
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

অমন করে হাসিস্নে আর রাই লো। তুই পোড়ার মুখে হাসিস্নে আর রাই লো।। ছি ছি রঙ্গ করিস অঙ্গে মেখে কৃষ্ণ কালির ছাই লো।। বাঁশি হাতে গাছে চড়া, কয়লা-বরণ গয়লা ছোঁড়া সে লো সেই নাটের গুরু নষ্টের গোড়া তোর প্রেমের গোঁসাই লো।। ঐ গো-রাখা রাখালের সনে তোর নিন্দা শুনি বৃন্দাবনে রাই লো ছি ছি কেষ্ট ছাড়া ইষ্ট কি আর ত্রিভুবনে নাই লো।। ঐ অমাবস্যার কৃষ্ণ-চাঁদে, বাস্লি ভালো কোন্ সুবাদে তুই লো তুই দিন-কানা হয়েছিস রাধে ভাবিয়া কানাই লো।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

অগ্রপথিক হে সেনাদল, জোর্ কদম্ চল্ রে চল। রৌদ্রদগ্ধ মাটিমাখা শোন্ ভাইরা মোর, বাসি বসুধায় নব অভিযান আজিকে তোর! রাখ্ তৈয়ার হাথেলিতে হাথিয়ার জোয়ান, হান্রে নিশিত পাশুপতাস্ত্র অগ্নিবাণ। কোথায় হাতুড়ি কোথা শাবল? অগ্র-পথিক রে সেনাদল, জোর্ কদম্ চল রে চল্।। কোথায় মানিক ভাইরা আমার, সাজ রে সাজ! আর বিলম্ব সাজে না চালাও কুচকাওয়াজ! আমরা নবীন তেজ-প্রদীপ্ত বীর তরুণ বিপদ বাধার কণ্ঠ ছিঁড়িয়া শুষিব খুন! আমরা ফলাব ফুল-ফসল। অগ্র-পথিক রে যুবাদল, জোর্ কদম্ চল রে চল্।। প্রাণ-চঞ্চল প্রাচী-র তরুণ, কর্মবীর, হে মানবতার প্রতীক গর্ব-উচ্চশির! দিব্যচক্ষে দেখিতেছি, তোরা দৃপ্তপদ সকলের আগে চলিবি পারায়ে গিরি ও নদ, মরু-সঞ্চর গতি চপল। অগ্র-পথিক রে পাঁওদল, জোর্ কদম্ চল রে চল্।। স্থবির শ্রান্ত প্রাচী-র প্রাচীন জাতিরা সব হারায়েছে আজ দীক্ষা দানের সে গৌরব। অবনত-শির গতিহীন তারা, মোরা তরুণ বহিব সে ভার, লব শাশ্বত ব্রত দারুণ, শিখাব নতুন মন্ত্রবল। রে নব পথিক যাত্রীদল, জোর কদম্ চল্ রে চল্।। আমরা চলিব পশ্চাতে ফেলি পচা অতীত, গিরি-গুহা ছাড়ি খোলা প্রান্তরে গাহিব গীত। সৃজিব জগৎ বিচিত্রতর, বীর্যবান, তাজা জীবন্ত সে নব সৃষ্টি শ্রম-মহান্ চলমান-বেগে প্রাণ-উছল। রে নব যুগের স্রষ্টাদল, জোর্ কদম্ চল্ রে চল্।। অভিযান-সেনা আমরা ছুটিব দলে দলে বনে নদীতটে গিরি-সঙ্কটে জলে-থলে। লঙ্ঘিব খাড়া পর্বত-চূড়া অনিমেষে, জয় করি সব তসনস্ করি’ পায়ে পিষে — অসীম সাহসে ভাঙি’ লাগল! না-জানা পথের নকীব-দল, জোর্ কদম্ চল্ রে চল্।। পাতিত করিয়া শুষ্ক বৃদ্ধ অটবীরে বাঁধ বাঁধি চলি দুস্তর খর স্রোত-নীরে। রসাতল চিরি’ হীরকের খনি করি খনন, কুমারী ধরার গর্ভে করি গো ফুল সৃজন, পায়ে হেঁটে মাপি ধরণীতল। অগ্র-পথিক রে চঞ্চল, জোর্ কদম্ চল্ রে চল্।। আমরা এসেছি নবীন প্রাচী-র নবস্রোতে ভীম পর্বত ক্রকচ-গিরির চূড়া হতে, উচ্চ অধিত্যকা প্রণালিকা হইয়া পার আহত বাঘের পদ-চিন্ ধরি হয়েছি বা’র; পাতাল ফুঁড়িয়া, পথ-পাগল। অগ্র-বাহিনী পথিক দল, জোর কদম্ চল্ রে চল্।। অভয়-চিত্ত ভাবনা-মুক্ত যুবারা শুন্! মোদের পিছনে চীৎকার করে পশু, শুকুন। ভ্রূকুটি হানিছে পুরাতন পচা গলিব শব, রক্ষণ-শীল বুড়োরা করিছে তাহারি স্তব, শিবারা চেঁচাক, শিব অটল! নির্ভীক বীর পথিক-দল, জোর কদম্ চল্ রে চল্।। আগে — আরো আগে সেনা-মুখ যথা করিছে রণ, পলকে হতেছে পূর্ণ মৃতের শূন্যাসন, আছে ঠাঁই আছে, কে থামে পিছনে? হ’ আগুয়ান, যুদ্ধের মাঝে পরাজন মাঝে চলো জোয়ান! জ্বাল্ রে মশাল জ্বাল্ অনল! অগ্রযাত্রী রে সেনাদল, জোর্ কদম্ চল্ রে চল্।। ওগো ও প্রাচী-র দুলালি দুহিতা তরুণীরা, ওগো জায়া, ওগো ভগিনীরা! ডাকে সঙ্গীরা! তোমরা নাই গো, লাঞ্ছিত মোরা তাই আজি, উঠুক তোমার মণি-মঞ্জীর ঘন বাজি’ আমাদের পথে চল-চপল। অগ্র-পথিক তরুণ-দল, জোর্ কদম্ চল্ রে চল্।। নেমেছে কি রাতি, ফুরায় না পথ সুদুর্গম? কে থামিস্ পথে ভগ্নোৎসাহ নিরুদ্যম? বসে নে খানিক পথ-মঞ্জিলে, ভয় কি ভাই, থামিলে দুদিন ভোলে যদি লোকে — ভুলুক তাই! মোদের লক্ষ্য চির-অটল। অগ্রপথিক ব্রতীর দল, বাঁধ রে বুক, চল্ রে চল্।। শুনিতেছি আমি, শোন্ ঐ দূরে তূর্য-নাদ ঘোষিছে নবীন ঊষার উদয়-সুসংবাদ! ওরে ত্বরা কর্! ছুটে চল্ আগে — আরো আগে! গান গেয়ে চলে অগ্রবাহিনী, ছুটে চল্ তারো পুরোভাগে! তোর অধিকার কর দখল! অগ্র-নায়ক রে পাঁওদল! জোর কদম্ চল্ রে চল্।।
মার্চের সুর
রাগঃ
তালঃ
অরুণ-রাঙা গোলাপ-কলি কে নিবি সহেলি আয়। গালে যার গোলাপী আভা এ ফুল-কলি তারে চায়।। ডালির ফুল যে শুকায়ে যায় কোথায় লায়লী, শিরী কোথায় কোথায় প্রেমিক বিরহী মজনু এ ফুল দেব কাহার পায়।। পূর্ণ চাঁদের এমন তিথি ফুল-বিলাসী কই অতিথি বুলবুলি বিনে এ গুল্ যে অভিমানে মুরছায়।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ রওশন আরা মুস্তাফিজ
অন্ধকারে এসে তুমি অন্ধকারে গেছ চ’লে। তোমার পায়ের রেখা জাগে শূন্য গৃহের অঙ্গন-তলে।। কেন আমায় জাগালে না আঘাতে ঘুম ভাঙালে না, দ’লে কেন গেলে না গো যাবার বেলা চরণ-তলে।। কৃষ্ণা তিথির চাঁদের মত এসেছিলে গভীর রাতে, আলোর পরশ বুলিয়ে দিলে ঘুমন্ত মোর নয়ন-পাতে; তাই রজনীগন্ধা সুখে চেয়ে আছে উর্ধ্ব মুখে, ফুলগুলিরে জাগিয়ে গেলে নিঠুর আমায় গেলে ছ’লে।।
রাগঃ
তালঃ
অনেক মানিক আছে শ্যামা তোর কালোরূপ-সাগরজলে আমার বুকের মানিক কেড়ে রাখ্লি কোথায় দে মা ব’লে।। কত লতার কোল ক’রে খালি, ফুলের অর্ঘ্য১ নিস্ মা কালি (মোর) সারা বনের একটি কুসুম আছে কি ঐ চরণ-তলে।। একখানি মুখ খুঁজি মাগো তোর কণ্ঠের মুন্ডমালায় একটিবার মা সে মুখ দেখা, আবার কেড়ে পরিস্ গলায়। (না হয়) রাখিস্ পূজার থালায়। অনন্ত তোর রূপের মাঝে, সে কোন্ রূপে মা কোথায় রাজে? মোর নয়ন-তারা তারা হয়ে দোলে কি তোর বুকের কোলে।।
১. ফুলের অর্ঘ্য-এর পরিবর্তে কবি ‘পূজাঞ্জলি’ শব্দটিও ব্যবহার করেছেন।
রাগঃ
তালঃ
অবিরত বাদর বরষিছে ঝরঝর বহিছে তরলতর পূবালি পবন। বিজুরী-জ্বালার মালা পরিয়া কে মেঘবালা কাঁদিছে আমারি মত বিষাদ-মগন।। ভীরু এ মন-মৃগ আলয় খুঁজিয়া ফিরে, জড়ায়ে ধরিছে লতা সভয়ে বনস্পতিরে, গগনে মেলিয়া শাখা কাঁদে বন-উপবন।।
চলচ্চিত্রঃ ‘ধ্রুব’
রাগঃ মিঞাকি মল্লার
তালঃ ত্রিতাল

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan