
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।

বিজলি চাহিনী কাজল কালো নয়নে। রহি’ রহি’ কেন হানিছ ক্ষণে ক্ষণে।। ভীরু প্রণয় মম ঝড়ের পাখির সম, শরণ মাগে তোমার মনো-বনে।। আমার প্রণয়-প্রদীপ-শিখা তোমারে শ্বাসে থেকে থেকে, কেঁপে মরে, ওগো প্রিয়, বাঁচাও তারে আঁচল-ঢেকে। ধ্যান যাহার ওই রাঙা চরণ, বেঁধো না তারে বেণীর ফাঁদে কি হবে পিঞ্জরে রাখি’, বেঁধেছ যা’য় বাহুর বাঁধে, কেন হান আঘাত যে হেরে আছে রণে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা / ফের্তা (দাদ্রা ও কাহার্বা)

ব্রজপুর-চন্দ্র পরমসুন্দর, কিশোর লীলা-বিলাসী সখি গো, আমি তা’রই চিরদাসী। অমৃত-রস-ঘন শ্যামল শোভন, প্রেম-বৃন্দাবন-বাসী॥ চাঁচর চিকুরে শিখী-পাখা যার, গলে দোলে বন-কুসুম হার ললাটে তিলক, কপোলে অলক অধরে মৃদু মৃদু হাসি॥ মকর কুন্ডল দোলে শ্রবণে, বোলে মণি-মঞ্জরি রাতুল চরণে চির অশান্ত, চপল কান্ত বিশ্ব সে রূপ-পিয়াসি॥ বক্ষে শ্রীবৎস কৌস্তুভ শোভে, করে মুরলী ভোলে মধুর রবে, পীত বসনধারী সেই মাধবে যেন যুগে যুগে ভালবাসি॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

বাঁকা চোখে চাহে ও কে ওকি ভয়ে, না লাজে, না ভালোবাসায়? বটের ঝুরি ধ’রে হেসে তাকায় দীঘির জলে কভু কল্সি ভাসায়॥ (আমার) পাখি শিকার দেখে তাহার আঁখি ছলছল যেন দুটি ঝিনুক ভরা কাজলা দীঘির জল তার আঁজলা ভরা শাপলা কাঁপে টলমল্ গো সে বাঁকিয়ে জোড়া ভুরু মোরে শাসায়॥ কভু এলায়ে গা বাঁধে খোঁপা কোমরে জড়ায় আঁচল মট্কায় আঙুল, কভু ঘসে সে পা গো কভু জলে ডোবে কভু সাঁতার কাটে নানান ছলে সে দেরি করে জলের ঘাটে মোরে জানায় যেন ও সে আছে ব’সে কাহার আসার আশায়॥
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

বঁধু হে বঁধু ফিরে এসো আজো প্রাণের প্রদীপ রেখেছি আঁচল ঢেকে বিরহ নিশাসে দীরঘ বাতাসে কেঁপে ওঠে থেকে থেকে। আর রাখতে নারি, নিবু নিবু দীপ রাখতে নারি বুঝি আমার পরান প্রদীপ নিভাবে আমারি নয়ন বারি। বঁধু যমুনারি তীরে আসি ফিরে ফিরে কাঁদি কদম তরু তলে হেরি বালুচরে বেণু আছে পড়ে ডাকে না আর রাধা বলে। অভিমানে বাঁশি আমার বুকে আসি’ কেঁদে কেঁদে কহে যেন গো হরি আরাধিকা রাধিকা এলে যদি শ্রীহরি এলো না কেন গো। পায়ে পড়ে কাঁদে এসে যমুনারি ঢেউ বলে রাধা রাধা বলে আর ডাকে না তো কেউ। জটিলা কুটিলা আজ কলহ ভুলে জড়াইয়া মোরে কাঁদে যমুনা কূলে। বলে কৃষ্ণ কই লো প্রলয়েরি কালে আর লইব কার নাম। এই বিরহ যমুনা পার হব কবে বল হে বিরহী মম গেলে কোন সে গোলকে রহিবে চোখে চোখে প্রিয়তম হে কৃষ্ণ আঁখি তারা সম।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা
বৃজমে আজ স্যখি ধূম ম্যচাও অওরী বৃজবালা ম্যঙ্গল গাও।। গুঁথো স্যখিরি স্যব কুসুম-মালা দেখ্যন কো চ্যলো নন্দকে লালা বৃজকে ঘ্যর ঘ্যর হর্যষ মানাও।।
নাটিকাঃ ‘জন্মষ্টমী’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

বদ্না গাড়ুতে বসে মুখোমুখী দিব্বি হয়েছে ভাব! বদনা চাহিছে শুক্তুনী আর – চাহিছে গাড়ু কাবাব।। গাড়ু বলে এসো বদনা ভাইটি হোক শুভ চোখাচোখি। তুমি মোর হাতে পেঁয়াজ দাও আর আমি দিই হরতকি।। [শুনে বদনা ভাবে গদগদ হয়ে বলছেন ‘গাড়ুদাদা দাড়িতে একবার টিকিতে বুলাও না’] ও গাড়ু দাদা দাড়িতে বুলাও টিকি – ছুরি ও নাদ্না রাখি দোঁহে এসো আস্নাই করা শিখি।। [গাড়ু তখন ভাব জমিয়ে বলছেন] পাখিদের মাঝে বামুন যে রাম পাখি। কেননা মাথায় উহার জবা-ফুল বাঁধা টিকি দেখ নাকি তাহা দেখ নাকি? [বদনা তখন বদন ব্যাদন করে বলছেন] ও তো টিকি নয় দাদা ও যে তুর্কী ফেজ্। পাখিদের মাঝে উনি মোল্লাজী হ্যাঁদু নয় হরগেজ।। [গাড়ু তখন বদনার পিঠে নল বুলিয়ে বলছেন] হাতে দিব ক্ষীর নাড়ু ভাই, ছেড়ে দাও খাওয়া ঐ বড়টা। [শুনে বদনা অবাক – বল্লে] রে মদনা তাহলে কি দিয়ে খাইব পরটা? গাড়ু বলে, আহা দোস্তীর তরে ছাড়িতে হয়। এসা দাদা এসো জড়াজড়ি করি বদ্না গড়ায়ে কয়।। জড়াজড়ি থেকে গড়াগড়ি দুই নলে প্রেমবারি ঝরে। সেই ভাব দেখে বিদেশী কেটলী রাগে টগবগ করে।।
‘ভাই ভাই এক-ঠাঁই’
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan