নোটিশ বোর্ড

সম্মানিত অতিথি আপনার প্রিয় নজরুলগীতিটি এই ওয়েব সাইটে খুঁজে না পেলে অনুগ্রহ করে আমাদের জানান। আমরা যথা-শীঘ্র সেইটি সংযোজন করার চেষ্টা করবো।

গান শুনুন

সকল গানের বাণী

Print

কে সাজালো মাকে আমার


বাণী

    কে সাজালো মাকে আমার বিসর্জনের বিদায় সাজে
    আজ সারাদিন কেন এমন করুণ সুরে বাঁশি বাজে॥
    আনন্দেরি প্রতিমাকে হায়, বিদায় দিতে পরান নাহি চায়
    মা-কে ভাসিয়ে জলে কেমন করে রইব আঁধার ভবন মাঝে॥
মা’র    আগমনে বেজেছিল প্রাণে নূতন আশার বাঁশি
    দুঃখ শোক ভয় ভুলেছিলাম দেখে মা অভয়ার মুখের হাসি।
    মা দশ হাতে আনন্দ এনেছিল, বিশ হাতে আজ দুঃখ ব্যথা দিল
মা    মৃন্ময়ীকে ভাসিয়ে জলে, পাব চিন্ময়ীকে বুকের মাঝে॥

রাগ ও তাল

রাগঃ
তালঃ কাহার্‌বা

Print

কে হেলে দুলে চলে এলোচুলে


বাণী

কে হেলে দুলে চলে এলোচুলে

হেসে নদীকুলে এলো হেলে দুলে!

     নূপুর রিনিকি ঝিনি বাজে রে

     পথ-মাঝে রে, বাজে রে।।

দূরে মন উদাসি বাজে বাঁশের বাঁশি,

     বকুল-শাখে পাপিয়া ডাকে-

হেরিয়া বুঝি এই বন-বালিকায়

     রঙিন সাজে রে, বাজে রে।।

     এ বুঝি নদীর কেউ

তাই অধীর হলো জলে ঢেউ।

     চন্দন - মাখা যেন চাঁদের পুতলি,

     যত চলে তত রূপ ওঠে উথলি

মেঘে লুকালো পরী লাজে রে, বাজে রে

     পথ-মাঝে রে, বাজে রে।।


রাগ ও তাল

রাগঃ

তালঃ

Print

কেঁদে যায় দখিন-হাওয়া

বাণী

কেঁদে যায় দখিন-হাওয়া ফিরে ফুল-বনের গলি।
‘ফিরে যাও চপল পথিক’, দু’লে কয় কুসুম-কলি।
		দু’লে কয় কুসুম-কলি॥
ফেলিছে সমীর দীরঘ শ্বাস —  
আসিবে না আর এ মধুমাস,
কহে ফুল, ‘জনম জনম এমনি গিয়াছ ছলি’।
		জনম জনম গিয়াছ ছলি’॥
কাঁদে বায়, ‘নিদাঘ আসে
আমি যাই সুদূর বাসে’,
ফুটে ফুল হাসিয়া ভাসে, ‘প্রিয়তম যেয়োনা চলি’।
		ওগো প্রিয়তম যেয়োনা চলি’॥

রাগ ও তাল

রাগঃ সিন্ধু-ভৈরবী

তালঃ কাহার্‌বা

১। চন্দ্রবিন্দুঃ সিন্ধু-কাফি, ঠুমরী
২। বনগীতিঃ সিন্ধু-ভৈরবী, তালঃ কাহার্‌বা

ভিডিও

Print

কেঁদো না কেঁদো না মাগো কে বলেছে কালো


বাণী

কেঁদো না কেঁদো না মাগো কে বলেছে কালো?

ইষৎ হাসিতে তোর ত্রিভুবন আলো, কে বলেছে কালো।।

     কে দিয়েছে গালি তোরে, মন্দ সে মন্দ!

     যে বলেছে কালি তোরে, অনধ সে অন্ধ!

মোর  তারায় সে দেখে নাই তার নয়ন-তারা য়নাই আলো!

     তাই তারায় সে দেখে নাই।।

রাখে  লুকিয়ে মা তোর নয়ন-কমল (মাগো)

     কোটি আলোর সহস্র দল

তোর  রূপ দেখে মা লজ্জায় শিব অঙ্গে ছাই মাখালো।।

তোর   নীল -কপোলে কোটি তারা, চন্দনেরি ফোটার পারা

           ঝিকিমিকি করে গো-

মা    তোর দেহলতায় অতুল কোটি রবি -শশীর মুকুল

           ফোটে আবার ঝরে গো-

তুমি   হোমের শিখা বহ্নি- জ্যোতি, তুমি স্বাহা দীপ্তিমতী

     আঁধার ভুবন ভবনে মা কল্যাণ-দীপ জ্বালো

           তুমি কল্যাণ-দীপ জ্বালা।।


রাগ ও তাল

রাগঃ

তালঃ ফেরতা (দাদরা ও কাহারবা)

Print

কেউ ভোলে না কেউ ভোলে

বাণী

কেউ		ভোলে না কেউ ভোলে অতীত দিনের স্মৃতি
কেউ		দুঃখ ল’য়ে কাঁদে কেউ ভুলিতে গায় গীতি।।
কেউ		শীতল জলদে হেরে অশনির জ্বালা
কেউ		মুঞ্জরিয়া তোলে তার শুষ্ক কুঞ্জ–বীথি।।
হেরে		কমল–মৃণালে কেউ কাঁটা কেহ কমল।
কেউ		ফুল দলি’ চলে কেউ মালা গাঁথে নিতি।।
কেউ		জ্বালে না আর আলো তার চির–দুখের রাতে,
কেউ		দ্বার খুলি’ জাগে চায় নব চাঁদের তিথি।।

রাগ ও তাল

রাগঃ মান্দ

তালঃ কাহার্‌বা

ভিডিও

Print

কেন আন ফুল–ডোর আজি বিদায় বেলা

বাণী

কেন	আন ফুল-ডোর আজি বিদয়-বেলা,
মোছ	মোছ আঁখি-লোর যদি ভাঙিল মেলা॥
কেন	মেঘের স্বপন আন মরুর চোখে,
ভু’লে	দিয়ো না কুসুম যারে দিয়েছ হেলা॥
যবে	শুকাল কানন এলে বিধুর পাখি,
ল’য়ে	কাঁটা-ভরা প্রাণ এ কি নিঠুর খেলা।
যদি	আকাশ-কুসুম পেলি চকিতে কবি,
চল	চল মুসাফির, ডাকে পারের ভেলা॥

রাগ ও তাল

রাগঃ ভীমপলশ্রী মিশ্র

তালঃ আদ্ধা-কাওয়ালি

ভিডিও

Print

কেন আসিলে ভালোবাসিলে

বাণী

কেন আসিলে ভালোবাসিলে দিলে না ধরা জীবনে যদি।
বিশাল চোখে মিশায়ে মরু চাহিলে কেন গো বে–দরদী।।
		ছিনু অচেতন আপনা নিয়ে
		কেন জাগালে আঘাত দিয়ে
তব আঁখিজল সে কি শুধু ছল একি মরু হায় নহে জলধি।।
ওগো কত জনমের কত সে কাঁদন করে হাহাকার বুকেরি তলায়
ওগো কত নিরাশায় কত অভিমান ফেনায়ে ওঠে গভীর ব্যথায়।
মিলন হবে কোথায় সে কবে কাঁদিছে সাগর স্মরিয়া নদী।।

রাগ ও তাল

রাগঃ ভৈরবী

তালঃ কাহার্‌বা

অডিও

শিল্পীঃ সাবিহা মাহবুব

ভিডিও

Print

কেন করুণ সুরে হৃদয় পুরে বাজিছে বাঁশরি


বাণী

কেন করুণ সুরে হৃদয় পুরে বাজিছে বাঁশরি
ঘনায় গহন নীরদ সঘন নয়ন মন ভরি॥
বিজলি চমকে পবন দমকে পরান কাঁপে রে
বুকের বঁধুরে বুকে বেঁধে ঝুরে বিধুরা কিশোরী॥

রাগ ও তাল

রাগঃ দেশ
তালঃ একতাল

লগইন

বাণী দেখা হয়েছে

গানের বাণী দেখা হয়েছে 2575992 বার

ওয়েব সাইটটি দেখা হয়েছে

ওয়েব সাইটটি দেখা হয়েছে 4766921 বার