নোটিশ বোর্ড

কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

গান শুনুন

সকল গানের বাণী

Print

ব'লো বঁধুয়ারে নিরজনে


বাণী

(সখি) ব'লো বঁধুয়ারে নিরজনে

 

দেখা হ'লে রাতে ফুল-বনে।।

 

কে করে ফুল চুরি জেনেছে ফুলমালী

 

কে দেয় গহীন রাতে ফুলের কুলে কালি

 

জেনেছে ফুলমালী গোপনে।।

 

ও-পথে চোর-কাঁটা, সখি, তায় বলে দিও

 

বেঁধে না বেঁধে না লো যেন তার উত্তরীয়

 

এ বনফুল লাগি' না আসে কাঁটা' দলি'

 

আপনি যাব চলি' বঁধুয়ার কুঞ্জ-গলি

 

বিনা মূলে বিকাইব ও-চরণে।।


রাগ ও তাল

রাগঃ খাম্বাজ

তালঃ দাদরা

 

Print

বঁধু তোমার আমার এই যে বিরহ এক জনমের নহে


বাণী

বঁধু, তোমার আমার এই যে বিরহ এক জনমের নহে।

তাই যত কাছে পাই তত এ হিয়ায় কি যেন অভাব রহে।।

     বারে বারে মোরা কত সে ভুবনে আসি

     দেখিয়া নিমেষে দুইজনে ভালোবাসি,

দলিয়া সহসা মিলনের সেই মালা (কেন) চলিয়া গিয়াছি দোঁহে।।

আমরা বুঝি গো বাঁধিব না ঘর, অভিশাপ বিধাতার।

শুধু চেয়ে থাকি, কেঁদে কেঁদে ডাকি, চাঁদ আর পারাবার

                যেন চাঁদ আর পারাবার।

     মোদের জীবন-মঞ্জরি দুটি হায়!

     শতবার ফোটে শতবার ঝ'রে যায়;

আমি কাদি ব্রজে (বঁধু), তুমি কাঁদ মথুরায়, মাঝে অপার যমুনা বহে।।


রাগ ও তাল

রাগঃ

তালঃ দাদরা

Print

বঁধু হে বঁধু ফিরে এসো


বাণী

বঁধু হে
বঁধু ফিরে এসো আজো প্রাণের প্রদীপ রেখেছি আঁচল ঢেকে
বিরহ নিশাসে দীরঘ বাতাসে কেঁপে ওঠে থেকে থেকে।
আর রাখতে নারি, নিবু নিবু দীপ রাখতে নারি
বুঝি আমার পরান প্রদীপ নিভাবে আমারি নয়ন বারি।
বঁধু যমুনারি তীরে আসি ফিরে ফিরে কাঁদি কদম তরু তলে
হেরি বালুচরে বেণু আছে পড়ে ডাকে না আর রাধা বলে।
অভিমানে বাঁশি আমার বুকে আসি’ কেঁদে কেঁদে কহে যেন গো
হরি আরাধিকা রাধিকা এলে যদি শ্রীহরি এলো না কেন গো।
পায়ে পড়ে কাঁদে এসে যমুনারি ঢেউ
বলে রাধা রাধা বলে আর ডাকে না তো কেউ।
জটিলা কুটিলা আজ কলহ ভুলে জড়াইয়া মোরে কাঁদে যমুনা কূলে।
বলে কৃষ্ণ কই লো প্রলয়েরি কালে আর লইব কার নাম।
এই বিরহ যমুনা পার হব কবে বল হে বিরহী মম
গেলে কোন সে গোলকে রহিবে চোখে চোখে
প্রিয়তম হে কৃষ্ণ আঁখি তারা সম॥

রাগ ও তাল

রাগঃ
তালঃ ফের্‌তা

Print

বঁধু, মিটিলনা সাধ

বাণী

বঁধু মিটিলনা সাধ ভালোবাসিয়া তোমায়।

তাই আবার বাসিতে ভালো আসিব ধরায়।।

আবার বিরহে তব কাঁদিব

আবার প্রণয়ডোরে বাঁধিব,

শুধু নিমেষেরি তরে আঁখি দুটি ভরে

তোমারে হেরিয়া ঝরে যাব অবেলায়।।

যে গোধূলিলগ্নে নববধূ হয় নারী,

সেই গোধূলিলগ্নে বঁধু দিল আমারে গেরুয়া শাড়ি।

বঁধু আমার বিরহ তব গানে

‌‌ সুর হয়ে কাঁদে প্রাণে প্রাণে,

আমি নিজে নাহি ধরা দিয়ে

সকলের প্রেম নিয়ে দিনু তব পায়।।

রাগ ও তাল

রাগঃ ভৈরবী

তালঃ কাওয়ালি

 

Print

বউ কথা কও, বউ কথা কও

বাণী

বউ কথা কও, বউ কথা কও, কও কথা অভিমানিনী
সেধে সেধে কেঁদে কেঁদে যাবে কত যামিনী।।
সে কাঁদন শুনি হের নামিল নভে বাদল
এলো পাতার বাতায়নে যুঁই চামেলী কামিনী।।
আমার প্রাণের ভাষা শিখে ডাকে পাখি পিউ কাঁহা
খোঁজে তোমায় মেঘে মেঘে আঁখি মোর সৌদামিনী।।

রাগ ও তাল

রাগঃ ভৈরবীপিলু

তালঃ কাহার্‌বা

 

Print

বকুল চাঁপার বনে কে মোর


বাণী

বকুল চাঁপার বনে কে মোর চাঁদের স্বপন জাগালে

অনুরাগের সোনার রঙে হৃদয়-গগন রাঙালে।।

ঘুমিয়ে ছিলাম কুমুদ-কুঁড়ি বিজন ঝিলের নীল জলে

পূর্ণ শশী তুমি আসি আমার সে ঘুম ভাঙালে।।

হে মায়াবী তোমার ছোঁয়ায় সুন্দর আজ আমার তনু

তোমার মায়া রচিল মোর বাদল মেঘে ইন্দ্র ধনু।

তোমার টানে হে দরদি

দোল খেয়ে যায় কাঁদন-নদী

কূল হারা মোর ভালোবাসা আজকে কূলে লাগালে।।


রাগ ও তাল

রাগঃ মাঢ়

তালঃ কাহার্‌বা

Print

বকুল তলে ব্যাকুল বাঁশি কে বাজায়


বাণী

বকুল তলে ব্যাকুল বাঁশি কে বাজায়
যে বাঁশরি শুনে কিশোরী সহসা যেন গো যৌবন পায়॥
রয় না মন ঘরে সেই বাঁশির সুরে
    দূরে ভেসে যেতে চায়
পরান ঘুরে মরে তাহার রাঙা পায়॥
তারি নূপুর শুনি নিশিদিনই প্রাণে মোর
নিশীথ রাতে আসে পাশে বসে মনোচোর।
তারে কি মালা দিব অশ্রু-মুক্তা গাঁথা
বিছাবো পথে কি তার মরা ফুল ঝরা পাতা
    প্রাণের দীপালি জ্বালি তারি আশায়॥

রাগ ও তাল

রাগঃ মিশ্র পিলু
তালঃ দ্রুত-দাদ্‌রা

Print

বকুল বনের পাখি ডাকিয়া আর ভেঙ্গো না ঘুম


বাণী

বকুল বনের পাখি ডাকিয়া আর ভেঙ্গো না ঘুম
বকুল বাগানে মম, ফুরায়েছে ফুলের মরশুম॥
ওগো,     প্রিয় মোর দূর বিদেশে কারে আর ডাকিছ পাখি
খুলিয়া পড়িছে হাতের, মলিন মালতী রাখি।
নিভিয়া গিয়াছে প্রদীপ রেখে গেছে স্মৃতির ধূম॥
ষোড়শী বাসন্তিকার রঙ দেহে মোর হয়েছে ম্লান।
খেলার সাথী পরদেশে, কারে দিই এ প্রীতির কুম্‌কুম্‌॥

রাগ ও তাল

রাগঃ খাম্বাজ মিশ্র
তালঃ কাহার্‌বা

লগইন

বাণী দেখা হয়েছে

গানের বাণী দেখা হয়েছে 1653351 বার

ওয়েব সাইটটি দেখা হয়েছে

ওয়েব সাইটটি দেখা হয়েছে 3855975 বার