নোটিশ বোর্ড

নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

গান শুনুন

সকল গানের বাণী

Print

দেশে দেশে গেয়ে বেড়াই তোমার নামের গান

বাণী

দেশে দেশে গেয়ে বেড়াই তোমার নামের গান

হে খোদা, এ যে তোমারই হুকুম, তোমারই ফরমান।।

এমনি তোমার নামের আছর –

নামাজ রোজার নাই অবসর,

তোমার নামের নেশায় সদা মশগুল মোর প্রাণ।।

তকদিরে মোর এই লিখেছ হাজার গানের সুরে

নিত্য দিব তোমার আজান আঁধার মিনার-চূড়ে।

কাজের মাঝে হাটের পথে

রণ-ভূমে এবাদতে

আমি তোমার নাম শোনাব, করব শক্তি দান।।

রাগ ও তাল

রাগঃ 

তালঃ কাহার্‌বা

Print

দোলে কুলন দোলায় দোলে নওল কিশোর


বাণী

দোলে কুলন দোলায় দোলে নওল কিশোর গিরিধারী হরষে।।

মৃদঙ্গ বাজেনভোচারী মেঘে বারিধারা রুমু ঝুমু বরষে।।

      নাচে ময়ুর নাচে কুরঙ্গ

      কাজরি গাহে বন বিহঙ্গ

যমুনা-জলে বাজে জলতরঙ্গ শ্যামসুন্দর রূপ দরশে।।


রাগ ও তাল

রাগঃ

তালঃ ধামার

Print

দোপাটি লো, লো করবী


বাণী

দোপাটি লো, লো করবী , নেই সুরভি রূপ আছে

রঙের পাগল রূপ পিয়াসি সেই ভালো আমার কাছে।।

     গন্ধ ফুলের জলসাতে তোর

     গুণীর সভায় নেইকে আদর

গুল্ম বনে দুল হয়ে তুই, দুলিস একা ফুল গাছে।।

লাজুক মেয়ে পল্লী বধূ জল নিতে যায় একলাটি

করবী নেয় কবরীতে বেণীর শেষে দোপাটি

     গন্ধ ল'য়ে স্নিগ্ধ মিঠে

     আলো ক'রে থাকিস ভিটে,

নেই সুবাস, আছে গায়ে কাঁটা, সেই গরবে মন নাচে।।


রাগ ও তাল

রাগঃ ভৈরবী

তালঃ দাদরা

Print

দোলা লাগিল দখিনার বনে বনে


বাণী

দোলা লাগিল দখিনার বনে বনে
বাঁশরি বাজিল ছায়ানটে মনে মনে॥
    চিত্তে চপল নৃত্যে কে
    ছন্দে ছন্দে যায় ডেকে;
যৌবনের বিহঙ্গ ঐ ডেকে ওঠে ক্ষণে ক্ষণে॥
বাজে বিজয়-ডঙ্কা তারই এলো তরুণ ফাল্গুনী,
জাগো ঘুমন্ত – দিকে দিকে ঐ গান শুনি’।
    টুটিল সব অন্ধকার –
    খোলো খোলো বন্ধ দ্বার;
বাহিরে কে যাবি আয় সে শুধায় জনে জনে॥

রাগ ও তাল

রাগঃ ছায়ানট
তালঃ একতাল

Print

দোলে প্রাণের কোলে প্রভূর নামের মালা


বাণী

দোলে প্রাণের কোলে প্রভূর নামের মালা।

সকাল সাঁঝে সকল কাজে জপি সে নাম নিরালা।।

সেই নাম বসন -ভূষণ আমারি

সেই নামে ক্ষুধা-তৃষ্ণা নিবারি,

সেই নাম লয়ে বেড়াই কেঁদে

     সেই নামে আবার জুড়াই জ্বালা।।

সেই নামরেই নামাবলী গ্রহ তারা রবি শশী দোলে গগন কোলে।

     মধুর সেই নাম প্রাণে সদা বাজে,

     মন লাগে না সংসার কাজে

           সে নামে সদা মন মাতোয়ালা।।

আদর-সোহাগ মান -অভিমান আপন মনে তার সাথে;

     কাঁদায়ে কাঁদি, পায়ে ধ'রে সাধি,

     কভু করি পূজা, কভু বুকে বাঁধি,

     আমার স্বামী সে ভুবন-উজালা।।


রাগ ও তাল

রাগঃ ভূপালি মিশ্র

তালঃ কাহারবা

Print

দোলে বন-তমালের ঝুলনাতে


বাণী

দোলে বন-তমালের ঝুলনাতে কিশোরী-কিশোর

চাঁদে দুঁহু দোঁহার মুখপানে চন্দ্র ও চকোর,

যেন চন্দ্র ও চকোর প্রেম-আবেশে বিভোর।।

মেঘ-মৃদঙ বাজে সেই জূরণৈল ছন্দে

রিম ঝিম বারিধারা ঝরে আনন্দে

হেরিতে যুগল শ্রীমুখ চন্দে

গগনে ঘেরিয়া এলো ঘন-ঘটা ঘোর।।

নব নীরদ দরশনে চাতকিনী প্রায়

ব্রজ-গোপিনী শ্যমরূপে তৃষ্ণা মিটায়

গাহে বন্দনা-গান দেব-দেবী অলকায়

ঝরে বৃষ্টিতে সৃষ্টির প্রেমাশ্রু-লোর।।


রাগ ও তাল

রাগঃ

তালঃ কাহারবা

Print

দয়া ক’রে দয়াময়ী ফাঁসিয়ে দে এই ভুঁড়ি


বাণী

[ ওমা - ভুঁড়ি নিয়ে গেলাম মা -  ওমা -  মা-মা-মা ]

দয়া ক’রে দয়াময়ী ফাঁসিয়ে দে এই ভুঁড়ি
এ ভুঁড়ি তো নয় ভূধর যেন উদর প্রদেশ জুড়ি॥
ক্রমেই ভুঁড়ির পরিধি মা যাচ্ছে ছেড়ে দেহের সীমা
আমার হাত পা রইল বাঙালি ওমা পেট হল ভোজপুরী॥
উপুড় হতে নারি মাগো সর্বদা চিৎপাৎ
ভয় লাগে কাৎ হলেই বুঝি হব কুপোকাৎ
শালীরা কয় হায় রে বিধি রোলার বিয়ে করলেন দিদি
গুঁড়ি ভেবে ঠেস দেয় কেউ কেউ দেয় সুড়সুড়ি॥
(আর) ভুঁড়ি চলে আগে আগে আমি চলি পিছে
কুমড়ো গড়ান গড়িয়ে পড়ি নামতে সিঁড়ির নীচে।
পেট কি ক্রমে ফুলে ফেঁপে উঠবে মাগো মাথা ছেপে
(ওগো)     কেউ নাদা কয় কেউ গম্বুজ (বলে) কেউবা গোবর ঝুড়ি।
গাড়িতে মা যেই উঠেছি ভুঁড়ি লাগায় লম্ফ
ভুমিকম্পের চেয়েও ভীষণ আমার ভুঁড়ি কম্প।
সার্ট ক্রমে পেটে এঁটে গেঞ্জি হয়ে গেল সেঁটে
দে ভুঁড়ির ময়দা ফেটে হাত পা গুলো ছুড়ি
হালকা হয়ে মনের সুখে হাত পা গুলো ছুড়ি
এই ভুঁড়ির ময়দা ফেটে দে
ফায়দা কি আর এই ভুঁড়িতে ময়দা ফেটে দে
হালকা হয়ে মনের সুখে ওমা, হাত-পাগুলো ছুড়ি॥

রাগ ও তাল

রাগঃ
তালঃ ফের্‌তা

লগইন

বাণী দেখা হয়েছে

গানের বাণী দেখা হয়েছে 1593209 বার

ওয়েব সাইটটি দেখা হয়েছে

ওয়েব সাইটটি দেখা হয়েছে 3795321 বার