বাণী
ঘুমপরী : আমি হেরে এবার নেবো লো সই বঁধুর গলার হার। স্বপনপরী : হার মেনে তুই জিত্বি ওলো হবে না তা আর।।
নাটক : ‘মধুমালা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
ঘুমপরী : আমি হেরে এবার নেবো লো সই বঁধুর গলার হার। স্বপনপরী : হার মেনে তুই জিত্বি ওলো হবে না তা আর।।
নাটক : ‘মধুমালা’
রাগঃ
তালঃ
ওলো এক চাঁদকে সৃষ্টি ক’রে বিধির পুঁজি শেষ। এই চাঁদের পাশে চাঁদ শোভা পায় আছে সে-কোন্ দেশ।।
নাটক : ‘মধুমালা’ (ঘুমপরীর গান)
রাগঃ ইমন-কল্যাণ
তালঃ কাহার্বা
হায় ভিখারি কাহার কাছে হাত পাতিলে হায়। তোমার চেয়েও আমি যে দীন কাঙাল অসহায়।। আমার হয়ত কিছু ছিল কভু সব নিয়েছেন কেড়ে প্রভু আমায় তিনি নেননি তবু তাঁহার রাঙা পায়।। তোমায় তিনি পথ দেখালেন ভাবনা কিসের ভাই তোমার আছে ভিক্ষা ঝুলি আমার তাহাও নাই। চাইনে তবু আছি পড়ে সংসারে জড়িয়ে ধরে কবে তোমার মতন পথের ধূলি মাখব সারা গায়।।
রাগঃ ধানি মিশ্র
তালঃ দাদ্রা

হায় আঙিনায় সখি আজো সেই চাঁপা ফোটে। হায় আকাশে সখি আজো কি সেই চাঁদ ওঠে।। সখি তাহার হাতের হেনা গাছে বুঝি প্রথম মুকুল ধরিয়াছে। হায় যমুনায়, বাঁশি বাজে কি আর ছায়ানটে।। শিয়রে জানালা খুলে দে বাহিরে চাহিয়া দেখি আমার বাগানে আবার বসন্ত আসিয়াছে কি? দেখি সে ডালিম ফুলে হায় আছে কি সে রঙ আগেকার। ও-বাড়ির ছাদের টবে সই বেলফুল ফুটলো কি আবার? আজি আসিবে সে মনে লাগে তারি আসার আভাস মনে জাগে হায় বুঝি তাই, মোর মরণ মধুর হয়ে ওঠে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

ব্যথার আগুনে হৃদয় আমার জ্বলিছে দিবস রাতি গো। কাঁদিতে আসিলে এ তনু শ্মশানে কে তুমি ব্যথার ব্যথী গো॥ মুছিয়া গিয়াছে চন্দনের লেখা খুলে শুকাইয়া গিয়াছে মন্দারের মালা নিভেছে আশা দীপ আজি অবেলায় কে তুমি রাতের সাথি গো॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

তোমার বীণার মূর্ছনাতে বাজাও আমার বাণী। তোমার সুরে শোনাও আমার গানের আধেকখানি।। শুনব শুধু তোমার কথা এবার আমার নীরবতা, আমার সুরের ছবি আঁকুক তোমার পদ্মপাণি।।
রাগঃ খাম্বাজ
তালঃ ত্রিতাল
