Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।

নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।

নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।

ও তুই উলটা বুঝলি রাম

বাণী

ও তুই উলটা বুঝলি রাম
আমি আম চাহিতে জাম দিলে, আর জাম চাহিতে কি-না আম।।
আমি চড়বার ঘোড়া চাইতে শেষে, ওগো ঘোড়াই ঘাড়ে চড়লো এসে,
ও বাব্বা —
আমি প্রিয়ার চিঠি চাইতে এলো কিনা ইনকামট্যাক্স-এর খাম।।
আমি চেয়েছিলাম কোঠা বাড়ি, তাই পড়লো পিঠে লাঠির বাড়ি
	ভুলে আমি বলেছিলাম তোমার পায়ে শরণ নিলাম।
	তুমি ভুল বুঝিলে, ভিটেবাড়ি সব হ'লো নিলাম।।
আমি চেয়েছিলম সুবোধ ভাইটি
তা না হয়ে, বাবা গোঁয়ার সে ভাই উচায় লাঠি
আমি শ্রী ব্রজধাম চাইতে ঠেলে দিলে শ্রীঘর হাজত ধাম।।

যে রসুল বলতে নয়ন ঝরে

বাণী

যে রসুল বলতে নয়ন ঝরে সেই রসুলের প্রেমিক আমি।
চাহে আমার হৃদয়-লায়লী সে-মজনুঁরে দিবস-যামী।।
	ফরহাদ সে, আমি শিঁরি
	ঐ নামের প্রেমে পথে ফিরি,
ঈমান আমার রইল কিনা জানেন তিনি অন্তর্যামী।।
প্রেমে তাঁর দীওয়ানা হ’য়ে গেল দুনিয়া আখের সবি,
কোথায় রোজা, কোথায় নামাজ, কেবল কাঁদি — ‘নবী নবী।’
	রোজ-কেয়ামত আসবে কবে
	কখন তাঁহার দিদার হবে,
নিত্য আমার রোজ-কেয়ামত বিনে জীবন-স্বামী।।

আমি যার নূপুরের ছন্দ

বাণী

আমি যার নূপুরের ছন্দ বেণুকার সুর - 
কে সেই সুন্দর কে! 
আমি যার বিলাস-যমুনা বিরহ-বিধুর 
কে সেই সুন্দর কে।। 
যাহার গানের আমি বনমালা 
আমি যার কথার কুসুম-ডালা, 
না-দেখা সুদূর - 
কে সেই সুন্দর কে।। 
যার শিখী-পাখা লেখনী হয়ে 
গোপনে মোরে কবিতা লেখায় 
সে রহে কোথায় হায়! 
আমি যার বরষার আনন্দ-কেকা 
নৃত্যের সঙ্গিনী দামিনী-রেখা, 
যে মম অঙ্গে কাঁকন-কেয়ূর 
কে সেই সুন্দর কে।। 

শ্রীকৃষ্ণ রূপের করো ধ্যান অনুক্ষণ

বাণী

শ্রীকৃষ্ণ রূপের করো ধ্যান অনুক্ষণ
হবে নিমেষে সংসার-কালীয় দমন।।
	নব-জলধর শ্যাম
	রূপ যাঁর অভিরাম
(যাঁর)	আনন্দ ব্রজধাম লীলা নিকেতন।।
বিদ্যুৎ - বর্ণ পীতান্বরধারী,
বনমালা-বিভূষিত মধুবনারী;
গোপ-সখা গোপী-বঁধু মনোহারী
নওল-কিশোর তনু মদনমোহন।।

কেন আমায় আন্‌লি মাগো

বাণী

	কেন আমায় আন্‌লি মাগো মহাবাণীর সিন্ধু কূলে।
মোর	ক্ষুদ্র ঘটে এ সিন্ধু-জল কেমন ক’রে নেবো তুলে।।
	চতুর্বেদে এই সিন্ধুর জল
	ক্ষুদ্র চারিবিন্দু হয়ে করছে টলমল,
	এই বাণীরই বিন্দু যে মা গ্রহ তারা গগন মূলে।
	ইহারই বেগ ধরতে শিরে, শিবের জটা পড়ে খুলে।।
	অনন্তকাল রবি-শশী এই সে-মহাসাগর হ’তে,
	সোনার ঘটে রসের ধারা নিয়ে ছড়ায় ত্রিজগতে।
	বাঁশিতে মোর স্বল্প এ আধারে
	অনন্ত সে-বাণীর ধারা ধরতে কি মা পারে?
	শুনেছি মা হয় সীমাহীন ক্ষুদ্রও তোর চরণ ছুঁলে।।

দেখে যারে রুদ্রাণী মা সেজেছে আজ ভদ্রকালী

বাণী

দেখে যারে রুদ্রাণী মা সেজেছে আজ ভদ্রকালী।
শ্রান্ত হয়ে ঘুমিয়ে আছে শ্মশান মাঝে শিব-দুলালী॥
	আজ শান্ত সিন্ধু তীরে
	অশান্ত ঝড় থেমেছে রে,
মা’র কালো রূপ উপ্‌চে পড়ে ছাপিয়ে ভুবন গগন-ডালি॥
আজ অভয়ার ওষ্ঠে জাগে শুভ্র করুণ শান্ত হাসি,
আনন্দে তাই বসন ফেলি’ মহেন্দ্র ঐ বাজায়-বাঁশি,
	ঘুমিয়ে আছে বিশ্ব ভুবন
	মায়ের কোলে শিশুর মতন,
পায়ের লোভে মনের বনে ফুল ফুটেছে পাঁচমিশালি॥

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan