বাণী

পতিত উধারণ জয় নারায়ণ
কমলাপতে জয় ভ্যত্ত্‌ব-ভ্যয়-হ্যর‍্যণ
জয় জ্যগদীশ হ্যরে।।

নাটিকাঃ ‘জন্মাষ্টমী’

বাণী

	বর্ণচোরা  ঠাকুর এলো রসের নদীয়ায়
	তোরা দেখবি যদি আয়
তারে	কেউ বলে শ্রীমতি রাধা কেউ বলে সে শ্যামরায়।।
	কেউ বলে তার সোনার অঙ্গে রাধা-কৃষ্ণ খেলেন রঙ্গে;
ওগো	কেউ বলে তায় গৌর-হরি কেউ অবতার বলে তায়।।
তার	ভক্ত তারে ষড়ভুজ শ্রী নারায়ণ বলে,
কেউ	দেখেছে শ্রীবাসের ঘরে কেউ বা নীলাচলে।
	দুই হাতে তার ধনুর্বাণ ঠিক যেন শ্রীরাম,
	দুই হাতে তার মোহন বাঁশি যেন রাধা-শ্যাম,
	আর দু'হাতে দণ্ড ঝুলি নবীন সন্ন্যাসীরই প্রায়।।

বাণী

	বন-ফুলে তুমি মঞ্জরি গো
	তোমার নেশায় পথিক-ভ্রমর ব্যাকুল হ'ল গুঞ্জরি' গো।।
তুমি	মায়ালোকের নন্দিনী ন্দনের আনন্দিনী
তুমি	ধূলির ধরার বন্দিনী, যাও গহন কাননে সঞ্চরি গো।।
	মৃদু পরশ-কুঞ্চিতা তুমি বালিকা
	বল্লভ-ভীতা পল্লব অবগণি্ঠিতা মুকুলিকা।
তুমি	প্রভাত বেলায় মঞ্জরি লাজে সন্ধ্যায় যাও ঝরি'
	অরণ্যা-বল্লরি শোভা, পুণ্য পল্লী-সুন্দরী।।

বাণী

বৈকালী সুরে গাও চৈতালি গান, বসন্ত হয় অবসান।
নহবতে বাজে সকরুণ মূলতান।।
নীরব আনমনা পিক চেয়ে আছে দূরে অনিমিখ
ধূলি-ধূসর হলো দিক আসে বৈশাখ অভিযান।।
চম্পা-মালা রবমলিন লুটায় ফুল-ঝরা বন-বীথিকায়,
ঢেলে দাও সঞ্চিত প্রাণের মধু-যৌবন দেবতার পায়।
অনন্ত বিরহ-ব্যথায় ক্ষণিকের মিলন হেথায়
ফিরে নাহি আসে যাহা যায়-নিমেষের মধুতর গান।।

বাণী

চাঁদের পিয়ালাতে আজি জোছনা-শিরাজি ঝরে।
ঝিমায় নেশায় নিশীথিনী সে-শরাব পান ক’রে।।
	সবুজ বনের জল্‌সাতে
	তৃণের গালিচা পাতে,
উতল হাওয়া বিলায় আতর চাঁপার আতরদানি ভ’রে।।
সাদা মেঘের গোলাব-পাশে ঝরিছে গোলাব-পানি,
রজনীগন্ধার গেলাসে রজনী দেয় সুরা আনি’।
	কোয়েলিয়া কুহু কুহু
	গাহে গজল মুহু মুহু,
সুরের নেশা সুরার নেশা লাগে আজি চরাচরে।।

বাণী

নামাজ পড়, রোজা রাখ, কল্‌মা পড় ভাই।
তোর আখেরের কাজ করে নে, সময় যে আর নাই।।
	সম্বল যার আছে হাতে
	হজ্বের তরে যা কা'বাতে,
জাকাত দিয়ে বিনিময়ে শাফায়াত যে পাই।।
ফরজ তরক্ ক'রে কর্‌লি করজ ভবের দেনা,
আল্লাহ ও রসুলের সাথে হ'ল না তোর চেনা। 
	পরানে রাখ কোরআন বেঁধে,
	নবীরে ডাক কেঁদে কেঁদে্‌
রাত্রি দিন তুই কর মোনাজাত — আল্লাহ্ তোমায় চাই।।