Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

সম্মানিত অতিথি আপনার প্রিয় নজরুলগীতিটি এই ওয়েব সাইটে খুঁজে না পেলে অনুগ্রহ করে আমাদের জানান। আমরা যথা-শীঘ্র সেইটি সংযোজন করার চেষ্টা করবো।

সম্মানিত অতিথি আপনার প্রিয় নজরুলগীতিটি এই ওয়েব সাইটে খুঁজে না পেলে অনুগ্রহ করে আমাদের জানান। আমরা যথা-শীঘ্র সেইটি সংযোজন করার চেষ্টা করবো।

সম্মানিত অতিথি আপনার প্রিয় নজরুলগীতিটি এই ওয়েব সাইটে খুঁজে না পেলে অনুগ্রহ করে আমাদের জানান। আমরা যথা-শীঘ্র সেইটি সংযোজন করার চেষ্টা করবো।

বন-কুন্তল এলায়ে বন শবরী ঝুরে

বাণী

বন-কুন্তল এলায়ে বন শবরী ঝুরে সকরুণ সুরে।
বিষাদিত ছায়া তার চৈতালী সন্ধ্যার চাঁদের মুকুরে।।
	চপলতা বিসরি যেন বন-যৌবন
	বিরহ-ক্ষীণ আজি উদাস উন্মন,
তোলে না ঝঙ্কার আর ঝরা পাতার মর্মর নূপুরে।।
যে কুহু কুহরিত মধুর পঞ্চমে বিভোর ভাবে,
ভগ্ন কণ্ঠে তার থেমে যায় সুর করুণ রেখাবে।
	কোন বন-শিকারীর অকরুণ তীর
	আলো হ’রে নিল ওই উজল আঁখির —
ফেলে যাওয়া বাঁশি তা’র অঞ্চলে লুকায়ে —
	গিরি–দরি–প্রান্তরে খোঁজে সে নিঠুরে।।

ওরে ভবের তাঁতি

বাণী

ওরে ভবের তাঁতি! হরিনামের এঁড়ে গরু কিনিস্‌নে।
তুই মূলে শেষে হাবাত্ হবি ঠাকুরকে তুই চিনিস্‌নে।
		রসিক ঠাকুরকে তুই চিনিস্‌নে।।
তুই খাচ্ছিস্ বেশ ভবের তাঁত বু’নে
চালিয়ে মাকু, ঘুরিয়ে টাকু, তাঁতের গান শু’নে
(ও তুই) সুখে খাবি আয়েশ পাবি
ঐ গরু কেনার টাকাতে তুই জরু আনার জিনিসনে।।
পরমার্থের কিনলে এঁড়ে, অর্থ যাবে ছেড়ে
তোর ঘাড়েরই লাঙল তোকে শেষে আসবে তেড়ে!
কুল যাবে তোর, যাবে জাতি মান
(এই গো-কুলের এঁড়ে এনে) যাবে জাতি মান,
দুঃখ অভাব শোক এসে তোর ধরবে রে দুই কান
শেষে কি কান খোয়াবি কানা হবি ভ’জে কানাই শ্রীকৃষ্ণে।।

তোমাদের দান তোমাদের বাণী

বাণী

তোমাদের দান, তোমাদের বাণী পূর্ণ করিল অন্তর।
তোমাদের রস-ধারায় সিনানি’ হ’ল তনু শুচি-সুন্দর।।
	শান্ত উদার আকাশের ভাষা
	মলিন মর্তে অমৃত পিপাসা,
দিলে আনি’, দিলে অভিনব আশা — গগন-পবন-সঞ্চর।।
	বুলায়ে মায়ার অঞ্জন চোখে
	ল’য়ে গেলে দূর কল্পনা-লোকে,
রাঙাল কানন পলাশে অশোকে — তোমাদের-মায়া-মন্তর।।
	ফিরদৌসের পথ-ভোলা পাখি
	আনন্দ-লোকে গেলে সবে ডাকি’,
ধূলি-ম্লান মন গেলে রঙে মাখি’ — ছানিয়া সুনীল অম্বর।।

সজনে তলায় ও-সজনি যাসনে

বাণী

‍
সজনে তলায় ও-সজনি! যাসনে ভুলে আজ।
অবাক হয়ে রইলি চেয়ে ভুললি সকল কাজ।।
	হাত ধ’রে তোর বল্‌ছি সোনা
	ফুলের বাসে আর ভুলো না,
প্রজাপতি বসলে গালে হঠাৎ পাবি লাজ।।
দখিনা আজ দামাল ছেলে দ’ল্‌ছে শাখে ফুল,
ভুল করে তুই যাসনে ওরে খুলবে খোঁপার চুল।
	লাগলো কাঁপন অধর-পুটে
	মনের বচন তাও না ফোটে,
ওড়না ধ’রে টানলে বালা খোয়াবি সব লাজ।।

হে বিজয়ী হে না-দেখা রূপের কুমার

বাণী

(এসো এসো) হে বিজয়ী! হে না-দেখা রূপের কুমার।
তন্দ্রা-অলস এই চন্দ্রা নিশির ভাঙো ভাঙো দ্বার।।
স্বপন কুমারীর খোলো গুণ্ঠন
ঘুম-কিশোরীর আনো জাগরণ,
দস্যুসম এসে কর লুণ্ঠন
কুণ্ঠিত প্রেম-মধুনিশি গন্ধার।।

নাটক : ‘মধুমালা’

কেন মরিতে আসিলাম যমুনায়

বাণী

কেন মরিতে আসিলাম যমুনায়, ললিতা কেন বিপরীত হেরিলাম।
কৃষ্ণ-যমুনা-জলে কারে ল’য়ে কুতুহলে জল-খেলা করে ঘনশ্যাম।।
কালো মেঘের যেন খেলে বিজলি
সোনার-প্রতিমার প্রতিবিম্ব কালো জলে
কালো মেঘে যেন খেলে বিজলি।
হিরন্ময়ী জ্যোতির্ময়ী সতিনীর রূপ আমি যত দেখি গো তত মজি সখি গো!
অতি জ্যোতি গর্বিতা যেন পতি সোহাগিনী সতীসম কে এ সতিনী, ললিতে,
মোর শ্যাম অঙ্গে অপরূপ ভঙ্গে আমারই সমুখে করে খেলা, মোরে ছলিতে।
ও কি কায়া না ছায়া!
ও কি কৃষ্ণ রূপের চঞ্চল জল-তরঙ্গ মায়া?
সখি মান ভাঙাতে মোর এসেছিল গোপনে শ্যাম আজি প্রভাতে (সখি),
শ্যাম-তনুমুকুরে হেরিলাম বিরাজে গৌর-বর্ণা নারী অপরূপ শোভাতে।
এলো অভিমান মনে, তাই
মনে হলে যমুনায় ডুবিয়া ললিতা শান্তি যদি পাই।
এখানেও দেখি সেই গৌরী কিশোরী আছে শ্যামে জড়ায়ে।
(ও কি কায়া না মায়া ও কি কৃষ্ণেরই রঙ্গ না আমারই ছায়া কায়া না মায়া।)
কোন্ দেশে যাব সখি কোন্ খানে পাব শ্যামে একাকী।
আন-নারীরে ছেড়ে কেবল রাধার হয়ে দেবে না দেখা কি (সখী গো)।।

গীতিচিত্র : ‘অভিমানিনী’

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan