বাণী

অন্ধকারে এসে তুমি অন্ধকারে গেছ চ’লে।
তোমার পায়ের রেখা জাগে শূন্য গৃহের অঙ্গন-তলে।।
		কেন আমায় জাগালে না
		আঘাতে ঘুম ভাঙালে না,
দ’লে কেন গেলে না গো যাবার বেলা চরণ-তলে।।
কৃষ্ণা তিথির চাঁদের মত এসেছিলে গভীর রাতে,
আলোর পরশ বুলিয়ে দিলে ঘুমন্ত মোর নয়ন-পাতে;
		তাই রজনীগন্ধা সুখে
		চেয়ে আছে উর্ধ্ব মুখে,
ফুলগুলিরে জাগিয়ে গেলে নিঠুর আমায় গেলে ছ’লে।।

বাণী

অন্তরে প্রেমের দীপ জ্বলে যার,
ত্রিভুবনে নাই তার কোথাও আঁধার।।
পথের ধূলি তারই চরণ যাচে
আকাশ কথা কয় তাহারি কাছে,
তা’রি তরে খোলা থাকে সকলের ঘর
		সকলের হৃদয়-দুয়ার।।
কে বলে ভিখারিনী সে — কে বলে সে ভিখারি।
ভিক্ষা-ঝুলিতে তার বিশ্ব থাকে — ভগবান তাহার দ্বারী।
তার রীতি বোঝা যায় না
বুকে যার বহে নিতি পিরিতি-জোয়ার।।

বাণী

অ্যগ্যর তুম রাধা হোতে শ্যাম।
মেরি তরা বস আঠোঁ প্যহর তুম, রট্‌কে শ্যামকা নাম।।
বন-ফুলকে মালা নিরালি বন্‌ যাতি নাগন কালি
কৃষ্ঞ-প্রেমকী ভীক্‌ মাঙ্গনে আতে লাখ্‌ যনম্‌।
তুম, আতে ইস্‌ বৃজধাম।।
চুপ্‌কে চুপ্‌কে তুম্‌রে হিরদয় ম বসতা বন্‌সীওয়ালা,
আওর, ধীরে ধীরে উস্‌কী ধূন সে ব্যঢ়তী মন্‌কি জ্বালা।
পন-ঘটমে ন্যয়্যন বিছায়ে তুম্‌, র‍্যহতে আস্‌ ল্যগায়ে
আওর, কালেকে সঙ্গ প্রীত ল্যগাকর্‌ হো জাতে বদনাম।।

বাণী

অনেক জ্বালা দিয়েছ তার শাস্তি পাবে কালা।
বেঁধেছি তাই গলায় তোমার জড়িয়ে মধুমালা।।
	আজ গায়ে পড়ে সাধতে হবে
		পায়ে ধরে কাঁদতে হবে
		শাপ্‌লা মধু পানের আগে
দেখব বঁধু কেমন লাগে বাব্‌লা কাঁটার জ্বালা।।

নাটকঃ ‘মধুমালা’

বাণী

অরুণ-কান্তি কে গো যোগী ভিখারি।
নীরবে হেসে দাঁড়াইলে এসে
প্রখর তেজ তব নেহারিতে নারি ॥
রাস-বিলাসিনী আমি আহিরিণী
শ্যামল কিশোর রূপ শুধু চিনি,
অম্বরে হেরি আজ একি জ্যোতিঃপুঞ্জ
হে গিরিজাপতি! কোথা গিরিধারী ॥
সম্বর সম্বর মহিমা তব, হে ব্রজেশ ভৈরব,
		আমি ব্রজবালা।
হে শিব সুন্দর, বাঘছাল পরিহর, ধর নটবর-বেশ
		পর নীপ-মালা।
নব মেঘ-চন্দনে ঢাকি’ অঙ্গজ্যোতি
প্রিয় হয়ে দেখা দাও ত্রিভুবন-পতি
পার্বতী নহি আমি, আমি শ্রীমতী
বিষাণ ফেলিয়া হও বাঁশরি-ধারী ॥

বাণী

অনাদি কাল হতে অনন্তলোক গাহে তোমারি জয়।
আকাশ–বাতাস রবি–গ্রহ তারা চাঁদ, হে প্রেমময়।।
সমুদ্র–কল্লোল নির্ঝর–কলতান –
হে বিরাট, তোমার উদার জয়গান;
ধ্যান গম্ভীর কত শত হিমালয় গাহে তোমারি জয়।।
তব নামের বাজায় বীণা বনের পল্লব
জনহীন প্রান্তর স্তব করে, নীরব।
সকল জাতির কোটি উপাসনালয় গাহে তোমারি জয়।।
আলোকের উল্লাসে, আঁধারের তন্দ্রায়
তব জয়গান বাজে অপরুপ মহিমায়,
কোটি যুগ–যুগান্ত সৃষ্টি প্রলয় গাহে তোমারি জয়।।