বাণী

অ্যগ্যর তুম রাধা হোতে শ্যাম।
মেরি তরা বস আঠোঁ প্যহর তুম, রট্‌কে শ্যামকা নাম।।
বন-ফুলকে মালা নিরালি বন্‌ যাতি নাগন কালি
কৃষ্ঞ-প্রেমকী ভীক্‌ মাঙ্গনে আতে লাখ্‌ যনম্‌।
তুম, আতে ইস্‌ বৃজধাম।।
চুপ্‌কে চুপ্‌কে তুম্‌রে হিরদয় ম বসতা বন্‌সীওয়ালা,
আওর, ধীরে ধীরে উস্‌কী ধূন সে ব্যঢ়তী মন্‌কি জ্বালা।
পন-ঘটমে ন্যয়্যন বিছায়ে তুম্‌, র‍্যহতে আস্‌ ল্যগায়ে
আওর, কালেকে সঙ্গ প্রীত ল্যগাকর্‌ হো জাতে বদনাম।।

বাণী

অনাদরে স্বামী প’ড়ে আছি আমি তব কোলে তুলে নাও
নিয়ে ধরণীর ধূলি আছি আমি ভুলি’ চরণের ধূলি দাও॥
	বিভবে বিলাসে সংসার কাজে
	অশান্ত প্রাণ কাঁদে বন্ধন মাঝে
বৃথা দ্বারে দ্বারে চেয়েছি সবারে এবার তুমি মোরে চাও॥
	যাহা কিছু প্রিয় জীবনের মম
	হরিয়া লহ তুমি, লও প্রিয়তম।
	সূর্যের পানে সূর্যমুখী ফুল
	যেমন চাহিয়া রয় বিরহ-ব্যাকুল
তেমনি প্রভু আমার এ মন তোমার পানে ফিরাও॥

বাণী

অম্বরে মেঘ-মৃদঙ বাজে জলদ-তালে
লাগিল মাতন ঝড়ের নাচন ডালে ডালে।।
	দিগন্তের ঐ দুর্গ-মূলে
	ধূলি-গৈরিক কেতন দুলে
কে দুরন্ত আগল খুলে ঘুম ভাঙালে।।
থির সাগরের নীল তরঙ্গে আনন্দেরি
সেই নাচনের তালে তালে বাজিল ভেরি।
	মাভৈঃ মাভৈঃ ডাক শুনি যার
	পথ ছেড়ে দে রথ এল তাঁর।
দুর্দিনে সে বজ্র-শিখার আগুন জ্বালে।।

বাণী

অন্তরে তুমি আছ চিরদিন ওগো অন্তর্যামী
বাহিরে বৃথাই যত খুঁজি তা-ই পাই না তোমারে আমি।।
প্রাণের মতন, আত্মার সম
আমাতে আছ হে অন্তরতম
মন্দির রচি’ বিগ্রহ পূজি দেখে হাস তুমি স্বামী।।
সমীরণ সম, আলোর মতন বিশ্বে রয়েছ ছড়ায়ে
গন্ধ-কুসুমে সৌরভ সম প্রাণে-প্রাণে আছ জড়ায়ে।
তুমি বহুরূপী তুমি রূপহীন —
তব লীলা হেরি অন্তবিহিন।
তব লুকোচুরি খেলা সহচরী আমি যে দিবসযামী।।

বাণী

অয়ি চঞ্চল-লীলায়িত-দেহা চির-চেনা
ফোটাও মনের বনে তুমি বকুল হেনা।।
	যৌবন-মদ গর্বিতা তন্বী
	আননে জ্যোৎস্না, নয়নে বহ্নি,
তব চরণের পরশ বিনা অশোক তরু মুঞ্জরে না।।
নন্দন-নন্দিনী তুমি দয়িতা চির-আনন্দিতা,
প্রথম কবির প্রথম লেখা তুমি কবিতা।
নৃত্য শেষের তব নুপুরগুলি হায়
রয়েছে ছড়ানো আকাশের তারকায়
সুর-লোক-উর্বশী হে বসন্ত-সেনা ! চির-চেনা।।

বাণী

অরুন-রাঙা গোলাপ-কলি
কে নিবি সহেলি আয়।
গালে যার গোলাপী আভা
এ ফুল-কলি তারে চায়।।
ডালির ফুল যে শুকায়ে যায়
কোথায় লায়লী, শিরী কোথায়
কোথায় প্রেমিক বিরহী মজনু
এ ফুল দেব কাহার পায়।।
পূর্ণ চাঁদের এমন তিথি
ফুল-বিলাসী কই অতিথি
বুলবুলি বিনে এ গুল্‌ যে
অভিমানে মুরছায়।।