগো অচেনা বিদেশি নেয়ে॥
পুরুষ    :    যেতে এই পথে তরী বেয়ে
        দেখি নদীর ধারে তোমায় বারে বারে
            সজল কাজল বরণী মেয়ে॥
স্ত্রী    :    তোমার তরণীর আসার আশায়
        বসে থাকি কূলে কলস ভেসে যায়।
পুরুষ    :    তুমি পরো যে শাড়ি ভিন গাঁয়ের নারী
        আমি নাও বেয়ে যাই তারি সারি গান গেয়ে।
স্ত্রী    :    গাগরির গলায় মালা জড়ায়ে
        দিই তোমার তরে বঁধু স্রোতে ভাসায়ে॥
পুরুষ    :    সেই মালা চাহি’, নিতি এই পথে গো
                আমি তরী বাহি।
উভয়ে    :    মোরা এক তরীতে একই নদীর স্রোতে
                যাব অকূলে ধেয়ে॥

রাগ ও তাল

রাগঃ
তালঃ ফের্‌তা

Print

তোর কালো রূপ দেখতে মাগো


বাণী

(মাগো)    তোর কালো রূপ দেখতে মাগো, কাল্ হ’ল মোর আঁখি,
চোখের ফাঁকে যাস পালিয়ে মা তুই কালো পাখি॥
আমার নয়ন দুয়ার বন্ধ ক’রে এই দেহ পিঞ্জরে,
চঞ্চলা গো বুকের মাঝে রাখি তোরে ধ’রে;
চোখ্ চেয়ে তাই খুঁজে বেড়াই পাই না ভুবন ভ’রে
সাধ যায় মা জন্ম জন্ম অন্ধ হ’য়ে থাকি॥
কালো রূপের বিজলি চমক কোটি লোকের জ্যোতি,
অনন্ত তোর কালোতে মা সকল আলোর গতি।
তোর কালো রূপ কে বলে মা ‘তমঃ’,
ঐ রূপে তুই মহাকালি মাগো নমঃ নমঃ
তুই    আলোর আড়াল টেনে মাগো দিস্ না মোরে ফাঁকি॥

রাগ ও তাল

রাগঃ
তালঃ দাদ্‌রা

Print

তোরা দেখে যা আমিনা মায়ের কোলে

বাণী

তোরা দেখে যা আমিনা মায়ের কোলে

মধু পূর্ণিমারি সেথা চাঁদ দোলে

যেন ঊষার কোলে রাঙা-রবি দোলে।।

কূল মখ্‌লুকে আজি ধ্বনি ওঠে, কে এলো ঐ

কলেমা শাহাদাতের্‌ বাণী ঠোঁটে, কে এলা ঐ

খোদার জ্যোতি পেশানিতে ফোটে, কে এলো ঐ

আকাশ-গ্রহ-তারা পড়ে লুটে, কে এলা ঐ

পড়ে দরুদ ফেরেশ্‌তা, বেহেশ্‌তে সব দুয়ার খোলে।।

মানুষে মানুষের অধিকার দিল যে-জন

এক আল্লাহ্‌ ছাড়া প্রভু নাই কহিল যে-জন,

মানুষের লাগি চির-দীন্‌ বেশ ধরিল যে-জন

বাদশা ফকিরে এক শামিল করিল যে-জন

এলো ধরায় ধরা দিতে সেই সে নবী

ব্যথিত-মানবের ধ্যানের ছবি

আজি মাতিল বিশ্ব-নিখিল্‌ মুক্তি-কলোরোলে।।

রাগ ও তাল

রাগঃ চর্জ্যু কি মল্লার

তালঃ দ্রুত-দাদ্‌রা

 

Print

তোরা বলিস্ লো সখি মাধবে মথুরায়


বাণী

তোরা বলিস্ লো সখি, মাধবে মথুরায়
কেমনে রাধার কাঁদিয়া বরষ যায়॥
খর-বৈশাখে কি দাহন থাকে বিরহিণী একা জানে
ঘৃত-চন্দন পদ্ম পাতায় দারুণ দহন-জ্বালা না জুড়ায়
‘ফটিক জলে’র সাথে আমি কাঁদি চাহিয়া গগন-পানে।
জ্বালা না জুড়ায় গো –
হরি-চন্দন বিনা ঘৃত-চন্দনে জ্বালা না জুড়ায় গো
শ্যাম-শ্রীমুখ-পদ্ম বিনা পদ্ম পাতায় জ্বালা না জুড়ায়॥
বরষায় অবিরল ঝর ঝর ঝরে জল জুড়াইল জগতের নারী
রাধার গলার মালা হইল বিজলি-জ্বালা তৃষ্ণা মিটিল না তা’রি!
সখি রে, তৃষ্ণা মিটিল না তা’রি।
প্রবাসে না যায় পতি সব নারী ভাগ্যবতী বন্ধু রে বাহুডোরে বাঁধে
ললাটে কাঁকন হানি’ একা রাধা অভাগিনী প্রদীপ নিভায়ে ঘরে কাঁদে।
জ্বালা তা’র জুড়ালো না জলে গো
শাওনের জলে তা’র মনের আগুন দ্বিগুণ জ্বলে গো
কৃষ্ণ-মেঘ গেছে চ’লে, অকরুণ অশনি হানিয়া হিয়ায় (সখি)॥
আশ্বিনে পরবাসী প্রিয় এলো ঘরে গো মিটিল বধূর মন-সাধ (সখি রে)
রাধার চোখের জলে মলিন হইয়া যায় কোজাগরী চাঁদ (মলিন হইয়া যায় গো)।
আগুন জ্বালালে শীত যায় নাকি রাধার কি হ’ল হায়
বুক ভরা তার জ্বলিছে আগুন তবু শীত নাহি যায়।
যায় না, যায় না আগুন জ্বলে –
বুকের আগুন জলে, তবু শীত যায় না, যায় না,
শীত যদি বা যায় নিশীথ না, যায় গো
যায় না, যায় না, রাধার যে কি হ’ল হায়॥
কলিয়া কৃষ্ণ-ছূড়া, ছড়ায়ে ফাগের গুঁড়া আসিল বসন্ত
রাধা-অনুরাগে রেঙে কে ফাগ খেলিবে গো, নাই ব্রজ-কিশোর দুরন্ত।
মাধবী-কুঞ্জে কুহু কুহরিছে মুহুমুহু ফুল-দোলনায় সবে দোলে,
এ মধু মাধবী রাতে রাধার মাধব নাই
দুলিবে রাধা কার কোলে সখি রে -  রাধা দোলে কার কোলে গো
শ্যাম-বল্লভ বিনা রাধা দোলে কার কোলে গো, বল্ সখি, দোলে কার কোলে।
ফুল-দোলে দোলে সবে পিয়াল-শাখে
রাধার প্রিয়া নাই, বাহু দু’টি দিয়া বাঁধিবে কাহাকে,
ঝরা-ফুল-সাথে রাধা ধূলাতে লুটায়॥

রাগ ও তাল

রাগঃ
তালঃ ফের্‌তা

Print

তোরা যারে এখনি হালিমার কাছে লয়ে


বাণী

তোরা যারে এখনি হালিমার কাছে লয়ে ক্ষীর সর ননী
আমি খোয়াবে দেখেছি কাঁদিছে মা বলে আমার নয়ন-মণি॥
    মোর শিশু আহমদে যেদিন কাঁদিয়া
    হালিমার হাতে দিয়াছি সঁপিয়া
সেই দিন হ’তে কেঁদে কেঁদে মোর কাটিছে দিন রজনী॥
পিতৃহীন সে সন্তান হায় বঞ্চিত মা’র স্নেহে
তারে ফেলে দূরে কোল খালি করে (আমি) থাকিতে পারি না গেহে।
    অভাগিনী তার মা আমিনায়
    মনে করে সে কি আজো কাঁদে হায়
বলিস তাহারি আসার আশায় দিবানিশি দিন গণি॥

রাগ ও তাল

রাগঃ
তালঃ দাদ্‌রা

Print

তোরা সব জয়ধ্বনি কর

বাণী

তোরা সব জয়ধ্বনি কর!

তোরা সব জয়ধ্বনি কর!

নূতনের কেতন ওড়ে কালবোশেখির ঝড়

তোরা সব জয়ধ্বনি কর!!

আস্‌ল এবার অনাগত প্রলয়নেশায় নৃত্যপাগল,

সিন্ধুপারের সিংহদ্বারে ধমক হেনে ভাঙল আগল!

মৃত্যুগহন অন্ধকুপে, মহাকালের চন্ডরূপে ধূম্রধূপে

বজ্রশিখার মশাল জ্বেলে আসছে ভয়ংকর!

ওরে ওই হাসছে ভয়ংকর!

তোরা সব জয়ধ্বনি কর!!

দ্বাদশ রবির বহ্নিজ্বালা ভয়াল তাহার নয়নকটায়,

দিগন্তরের কাঁদন লুটায় পিঙ্গল তার ত্রস্ত জটায়!

বিন্দু তাহার নয়ন জলে

সপ্ত মহাসিন্ধু দোলে

কপোলতলে!

বিশ্ব মায়ের আসন তারই বিপুল বাহুর পর

হাঁকে ঐ জয় প্রলয়ংকর!

তোরা সব জয়ধ্বনি কর!!

মাভৈঃ, ওরে মাভৈঃ, মাভৈঃ, মাভৈঃ জগৎ জুড়ে প্রলয় এবার ঘনিয়ে আসে

জরায়মরা মুমূর্ষুদের প্রাণলুকানো ঐ বিনাশে।

এবার মহানিশার শেষে

আসবে ঊষা অরুণ হেসে

করুণ্ বেশে!

দিগম্বরের জটায় লুটায় শিশুচাঁদের কর!

আলো তার ভরবে এবার ঘর!

তোরা সব জয়ধ্বনি কর!!

রাগ ও তাল

রাগঃ মালকোষ-ভৈরব-মেঘ-বসন্ত-হিন্দোল-শ্রী-পঞ্চম-নটনারায়ণ

তালঃ দ্রুতদাদ্‌রা


অডিও

শিল্পীঃ স্বাগতালক্ষী

 

Print

তৌহিদেরি বান ডেকেছে সাহারা মরুর দেশে


বাণী

তৌহিদেরি বান ডেকেছে সাহারা মরুর দেশে

দুনিয়া জাহান ডুবু-ডুবু সেই স্রোতে যায় ভেসে।।

সেই জোয়ারে আমার নবী পারের তরী নিয়ে

'আয় কে যাবি পারে'-ডাকে দ্বারে দ্বারে গিয়ে

যে চায় না তারেও নেয় সে নায়ে আপনি ভালবেসে।।

পথ দেখায় সে ঈদের চাঁদের পিদিম নিয়ে হাতে

হেসে,হেসে,দাঁড় টানে চার আসহাব তাঁরি সাথে

নামাজ-রোজার,ফুল-ফসলে শ্যামল হল মরু

প্রেমের রসে উঠল পুরে নীরস মনের তরু

খোদার রহম এলো রে আখেরি নবীর বেশে।।


রাগ ও তাল

রাগঃ

তালঃ কাহারবা

লগইন

বাণী দেখা হয়েছে

গানের বাণী দেখা হয়েছে 1735842 বার

ওয়েব সাইটটি দেখা হয়েছে

ওয়েব সাইটটি দেখা হয়েছে 3933845 বার