বাণী

আও আও স্যজনী
ম্যঙ্গল গাও শঙ্খ বাজাও
স্যফ্যল মানো র‍্যজনী।।
অ্যম্যর লোক্ সে কুসুম গিরাও
তীন লোক্ মে হ্যর‍্যষ মানাও
হঁস্যতী আজ ধরণী।।

নাটিকাঃ ‘জন্মাষ্টমী

বাণী

ওগো ও আমার কালো —
গহন বনে বুকের মাঝে জ্বালো তুমি জ্বালো
		ওগো আমার আলো গো।।
	কাজলা মেঘের অন্তরালে
	তোমার রূপের মানিক জ্বলে
আমার কালো মনের তলে জ্বালাও তুমি আলো গো।।
একলা ব’সে দিন যেন মোর কাটে
কইতে কথা বুক যে আমার ফাটে গো
আঁধার যখন আসবে ঘিরে জ্বালবে তুমি আলো গো।।

বাণী

ফাগুন ফুরাবে যবে —
উঠিবে দীরঘ শ্বাস চম্পার বনে
কোয়েলা নীরব হবে।।
আমারে সেদিন যদি স্মরণে আসে
বেদনা জাগে ঝরা ফুল সুবাসে
আমার স্মৃতি যত ঝরা পাতার মত
ফেলিয়া দিও নীরবে।।
যবে বাসর নিশি ফুরাবে
রাতের মিলন-মালা প্রভাতে মলিন হবে;
সুখ শশী অস্ত যাবে —
আসিবে জীবনে তব বৈশাখী মলিন হবে;
লুটাবে পথের' পরে ভেঙে যাবে ঘর
সেদিন স্মরণে তব আসিবে কি তাহারে
গৃহহীন করিয়াছ যাহারে ভবে।।

বাণী

আমার		গহীন জলের নদী
আমি			তোমার জলে ভেসে রইলাম জনম অবধি।।
ও ভাই		তোমার বানে ভেসে গেল আমার বাঁধা ঘর
আমি			চরে এসে বস্‌লাম রে ভাই ভাসালে সে চর।
এখন			সব হারিয়ে তোমার জলে রে আমি ভাসি নিরবধি।।
			ঘর ভাঙিলে ঘর পাব ভাই ভাঙ্‌লে কেন মন
ও ভাই		হারালে আর পাওয়া না যায় মনেরি রতন।
ও ভাই		জোয়ারে মন ফেরে না আর রে ও সে ভাটিতে হারায় যদি।।
তুমি			যখন ভাঙ রে নদী (ভাঙ যখন কূল রে নদী) ভাঙ একই ধার
আর			মন যখন ভাঙ রে নদী দুই কূল ভাঙ তার
ও ভাই		চর পড়ে না মনের কূলে রে
ও সে			একবার সে ভাঙে যদি, ও ভাই একবার সে ভাঙে যদি।।

বাণী

তৃষিত আকাশ কাঁপে রে।
প্রখর রবির তাপে রে।।
চাহিয়া তৃষ্ণার বারি
চাতক ওঠে ফুকারি’
করুণ-শান্ত বিলাপে রে।।
রুদ্রযোগী ও-কে দূর বিমানে,
নিমগ্ন রহিয়াছে যেন ধ্যানে।
শকুন্তলা সম ভয়ে
কাঁপে ধরা র’য়ে র’য়ে,
অগ্নি-ঋষির অভিশাপ রে।।

বাণী

ছড়ায়ে বৃষ্টির বেলফুল, দুলায়ে মেঘলা চাঁচর চুল
চপল চোখে কাজল মেঘে আসিল কে।।
		বাজায়ে মেঘর মাদল
		ভাঙালে ঘুম ছিটিয়ে জল,
একা-ঘরে বিজলিতে এমন হাসি হাসিল কে।।
	এলে কি দুরন্ত মোর ঝোড়ো হাওয়া,
	চির-নিঠুর প্রিয় মধুর পথ-চাওয়া।
		হৃদয়ে মোর দোলা লাগে
		ঝুলনেরই আবেশ জাগে,
ফেলে-যাওয়া বাসি মালায় — আবার ভালোবাসিল কে।।