
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

কি নাম ধ'রে ডাকবো তোরে মা তুই দে ব'লে ওমা কি নাম ধ'রে কাঁদলে পরে ধ'রে তুলিস কোলে (মাগো)।। বনে খুঁজি মনে খুঁজি পটে দেখি ঘটে পূজি মন্দিরে যাই কেঁদে লুটাই মাগো — পাষাণ প্রতিমা মা তোর একটুও না টলে।। কোল যদি না দিবি মাগো, আনলি কেন ভবে, আমি জনম নিয়ে এসেছি যে তোর কোলেরই লোভে। আমি রইতে নারি মা না পেয়ে, মরণ দে মা তাহার চেয়ে এ-ছার জীবনে কোন প্রয়োজন মাগো আমি কোটি বার মা মরতে পারি মা যদি পাই ম'লে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

স্বরণ-পারের ওগো প্রিয়, তোমায় আমি চিনি যেন তোমায় চাঁদে চিনি আমি, তুমি আমায় তারায় চেন॥ নূতন পরিচয়ের লাগি’ তারায় তারায় থাকি জাগি’ বারে বারে মিলন মাগি, বারে বারে হারাই হেন॥ নূতন চোখের প্রদীপ জ্বালি’ চেয়ে আছি নিরিবিলি, খোলো প্রিয় তোমার ধরার বাতায়নের ঝিলি-মিলি। নিবাও নিবু-নিবু বাতি, ডাকে নূতন তারার ভাতি, ওগো আমার দিবস রাতি কাঁদে বিদায়-কাঁদন কেন॥
নাটিকাঃ ‘ঝিলিমিলি’
রাগঃ দরবারী কানাড়া
তালঃ বৈতালিক

ভেঙো না ভেঙো না ধ্যান হে আমার ধ্যানের দেবতা। পূজা লহ, অর্ঘ্য লহ ক’য়ো না ক’য়ো না কথা।। পাষাণ মূরতি তুমি পাষাণ হইয়া থাকো, মন্দির-বেদী হতে ধরার ধূলায় নেমো নাকো। তুমিও মাটির মানুষ বুঝায়ে দিও না ব্যথা।। সহিবে সকলি স্বামী হেনো হেলা ব্যথা দিও, সহিবে না অপমান ভালোবাসার আমার হে প্রিয়, থাক তুমি হিয়ার মাঝে তোমার মন্দির যথা।।
রাগঃ জংলা
তালঃ দাদ্রা

ওরে আমার চটি আমার ঠনঠনিয়ার চটি যাত্রা শুনতে কাহার সাথে গেলি তুই পালটি।। মোর শ্রীচরণ ভরসা গেলি কাহার পায়ে গ'লে তুই দু'বছর পায়ে ছিলি তোরে জানতাম সতী ব'লে তুই কাহার গোদা চরণ দেখে গেলি শেষে পটি'। তোরে নিয়ে গেছেন যিনি তার চটিখানি ফেলে এ চটি তো নয় রামচটিতং আছেন বদন মেলে' সদা আছেন বদন মেলে', যেন অষ্টাবক্র বেঁকে হয়ে গিয়েছেন ঠিক আঁশবঁটি বেঁকে হয়েছেন আঁশবঁটি।। চটি কেন তোরে রাখিনিকো বগল-দাবা ক'রে বুঝি এতক্ষণ সে ফাটিয়ে তোরে ফেলেছে পা' ভ'রে শেষে আস্তাকুড়েঁ দেছে ফেলে সে যে হয়তো চটিমটি'।। আমি ভাবি, এ তার পায়ের জুতো না তার গায়ের নিমা আমারচটির পাশে ইনি ঠিক যেন দিদি মা ওরে চটি রে তোর দিদি হলেও চলতো মোটামুটি তুই চটপটিয়ে আয় চ'লে নয় সত্যি যা'ব চটি'।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

পুরুষ : (বেয়ান, বলি ও বেয়ান ঠাকরুন) বেয়ান তোমার আলু চেরা চোখে আমি মরে আছি স্ত্রী : বেয়াই আমি তাইতো তোমার গোদা পায়ে শরণ যাচি। ও তোমার গোদা পায়ে শরণ যাচি। পুরুষ : (বলি ও বয়ান তোমার) দাঁতে ছাতা গালে ছুলি গলায় পেটে কোলাকুলি আমি দেখেই ছুটি কাছা খুলি (আমি) দেখেই ছুটি ও আমার কাছা খুলে গো দেখেই ছুটি হরিবোল বোলে রে দেখেই ছুটি ও হরিবোল বোলে রে আমি কাছা খুলে বাহু তুলে দেখেই ছুটি। স্ত্রী : (বলি ও বেয়াই, ও কাছা তো নয়) এ যে লেজুড়েরি কাছাকাছি। পুরুষ : (বলি ও বেয়ান ঠাকরুন তোমার) ফোকলা দাঁতে প্রেমের বুলি শুনেই কাঁধে নিলেম ঝুলি। স্ত্রী : (বুঝি গৌর নামের ঝুলি, বলি ও বেয়াই উঁ) বেয়াই নিয়ে এবার যাবে রাঁচি যাবে রাঁচি গৌর হে ওহে গৌর (যাবে রাঁচি) কাছা খুলে বাহু তুলে যাবে রাঁচি (তুমি)। পুরুষ : (বলি ও বেয়ান) ভাগলপুরি বিবির মতন নাদুস নুদুস কি সে গঠন স্ত্রী : (বলি ও হামদো বুড়ো) তুমি মাম্দো ভূত যে চামড়া খেকো ও আমায় করতে এলে আমড়া গাছি।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
মনের রঙ লেগেছে বনের পলাশ জবা অশোকে রঙের ঘোর জেগেছে পারুল কনক-চাঁপার চোখে।। মুহু মুহু বোলে কুহু কুহু কোয়েলা, মুকুলিত আমের ডালে গাল রেখে ফুলের গালে। দোয়েলা দোল দিয়ে যায়, ডালিম ফুলের নব-কোরকে।। ফুলের পরাগ ফাগের রেণু ঝুরু ঝুরু ঝরিছে গায়ে ঝিরি ঝিরি চৈতী বায়ে বকুল বনে ঝিমায় মধুপ মদির নেশার ঝোঁকে।। হরিত বনে হরষিত মনে হোরির হর্রা জাগে রঙিলা অনুরাগে নূতন প্রণয়-সাধ জাগে চাঁদের রাঙা আলোকে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ শিরিন আখতার

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan