দাদ্‌রা

  • আজ সকালে সূর্য ওঠা সফল হলো মম

    বাণী

    আজ সকালে সূর্য ওঠা সফল হলো মম
    ঘরে এলে ফিরে পরবাসী প্রিয়তম।।
    	আজ প্রভাতের কুসুমগুলি
    	সফল হলো ডালায় তুলি'
    সাজির ফুলে আজ এ মালা হবে অনুপম।।
    এতদিনে সুখের হলো প্রভাতী শুকতারা
    ললাটে মোর সিঁদুর দিলো ঊষার রঙের ধারা।
    	আজকে সকল কাজের মাঝে
    	আনন্দেরই বীনা বাজে
    দেবতার বর পেয়েছি আজ তপস্বিনীর সম।।
    
  • আজি গানে গানে ঢাক্‌ব আমার

    বাণী

    আজি		গানে গানে ঢাক্‌ব আমার গভীর অভিমান।
    		কাঁটার ঘায়ে কুসুম ক’রে ফোটাব মোর প্রাণ।।
    			ভুলতে তোমার অবহেলা
    			গান গেয়ে মোর কাট্‌বে বেলা,
    		আঘাত যত হান্‌বে বীণায় উঠ্‌বে তত তান।।
    			ছিড়লে যে ফুল মনের ভুলে
    			আমি গাঁথব মালা সেই ফুলে,
    (ওগো)		আস্‌বে যখন বন্ধু তোমার কর্‌ব তা’রে দান।।
    (আজি)		কথায় কথায় মিলায়ে মিল
    		কবি রে, তোর ভরল কি দিল্‌,
    তোর		শূন্য হিয়া, শূন্য নিখিল মিল পেল না প্রাণ।।
    
  • আমার কোন কুলে আজ ভিড়লো তরী

    বাণী

    আমার	কোন্‌ কূলে আজ ভিড়লো তরী
    			এ কোন সোনার গাঁয়
    আমার	ভাটির তরী আবার কেন
    			উজান যেতে চায়
    		তরী	উজান যেতে চায়
    	কোন কূলে মোর ভিড়লো তরী
    	এ কোন্‌ সোনার গাঁয়।।
    আমার	দুঃখেরে কান্ডারী করি’
    আমি	ভাসিয়েছিলাম ভাঙা তরী
    তুমি	ডাক দিলে কে স্বপন–পরী
    			নয়ন ইশারায়।।১
    	নিভিয়ে দিয়ে ঘরের বাতি
    	ডেকেছিলে ঝড়ের রাতি
    তুমি	কে এলে মোর সুরের সাথী গানের কিনারায়।
    তুমি 	কে এলে? ওগো কে এলে মোর সুরের সাথী
    			গানের কিনারায়?
    	সোনার দেশের সোনার মেয়ে,
    ওগো তুমি	হবে কি মোর তরীর নেয়ে,
    	ভাঙ্গা তরী চলো বেয়ে রাঙা অলকায়।।
    

    ১. ‘অন্তরা’ অংশ গ্রামোফোন রেকর্ডে গাওয়া হয়নি।

  • আমি গগন গহনে সন্ধ্যা-তারা

    বাণী

    আমি	গগন গহনে সন্ধ্যা-তারা
    	কনক গাঁদার ফুল গো।
    	গোধূলির শেষে হেসে উঠি আমি
    	এক নিমেষের ভুল গো।
    আমি	কণিকা,
    আমি	সাঁঝের অধরে ম্লান আনন্দ-কণিকা
    আমি	অভিমানিনীর খুলে ফেলে দেওয়া মণিকা
    আমি	দেব-কুমারীর দুল গো।।
    	আলতা রাখার পাত্র আমার আধখানা চাঁদ ভাঙা
    	তাহারি রং গড়িয়ে পরে (ঐ) অস্ত-আকাশ রাঙা।
    আমি	একমুঠো আলো কৃষ্ণা-সাঁঝের হাতে
    আমি	নিবেদিত ফুল আকাশ-নদীতে রাতে
    	ভাসিয়া বেড়াই যাঁর উদ্দেশে গো
    	তার পাই না চরণ-মূল।।
    
  • আমি ভাই ক্ষ্যাপা বাউল

    বাণী

    আমি ভাই ক্ষ্যাপা বাউল, আমার দেউল আমারি এই আপন দেহ।
    আমার এ প্রাণের ঠাকুর নহে সুদূর অন্তরে মন্দির-গেহ।।
    সে থাকে সকল সুখে সকল দুখে আমার বুকে অহরহ,
    কভু তায় প্রণাম করি, বক্ষে ধরি, কভু তা’রে বিলাই স্নেহ।।
    ভুলায়নি আমারি কুল, ভুলেছে নিজেও সে কুল,
    ভুলে বৃন্দাবন গোকুল মোর সাথে মিলন বিরহ।
    সে আমার ভিক্ষা-ঝুলি কাঁধে তুলি’, চলে ধূলি-মলিন পথে,
    নাচে গায় আমার সাথে একতারাতে, কেউ বোঝে, বোঝে না কেহ।।
    
  • ওগো পূজার থালায় আছে আমার ব্যথার শতদল

    বাণী

    ওগো পূজার থালায় আছে আমার ব্যথার শতদল।
    হে দেবতা রাখ সেথা তোমার পদতল।।
    	নিবেদনের কুসুম সহ
    	লহ হে নাথ, আমায় লহ
    যে আগুনে আমায় দহ সেই আগুনে
    	আরতি-দীপ জ্বেলেছি উজল।।
    যে নয়নের জ্যোতি নিলে কাঁদিয়ে পলে পলে,
    মঙ্গল-ঘট ভরেছি নাথ, সেই নয়নের জলে।
    	যে চরণে করো আঘাত
    	প্রণাম লহ সেই পায়ে নাথ
    রিক্ত তুমি করলে যে হাত, হে দেবতা!
    	লও সে হাতে অর্ঘ্য-সুমঙ্গল।।
    

  • ওরে নীল যমুনার জল

    বাণী

    ওরে		নীল যমুনার জল! বল রে মোরে বল 
    		কোথায় ঘনশ্যাম — আমার কৃষ্ণ ঘনশ্যাম।
    আমি		বহু আশায় বুক বেঁধে যে এলাম — এলাম ব্রজধাম।।
    তোর		কোন্‌ কূলে কোন্‌ বনের মাঝে
    		আমার কানুর বেণু বাজে,
    আমি 		কোথায় গেলে শুনতে পাব ‌‌‘রাধা রাধা’ নাম।।
    আমি 		শুধাই ব্রজের ঘরে ঘরে — কৃষ্ণ কোথায় বল্‌;
    কেন		কেউ কহে না কথা, হেরি সবার চোখে জল।
    		বল্‌ রে আমার শ্যামল কোথায়
    		কোন্‌ মথুরায় কোন দ্বারকায় — বল্‌ যমুনা বল।
    বাজে		বৃন্দাবনের কোন্‌ পথে তাঁর নূপুর অভিরাম।। 
    
  • ওরে রাখাল ছেলে বল্ কি রতন পেলে

    বাণী

    ওরে রাখাল ছেলে বল্ কি রতন পেলে
    দিবি হাতের বাঁশি, তোর ঐ হাতের বাঁশি।
    বাঁধা দিয়ে খাড়ু আনব ক্ষীরের নাড়ু
    অম্‌নি হেলেদুলে এক্‌বার নাচ্ রে আসি॥
    দেখ মাখাতে তোর গায়ে ফাগের গুড়া,
    আমার আঙ্গিনাতে ঝরা কৃষ্ণচূড়া।
    আমার গলার হার খুলে পরাব আয় কিশোর
    		তোর পায়ে ফাঁসি॥
    যেন কালিদহের জলে সাপের মানিক জ্বলে,
    চোখের হাসি, তোর ঐ চোখের হাসি,
    ও তুই কি চাস্ চপল মোরে বল্
    আমি মরেছি যে তোরে ভালোবাসি॥
    আসিস্ আমার বাড়ি রাখাল দিন ফুরালে
    আমার চুড়ির তালে দুলবি কদম ডালে।
    ছেড়ে গৃহ-সংসার ওর বাঁশুরিয়া,
    		হব চরণ দাসী।
    
  • কথার কুসুমে গাঁথা গানের মালিকা

    বাণী

    কথার কুসুমে গাঁথা গানের মালিকা কার।
    ভেসে এসে হতে চায় গো আমার গলার হার।।
    		আমি তারে নাহি জানি
    		তার সুরের সূত্রখানি,
    তবু বিজড়িত হয় কেন গো, আমার কঙ্কনে বারবার।।
    তার সুরের তুলির পরশে, ওঠে আমার ভুবন রাঙ্গি’,
    কোন বিস্মৃত জনমের যেন কত স্মৃতি ওঠে জাগি’।
    		আমার রাতের নিদে
    		তার সুর এসে প্রাণে বিঁধে,
    যার সুর এত চেনা, কবে দেখা পাবো সেই অচেনার।।
    
  • কালো জল ঢালিতে সই

    বাণী

    		কালো জল ঢালিতে সই চিকন কালারে পড়ে মনে।
    		কালো মেঘ দেখে শাওনে সই পড়্ল মনে কালো বরণে॥
    			কালো জলে দীঘির বুকে
    			কালায় দেখি নীল-শালুকে
    (আমি)	চম্‌কে উঠি, ডাকে যখন কালো কোকিল বনে॥
    		কল্‌মিলতার চিকন পাতায় দেখি আমার শ্যামে লো
    		পিয়া ভেবে দাঁড়াই গিয়ে পিয়াল গাছের বামে লো।
    			উড়ে গেলে দোয়েল পাখি
    			ভাবি কালার কালো আঁখি
    		আমি নীল শাড়ি পরিতে নারি কালারি কারণে লো কালারি কারণে॥
    
  • কি নাম ধ'রে ডাকবো তোরে মা

    বাণী

    	কি নাম ধ'রে ডাকবো তোরে মা তুই দে ব'লে
    ওমা	কি নাম ধ'রে কাঁদলে পরে ধ'রে তুলিস কোলে (মাগো)।।
    	বনে খুঁজি মনে খুঁজি পটে দেখি ঘটে পূজি
    	মন্দিরে যাই কেঁদে লুটাই মাগো —
    	পাষাণ প্রতিমা মা তোর একটুও না টলে।।
    	কোল যদি না দিবি মাগো, আনলি কেন ভবে,
    আমি	জনম নিয়ে এসেছি যে তোর কোলেরই লোভে।
    আমি	রইতে নারি মা না পেয়ে, মরণ দে মা তাহার চেয়ে
    	এ-ছার জীবনে কোন প্রয়োজন মাগো
    	আমি কোটি বার মা মরতে পারি মা যদি পাই ম'লে।।
    
  • ঘুমাও ঘুমাও দেখিতে এসেছি

    বাণী

    ঘুমাও,ঘুমাও,দেখিতে এসেছি ভাঙাতে আসিনি ঘুম
    কেউ জেগে কাঁদে,কারো চোখে নামে নিদালির মৌসুম॥
    	দেখিতে এলাম হ'য়ে কুতুহলী
    	চাঁপা-ফুল দিয়ে তৈরী পুতুলী
    দেখি,শয্যায় স্তূপ হ'য়ে আছে জোছনার কুমকুম
    আমি নই, ঐ কলঙ্কী চাঁদ নয়নে হেনেছে চুম্ ।।
    রাগ করিও না, অনুরাগ হ'তে রাগ আরো ভালো লাগে,
    তৃষ্ণাতুরের কেউ জল চায় কেউ বা শিরাজি মাগে।
    	মনে কর, আমি লোলুপ বাতাস
    	চোর-জোছনা, ফুলের সুবাস
    ভয় নাই, আমি চলে যাই ডাকি' নিশীথিনী নিঃঝুম।।
    
  • চাঁদের কন্যা চাঁদ সুলতানা

    বাণী

    চাঁদের কন্যা চাঁদ সুলতানা, চাঁদের চেয়েও জ্যোতি।
    তুমি দেখাইলে মহিমান্বিতা নারী কী শক্তিমতী।।
    শিখালে কাঁকন চুড়ি পরিয়াও নারী,
    ধরিতে পারে যে উদ্ধত তরবারি,
    না রহিত অবরোধের দুর্গ, হতো না এ দুর্গতি।।
    তুমি দেখালে নারীর শক্তি স্বরূপ – চিন্ময়ী কল্যাণী,
    ভারত জয়ীর দর্প নাশিয়া মুছালে নারীর গ্লানি।
    তুমি গোলকুন্ডার কোহিনূর হীরা সম
    আজো ইতিহাসে জ্বলিতেছে নিরুপম,
    রণরঙ্গিণী ফিরে এসো,
    তুমি ফিরিয়া আসিলে, ফিরিয়া আসিবে লক্ষী ও সরস্বতী।।
    
  • চৈতী চাঁদের আলো আজ ভাল নাহি লাগে

    বাণী

    চৈতী চাঁদের আলো আজ ভাল নাহি লাগে,
    তুমি নাই মোর কাছে — সেই কথা শুধু জাগে।।
    এই ধরণীর বুকে কত গান কত হাসি,
    প্রদীপ নিভায়ে ঘরে আমি আঁখি-নীরে ভাসি,
    পরানে বিরহী বাঁশি ঝুরিছে করুণ রাগে।।
    এ কী এ বেদনা আজি আমার ভুবন ঘিরে,
    ওগো অশান্ত মম, ফিরে এসো, এসো ফিরে।
    বুলবুলি এলে বনে বলে যাহা বনলতা —
    সাধ যায় কানে কানে আজি বলিব সে কথা,
    ভুল বুঝিও না মোরে বলিতে পারিনি আগে।।
    

  • তুমি শুনিতে চেয়ো না আমার মনের কথা

    বাণী

    তুমি	শুনিতে চেয়ো না আমার মনের কথা
    	দখিনা বাতাস ইঙ্গিতে বোঝে
    			কহে যাহা বনলতা।।
    	চুপ ক'রে চাঁদ সুদুর গগনে
    	মহা-সাগরের ক্রন্দন শোনে,
    	ভ্রমর কাদিঁয়া ভাঙিতে পারে না
    			কুসুমের নীরবতা।।
    	মনের কথা কি মুখে সব বলা যায়?
    	রাতের আঁধারে যত তারা ফোটে
    			আঁখি কি দেখিতে পায়?
    	পাখায় পাখায় বাঁধা যবে রয়
    	বিহগ-মিথুন কথা নাহি কয়,
    	মধুকর যবে ফুলে মধু পায়
    			রহে না চঞ্চলতা।।
    

    গীতিচিত্রঃ ‌‘অতনুর দেশ’

  • তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি প্রিয়

    বাণী

    তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি প্রিয়, সে কি মোর অপরাধ?
    চাঁদেরে হেরিয়া কাঁদে চকোরিণী বলে না তো কিছু চাঁদ।।
    	চেয়ে’ চেয়ে’ দেখি ফোটে যবে ফুল
    	ফুল বলে না তো সে আমার ভুল
    মেঘ হেরি’ ঝুরে’ চাতকিনী, মেঘ করে না তো প্রতিবাদ।।
    জানে সূর্যেরে পাবে না তবু অবুঝ সূর্যমুখী
    চেয়ে’ চেয়ে’ দেখে তার দেবতারে দেখিয়াই সে যে সুখী।
    	হেরিতে তোমার রূপ–মনোহর
    	পেয়েছি এ আঁখি, ওগো সুন্দর।
    মিটিতে দাও হে প্রিয়তম মোর নয়নের সেই সাধ।।
    
  • থৈ থৈ জলে ডুবে গেছে পথ

    বাণী

    থৈ থৈ জলে ডুবে গেছে পথ এসো এসো পথ ভোলা,
    সবাই দুয়ার বন্ধ করেছে (আছে) আমার দুয়ার খোলা।।
    	সৃষ্টি ডুবায়ে ঝরুক বৃষ্টি,
    	ঘন মেঘে ঢাকো সবার দৃষ্টি,
    ভুলিয়া ভুবন দুলিব দু'জন গাহি' প্রেম হিন্দোলা।।
    সব পথ যবে হারাইয়া যায় দুর্দিনে মেঘে ঝড়ে,
    কোন পথে এসে সহসা সেদিন দোলো মোরে বুকে ধ'রে।
    	নিরাশা-তিমিরে ঢাকা দশ দিশি,
    	এলো যদি আজ মিলনের নিশি,
    আষাঢ়-ঝুলনা বাঁধিয়া শ্রীহরি দাও দাও মোরে দোলা।।
    

    গীতি-আলেখ্য: ‌‘হিন্দোলা’

  • দাঁড়ালে দুয়ারে মোর

    বাণী

    		দাঁড়ালে দুয়ারে মোর		কে তুমি ভিখারিনী।
    		গাহিয়া সজল চোখে		বেলা-শেষের রাগিণী॥
    		মিনতি-ভরা আঁখি			ওগো কে তুমি ঝড়ের পাখি
    (ওগো)	কি দিয়ে জুড়াই ব্যথা		কেমনে কোথায় রাখি
    		কোন্ প্রিয় নামে ডাকি’		মান ভাঙাব মানিনী॥
    		বুকে তোমায় রাখতে প্রিয়	চোখে আমার বারি ঝরে,
    (ওগো)	চোখে যদি রাখিতে চাই		বুকে উঠে ব্যথা ভ’রে।
    		যত দেখি তত হায়,		ওগো পিপাসা বাড়িয়া যায়
    		কে তুমি যাদুকরী			স্বপন-মরু-চারিণী॥
    
  • নদীর স্রোতে মালার কুসুম ভাসিয়ে দিলাম প্রিয়

    বাণী

    নদীর স্রোতে মালার কুসুম ভাসিয়ে দিলাম, প্রিয়!
    আমায় তুমি নিলে না, মোর ফুলের পূঁজা নিও।।
    	পথ-চাওয়া মোর দিনগুলিরে
    	রেখে গেলাম নদীর তীরে
    আবার যদি আস ফিরে- তুলে গলায় দিও।।
    নিভে এলো পরান -প্রদীপ পাষাণ-বেদীর তলে,
    জ্বালিয়ে তা'রে রাখব কত শুধু চোখের জলে।
    	তারা হয়ে দুর আকাশে
    	রইব জেগে' তোমার আশে
    চাঁদের পানে চেয়ে চেয়ে' আমারে স্মরিও।।
    

  • পাপিয়া আজ কেন ডাকে সখি

    বাণী

    পাপিয়া আজ কেন ডাকে সখি, পিয়া পিয়া।
    শুনি’, পিয়া পিয়া বোল্‌ ঝুরিছে আমার হিয়া।।
    এমনি মধুরাতি, ছিল সে মোর সাথি,
    সেদিন পাপিয়া এমনি উঠিত ডাকিয়া
    সে কি আজ এলো তবে, চাঁদের মত নীরবে
    হাসির জোছনাতে তার দশদিশি রাঙাইয়া।।
    

    নাটকঃ ‘সর্বহারা’