বাণী
বনে বনে দোলা লাগে। মনে মনে দোলা লাগে দখিনা-সমীর জাগে।। একি এ বেদনা লয়ে ফুটিল কুসুম হৃদয়ে আবেশে পুলকে ভয়ে না-জানা পরশ মাগে।। কিশোর হৃদয় পুটে অশোক রঙিন ফোটে কপোল রাঙিয়া ওঠে অতনুর অনুরাগে।।
রাগ ও তাল
রাগঃ ছায়ানট
তালঃ দাদ্রা
ভিডিও
স্বরলিপি

বনে বনে দোলা লাগে। মনে মনে দোলা লাগে দখিনা-সমীর জাগে।। একি এ বেদনা লয়ে ফুটিল কুসুম হৃদয়ে আবেশে পুলকে ভয়ে না-জানা পরশ মাগে।। কিশোর হৃদয় পুটে অশোক রঙিন ফোটে কপোল রাঙিয়া ওঠে অতনুর অনুরাগে।।
রাগঃ ছায়ানট
তালঃ দাদ্রা

আমি কৃষ্ণচূড়া হতাম যদি হতাম ময়ূর-পাখা, (সখা হে)! তোমার বাঁকা চূড়ায় শোভা পেতাম ওগো শ্যামল বাঁকা।। আমি হলে গোপীচন্দন, শ্যাম, অলকা-তিলকা হতাম; শ্যাম, ও-চাঁদমুখে অলকা-তিলকা হতাম। শ্রীঅঙ্গের পরশ পেতাম হ’লে কদম-শাখা।। আমি বৃন্দাবনে বন-কুসুম হতাম যদি কালা, কণ্ঠ ধ’রে ঝ’রে যেতাম হয়ে বনমালা। আমি নূপুর যদি হতাম হরি কাঁদতাম শ্রীচরণ ধরি’ ব্রজবুলি হলে রেইত বুকে চরণ-চিহ্ন আঁকা।।
রাগঃ গৌড়-সারঙ মিশ্র
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা
বঁধু আমি ছিনু বুঝি বৃন্দাবনের রাধিকার আঁখি-জলে। বাদল সাঁঝের যুঁই ফুল হয়ে আসিয়াছি ধরাতলে।। তাই যেমনি মিলন সাধ ওঠে জেগে তুমি লুকাও হে চাঁদ বিরহের মেঘে, আমি পূবালী পবনে ঝরে যাই বনে দলগুলি যেই খোলে।। বঁধু এই বুঝি হায় নিয়তির লেখা মিলন আমার নহে — ক্ষনিকের শুভ-দৃষ্টি লভিয়া কাঁদিব পরম বিরহে। বুঝি মিলন আমার নহে — আসিব না আমি মাধবী নিশীথে বরষায় শুধু আসিব ঝুরিতে, অসহায় ধারা-স্রোতে ভেসে যাব, মালা হব নাকো গলে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

প্রিয় কোথায় তুমি কোন গহনে কোন ধ্রুবলোকে কোন দূর গগনে।। খোঁজে কানন তোমায় মেলি' কুসুম-আঁখি, 'তুমি কোথায়' বলি' ডাকে বনের পাখি। আছ ঠকুর হয়ে কোন দেবালয়ে কোন শ্রাবন-মেঘে দখিনা পবনে।। সিন্ধু-বুকে মুখে লুকায়ে নদী 'তুমি কোথায়' বলি' কাঁদে নিরবধি। জ্বালি' তারার বাতি খোঁজে আঁধার রাতি, তোমায় খুঁজিয়া নিভিল জ্যোতি মোর নয়নে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

পুরুষ : কুনুর নদীর ধারে ঝুনুর ঝুনুর বাজে বাজে বাজে লো ঘুঙুর কাহার পায়ে। স্ত্রী : হাতে তল্তা বাঁশের বাঁশি মুখে জংলা হাসি কে ঐ বুনো গো বড়ায় আদুল গায়ে।। পুরুষ : তার ফিঙের মত এলোখোঁপায় ঝিঙেরি ফুল স্ত্রী : যেন কালো ভোম্রার গা কালার ঝামর চুল। দ্বৈত : ও যদি না হতো পর দু’জনের হতো ঘর একই গাঁয়ে গো।। পুরুষ : ওর বাঁকা ভঙ্গিমা দেখে তৃতীয়ার চাঁদ ডেকে, হতে চাহে ওর হাঁসুলি-হার। স্ত্রী : ঝিলের শঙ্খ ঝিনুক বলে কিনুক বিনামূলে আমরা হব কালার কণ্ঠেরই হার। পুরুষ : ও মেয়ে না পাহাড়ি-ঝর্নার সুর স্ত্রী : ও পুরুষ না কষ্টি পাথরের ঠাকুর দ্বৈত : যদি বাসত ভালো, যদি আসত কাছে রাখতাম হিয়ায় লুকায়ে গো।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

আলগা কর গো খোঁপার বাঁধন দিল ওহি মেরা ফঁস্ গয়ি। বিনোদ বেণীর জরীন ফিতায় আন্ধা এশ্ক্ মেরা কস্ গয়ি।। তোমার কেশের গন্ধ কখন, লুকায়ে আসিল লোভী আমার মন বেহুঁশ হো কর্ গির্ পড়ি হাথ মে বাজু বন্দ মে বস্ গয়ি।। কানের দুলে প্রাণ রাখিলে বিঁধিয়া, আঁখ্, ফিরা দিয়া চোরী কর্ নিদিয়া, দেহের দেউড়িতে বেড়াতে আসিয়া আউর নেহিঁ উয়ো ওয়াপস্ গয়ি।।
রাগঃ আশাবরি
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ মোহাম্মদ রফি
