বাণী

চিকন কালো ভুরুর তলে কাজল আঁখি দোলে রে
যেন বন-লতার কোলে কোয়েল পাখি দোলে রে।।
	যেন ফুল-ধনুর উজল তীর গো হায়
	বাদশাজাদীর রঙ মহলে 
যেন নীলার প্রদীপ জ্বলে দোলে রে দোলে রেদেোলে রে।।
	সজল শিশির মাখা দু'টি কুসুম গো
	সুনীল দু'টি কমল -কুড়িঁ
যেন রূপের সাঁতার -জলে দোলে রে দোলে রে দোলে রে।।

বাণী

চরণে দলিয়া গিয়াছে চলিয়া
			তবু কেন তারে ভালোবাসি।
বলিতে পারি না বোঝাতে পারি না
			আঁখি-জলে যায় বুক ভাসি’।।
কেন সে বিরাজে		হৃদয়েরি মাঝে
তার স্বর যেন 		সদা প্রাণে বাজে
কি বাঁধনে মোরে		বেঁধেছে বল সে
			দিয়ে গেছে গলে প্রেম-ফাঁসি।।

বাণী

চাও চাও চাও নব বধূ অবগুণ্ঠন খোলো
আনত নয়ন তোলো॥
আমি যে ননদী খরতর নদী লজ্জা কি
লজ্জায় ফুল শয্যায় কাল ছিল না তো নত ওই আঁখি
সবি বলে দেব যদি বউ কথা না বলো॥
‘বউ কথা কও’ ডাকে পাখি
তবুও নীরব রবে নাকি
দেখি দেখি গালে লালী ও কিসের? ও! লজ্জায় বুঝি লাল হলো॥
ও কি অধীর চরণে যেয়ো না যেয়ো না
আন-ঘরে লুকাইতে দেখে যদি কেউ
সখি পাশের ও ঘরে মানুষ যে রহে
তারও অন্তরে বহে বিরহের ঢেউ।
লজ্জাই যদি তব ভূষণ সজ্জায় তবে কি প্রয়োজন?
সুখে সুখী হব দুখে দুখী ব’সো মুখোমুখি লাজ ভোলো।

নাটিকাঃ ‘বিয়ে বাড়ি’

বাণী

চৈতালি চাঁদনী রাতে —
নব মালতীর কলি মুকুল-নয়ন তুলি’
নিশি জাগে আমারি সাথে।।
পিয়াসি চকোরীর দিন-গোনা ফুরালো
শূন্য-গগনের বক্ষ জুড়ালো
দক্ষিণ-সমীরণ মাধবী-কঙ্কণ
	পরায়ে দিল বনভূমির হাতে।।
চাঁদিনী তিথি এলো, আমারি চাঁদ কেন এলো না;
বনের বুকের আঁধার গেল গো — মনের আঁধার গেল না।
এ মধু-নিশি মিলন-মালায়
কাঁটার মত আমি বিঁধিয়া আছি, হায়!
সবারই আঁখিতে আলোর দেয়ালি
	অশ্রু আমারি নয়ন-পাতে।।

বাণী

চাঁদিনী রাতে কানন-সভাতে আপন হাতে গাঁথিলে মালা।
সয়েছি বুকে নিবিড় সুখে তোমারি হাতের সূচিব জ্বালা।।
আজিও জাগে লোহিত রাগে রঙিন গোলাবে তাহারি ব‍্যথা
তব ও গলে দুলিব ব’লে দিয়েছি কুলে কলঙ্ক-কালা ।।
যদি ও গলে নেবে না তুলে কেন বধিলে ফুলের পরান
অভিমানে হায় মালা যে শুকায় ঝ’রে ঝ’রে যায় লাজে নিরালা।।

নাটকঃ‘আলেয়া’

বাণী

চক্র সুদর্শন ছোড়কে মোহন তুম ব্যনে বনওয়ারী।
ছিন লিয়ে হ্যয় গদা-পদম্‌ সব মিল করকে ব্রজনারী।।
	ছার ভুজা আব দো বনায়ে
	ছোড়কে বৈকুণ্ঠ ব্রিজ মে আয়ে,
রাস রচায়ে ব্রিজ্‌কে মোহন ব্যন্ গ্যয়ে মুরলী-ধারী।।
	সত্যভামাকো ছোড়কে আয়ে
	রাধা প্যারী সাথমে লায়ে,
বৈতরণী কো ছোড়কে ব্যন গ্যয়ে যমুনাকে তটচারী।।