
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

ভাই হয়ে ভাই চিনবি আবার গাইব কি আর এমন গান! সেদিন দুয়ার ভেঙে আসবে জোয়ার মরা গাঙে ডাকবে বান।। তোরা স্বার্থ-পিশাচ যেমন কুকুর তেমনি মুগুর পাস রে মান। সেই কলজে চুঁয়ে গলছে রক্ত দলছে পায়ে ডলছে কান।। ওরে তোরা করিস লাঠালাঠি সিন্ধু-ডাকাত লুটছে ধান! তাই গোবর-গাদা মাথায় তোদের কাঁঠাল ভেঙে খায় শেয়ান।। ছিলি সিংহ ব্যাঘ্র, হিংসা-যুদ্ধে আজকে এমন ক্ষিন্ন প্রাণ। মুখের গ্রাস ঐ গিলছে শেয়াল, তোমরা শুয়ে নিচ্ছ ঘ্রাণ।। তোরা বাঁদর ডেকে মানলি সালিশ ভাইকে দিতে ফাটলো প্রাণ! সালিশ নিজেই, ‘খা ডালা সব’, বোকা তোদের এই দেখান।। তোরা নাক কেটে নিজ পরের যাত্রা ভঙ্গ করিস বুদ্ধিমান তোদের কে যে ভালো কে যে মন্দ সব শিয়ালই এক সমান।। শুনি আপন ভিটের কুকুর রাজা, তার চেয়েও হীন তোদের প্রাণ। তাই তোদের দেশ এই হিন্দুস্থানে নাই তোদেরই বিন্দু স্থান।। আজ সাধে ভারত-বিধাতা কি চোখ বেঁধে ঐ মুখ লুকান! তোরা বিশ্বে যে তার রাখিসনে ঠাঁই কানা গরুর ভীন বাথান।। তোরা করলি কেবল অহরহ নীচ কলহের পরল পান। আজ বুঝলি নে হায় নাড়ি-ছেড়া মায়ের পেটের ভায়ের টান।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

দীপ নিভিয়াছে ঝড়ে জেগে আছে মোর আঁখি। কে যেন কহিছে কেঁদে মোর বুকে মুখ রাখি’ ‘পথিক এসেছ না কি’।। হারায়ে গিয়াছে চাঁদ জল-ভরা কালো মেঘে আঁচলে লুকায়ে ফুল বাতায়নে আছি জেগে’ শূন্য গগনে দেয়া কহিতেছে যেন ডাকি’ ‘পথিক এসেছ না কি’।। ভাঙিয়া দুয়ার মম কাড়িয়া লইতে মোরে এলে কি ভিখারি ওগো প্রলয়ের রূপ ধ’রে? ফুরাইয়া যায় বঁধু শুভ-লগনের বেলা আনো আনো ত্বরা করি’ ওপারে যাবার ভেলা ‘পিয়া পিয়া’ ব’লে বনে ঝুরিছে পাপিয়া পাখি ‘পথিক এসেছ না কি’।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

নেহি তোড়ো ইয়ে ফুলোঁ কি ডালি রে হা। মালি ভোমরা বুলবুল তেরি গালি রে হা।। যাও সওতন কে পাশ শুনো ভিগা ভিগা বাত ম্যায়তো হোনেকা চাহতি হুঁ প্রীত বিমার — আভি চাহ ফেকা যায়েগা কালীরে হা।। হায়রে হায় বান্দা আব দালা যৌবন আভি আভি ফুলো মে নেহি আয়ি হ্যায় সৌগন্ধ, আভি গালো পে আয়ি নেহি লালীরে হা।। নেহি আও আভি নাজানে পাও নেহি বাত আভি ছোটি হ্যায় ফুল কলি কাচ্চা আনার যৌবন সে ম্যায় অব তক আনজানে হা।।
রাগঃ পিলু মিশ্র
তালঃ দাদ্রা

বাঁশির কিশোর লুকায়ে হেরিছে একেলা। পিয়াল বনের পথে নিরালা সাঁঝের বেলা। হেলে দুলে চলে কে কাঁখে গাগরি, কাহার ঝিয়ারি, ও কাহার পিয়ারি ওই নবীনা নাগরি।। নূপুর মিনতি করে কাঁদিয়া কাঁদিয়া আমারে রাখিও চরণে বাঁধিয়া, পিয়া পিয়া ব'লে ডেকে ওঠে পাপিয়া। অঙ্গ জড়ায়ে দোলে আনন্দে ঘাগরি।। চাঁদের মুখে যেন চন্দন মাখিয়া কাজল কালো চোখের কলঙ্ক আঁকিয়া — আকাশ সম ওরে রেখেছে ঢাকিয়া নীলাম্বরী।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

সন্ধ্যা হলো ঘরকে চলো, ও ভাই মাঠের চাষি ভাটিয়ালি সুরে বাজে রাখাল ছেলের বাঁশি।। পিদিম নিয়ে একলা জাগে একলা ঘরের বধূ হৃদয়-পাতে লুকিয়ে রেখে সারা দিনের মধু; পথ চেয়ে সে বসে আছে কাজ হয়েছে বাসি রে তার কাজ হয়েছে বাসি। (যে) মন সারাদিন ছিল পড়ে হালের গরুর পানে, দিনের শেষে ঘরের জরু সেই মনকে টানে সেথা মেটে ঘরের দাওয়ায় লুটায় রে মেটে ঘরের দাওয়ায় লুটায় কালো চোখের হাসি রে ভাই কালো চোখের হাসি। পুবান হাওয়া ঢেউ দিয়ে যায় আউশ ধানের ক্ষেতে, এই ফসলের দেখব স্বপন শুয়ে শুয়ে রেতে; ও ভাই শুয়ে শুয়ে রেতে সকাল বেলা আবার যেন মাঠে ফিরে আসি রে এই মাঠে ফিরে আসি।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

নন্দকুমার বিনে সই আজি বৃন্দাবন অন্ধকার নাহি ব্রজে আনন্দ আর। যমুনার জল দ্বিগুণ বেড়েছে ঝরি’ গোকূলে অশ্রুধার।। শীতল জানিয়া মেঘ-বরণ শ্যামের শরণ লইয়া সই তৃষিতা চাতকী জ্বলে মরি হায় বিরহ-দাহনে ভস্ম হই। শীতল মেঘে অশনি থাকে কে জানিত সখি সজল কাজল শীতল মেঘে অশনি থাকে। ব্রজে বাজে না বেণু আর চরে না ধেনু (আর) পড়ে না গোকুলে শ্যাম চরণ রেণু তার ফেলে যাওয়া বাঁশি নিয়ে শ্রীদাম সুদাম ধায় মথুরার পথে আর কাঁদে অবিরাম। কৃষ্ণে না হেরি দূর বন পার উড়ে গেছে শুক সারি কৃষ্ণ যেথায় সেই মথুরায় চলো যাই ব্রজনারী।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দাদ্রা, তেওড়া, কাহার্বা ও ঝাঁপতাল)

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan