বাণী
তোমার বিবাহে আপনার হাতে (প্রিয়) আমি দেব হার পরায়ে। মোর চোখে যদি জল করে টলমল আমি দু’হাতে দেব গো সরায়ে।।
নাটিকা : ‘লায়লী-মজনু’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
তোমার বিবাহে আপনার হাতে (প্রিয়) আমি দেব হার পরায়ে। মোর চোখে যদি জল করে টলমল আমি দু’হাতে দেব গো সরায়ে।।
নাটিকা : ‘লায়লী-মজনু’
রাগঃ
তালঃ
চাঁদের পিয়ালাতে আজি জোছনা-শিরাজি ঝরে। ঝিমায় নেশায় নিশীথিনী সে-শরাব পান ক’রে।। সবুজ বনের জল্সাতে তৃণের গালিচা পাতে, উতল হাওয়া বিলায় আতর চাঁপার আতরদানি ভ’রে।। সাদা মেঘের গোলাব-পাশে ঝরিছে গোলাব-পানি, রজনীগন্ধার গেলাসে রজনী দেয় সুরা আনি’। কোয়েলিয়া কুহু কুহু গাহে গজল মুহু মুহু, সুরের নেশা সুরার নেশা লাগে আজি চরাচরে।।
রাগঃ বাগেশ্রী
তালঃ কাওয়ালি

গাহে আকাশ পবন নিখিল ভুবন (গাহে) তোমারই নাম। সাগর নদী বন উপবন (গাহে) তোমারই নাম।। মধুর তোমার গানের নেশায় ঘোর লাগে ঐ গ্রহ-তারায়, অনন্ত কাল ঘুরিয়া বেড়ায় — ঘিরি’ অসীম গগন।। তোমার প্রিয় নামে, হে বঁধূ, ফুলের বুকে পুরে মধু। তোমার নামের মাধুরি মাখি’ গান গেয়ে যায় বনের পাখি, নিখিল পাগল ও নাম ডাকি’ — কোটি চন্দ্র তপন।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

কেন ঝুলনাতে একেলা দোলে রাইকিশোরী। বুঝি মেঘের মাঝে হারিয়ে গেল মেঘ-বরণ হরি।। সই দধির মাঝে ননী থাকে মোরা মথন করে আনি তাকে, মোরা নিঙ্ড়ে মেঘের সাগর, শ্যামে আনব বাহির করি’।। ঐ কালাকে সই ভালো জানি, জানি তাহার ঢং, তার কৃষ্ণ রূপের আঁধার খরা শুধু রাধার রং। যে না থাকিলে রাধার মাঝে দোলনাতে রাই দুলত না যে সই মেঘ যদি না থাকে সই কেন চমকায় বিজরী।।
গীতি-আলেখ্য : ‘হিন্দোলা’
রাগঃ
তালঃ
কত সে-জনম কত সে-লোক পার হয়ে এলে, হে প্রিয় মোর। নিভে গেছে কত তপন-চাঁদ তোমারে খুঁজিয়া, হে মন চোর।। কত গ্রহে, প্রিয়, কত তারায় তোমারে খুঁজিয়া ফিরেছি, হায়! চাহ এ নয়নে হেরিবে তায়, সে-দূর স্মৃতির স্বপন-ঘোর।। আজো অপূর্ণ কত সে-সাধ অভিমানী তাহে সেধো না বাদ! না মিটিতে সাধ, স্বপন-চাঁদ, মিলনের নিশি ক’রো না ভোর।।
রাগঃ দুর্গা-মান্দ
তালঃ দাদ্রা
কাছে তুমি থাকো যখন তখন আমি দিই না ধরা। দূরে থেকে কাঁদো যখন তখনি হই স্বয়ম্বরা।। তখন তোমার অভিসারে মন ছুটে যায় অন্ধকারে তখন ওঠে বিরহেরি ব্যাকুল রোদন পাগল পারা।। প্রিয়, তুমি যবে রহ পাশে — কেন এতো ভয় জাগে গো, কেন মনে দ্বিধা আসে! ভিক্ষা যখন চাও ভিখারি হাত কাঁপে গো দিতে নারি, তুমি চ'লে গেলে লুকিয়ে কাঁদি ভিক্ষা নিয়ে আঁচল ভরা।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
