বাণী

এলো ঐ		পূর্ণ শশী		ফুল-জাগানো
বহে বায়		বকুল-বনে		ঘুম-ভাঙানো।।
লাগিল		জাফরানি-রঙ	শিউলি-ফুলে
ফুটিল			প্রেমের কুঁড়ি		পাপড়ি খুলে,
খুশির আজ		আমেজ জাগে	মন-রাঙানো।।
চাঁদিনী		ঝিলমিলায়		ঝিলের জলে,
আবেশে		শাপলা ফুলের	মৃণাল টলে,
জাগে ঢেউ		দীঘির বুকে		দোল-লাগানো।।
এসো আজ		স্বপন-কুমার		নিরিবিলি
খুলিয়া		গোপন প্রাণের	ঝিলিমিলি,
এসো মোর		হতাশ প্রাণে		ভুল-ভাঙানো।।

বাণী

ব্যনমে শুন স্যখিরি পিয়া পিয়া বোলে বাঁশুরিয়া।
সখি ক্যওন উও বন্‌শী ব্যজায় ঘ্যরমে ন্য র‍্যহন্‌ যায়,
মন্‌ ভ্যয়ে উদাস্‌ সখি ন্যহি মানে জিয়া রি।।
নিরালা ঢং বাজে মৃদঙ্গ ম্যওর পাপিহা বোলে রি
চ্যরণন্‌ মে ছ্যন্দ জাগে ত্যন্‌ মন্‌ প্রাণ ডোলে রি
প্রেম্‌সে ম্যতওয়ালী ভ্যয়ি চাঁদ কি আঁখিয়া রি।।
স্যখি প্যহনো নীল শাড়ি চূড়া বাঁধো ম্যনহারি
যাঁহা ব্যন্‌চারী চ্যলো ক্যরকে সিঙ্গার
চ্যরণন্‌ মে গুজরী গ্যালেমে চম্পা হার —
নাচুঙ্গী আজ ওয়াকে সাথ্‌ গাউঙ্গি র‍্যসিয়ারি।।

বাণী

কোথায় তখত তাউস, কোথায় সে বাদশাহী।
কাঁদিয়া জানায় মুসলিম ফরিয়াদ ইয়া ইলাহী।।
কোথায় সে বীর খালিদ, কোথায় তারেক মুসা
নাহি সে হজরত আলী, সে জুলফিকার নাহি।।
নাহি সে উমর খত্তাব, নাহি সে ইসলামী জোশ
করিল জয় যে দুনিয়া, আজি নাহি সে সিপাহি।।
হাসান হোসেন সে কোথায়, কোথায় বীর শহীদান —
কোরবানি দিতে আপনায় আল্লার মুখ চাহি'।।
কোথায় সে তেজ ঈমান, কোথায় সে শান-শওকত,
তকদীরে নাই সে মাহতাব, আছে প'ড়ে শুধু সিয়াহি।।

বাণী

হে গোবিন্দ, ও অরবিন্দ চরণে শরণ দাও হে।
বিফল জনম কাটিল কাঁদিয়া, শান্তি নাহি কোথাও হে।।
	জীবন-প্রভাত কাটিল খেলায়,
	দুপুর ফুরাল মোহের মেলায়।
ডাকিব যে নাথ সন্ধ্যা-বেলায়, ডাকিতে পারিনি তাও হে।।
এসেছি দুঃখ-জীর্ণ পথিক মৃত্যু-গহন রাতে।
কিছু নাহি প্রভু সম্বল, শুধু জল আছে আঁখি-পাতে।।
	সন্তান তব বিপথগামী,
	ফিরিয়া এসেছে হে জীবন-স্বামী।
পাপী তাপী তবু সন্তান আমি ধূলা মুছে-কোলে নাও হে।।

বাণী

চাঁদের মত নীরবে এসো প্রিয় নিশীথ রাতে।
ঘুম হয়ে পরশ দিও হে প্রিয়, নয়ন-পাতে।।
	তব তবে বাহির-দুয়ার মম
	খুলিবে না এ-জনমে প্রিয়তম,
মনের দুয়ার খুলি’ গোপনে এসো বিজড়িত রহিও স্মৃতির সাথে।।
কুসুম-সুরভি হ’য়ে এসো নিশি-পবনে,
রাতের পাপিয়া হয়ে পিয়া পিয়া ডাকিও বব-ভবনে।
	আঁখি-জল হয়ে আঁখিতে আসিও
	বেণুকার সুর হয়ে শ্রবণে ভাসিও,
বিরহ হ’য়ে এসো হে চির-বিরহী আমার অন্তর-বেদনাতে।।

গীতিচিত্রঃ ‘অতনুর দেশ’

বাণী

[ওমা — ভুঁড়ি নিয়ে গেলাম মা — ওমা — মা-মা-মা]

		দয়া ক’রে দয়াময়ী ফাঁসিয়ে দে এই ভুঁড়ি
		এ ভুঁড়ি তো নয় ভূধর যেন উদর প্রদেশ জুড়ি॥
		ক্রমেই ভুঁড়ির পরিধি মা যাচ্ছে ছেড়ে দেহের সীমা
		আমার হাত পা রইল বাঙালি ওমা পেট হল ভোজপুরী॥
		উপুড় হতে নারি মাগো সর্বদা চিৎপাৎ
		ভয় লাগে কাৎ হলেই বুঝি হব কুপোকাৎ
		শালীরা কয় হায় রে বিধি রোলার বিয়ে করলেন দিদি
		গুঁড়ি ভেবে ঠেস দেয় কেউ কেউ দেয় সুড়সুড়ি॥
(আর)		ভুঁড়ি চলে আগে আগে আমি চলি পিছে
		কুমড়ো গড়ান গড়িয়ে পড়ি নামতে সিঁড়ির নীচে।
		পেট কি ক্রমে ফুলে ফেঁপে উঠবে মাগো মাথা ছেপে
(ওগো)	কেউ নাদা কয় কেউ গম্বুজ (বলে) কেউবা গোবর ঝুড়ি।
		গাড়িতে মা যেই উঠেছি ভুঁড়ি লাগায় লম্ফ
		ভুমিকম্পের চেয়েও ভীষণ আমার ভুঁড়ি কম্প।
		সার্ট ক্রমে পেটে এঁটে গেঞ্জি হয়ে গেল সেঁটে
		দে ভুঁড়ির ময়দা ফেটে হাত পা গুলো ছুড়ি
		হালকা হয়ে মনের সুখে হাত পা গুলো ছুড়ি
		এই ভুঁড়ির ময়দা ফেটে দে
		ফায়দা কি আর এই ভুঁড়িতে ময়দা ফেটে দে
		হালকা হয়ে মনের সুখে ওমা, হাত-পাগুলো ছুড়ি॥