নোটিশ বোর্ড

সম্মানিত অতিথি আপনার প্রিয় নজরুলগীতিটি এই ওয়েব সাইটে খুঁজে না পেলে অনুগ্রহ করে আমাদের জানান। আমরা যথা-শীঘ্র সেইটি সংযোজন করার চেষ্টা করবো।

গান শুনুন

সকল গানের বাণী

Print

ওগো এলে কি শ্যামল পিয়া কাজল মেঘে


বাণী

ওগো    এলে কি শ্যামল পিয়া কাজল মেঘে
    চাঁচর চিকুর ওড়ে পবন বেগে॥
    তোমার লাবনি ঝ’রে পড়িছে অবনি-পরে
    কদম শিহরে কর-পরশ লেগে॥
    তড়িৎ ত্বরিত পায়ে বিরহী-আঁখিরে ছায়ে তরাসে লুকায়।
    চলিতে পথের মাঝে ঝুমুর ঝুমুর বাজে নূপুর দু’পায়।
    অশনি হানার ছলে প্রিয়ারে ধরাও গলে,
ওগো    রাতের মুকুল কাঁদে কুসুম জেগে॥

রাগ ও তাল

রাগঃ
তালঃ ফের্‌তা

Print

ওগো চৈতী রাতের চাঁদ যেয়ো না


বাণী

ওগো  চৈতী রাতের চাঁদ, যেয়ো না

     সাধ না মিটিতে যেতে চেয়ো না।।

হের   তরুলতায় কত আশার মুকুল,

ওগো  মাধবী-চাঁদ আজো ফোটেনি ফুল,

তুমি   যেয়ো না, প্রিয় যেয়ো না-

ঝরা   মুকুলে বনবীথি ছেয়ো না

তুমি   যেয়ো না, প্রিয় যেয়ো না, ওগো যেয়ো না।।

আজোফুলের নেশায় পাগল দখিন হাওয়া

আজোবোলেনি পাপিয়া 'পিয়া পিয়া' গাওয়া

তুমি   এখনি বিদায়-গীতি গেয়ো না

তুমি   যেয়ো না, প্রিয় যেয়ো না।।


রাগ ও তাল

রাগঃ

তালঃ দ্রুত-দাদরা

Print

ওগো দু’পেয়ে জীব ছিল গদাই


বাণী

ওগো    দু’পেয়ে জীব ছিল গদাই (গদাইচন্দ্র) বিবাহ না করে,
    কুক্ষণে তার বিয়ে দিয়ে দিল সবাই ধ’রে॥
    আইবুড়ো সে ছিল যখন, মনের সুখে উড়ত
    হাল্‌কা দু’খান পা দিয়ে সে (গদাই) নাচ্‌ত, কুঁদ্‌ত ছুঁড়ত॥
ওগো    বিয়ে করে গদাই
    দেখলে সে আর উড়তে নারে, ভারি ঠেকে সদাই।
তার    এ্যাডিশনাল দু’খানা ঠ্যাং বেড়ায় পিছে ন’ড়ে॥
    গদাই-এর পা দু’খানা মোটা, আর তার বৌ-এর পা দু’খানা সরু,
    ছোট বড় চারখানা ঠ্যাং ঠিক যেন ক্যাঙারু
গদাই    (দেখতে) ঠিক যেন ক্যাঙ্গারু।
    আপিসে পদ বৃদ্ধি হয় না (গদাইচন্দ্রের), কিন্তু ঘরে ফি-বছরে,
    পা বেড়ে যায় গড়পড়তায় দু’চারখান ক’রে।
তার    বৌ শোনে না মানা - 
তিনি    হন্যে হয়ে কন্যে আনেন মা, ষষ্টির ছানা
    মানুষ থেকে চার পেয়ে জীব, শেষ ছ’পেয়ে মাছি,
    তারপর আটপেয়ে পিঁপড়ে, বাবা গদাই বলে, একেবারে গেছি
    আর বলে, ও বাবা বিয়ে করে মানুষ এই কেলেঙ্কাররির তরে (বাবা)॥

রাগ ও তাল

রাগঃ
তালঃ কাহার্‌বা

Print

ওগো নন্দ দুলাল নাচে ছন্দতালে


বাণী

দ্বৈত    :    ওগো নন্দ দুলাল নাচে ছন্দতালে
স্ত্রী    :    মধু মঞ্জির বোলে মণি কুন্তল দোলে
পুরুষ    :    চন্দন লেখা শোভে চারুভালে॥
স্ত্রী    :    রস যমুনায় জাগে ঢেউ উতরোল
পুরুষ    :    ব্রজগোপিকার প্রাণে লাগে তারি হিল্লোল
দ্বৈত    :    রাস পূর্ণিমা রাতে শিখী নাচে সাথে সাথে
        ফুল দোলে কুঞ্জেরই বকুল ডালে॥
স্ত্রী    :    নাচে নন্দ দুলাল বাজে মোহন বেণূ
পুরুষ    :    অঙ্গের লাবনিতে আলো করে অবনিতে
দ্বৈত    :    হাসিতে ঝরায় ফুল পরাগ রেণু।
স্ত্রী    :    রাঙা পায়ে রুমুঝুমু বাজে মধুর
পুরুষ    :    জীবন মরণ তার যুগল নূপুর
দ্বৈত    :    মুগ্ধ তারকা শশী রাতের দেউলে বসি
        আরতি প্রদীপ শিখা নিত্য জ্বালে॥

রাগ ও তাল

রাগঃ
তালঃ কাহার্‌বা

Print

ওগো পূজার থালায় আছে আমার ব্যথার শতদল

বাণী

ওগো পূজার থালায় আছে আমার ব্যথার শতদল।

হে দেবতা রাখ সেথা তোমার পদতল।।

নিবেদনের কুসুম সহ

লহ হে নাথ, আমায় লহ

যে আগুনে আমায় দহ

সেই আগুনে আরতি-দীপ জ্বেলেছি উজল।।

যে নয়নের জ্যোতি নিলে কাঁদিয়ে পলে পলে,

মঙ্গল-ঘট ভরেছি নাথ, সেই নয়নের জলে।

যে চরণে করো আঘাত

প্রণাম লহ সেই পায়ে নাথ

রিক্ত তুমি করলে যে হাত,

হে দেবতা! লও সে হাতে অর্ঘ্য-সুমঙ্গল।।

রাগ ও তাল

রাগঃ

তালঃ দাদ্‌রা

ভিডিও

Print

ওগো প্রিয়তম তুমি চ’লে গেছ আজ


বাণী

ওগো    প্রিয়তম তুমি চ’লে গেছ আজ আমার পাওয়ার বহু দূরে।
তবু    মনের মাঝে বেণু বাজে সেই পুরানো সুরে সুরে॥
    বাজে মনের মাঝে বেণু বাজে
    প্রিয় বাজাতে যে বেণু বনের মাঝে আজো তার রেশ মনে বাজে॥
    তব কদম-মালার কেশরগুলি
    আজি ছেয়ে আছে ওগো পথের ধূলি,
    ওগো আজিকে করুণ রোদন তুলি’ বয় যমুনা ভাটি সুরে॥
    (আর উজান বয় না,)
    ওগো আজিকে আঁধার তমাল বনে, বসে আছি উদাস মনে
    ওগো তোমার দেশে চাঁদ উঠেছে আমার দেশে বাদল ঝুরে॥
    সেথা চাঁদ উঠেছে - 
    ওগো শুল্কা তিথির চতুর্দশীর চাঁদ উঠেছে
    সেথা শুল্কা তিথির চতুর্দশীর চাঁদ উঠেছে
    সখি তাদের দেশে আকাশে আজ আমার দেশের চাঁদ উঠেছে।
    ওগো মোর গগনে কৃষ্ণা তিথি আমার দেশে বাদল ঝুরে॥

রাগ ও তাল

রাগঃ
তালঃ ফের্‌তা

Print

ওগো মা - ফাতেমা ছুটে আয়


বাণী

ওগো মা - ফাতেমা ছুটে আয়, তোর দুলালের বুকে হানে ছুরি।
দীনের শেষে বাতি নিভিয়া যায় মাগো, বুঝি আঁধার হ’ল মদিনা-পুরী ॥
কোথায় শেরে খোদা, জুলফিকার কোথা,
কবর ফেঁড়ে এসো কারবালা যথা –
তোমার আওলাদ বিরান হ’ল আজি, নিখিল শোকে মরে ঝুরি’ ॥
কোথায় আখেরী নবী, চুমা খেতে তুমি, যে গলে হোসেনের
সহিছ কেমনে? সে গলে দুশমন হানিছে শমসের।
রোজ্‌হাশরে নাকি কওসরের পানি
পিয়াবে তোমরা গো গোনাহ্‌গারে আনি,
দেখ না কি চেয়ে, দুধের ছেলেমেয়ে পানি বিহনে মরে পুড়ি ॥

রাগ ও তাল

বৈতালিক

Print

ওগো মাগো আজো বেঁচে আছি


বাণী

ওগো মাগো আজো, বেঁচে আছি, তোরই প্রসাদ পেয়ে।
তোর দয়াময়ী অন্নপূর্ণা, তোরই অন্ন খেয়ে॥
    কবে কখন খেলার ছলে,
    ডেকেছিলাম শ্যামা ব’লে;
সেই পুণ্যে ধন্য আমি, আজ তোরই নাম গেয়ে॥
পাপী হয়েও পাই আমি তাই, যখন যাহা চাই।
    দুঃখে শোকে বিপদ ঝড়ে,
    বাঁচাস্ মা তুই বক্ষে ধ’রে;
দয়াময়ী নাই কেহ মা, ভবানী তোর চেয়ে॥

রাগ ও তাল

রাগঃ
তালঃ দাদ্‌রা

লগইন

বাণী দেখা হয়েছে

গানের বাণী দেখা হয়েছে 2003639 বার

ওয়েব সাইটটি দেখা হয়েছে

ওয়েব সাইটটি দেখা হয়েছে 4209994 বার