বাণী

	টারালা টারালা টারালা টা টারালা টারালোল্লা
নাচে	শুটকী শুকনো সাহেবকে ধ'রে মুটকি মিস আরসোল্লা।
		হা-হা- হা-হা- হা।।
	খুরওয়ালা জুতা পরে খটখট ঠেংরী নাড়ে
	চাবুক খেয়ে জোড়া ঘোড়ায় যেন পেছলি ঝাড়ে!
দেখে	পাদ্রি, পুরুত, মোল্লা বাবাজী কাছা খোল্লা।
		আর বাবাজী কাছা খোল্লা।।
দেখে	আণ্ডাওয়ালা ভাবে বুঝি খেল ডাণ্ডাগুলি
হা	গণ্ডার মার্কা ষণ্ডা বিবি খেল ডাণ্ডাগুলি
হা	ভাব-আবেশের নয়ন তাহার হলো নয়ান ঝুলি;
	নেকু বাবুর ঢেকুর ওঠে পেটে মেকুর আচড়ায়!
	কাল্লু ভাবে মেম পালোয়ান সাহেবকে বুঝি পাছড়ায়। ( হায় হায় হায়)
	যতো কাবলিওয়ালা মাউড়া সব হো গিয়া ভাই বাউড়া
	মোষের গাড়োয়ান প্রেম-রসে হলো রসগোল্লা।।

বাণী

ক্ষ্যাপা হাওয়াতে মোর আঁচল উড়ে যায়।
খুলে পড়ে গো বাজুবন্দ ধরিতে আঁচল
কোন ঘূর্ণি বাতাস এলো ছন্দ-পাগল
লাগে নাচের ছোঁয়া দেহের কাঁচ মহলায়
হয়ে পায়েলা উতলা সাধে ধরিয়া পায়।।
খুলিয়া পড়ে খোঁপায়, কবরীর ফুলহার
হাওয়ার এই রূপে গো এলো কি বঁধু আমার
এমনি দুরন্ত আদর সোহাগ তার
একি পুলক-শিহরেণে পরান মূরছায়।।

বাণী

এখনো ওঠেনি চাঁদ এখনো ফোটেনি তারা
এখনো দিনের কাজ হয়নি যে মোর সারা —
		হে পথিক যাও ফিরে।।
এখনো বাঁধিনি বেণী, তুলিনি এখনো ফুল
জ্বালি নাই মণিদীপ মম মন–মন্দিরে —
		হে পথিক যাও ফিরে।।
পল্লব–গুণ্ঠনে নিশি–গন্ধার কলি
চাহিতে পারে না লাজে দিবস যায়নি বলি’।
এখনো ওঠেনি ঢেউ থির সারসির নীরে —
		হে পথিক যাও ফিরে।।
যবে ঝিমাইবে চাঁদ ঘুমে তখন তোমার লাগি’
র’ব একা পথ চেয়ে বাতায়ন–পাশে জাগি’
কবরীর মালা খুলে ফেলে দেব ধীরে ধীরে —
		হে পথিক যাও ফিরে।।

বাণী

		রামছাগী গায় চতুরঙ্গ বেড়ার ধারে,
		গাইয়ে ষাঁড়-সাথে বাছুর হাম্বা রবে — ভীষণ নাদ ছাড়ে,
		ফেটে বুঝি গেল কান, প্রাণে মারে!
		শুনিয়া হাই তোলে ভেউ ভেউ রোলে — ভুলোটা পগার পারে।।
তেলেনা: 		ডিম নেরে, তা দেরে, আমি না রে, তুই দেরে,
		নেরে ডিম, দেরে তা, তা দেনা,
		ওদের না না, তাদের না না তুই দেরে ডিম!
		ওদের নারী তাদের নারী দেদার নারী,
		দে রে নারী, যা ধেৎ, টানাটানি!
সরগম:	 	ধ প র ধ র গ, গ র গ ধ, গ র গ ধ,
		ন ধ ম ম, প র ন ম র গ, স র ন ধ স ম।।
তবলার বোল: 	ভেগে যা, মেগে খা, মেরে কেটে খা, মেরে কেটে খা’
		তেড়ে ধরে কাট ধুম, ধরে কেটে রাখুন না রাখুন না,
		কান দুটি যাক তবু কাটা থাক দুম।।

‘চতুরঙ্গ’

বাণী

শিব-অনুরাগিণী গৌরী জাগে।
আঁখি অনুরঞ্জিত প্রেমানুরাগে।।
	স্বপনে কি শিব এসে
	বর দিল বর-বেশে,
বালিকা বলিতে নারে, শরম লাগে।।
‘কি হয়েছে উমা তোর’ — গিরিরানী সাধে,
কে মাখালো কুম্‌কুম্‌ ভোরের চাঁদে?
	লুকায় মায়ের বুকে
	বলিতে বাধে মুখে,
পাগল শিব ঐ রূপ-ভিক্ষা মাগে।।

বাণী

বকুল চাঁপার বনে কে মোর চাঁদের স্বপন জাগালে —
অনুরাগের সোনার রঙে হৃদয়-গগন রাঙালে।।
ঘুমিয়ে ছিলাম কুমুদ-কুঁড়ি বিজন ঝিলের নীল জলে
পূর্ণ শশী তুমি আসি’ আমার সে ঘুম ভাঙালে।।
হে মায়াবী তোমার ছোঁয়ায় সুন্দর আজ আমার তনু
তোমার মায়া রচিল মোর বাদল মেঘে ইন্দ্র ধনু।
		তোমার টানে হে দরদি
		দোল খেয়ে যায় কাঁদন-নদী
কূল হারা মোর ভালোবাসা আজকে কূলে লাগালে।।