বাণী

পিয়া পাপিয়া পিয়া বোলে।
‘পিউ পিউ পিউ কাঁহা’ পাপিয়া পিয়া বোলে।।
সে পিয়া পিয়া সুরে বাদল ঝুরে, নদী-তরঙ্গ দোলে।
কূলে কূলে কুলু কুলু নদী-তরঙ্গ দোলে।
ফুটিল দল মেলি’ কেতকী, বেলি, শিখী পেখম খোলে।
দু’লে দু’লে দু’লে নেচে’ শিখী পেখম খোলে।।
পিয়ায় যা’রা নাহি পেল হেথায়, তাহারা কি
এসেছে ধরায় পুন হইয়া পাপিয়া পাখি?
দেখিয়া ঘরে ঘরে তরুণীর কালো আঁখি
‘পিউ কাঁহা পিউ কাঁহা’ আজিও উঠিছে ডাকি’!
পিয়া পাপিয়া পিয়া বোলে।।

বাণী

	পিও পিও হে প্রিয় শরাব পিও
	চোখে রঙের নেশা লেগে সব অবসাদ হোক রমনীয়।।
	জীবনের নহবতে বাজুক সানাই
	আঁধার এ দুনিয়ায় জ্বলুক রোশনাই
আজি	আবছা আলোয় যারে লাগবে ভালো
	তারি গলায় চাঁদের মালা পরায়ে দিও।।
আজি	লেগে অনুরাগে রঙ শিরাজির
	প্রাণে প্রাণে লহর বহুক রস-নদীর
সেই	মধুর ক্ষনে বঁধু নিরজনে
	ভালোবাসি' দুটি কথা মোরে বলিও।।

বাণী

পলাশ ফুলের গেলাস ভরি’ পিয়াব অমিয়া তোমারে প্রিয়া
চাঁদিনী রাতের চাঁদোয়া তলে বুকের আঁচল দিব পাতিয়া।।
নয়ন-মণির মুকুরে তোমার দুলিবে আমার সজল ছবি
সবুজ ঘাসের শিশির ছানি মুকুতা মালিকা দিব গাঁথিয়া।।
		ফিরোজা আকাশ আবেশে ঝিমায়
		দীঘির বুকে কমল ঘুমায়
নীরব যখন পাখির কূজন আমরা দু’জন রব জাগিয়া।।

বাণী

	প্রিয়তম হে, বিদায়
আর	রাখিতে নারি, আশা-দীপ নিভে যায় দুরন্ত বায়।।
	কত ছিল বলিবার, হায় হ’লো না বলা
	ঝুঁরিতেছে চামেলির বন উতলা
যেন	অনন্ত দিনের দিকে হায় হায়।।
কে	কাঁদে দিকে দিকে হায় হায়।।
	রহিল ছড়ানো মোর প্রাণের তিয়াস হুতাস পবনে;
	জড়ানো রহিল মোর করুণ প্রীতি ধূসর গগনে।
	তুমি মোরে স্মরিও
যদি	এই পথে কোনদিন চলিতে প্রিয়
	নিশিভোরে ঝরা ফুল দ’লে যাও পায়।।

বাণী

প্রেম নগরকা ঠিকানা করলে প্রেম নগরকা ঠিকানা।
ছোড় করিয়ে দোদিন কা ঘর ওহি রাহপে জানা।।
	দুনিয়া দওলত হ্যায় সব মায়া
	সুখ দুখ দো হ্যায় জগ কা কায়া
দুখকো তু প্রেম সে গলে লাগালে আগে না পছতানা।।
	আতি হ্যায় যব রাত আঁধেরি
	ছোড় তু মায়া বন্ধন-ভারি
প্রেম নগর কি কর তৈয়ারি, আয়া হ্যায় পরোয়ানা।।

বাণী

প্রিয় যাই যাই ব’লো না, না না না
আর ক’রো না ছলনা, না না না॥
আজো মুকুলিকা মোর হিয়া মাঝে
না-বলা কত কথা বাজে,
অভিমানে লাজে বলা যে হ’ল না॥
কেন শরমে বাধিল কে জানে
আঁখি তুলিতে নারিনু আঁখি পানে।
প্রথম প্রণয়-ভীরু কিশোরী
যত অনুরাগ তত লাজে মরি,
এত আশা সাধ চরণে দ’লো না॥