
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

সন্ধ্যা হলো ঘরকে চলো, ও ভাই মাঠের চাষি ভাটিয়ালি সুরে বাজে রাখাল ছেলের বাঁশি।। পিদিম নিয়ে একলা জাগে একলা ঘরের বধূ হৃদয়-পাতে লুকিয়ে রেখে সারা দিনের মধু; পথ চেয়ে সে বসে আছে কাজ হয়েছে বাসি রে তার কাজ হয়েছে বাসি। (যে) মন সারাদিন ছিল পড়ে হালের গরুর পানে, দিনের শেষে ঘরের জরু সেই মনকে টানে সেথা মেটে ঘরের দাওয়ায় লুটায় রে মেটে ঘরের দাওয়ায় লুটায় কালো চোখের হাসি রে ভাই কালো চোখের হাসি। পুবান হাওয়া ঢেউ দিয়ে যায় আউশ ধানের ক্ষেতে, এই ফসলের দেখব স্বপন শুয়ে শুয়ে রেতে; ও ভাই শুয়ে শুয়ে রেতে সকাল বেলা আবার যেন মাঠে ফিরে আসি রে এই মাঠে ফিরে আসি।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

শঙ্কর অঙ্গলীনা যোগ মায়া শঙ্করী শিবানী। বালিকা-সম লীলাময়ী নীল-উৎপল-পাণি।। সজল-কাজল-ঝর্না মুকত বেণী অপর্ণা, তিমির বিভাবরী স্নিগ্ধা শ্যামা কালিকা ভবানী।। প্রলয় ছন্দময়ী চন্ডী শব্দ-নূপুর-চরণা, শাম্ভবী শিব-সীমন্তিনী শঙ্করাভরণা। অম্বিকা দুঃখহারিণী শরণাগত-তারিণী, জগদ্ধাত্রী শান্তিদাত্রী প্রসীদ মা ঈশানী।।
রাগঃ শঙ্করী (নজরুল-সৃষ্ট)
তালঃ একতাল

ফাগুন-রাতের ফুলের নেশায় আগুন জ্বালায় জ্বলিতে আসে। যে-দীপশিখায় পুড়িয়া মরে পতঙ্গ ঘোরে তাহারি পাশে।। অথই দুখের পাথার-জলে, সুখের রাঙা কমল দোলে কূলের পথিক হারায় দিশা দিবস নিশা তাহারি বাসে।। সুখের আশায় মেশায় ওরা বুকের সুধায় চোখের সলিল মণির মোহে জীবন-দহে বিষের ফণির গরল-শ্বাসে। বুকের পিয়ায় পেয়ে হিয়ায় কাঁদে পথের পিয়া লাগি’ নিতুই নূতন স্বর্গ মাগি’ নিতুই নয়ন জলে ভাসে।।
রাগঃ পিলু
তালঃ ফের্তা
স্বরলিপিকার: কাজী নজরুল ইসলাম

পুবান হাওয়া পশ্চিমে যাও কাবার পথে বইয়া যাও রে বইয়া এই গরিবের সালামখানি লইয়া।। কাবার জিয়ারতের আমার নাই সম্বল ভাই সারা জনম সাধ ছিল যে মদিনাতে যাই (রে ভাই) মিটল না সাধ, দিন গেল মোর দুনিয়ার বোঝা বইয়া।। (তোমার) পানির সাথে লইয়া যাও রে আমার চোখের পানি লইয়া যাও রে এই নিরাশের, দীর্ঘ নিশাসখানি। নবীজীর রওজায় কাঁদিও ভাই রে আমার হইয়া।। মা ফাতেমা হজরত আলীর মাজার যথায় আছে আমার সালাম দিয়া আইস তাদের পায়ের কাছে (রে ভাই!) কাবায় মোনাজাত করিও আমার কথা কইয়া।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
১.

২.

সখি তখন আমার বালিকা বয়স বেণু শুনেছিনু যবে। আমি বুঝিনি সেদিন, ডাকে বাশুরিয়া আমারেই বেণু রবে, সখি, আমারেই বেণু রবে।। তার বাঁশরির সুরে মাঝে মাঝে সখি শিহরিয়া উঠিতাম গো — মনে হ’ত ঐ সুরের আড়ালে আছে যেন মোর নাম গো। ডাকিত — ‘রাধা জাগো, জাগো প্রিয়া’, হের গো যমুনা তোমার বিরহে উঠিয়াছে উথলিয়া।। শিহরিত কলেবর, জাগিত ভীতি গো, ও কি পূর্বানুরাগ, ও কি প্রথম প্রীতি গো।সখি গো — সখি, হেরিনু স্বপনে নব জলধর রসে-ঢলঢল কালা মোর বুকে এসে কাঁদে, বলে লহ, রাধে, কণ্ঠের বনমালা তার শিরে শিখি-পাখা, চাঁচর চিকুর দোলে কপোলের কাছে লো দোলে দোলে দোলে দোলে গো — সে বাঁশী রেখে পায় মুখপানে চায়, কি যেন ভিক্ষা যাচে।। আমি দিতে যে নারি লো, যাহা চায় তাহা আমি দিতে যে নারি লো; ও বোঝে না কুলবতী কুলের বাধা, দিতে যে নারী লো, দিতে যে নারি লো।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

মদির অধীর দখিন হাওয়া। ফিরে গেল, এলো না (মোর) পথ-চাওয়া।। ফুরাইয়া যায় পরানের ফাগুন, আসিল না জীবন-দেবতা, ঝরা পল্লব-প্রায় সাধ আশা ঝ’রে যায় শুকাল এ তনু-লতা। শ্রান্ত গানের পাখি ডেকে ডেকে চ’লে যায় চির-বসন্ত যথা।। আকাশে আজিও ঝরে জোছনার-ঝর্না, তুমি আসিবে বলি’ এ দেহ চাঁপার কলি আজও আছে বঁধু চন্দন-বর্ণা। নিরাশায় সায়রে আজিও একটি দু’টি কুসুম ফোটে, কৃষ্ণা-তিথি, তবু আধেক রাতের পরে আজও চাঁদ ওঠে। এ চাঁদ উঠিবে না, এ ফুল ফুটিবে না আর এ জীবন-তটে।। এসো ফিরে, এসে লহ প্রিয়তম তোমারে নিবেদিত অঞ্জলি মম, রূপের প্রেমের অঞ্জলি মম — এসো ফিরে, এসে লহ প্রিয়তম।।
রাগঃ
তালঃ
Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan