নোটিশ বোর্ড

নজরুল সংগীতে অমূল্য অবদান রেখে যাওয়া বিশিষ্ট নজরুল সংগীত শিল্পী সুধীন দাসের মৃত্যুতে গভীর শ্রদ্ধা ও শোক জ্ঞাপন করছি।

গান শুনুন

সকল গানের বাণী

Print

অকূল তুফানে নাইয়া কর পার


বাণী

অকূল তুফানে নাইয়া কর পার
পাপ দরিয়াতে ডুবে মরি কান্ডারি
নাই কড়ি নাই তরী প্রভু পারে তরিবার।।
থির নহে চিত পাপ-ভীত সদা টলমল
পুণ্যহীন শূন্য মরু সম হৃদি-তল নাহি ফুল নাহি ফল
পার কর হে পার কর ডাকি কাঁদি অবিরল
নাহি সঙ্গী নাহি বন্ধু নাহি পথেরি সম্বল।
সাহারায় নাহি জল
শাওন বরিষা সম তব করুণার ধারা
ঝরিয়া পড়ুক পরানে আমার।।

রাগ ও তাল

রাগঃ
তালঃ ফের্‌তা (দ্রুত-দাদ্‌রা ও কাহার্‌বা)

Print

অগ্নি চঞ্চল-লীলায়িত-দেহা চির-চেনা


বাণী

অগ্নি চঞ্চল-লীলায়িত-দেহা চির-চেনা

ফোটাও মনের বনে তুমি বকুল হেনা।।

   যৌবন-মদ গর্বিতা তন্বী

   আননে জ্যোৎস্না, নয়নে বহ্নি,

তব চরণের পরশ বিনা অশোক তরু মুঞ্জরে না।।

নন্দন-নন্দিনী তুমি দয়িতা চির-আনন্দিতা,

প্রথম কবির প্রথম লেখা তুমি কবিতা

নৃত্য শেষের তব নুপুরগুলি হায়

রয়েছে ছড়ানো আকাশের তারকায়

সুর-লোক-উর্বশী হে বসন্ত-সেনা ! চির-চেনা।।


রাগ ও তাল

রাগঃ সাহানা-বাহার

তালঃ কাহারবা

Print

অগ্নি-ঋষি অগ্নি-বীণা তোমায় শুধু সাজে


বাণী

অগ্নি-ঋষি! অগ্নি-বীণা তোমায় শুধু সাজে;
তাই ত তোমার বহ্নি-রাগেও বেদন-বেহাগ বাজে।।
দহন-বনের গহন-চারী –
হায় ঋষি – কোন্‌ বংশীধারী দেশি
নিঙড়ে আগুন আনলে বারি, অগ্নি-মরুর মাঝে।
সর্বনাশা কোন্‌ বাঁশি সে বুঝতে পারি না যে।।
দুর্বাসা হে! রুদ্র তড়িৎ হানছিলে বৈশাখে,
হঠাৎ সে কার শুন্‌লে বেণু কদম্বের ঐ শাখে।
বজ্রে তোমার বাজ্‌ল বাঁশি,
বহ্নি হল কান্না-হাসি,
সুরের ব্যথায় প্রাণ উদাসী – মন সরে না কাজে।
তোমার নয়ন-ঝুরা অগ্নি-সুরেও রক্তশিখা রাজে।।

রাগ ও তাল

রাগঃ তিলক কামোদ
তালঃ ঝাঁপতাল

Print

অঞ্জলি লহ মোর সঙ্গীতে


বাণী

অঞ্জলি লহ মোর সঙ্গীতে।
প্রদীপ-শিখা সম কাঁপিছে প্রাণ মম
তোমায়, হে সুন্দর, বন্দিতে!
সঙ্গীতে সঙ্গীতে।।
তোমার দেবালয়ে কি সুখে কি জানি
দু’লে দু’লে ওঠে আমার দেহখানি
আরতি –নৃত্যের ভঙ্গীতে।
সঙ্গীতে সঙ্গীতে।।
পুলকে বিকশিল প্রেমের শতদল
গন্ধে রূপে রসে টলিছে টলমল।
তোমার মুখে চাহি আমার বাণী যত
লুটাইয়া পড়ে ঝরা ফুলের মত
তোমার পদতল রঞ্জিতে।
সঙ্গীতে সঙ্গীতে।।

রাগ ও তাল

রাগঃ তিলং
তালঃ ত্রিতাল

অডিও

শিল্পীঃ অনুরাধা পোড়োয়াল

Print

অনাদরে স্বামী পড়ে আছি আমি


বাণী

অনাদরে স্বামী প’ড়ে আছি আমি তব কোলে তুলে নাও
নিয়ে ধরণীর ধূলি আছি আমি ভুলি’ চরণের ধূলি দাও॥
    বিভবে বিলাসে সংসার কাজে
    অশান্ত প্রাণ কাঁদে বন্ধন মাঝে
বৃথা দ্বারে দ্বারে চেয়েছি সবারে এবার তুমি মোরে চাও॥
    যাহা কিছু প্রিয় জীবনের মম
    হরিয়া লহ তুমি, লও প্রিয়তম।
    সূর্যের পানে সূর্যমুখী ফুল
    যেমন চাহিয়া রয় বিরহ-ব্যাকুল
তেমনি প্রভু আমার এ মন তোমার পানে ফিরাও॥

রাগ ও তাল

রাগঃ গৌড় সারং
তালঃ কাহার্‌বা

Print

অনাদি কাল হতে অনন্তলোক


বাণী

অনাদি কাল হতে অনন্তলোক গাহে তোমারি জয়।
আকাশ–বাতাস রবি–গ্রহ তারা চাঁদ, হে প্রেমময়।।
সমুদ্র–কল্লোল নির্ঝর–কলতান –
হে বিরাট, তোমার উদার জয়গান;
ধ্যান গম্ভীর কত শত হিমালয় গাহে তোমারি জয়।।
তব নামের বাজায় বীণা বনের পল্লব
জনহীন প্রান্তর স্তব করে, নীরব।
সকল জাতির কোটি উপাসনালয় গাহে তোমারি জয়।।
আলোকের উল্লাসে, আঁধারের তন্দ্রায়
তব জয়গান বাজে অপরুপ মহিমায়,
কোটি যুগ–যুগান্ত সৃষ্টি প্রলয় গাহে তোমারি জয়।।

রাগ ও তাল

রাগঃ ধানি
তালঃ ত্রিতাল

Print

অনেক কথা বলার মাঝে লুকিয়ে আছে


বাণী

অনেক কথা বলার মাঝে লুকিয়ে আছে একটি কথা

বলতে নারি সেই কথাটি তাই এ মুখর ব্যাকুলতা।।

   সেই কথাটি ঢাকার ছলে

   অনেক কথা যাই গো বলে

ভাসি আমি নয়ন-জলে বলতে গিয়ে সেই বারতা।।

অবকাশ দেবে কবে কবে সাহস পাবে প্রাণে

লজ্জা ভুলে সেই কথাটি বলব তোমায় কানে কানে

   মনের বনে অনুরাগে

   কত কথার মুকুল লাগে

সেই মুকুলের বুকে জাগাও ফুটে ওঠার ব্যাকুলতা।।


রাগ ও তাল

রাগঃ

তালঃ কাহারবা

Print

অনেক ছিল বলার, যদি সেদিন


বাণী

অনেক ছিল বলার, যদি সেদিন ভালোবাস্‌তে গো।
পথ ছিল গো চলার, যদি দু’দিন আগে আস্‌তে গো।।
আজিকে মহাসাগর–স্রোতে, চলেছি দূর পারের পথে
ঝরা–পাতা হারায় যথা, সেই আঁধারে ভাস্‌তে গো।।
গহন রাতি ডাকে আমায় এলে তুমি আজ্‌কে
কাঁদিয়ে গেলে হায় গো আমার বিদায়–বেলার সাঁঝ্‌কে।
আস্‌তে যদি হে অতিথি
ছিল যখন শুক্লা তিথি
ফুটত চাঁপা, সেদিন যদি চৈতালী–চাঁদ হাস্‌তে।।

রাগ ও তাল

রাগঃ তিলং
তালঃ কাহার্‌বা

লগইন

বাণী দেখা হয়েছে

গানের বাণী দেখা হয়েছে 1735958 বার

ওয়েব সাইটটি দেখা হয়েছে

ওয়েব সাইটটি দেখা হয়েছে 3933987 বার