
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।

হে প্রিয় আমারে দিব না ভুলিতে মোর স্মৃতি তাই রেখে' যাই শত গীতে।। বিষাদিত সন্ধ্যায় শুনিবে দূরে বিরহী বাঁশি ঝুরে আমারি সুরে আমারি করুণ গাথা গাহিবে কে কোথা সজল মেঘ-ঘেরা নিশীথে।। গোধূলি-ধূসর ম্লান আকাশে হেরিবে আমার মূরতি ভাসে তব পদদলিত ফুলের বাসে পড়িবে মনে আমারে চকিতে।।
রাগঃ পটদীপ
তালঃ ত্রিতাল
শিল্পীঃ খায়রুল আনাম শাকিল
শিল্পীঃ সুকুমার মিত্র
শিল্পীঃ শবনম আবেদি

পাকা ধানের গন্ধ-বিধুর হেমন্তের এই দিন-শেষে, সুরের দুলাল, আসলে ফিরে দিগ্বিজয়ীর বর-বেশে। আজো মালা হয়নি গাঁথা হয়নি আজো গান রচন, কুহেলিকার পর্দা-ঢাকা আজো ফুলের সিংহাসন। অলস বেলায় হেলাফেলায় ঝিমায় রূপের রংমহল, হয়নি ক’ সাজ রূপ-কুমারীর, নিদ্ টুটেছে এই কেবল। আয়োজনের অনেক বাকি - শুন্নু হঠাৎ খোশ্খবর, ওরে অলস, রাখ্ আয়োজন, সুর-শা’জাদা আস্ল ঘর। ওঠ্ রে সাকি থাক্ না বাকি ভরতে রে তোর লাল গেলাস, শূন্য গেলাস ভরব - দিয়ে চোখের পানি মুখের হাস। দম্ভ ভরে আস্লো না যে ধ্বজায় বেঁধে ঝড়-তুফান, যাহার আসার খবর শুনে গর্জাল না তোপ-কামান। কুসুম দলি’ উড়িয়ে ধূলি আস্লো না যে রাজপথে, আয়োজনের আড়াল তারে করব গো আজ কোন্ মতে। সে এলো গো যে-পথ দিয়ে স্বর্গে বহে সুর্ধুনী, যে পথ দিয়ে ফেরে ধেনু মাঠের বেণুর রব শুনি’। যেমন সহজ পথ দিয়ে গো ফসল আসে আঙ্গিনায়, যেমন বিনা সমারোহে সাঁঝের পাখি যায় কুলায়। সে এলো যে আমন-ধানের নবান্ন উৎসব-দিনে, হিমেল হাওয়ায় অঘ্রাণের এই সুঘ্রাণেরি পথ চিনে। আনে নি সে হরণ ক’রে রত্ন-মানিক সাত-রাজার, সে এনেছে রূপকুমারীর আঁখির প্রসা কণ্ঠহার। সুরের সেতু বাঁধ্ল সে গো, উর্দ্ধে তাহার শুনি স্তব, আস্ছে ভারত-তীর্থ লাগি’ শ্বেত-দ্বীপের ময়-দানব। পশ্চিমে আজ ডঙ্কা বাজে পুবের দেশের বন্দীদের, বীণার গানে আমরা জয়ী, লাজ মুছেছি অদৃষ্টের। কণ্ঠ তোমার যাদু জানে, বন্ধু ওগো দোসর মোর! আস্লে ভেসে গানের ভেলায় বৃন্দাবনের বংশী-চোর। তোমার গলার বিজয়-মালা বন্ধু একা নয় তোমার, ঐ মালাতে রইল গাঁথা মোদের সবার পুরস্কার। কখন আঁখির আগোচরে বস্লে জুড়ে হৃদয়-মন, সেই হৃদয়ের লহ প্রীতি, সজল আঁখির জল্-লিখন।
‘সুরের দুলাল’
রাগঃ
তালঃ
প্রেম আর ফুলের জাতি কুল নাই, বুল্বুলি সে কথা ভুলিল কি হায়। সে কেন তবে আসে না রাতের ফুল মোর হাতে শুকায়।। রাজ-বাগিচার ফুল হোক যত গরবী পথের ফুলেও আছে তা’রি মত সুরভি, রসের পুতলী হয় পথের ভিখারিনী যদি প্রেম পায়।।
রাগঃ
তালঃ
এত জল ও কাজল চোখে, পাষানী আনলে বল কে। টলমল জল-মোতির মালা দুলিছে ঝালর-পলকে ।। দিল কি পূব হাওয়াতে দোল, বুকে কি বিঁধিল কেয়া? কাঁদিয়া কুটিলে গগন এলায়ে ঝামর-অলকে।। চলিতে পৈঁচি কি হাতের বাঁধিল বৈচি-কাঁটাতে? ছাড়াতে কাঁচুলির কাঁটা বিঁধিল হিয়ার ফলকে।। [যে দিনে মোর দেওয়া-মালা ছিঁড়িলে আনমনে সখি, জড়াল জুই-কুসুমি-হার বেণীতে সেদিন ওলো কে।। যে-পথে নীর ভরণে যাও বসে রই সে পথ-পাশে দেখি, নিত কার পানে চাহি কলসীর সলিল ছলকে।।] মুকুলী-মন সেধে সেধে কেবলি ফিরিনু কেঁদে, সরসীর ঢেউ পালায় ছুটি' না ছুঁতেই নলিন-নোলকে ।। বুকে তোর সাত সাগরের জল, পিপাসা মিটল না কবি ফটিক জল ! জল খুঁজিস যেথায় কেবলি তড়িৎ ঝলকে।।
রাগঃ মান্দ
তালঃ কাহার্বা

ঘর-ছাড়া ছেলে আকাশের চাঁদ আয় রে। জাফ্রানি রঙের পরাব পিরান তোর গায় রে।। আস্মানে যেতে চায় তারা হয়ে আমার নয়ন-তারা (তোর) খেলার সাথি কাঁদে শাপ্লার ফুল, ফিরে আয় পথ-হারা, দু’নয়ন ঘুমে ঢুলে, হৃদয় ঘুমায় না, কাছে পেতে চায় রে।। চোখের কাজল তোর চাঁদ-মুখে লেগেছে, (আয়) মুছাব আঁচলে দেখ্ মায়ের তোর স্নেহের সাগর আছে উথলে, (মোর) মনের ময়না! ঘরে মন রয় না, পথ চেয়ে’ রাত কেটে যায় রে।।
চলচ্চিত্র : ‘চৌরঙ্গী’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

সুরের ধারার পাগল-ঝোরা নামিল সখি মোর পরানে। ভরি’ মোর নিশীথ নিঝুম, বাজে নূপুর কার রুমুঝুম, মোর চোখে নাহি ঘুম — পাষাণ টুটে লো যায় ছুটে মন-তটিনী মোর সাগর পানে।। পান্সে চাঁদের জোছনাতে ঐ বেলের কুঁড়ি মুঞ্জরে, মন যেতে চায় ফুল-বিছানো বকুল-বীথির পথ ধ’রে। আজ চাইবে যে, দিব তাকে সেই ফুল ছুঁয়ে এই আপনাকে, অরুণ-রাগে হৃদয় জাগে, ভাসিয়া যাব নৃত্যে গানে।।
রাগঃ মান্দ মিশ্র
তালঃ ফের্তা (কাহার্বা ও দাদ্রা)

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan