নোটিশ বোর্ড

সম্মানিত অতিথি আপনার প্রিয় নজরুলগীতিটি এই ওয়েব সাইটে খুঁজে না পেলে অনুগ্রহ করে আমাদের জানান। আমরা যথাশীঘ্র সেইটি সংযোজন করার চেষ্টা করবো।

গান শুনুন

সকল গানের বাণী

Print

তোমারে চেয়েছি কত যুগ যুগ ধরি প্রিয়া


বাণী

পুরুষ    :    তোমারে চেয়েছি কত যুগ যুগ ধরি প্রিয়া।
স্ত্রী    :    এসেছি তাই ফিরে পুন পথিকের প্রীতি নিয়া॥
পুরুষ    :    তোমার নয়নে তাই চাহি ফিরে ফিরে,
স্ত্রী    :    হের তব ছবি প্রিয় মোর আঁখি নীরে।
উভয়ে    :    কত জনম শেষে এসেছি ধরণী তীরে
        কার অভিশাপে ছিনু হায় চির পাশরিয়া॥
স্ত্রী    :    আরো প্রিয় আরো হাতে এ নব বাসর রাতে,
পুরুষ    :    যেয়ো না স্বপন সম মিশায়ে নিশীথ প্রাতে।
স্ত্রী    :    তারার দীপালি জ্বলে হের গো গগন তলে
পুরুষ    :    হের শুক্লা একাদশী চাঁদের তরণী দোলে,
উভয়ে    :    মোদের মিলন হেরি নিখিল ওঠে দুলিয়া॥

রাগ ও তাল

রাগঃ
তালঃ ফের্‌তা

Print

তোমারেই আমি চাহিয়াছি প্রিয়

বাণী

তোমারেই আমি চাহিয়াছি প্রিয় শতরূপে শতবার।
জনমে জনমে চলে তাই মোর অনন্ত অভিসার।।
		বনে তুমি যবে ছিলে বনফুল
		গেয়েছিনু গান আমি বুল্‌বুল্‌,
ছিলাম তোমার পূজার থালায় চন্দন ফুলহার।।
তব সংগীতে আমি ছিনু সুর নৃত্যে নূপুর–ছন্দ,
আমি ছিনু তব অমরাবতীতে পারিজাত ফুল–গন্ধ।
		কত বসন্তে কত বরষায়
		খুঁজেছি তোমায় তারায় তারায়,
আজিও এসেছি তেমনি আশায় ল’য়ে স্মৃতি–সম্ভার।।

রাগ ও তাল

রাগঃ ভৈরবী

তালঃ কাহার্‌বা

ভিডিও

Print

তোমায় আমায় মিল খেয়েছে ও প্রেয়সী রাজ-যোটক

বাণী

তোমায় আমায় মিল খেয়েছে ও প্রেয়সী রাজ-যোটক।

আমি যেন গোদা চরণ তুমি তাহে বিষ্ফোটক।।

আমি কুম্‌ড়ো তুমি দা, আমি কাঁচকলা তুমি আদা,

তুমি তেজী, (আর) আমি ম্যাদা,

আমিসাপ, তুমি বেজি যেন, বাপ! তুমি হস্তিনী আমি ঘোটক।।

তুমি বঁটী আমি চিচিঙ্গে, আমি চিল, পিছে তুমি ফিঙে

আমি টিঙ্ টিঙে, (আর) তুমি ডিঙ্ ডিঙে

প্রিয়েআমি ভেতো বাঙালিটি, তুমি যেন বর্গী-ঠগ্‌।।

আমি দাড়ি তুমি ক্ষুর, তুমি সাপ আমি ল্যাজুড়,

তুমি মাফ, আমি কসুর

আমি ভাঙা ভোঙা কলার ভেলা তুমি খিদিরপুরের ডক্।।

তুমি বঁড়্ শি আমি মাছ; আমি মোম্ তুমি আগুন-আঁচ,

তুমি আমার হাতের পাঁচ

তুমি আর জনমে স্বামী হয়ো আমায় দিও পদোদক।।

রাগ ও তাল

রাগঃ

তালঃ দ্রুত-দাদ্‌রা

Print

তোমায় কূলে তুলে বন্ধু আমি নামলাম জলে


বাণী

তোমায় কূলে তুলে বন্ধু আমি নামলাম জলে।
আমি কাঁটা হয়ে রই নাই বন্ধু তোমার পথের তলে॥
আমি তোমায় ফুল দিয়েছি কন্যা তোমার বন্ধুর লাগি’
যদি আমার শ্বাসে শুকায় সে ফুল তাই হলাম বিবাগী।
আমি বুকের তলায় রাখি তোমায় গো, ওরে শুকায়নি ক’ গলে॥
(ওই) যে-দেশ তোমার ঘর্‌ রে বন্ধু সে দেশ হতে এসে,
আমার দুখের তরী দিছি ছেড়ে, (বন্ধু) চলতেছে সে ভেসে।
এখন যে-পথে নাই তুমি বন্ধু গো, তরী সেই পথে মোর চলে॥

রাগ ও তাল

রাগঃ
তালঃ কাহার্‌বা

Print

তোমায় দেখি নিতুই চেয়ে চেয়ে


বাণী

স্ত্রী    :    তোমায় দেখি নিতুই চেয়ে চেয়ে
        ওগো অচেনা বিদেশি নেয়ে॥
পুরুষ    :    যেতে এই পথে তরী বেয়ে
        দেখি নদীর ধারে তোমায় বারে বারে
            সজল কাজল বরণী মেয়ে॥
স্ত্রী    :    তোমার তরণীর আসার আশায়
        বসে থাকি কূলে কলস ভেসে যায়।
পুরুষ    :    তুমি পরো যে শাড়ি ভিন গাঁয়ের নারী
        আমি নাও বেয়ে যাই তারি সারি গান গেয়ে।
স্ত্রী    :    গাগরির গলায় মালা জড়ায়ে
        দিই তোমার তরে বঁধু স্রোতে ভাসায়ে॥
পুরুষ    :    সেই মালা চাহি’, নিতি এই পথে গো
                আমি তরী বাহি।
উভয়ে    :    মোরা এক তরীতে একই নদীর স্রোতে
                যাব অকূলে ধেয়ে॥

রাগ ও তাল

রাগঃ
তালঃ ফের্‌তা

Print

তোর কালো রূপ দেখতে মাগো


বাণী

(মাগো)    তোর কালো রূপ দেখতে মাগো, কাল্ হ’ল মোর আঁখি,
চোখের ফাঁকে যাস পালিয়ে মা তুই কালো পাখি॥
আমার নয়ন দুয়ার বন্ধ ক’রে এই দেহ পিঞ্জরে,
চঞ্চলা গো বুকের মাঝে রাখি তোরে ধ’রে;
চোখ্ চেয়ে তাই খুঁজে বেড়াই পাই না ভুবন ভ’রে
সাধ যায় মা জন্ম জন্ম অন্ধ হ’য়ে থাকি॥
কালো রূপের বিজলি চমক কোটি লোকের জ্যোতি,
অনন্ত তোর কালোতে মা সকল আলোর গতি।
তোর কালো রূপ কে বলে মা ‘তমঃ’,
ঐ রূপে তুই মহাকালি মাগো নমঃ নমঃ
তুই    আলোর আড়াল টেনে মাগো দিস্ না মোরে ফাঁকি॥

রাগ ও তাল

রাগঃ
তালঃ দাদ্‌রা

Print

তোরা দেখে যা আমিনা মায়ের কোলে

বাণী

তোরা দেখে যা আমিনা মায়ের কোলে
মধু পূর্ণিমারি সেথা চাঁদ দোলে
যেন ঊষার কোলে রাঙা-রবি দোলে।।
কূল মখ্‌লুকে আজি ধ্বনি ওঠে, কে এলো ঐ
কলেমা শাহাদাতের্‌ বাণী ঠোঁটে, কে এলা ঐ
খোদার জ্যোতি পেশানিতে ফোটে, কে এলো ঐ
আকাশ-গ্রহ-তারা পড়ে লুটে, কে এলা ঐ
পড়ে দরুদ ফেরেশ্‌তা, বেহেশ্‌তে সব দুয়ার খোলে।।
মানুষে মানুষের অধিকার দিল যে-জন
‘এক আল্লাহ্‌ ছাড়া প্রভু নাই’ কহিল যে-জন,
মানুষের লাগি’ চির-দীন্‌ বেশ ধরিল যে-জন
বাদশা ফকিরে এক শামিল করিল যে-জন
এলো ধরায় ধরা দিতে সেই সে নবী
ব্যথিত-মানবের ধ্যানের ছবি
আজি মাতিল বিশ্ব-নিখিল্‌ মুক্তি-কলোরোলে।।

রাগ ও তাল

রাগঃ

তালঃ দ্রুত-দাদ্‌রা

ভিডিও

Print

তোরা বলিস্ লো সখি মাধবে মথুরায়


বাণী

তোরা বলিস্ লো সখি, মাধবে মথুরায়
কেমনে রাধার কাঁদিয়া বরষ যায়॥
খর-বৈশাখে কি দাহন থাকে বিরহিণী একা জানে
ঘৃত-চন্দন পদ্ম পাতায় দারুণ দহন-জ্বালা না জুড়ায়
‘ফটিক জলে’র সাথে আমি কাঁদি চাহিয়া গগন-পানে।
জ্বালা না জুড়ায় গো –
হরি-চন্দন বিনা ঘৃত-চন্দনে জ্বালা না জুড়ায় গো
শ্যাম-শ্রীমুখ-পদ্ম বিনা পদ্ম পাতায় জ্বালা না জুড়ায়॥
বরষায় অবিরল ঝর ঝর ঝরে জল জুড়াইল জগতের নারী
রাধার গলার মালা হইল বিজলি-জ্বালা তৃষ্ণা মিটিল না তা’রি!
সখি রে, তৃষ্ণা মিটিল না তা’রি।
প্রবাসে না যায় পতি সব নারী ভাগ্যবতী বন্ধু রে বাহুডোরে বাঁধে
ললাটে কাঁকন হানি’ একা রাধা অভাগিনী প্রদীপ নিভায়ে ঘরে কাঁদে।
জ্বালা তা’র জুড়ালো না জলে গো
শাওনের জলে তা’র মনের আগুন দ্বিগুণ জ্বলে গো
কৃষ্ণ-মেঘ গেছে চ’লে, অকরুণ অশনি হানিয়া হিয়ায় (সখি)॥
আশ্বিনে পরবাসী প্রিয় এলো ঘরে গো মিটিল বধূর মন-সাধ (সখি রে)
রাধার চোখের জলে মলিন হইয়া যায় কোজাগরী চাঁদ (মলিন হইয়া যায় গো)।
আগুন জ্বালালে শীত যায় নাকি রাধার কি হ’ল হায়
বুক ভরা তার জ্বলিছে আগুন তবু শীত নাহি যায়।
যায় না, যায় না আগুন জ্বলে –
বুকের আগুন জলে, তবু শীত যায় না, যায় না,
শীত যদি বা যায় নিশীথ না, যায় গো
যায় না, যায় না, রাধার যে কি হ’ল হায়॥
কলিয়া কৃষ্ণ-ছূড়া, ছড়ায়ে ফাগের গুঁড়া আসিল বসন্ত
রাধা-অনুরাগে রেঙে কে ফাগ খেলিবে গো, নাই ব্রজ-কিশোর দুরন্ত।
মাধবী-কুঞ্জে কুহু কুহরিছে মুহুমুহু ফুল-দোলনায় সবে দোলে,
এ মধু মাধবী রাতে রাধার মাধব নাই
দুলিবে রাধা কার কোলে সখি রে -  রাধা দোলে কার কোলে গো
শ্যাম-বল্লভ বিনা রাধা দোলে কার কোলে গো, বল্ সখি, দোলে কার কোলে।
ফুল-দোলে দোলে সবে পিয়াল-শাখে
রাধার প্রিয়া নাই, বাহু দু’টি দিয়া বাঁধিবে কাহাকে,
ঝরা-ফুল-সাথে রাধা ধূলাতে লুটায়॥

রাগ ও তাল

রাগঃ
তালঃ ফের্‌তা

লগইন

বাণী দেখা হয়েছে

গানের বাণী দেখা হয়েছে 3231964 বার

ওয়েব সাইটটি দেখা হয়েছে

ওয়েব সাইটটি দেখা হয়েছে 5427521 বার