বাণী

জয় বাণী বিদ্যাদায়িণী
জয় বিশ্বলোক-বিহারিণী।।
	সৃজন-আদিম তমঃ অপসারি'
	সহস্রদল কিরণ বিথারি'
আসিলে মা তুমি গগন বিদারি' মানস-মরাল-বাহিনী।।
	ভারতে ভারতী মূক তুমি আজি
	বীণাতে উঠিছে ক্রন্দন বাজি'
ছিন্ন চরণ-শতদলরাজি কহিছে বিষাদ-কাহিনী।।
	ঊর মা আবার কমলাসীনা, (মাগো)
	করে ধর পুনঃ সে রুদ্রবীণা
নব সুর তানে বানী দীনাহীনা জাগাও অমৃতভাষিণী
			মা জাগাও অমৃতভাষিণী।।

বাণী

ফুরিয়ে এলো রমজানেরি মোবারক মাস
আজ বাদে কাল ঈদ তবু মন করে উদাস।।
রোজা রেখেছিলি, হে পরহেজগার মোমিন!
ভুলেছিলি দুনিয়াদারি রোজার তিরিশ দিন;
তরক করেছিলি তোরা কে কে ভোগ-বিলাস।।
সারা বছর গুনাহ যত ছিল রে জমা,
রোজা রেখে খোদার কাছে পেলি সে ক্ষমা,
ফেরেশতা সব সালাম করে কহিছে সাবাস।।

নাটিকাঃ ‘ঈদল ফেতর’

বাণী

কথার কুসুমে গাঁথা গানের মালিকা কার।
ভেসে এসে হতে চায় গো আমার গলার হার।।
		আমি তারে নাহি জানি
		তার সুরের সূত্রখানি,
তবু বিজড়িত হয় কেন গো, আমার কঙ্কনে বারবার।।
তার সুরের তুলির পরশে, ওঠে আমার ভুবন রাঙ্গি’,
কোন বিস্মৃত জনমের যেন কত স্মৃতি ওঠে জাগি’।
		আমার রাতের নিদে
		তার সুর এসে প্রাণে বিঁধে,
যার সুর এত চেনা, কবে দেখা পাবো সেই অচেনার।।

বাণী

বকুল চাঁপার বনে কে মোর চাঁদের স্বপন জাগালে —
অনুরাগের সোনার রঙে হৃদয়-গগন রাঙালে।।
ঘুমিয়ে ছিলাম কুমুদ-কুঁড়ি বিজন ঝিলের নীল জলে
পূর্ণ শশী তুমি আসি’ আমার সে ঘুম ভাঙালে।।
হে মায়াবী তোমার ছোঁয়ায় সুন্দর আজ আমার তনু
তোমার মায়া রচিল মোর বাদল মেঘে ইন্দ্র ধনু।
		তোমার টানে হে দরদি
		দোল খেয়ে যায় কাঁদন-নদী
কূল হারা মোর ভালোবাসা আজকে কূলে লাগালে।।

বাণী

জাগো ভারত রানী ভারতজন্ তুম্ হে চাহে
গগনমে উঠত যো বাণী সো হি জগজন গাহে॥
		রোবত ভারতকে ন্যরনারী
		বোলাতা জ্যগ মাই হামারী
দুঃখ-দৈন্য ভারতকো ঘেরি তুম অব সেবত কাহে॥
		নীল সিন্ধু তুম্‌হা লাগি
		গ্যরজত ঘন অনুরাগী
কেঁউ নাহি উঠত জাগি যব্ ভারত প্রেম গাহে॥

বাণী

এসো এসো পাহাড়ি ঝর্ণা মেঘ সজল কাজল বর্ণা
এসো জল ছিটিয়ে ফুল ফুটিয়ে এসো।।
উপল নুড়িতে কাঁকন চুড়িতে
রিনি ঠিনি ছন্দে বন্য আনন্দে এসো
এসো ছলছল ঝলমল আঁচল লুটিয়ে এসো।।
তৃষ্ণায় ডাকে কূলে কূলে হরিণী
আনো কৃষ্ণার জল নির্ঝরিণী।
ফুলবনে ভ্রমর দল জুটিয়ে এসো।।
এসো তপ্ত ধরার বক্ষে, শান্তি ধারা আনো চক্ষে
শীতল হোক খরতর বায়ু, নির্জীব প্রান্তরে আনো পরমায়ু
এসো পাষাণ-কারারঘুম টুটিয়ে এসো।।

নাটকঃ‘মদিনা’