বাণী

কেউ		ভোলে না কেউ ভোলে অতীত দিনের স্মৃতি
কেউ		দুঃখ ল’য়ে কাঁদে কেউ ভুলিতে গায় গীতি।।
কেউ		শীতল জলদে হেরে অশনির জ্বালা
কেউ		মুঞ্জরিয়া তোলে তার শুষ্ক কুঞ্জ–বীথি।।
হেরে		কমল–মৃণালে কেউ কাঁটা কেহ কমল।
কেউ		ফুল দলি’ চলে কেউ মালা গাঁথে নিতি।।
কেউ		জ্বালে না আর আলো তার চির–দুখের রাতে,
কেউ		দ্বার খুলি’ জাগে চায় নব চাঁদের তিথি।।

বাণী

আয় সবে ভাই বোন
আয় সবে আয় শোন্ 
	পদধূলি শিরে লয়ে মা’র।
মা’র বড় কেহ নাই
কেহ নাই, কেহ নাই,
	নত করি’ বল সবে — ‘মা আমার! মা আমার!’

রেকর্ড-নাটিকাঃ ‘মাতৃস্তোত্র’

বাণী

		আল্লার নাম জপিও ভাই দিবসে ও রেতে
		সকল কাজের মাঝে রে ভাই তাঁহার রহম পেতে
কোরাস:   	আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ্, আল্লাহ্ ।।
		হাত করবে কাজ রে ভাই মন জপবে নাম
	ঐ	নাম জপতে লাগে না ভাই টাকা কড়ি দাম,
		নাম জপো ভাই মাঠে ঘাটে হাটের পথে যেতে।
কোরাস:	আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ্, আল্লাহ্ ।।
	ঐ	আল্লার নাম যদি রে ভাই তুমি থাকো ধ’রে
	ঐ	নামও তোমায় থাকবে ধ’রে দুঃখ বিপদ ঝড়ে,
	ঐ	নামেরে সঙ্গী করো নাইতে শুতে খেতে।
কোরাস:	আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ্, আল্লাহ্ ।।
		তোমার দেহ মন হবে রে ভাই নূরেতে রওশন
		মাতোয়ারা হও যিকির করো খোদার প্রেমে মেতে।
কোরাস:	আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ্, আল্লাহ্ ।।

বাণী

	মায়ের চেয়েও শান্তিময়ী মিষ্টি বেশি মেয়ের চেয়ে
	চঞ্চলা এই লীলাময়ী মুক্তকেশী কালো মেয়ে।।
সে	মিষ্টি যত দুষ্টু তত এই কালো মেয়ে
	গিরিঝর্ণা সম এলো ধেয়ে এই পাবর্তী মেয়ে
	করুণা অমৃত ধারায় ভুবন ছেয়ে এলো এই কালো মেয়ে।।
	মাকে চোখে চোখে রাখি
	যদি কভু দেয় সে ফাঁকি
	আমি ভয়ে ভয়ে থাকি গো
	এই মায়াময়ী মেয়ে নিয়ে ভয়ে ভয়ে থাকি গো।
আমি	বহু সাধ্য-সাধনাতে পেয়েছি এই মা-কে রে
	কোটি জনম তপস্যাতে পেয়েছি এই মা-কে রে
	কোথায় রাখি, আমি কাঙালিনী
	কোথায় রাখি স্বর্গের এই রত্ন পেয়ে
আমি	কোথায় রাখি স্বর্গের এই রত্ন পেয়ে।।

বাণী

হে মদিনার নাইয়া!
ভব-নদীর তুফান ভারি কর মোরে পার
তোমার দয়ায় ত’রে গেল লাখো গুনাহ্‌গার॥
পারের কড়ি নাই হে আমার হয়নি নামাজ রোজা
কূলে এসে বসে আছি নিয়ে পাপের বোঝা
(আমায়) ‘পার কর ইয়া রসুল’ বলে কাঁদি জারে জার॥
তোমার নাম গেয়েছি শুধু কেঁদে সুব্‌হ শাম
তরিবার মোর নাই ত’ পুঁজি বিনা তোমার নাম।
হাজরো বার দরিয়াতে ডুবে যদি মরি
ছাড়ব না মোর পারের আশা তোমার চরণ-তরী
সবার শেষে পার যেন হয় এই খিদ্‌মতগার॥

বাণী

ঘুমাও,ঘুমাও,দেখিতে এসেছি ভাঙাতে আসিনি ঘুম
কেউ জেগে কাঁদে,কারো চোখে নামে নিদালির মৌসুম॥
	দেখিতে এলাম হ'য়ে কুতুহলী
	চাঁপা-ফুল দিয়ে তৈরী পুতুলী
দেখি,শয্যায় স্তূপ হ'য়ে আছে জোছনার কুমকুম
আমি নই, ঐ কলঙ্কী চাঁদ নয়নে হেনেছে চুম্ ।।
রাগ করিও না, অনুরাগ হ'তে রাগ আরো ভালো লাগে,
তৃষ্ণাতুরের কেউ জল চায় কেউ বা শিরাজি মাগে।
	মনে কর, আমি লোলুপ বাতাস
	চোর-জোছনা, ফুলের সুবাস
ভয় নাই, আমি চলে যাই ডাকি' নিশীথিনী নিঃঝুম।।