কেন নিশি কাটালি অভিমানে

বাণী

কেন নিশি কাটালি অভিমানে।
ডুবে গেল চাঁদ দূর বিমানে।।
মান-ভরে চাতকী এ বাদলে
মিটালি না পিয়াসা মেঘ-জলে,
কোথা রবে এ মেঘে কেবা জানে।।
রহে চাঁদ দূরে অমা নিশীথে
তবু ফোটে কুমুদী সরসীতে,
রহে চাহি’ কলঙ্কী শশী-পানে।।
যে ফাগুনে ফুল ফুটিল রাতে
রবে না সে-ফাগুন কালি প্রাতে,
যে ফুটিল না, সে শুকাবে বাগানে।।

কত কথা ছিল তোমায় বলিতে

বাণী

কত কথা ছিল তোমায় বলিতে
ভুলে যাই হয় না বলা পথ চলিতে।।
ভ্রমরা আসে যবে বনেরই পথে
না-বলা সেই কথা কয় ফুল-কলিতে।।
পুড়ে মরে পতঙ্গ, দীপ তবু
পারে না বলিতে, থাকে জ্বলিতে।।
সে কথা কইতে গিয়ে গুণীর বীণা
কাঁদে কভু সারঙ কভু ললিতে।।
যত বলিতে চাই লুকাই তত
গেল মোর এ জনম হায় মন ছলিতে।।

প্রভু তোমাতে যে করে প্রাণ নিবেদন

বাণী

প্রভু	তোমাতে যে করে প্রাণ নিবেদন ভয় নাহি আর তার
	শত সে বিপদে আপদে তাহার হাত ধরে কর পার॥
		তার দুঃখে শোকে ভাবনায় ভয়ে
		তব নাম রাজে সান্ত্বনা হয়ে
	পার হয়ে যায় তব নাম লয়ে দুস্তর পারাবার॥
	ঝড় ঝঞ্ঝায় প্রাণ শিখা তার শান্ত অচঞ্চল
	টলমল করে রূপে রসে তার জীবনের শতদল।
		যেমন পরম র্ভিরতায়
		শিশু তার মার বক্ষে ঘুমায়
	তোমারে যে পায় সে জন তেমনি ডরে নাহি সংসার॥

ওমা ফিরে এলে কানাই মোদের

বাণী

ওমা	ফিরে এলে কানাই মোদের এবার ছেড়ে দিস্‌নে তায়।
	তোর সাথে সব রাখাল মিলে বাঁধ্‌ব সে-ননী চোরায়।।
	তা’রে	তুই যখন মা রাখতিস্ বেঁধে
		ছাড়ায়েছি কেঁদে কেঁদে’,
তখন	জান্‌তো কে, যে খুললে বাঁধন পালিয়ে যাবে মথুরায়।।
এবার	আমরা এসে ডাকলে শ্যামে গোঠে যেতে দিস্‌নে তায়,
	ঐ পথে অক্রুর মুনির সাথে পালিয়ে যাবে শ্যামরায়।।
মোরা	কেউ যাব না বনে মা আর খেল্‌ব তার এই আঙিনায়,
শুধু	খেলব লুকোচুরি লো আগ্‌লাতে চোরের রাজায়।।

মদিনাতে এসেছে সই নবীন সওদাগর

বাণী

	মদিনাতে এসেছে সই নবীন সওদাগর।
সে	হীরা জহরতের চেয়ে অধিক মনোহর।।
সই	দেখতে তারে লাখো হাজার লোক ছুটেছে পথে
সে	কোহিনূর মানিক এনেছে কোহ-ই-তূর হ’তে,
সে	কোরান-জাহাজ বোঝাই ক’রে এনেছে সোনার মোহর।।
	একবার যে কল্‌মা প’ড়ে আল্লা বলে এসে
তারে	বিনি-মূলে সল্‌মা চুনি বিলিয়ে দেয় সে হেসে,
	দুলিয়ে সে দেয় নামাজ রোজার হীরের তাবিজ বুকের পর।।
সে	বেহেশ্‌তের কুঞ্জি ল’য়ে ডাকে অহরহ
বলে	ঈমান এনে বেহেশ্‌ত যাবার সোনার চাবি লহ,
আমি	প্রাণ দিয়েছি নজ্‌রানা, সই, দেখে’ তারে এক নজর।।

ঐ ঐ ঐ আসে কর্ণ কৌরব সেনানী

বাণী

ঐ, ঐ, ঐ আসে কর্ণ কৌরব সেনানী।
মহাবীর ভীষ্ম গেছে, দ্রোণ গেছে জানি।
কর্ণে বধিতে হবে, কুরুক্ষেত্র রণে।
তারপর বধিব মোরা নীচ দুযোর্ধনে।।

লেটো গান: ‘কর্ণ বধ’