কাহার্‌বা

  • অয়ি চঞ্চল-লীলায়িত-দেহা চির-চেনা

    বাণী

    অয়ি চঞ্চল-লীলায়িত-দেহা চির-চেনা
    ফোটাও মনের বনে তুমি বকুল হেনা।।
    	যৌবন-মদ গর্বিতা তন্বী
    	আননে জ্যোৎস্না, নয়নে বহ্নি,
    তব চরণের পরশ বিনা অশোক তরু মুঞ্জরে না।।
    নন্দন-নন্দিনী তুমি দয়িতা চির-আনন্দিতা,
    প্রথম কবির প্রথম লেখা তুমি কবিতা।
    নৃত্য শেষের তব নুপুরগুলি হায়
    রয়েছে ছড়ানো আকাশের তারকায়
    সুর-লোক-উর্বশী হে বসন্ত-সেনা ! চির-চেনা।।
    
  • অ্যগ্যর তুম রাধা হোতে শ্যাম

    বাণী

    অ্যগ্যর তুম রাধা হোতে শ্যাম।
    মেরি তরা বস আঠোঁ প্যহর তুম, রট্‌কে শ্যামকা নাম।।
    বন-ফুলকে মালা নিরালি বন্‌ যাতি নাগন কালি
    কৃষ্ঞ-প্রেমকী ভীক্‌ মাঙ্গনে আতে লাখ্‌ যনম্‌।
    তুম, আতে ইস্‌ বৃজধাম।।
    চুপ্‌কে চুপ্‌কে তুম্‌রে হিরদয় ম বসতা বন্‌সীওয়ালা,
    আওর, ধীরে ধীরে উস্‌কী ধূন সে ব্যঢ়তী মন্‌কি জ্বালা।
    পন-ঘটমে ন্যয়্যন বিছায়ে তুম্‌, র‍্যহতে আস্‌ ল্যগায়ে
    আওর, কালেকে সঙ্গ প্রীত ল্যগাকর্‌ হো জাতে বদনাম।।
    
  • আজি আল কোরায়শী প্রিয় নবী এলেন ধরাধাম

    বাণী

    আজি	আল কোরায়শী প্রিয় নবী এলেন ধরাধাম
    তাঁর	কদম মোবারকে লাখো হাজারো সালাম।
    	তওরত ইঞ্জিলে মুসা ঈসা পয়গম্বর
    	বলেছিলেন আগাম যাঁহার আসারি খবর
    	রব্বুলে দায়ের যাঁহার দিয়েছিলেন নাম
    	সেই আহমদ মোর্তজা আজি এলেন আরব ধাম।।
    	আদমেরি পেশানিতে জ‍্যোতি ছিল যাঁর
    	যাঁর গুণে নূহ তরে গেল তুফান পাথার
    	যাঁর নূরে নমরুদের আগুন হলো ফুলহার
    	সেই মোহাম্মদ মুস্তাফা এলেন নিয়ে দীন-ইসলাম।।
    	এলেন কাবার মুক্তিদাতা মসজিদের প্রাণ,
    	শাফায়াতের তরী এলে পাপী তাপীর ত্রাণ
    	দিকে দিকে শুনি খোদার নামের আজান
    	নবীর রূপে এলো খোদার রহমতেরি জাম।।
    
  • আধো রাতে যদি ঘুম ভেঙে যায়

    বাণী

    	আধো রাতে যদি ঘুম ভেঙে যায়, চাঁদ নেহারিয়া প্রিয়
    	মোরে যদি মনে পড়ে, বাতায়ন বন্ধ করিয়া দিও।।
    		সুরের ডুরিতে জপমালা সম
    		তব নাম গাঁথা ছিল প্রিয়তম,
    	দুয়ারে ভিখারি গাহিলে সে গান, তুমি ফিরে না চাহিও।।
    	অভিশাপ দিও, বকুল-কুঞ্জে যদি কুহু গেয়ে ওঠে,
    	চরণে দলিও সেই যুঁই গাছে আর যদি ফুল ফোটে।
    		মোর স্মৃতি আছে যা কিছু যেথায়
    		যেন তাহা চির-তরে মুছে যায়,
    (মোর)	যে ছবি ভাঙিয়া ফেলেছ ধূলায় (তারে) আর তু’লে নাহি নিও।।
    
  • আমি সূর্যমুখী ফুলের মত দেখি তোমায়

    বাণী

    আমি		সূর্যমুখী ফুলের মত দেখি তোমায় দূরে থেকে
    		দলগুলি মোর রেঙে ওঠে তোমার হাসির কিরণ মেখে’।।
    			নিত্য জানাই পেম-আরতি
    			যে পথে, নাথ, তোমার গতি
    		ওগো আমার ধ্রুব-জ্যোতি সাধ মেটে না তোমায় দেখে’।।
    		জানি, তুমি আমার পাওয়ার বহু দূরে, হে দেবতা!
    		আমি মাটির পূজারিণী, কেমন ক’রে জানাই ব্যথা।
    			সারা জীবন তবু, স্বামী,
    			তোমার ধ্যানেই কাঁদি আমি
    		সন্ধ্যাবেলায় ঝরি যেন তোমার পানে নয়ন রেখে’।।
    

  • এলো আবার ঈদ ফিরে

    বাণী

    	এলো আবার ঈদ ফিরে এলো আবার ঈদ, চলো ঈদগাহে।
    	যাহার আশায় চোখে মোদের ছিল না রে নিদ, চলো ঈদ্গাহে।।
    	শিয়া সুন্নী, লা-মজহাবী একই জামাতে
    	এই ঈদ মোবারকে মিলিবে এক সাথে,
    	ভাই পাবে ভাইকে বুকে, হাত মিলাবে হাতে;
    আজ	এক আকাশের নীচে মোদের একই সে মসজিদ, চলো ঈদগাহে।।
    	ঈদ এনেছে দুনিয়াতে শিরণী বেহেশ্‌তী,
    	দুশ্‌মনে আজ গলায় ধ'রে পাতাব ভাই দোস্তী,
    	জাকাত দেব ভোগ-বিলাস আজ গোস্‌সা ও বদ্‌মস্তি;
    	প্রাণের তশ্‌তরীতে ভ'রে বিলাব তৌহীদ — চলো ঈদ্গাহে।।
    	আজিকার এই ঈদের খুশি বিলাব সকলে,
    	আজের মত সবার সাথে মিল্‌ব গলে গলে,
    	আজের মত জীবন-পথে চলব দলে দলে
    	প্রীতি দিয়ে বিশ্ব-নিখিল ক'রব রে মুরীদ্ — চলো ঈদগাহে।।
    
  • এলো এলো রে বৈশাখী ঝড় এলো এলো রে

    বাণী

    এলো এলো রে বৈশাখী ঝড় এলো এলো রে,
    ঐ বৈশাখী ঝড় এলো এলো মহীয়ান সুন্দর।
    পাংশু মলিন ভীত কাঁপে অম্বর চরাচর থরথর।।
    ঘনবন–কুন্তলা বসুমতী সভয়ে করে প্রণতি,
    সভয়ে নত চরণে ভীতা বসুমতী।
    সাগর তরঙ্গ মাঝে তারি মঞ্জীর যেন বাজে বাজে রে
    পায়ে গিরি–নির্ঝর–ঝরঝর ঝরঝর।।
    ধূলি–গৈরিক নিশান দোলে ঈশান গগন চুম্বী,
    ডম্বরু ঝল্লরী ঝাঁঝর ঝনঝন বাজে
    এলো ছন্দ বন্ধন–হারা এলো রে
    এলো মরু–সঞ্চর বিজয়ী বীরবর।।
    
  • এলো রে এলো ঐ রণ-রঙ্গিণী

    বাণী

    এলো রে এলো ঐ রণ-রঙ্গিণী শ্রীচন্ডী, চন্ডী এলো রে এলো ঐ
    অসুর সংহারিতে বাঁচাতে উৎপীড়িতে
    ধ্বংস করিতে সব বন্ধন বন্দী, শ্রীচন্ডী, চন্ডী, এলো রে এলো ঐ॥
    দনুজ দলনে চামুন্ডা এলো ঐ প্রলয় অগ্নি জ্বালি নাছিছে
    তাথৈ তাথৈ তাতা থৈ থৈ দুর্বলে বলে মা মাভৈঃ মাভৈঃ
    মুক্তি লভিবি সব শৃঙ্খল বন্দী, শ্রীচন্ডী, চন্ডী, এলো রে এলো ঐ॥
    রক্ত-রঞ্জিত অগ্নি শিখায় করালী কোন্ রসনা দেখা যায়।
    পাতাল তলের যত মাতাল দানব পৃথিবীতে এসেছিল হইয়া মানব
    তাদের দন্ড দিতে আসিয়াছে চন্ডীকা সাজিয়া চন্ডী, শ্রীচন্ডী, চন্ডী এলো রে॥
    
  • ও কুল-ভাঙ্গা নদী রে

    বাণী

    	ও, কুল-ভাঙ্গা নদী রে,
    	আমার চোখের নীর এনেছি মিশাতে তোর নীরে।।
    	যে লোনা জলের সিন্ধুতে নদী, নিতি তব আনাগোনা
    	মোর চোখের জল লাগবে না ভাই তার চেয়ে বেশি লোনা।
    	আমায় কাঁদাতে দেখে আসবিনে তুই রে,
    	উজান বেয়ে ফিরে' নদী, উজান বেয়ে ফিরে'।।
    		আমার মন বোঝে না, নদী —
    তাই	বারে বারে আসি ফিরে তোর কাছে নিরবধি।
    	তোরই অতল তলে ডুবিতে চাই রে,
    		তুই ঠেলে দিস তীরে (ওরে)।।
    
  • কৃষ্ণ কৃষ্ণ বোল রে মন কৃষ্ণ কৃষ্ণ বোল

    বাণী

    কৃষ্ণ কৃষ্ণ বোল রে মন, কৃষ্ণ কৃষ্ণ বোল
    কৃষ্ণ কৃষ্ণ বোল রে মন, প্রেমের লহর তোল
    	রে মন মায়ার বন্ধন খোল।।
    নিরালা হৃদয়-যমুনাতে কে বাজায় বাঁশি আধেক রাতে
    তুই কুল ভুলে চল তাহারি সাথে প্রেম-আনন্দে দোল।
    	ও তুই প্রেম-আনন্দে দোল।।
    সে গোলক হাতে ভালবাসে গোকুল বৃন্দাবন
    মধুর প্রেমের-ভিখারি সে মদন মোহন।
    প্রেম দিয়ে যে বাঁধতে পারে, সাধ কবে তার কাছে হারে
    মুনি-ঋষি পায় না তারে গোপীরা পায় কোল।
    	ও তার গোপীরা পায় কোল।।
    
  • কে বলে গো তুমি আমার নাই

    বাণী

    কে বলে গো তুমি আমার নাই?
    তোমার গানে পরশ তব পাই।।
    তোমায়-আমায় এই নীরবে
    জানাজানি অনুভবে,
    তোমার সুরের গভীর রবে আমারি কথাই।।
    হে বিরহী আমায় বারে বারে
    স্মারণ করো সুরের সিন্ধু পারে
    ওগো গুণী পেয়ে মায়
    যদি তোমার গান থেমে যায়,
    উঠবে কাঁদন সুরের সভায় চাই না কাছে তাই।।
    
  • কেউ ভোলে না কেউ ভোলে

    বাণী

    কেউ		ভোলে না কেউ ভোলে অতীত দিনের স্মৃতি
    কেউ		দুঃখ ল’য়ে কাঁদে কেউ ভুলিতে গায় গীতি।।
    কেউ		শীতল জলদে হেরে অশনির জ্বালা
    কেউ		মুঞ্জরিয়া তোলে তার শুষ্ক কুঞ্জ–বীথি।।
    হেরে		কমল–মৃণালে কেউ কাঁটা কেহ কমল।
    কেউ		ফুল দলি’ চলে কেউ মালা গাঁথে নিতি।।
    কেউ		জ্বালে না আর আলো তার চির–দুখের রাতে,
    কেউ		দ্বার খুলি’ জাগে চায় নব চাঁদের তিথি।।
    
  • খুলেছে আজ রঙের দোকান বৃন্দাবনে হোরির দিনে

    বাণী

    খুলেছে আজ রঙের দোকান বৃন্দাবনে হোরির দিনে।
    প্রেম-রঙিলা ব্রজ-বালা যায় গো হেথায় আবির কিনে।।
    	আজ গোকুলের রঙ মহলায়
    	রামধনু ঐ রঙ পিয়ে যায়
    সন্ধ্যা-সকাল রাঙতো না গো ঐ হোরির কুমকুম বিনে।।
    রঙ কিনিতে এসে সেথায় রব শশী আকাশ ভেঙে'
    এই ফাগুনী ফাগের রাগে অশোক শিমুল ওঠে রেঙে'।
    আসে হেথায় রাধা-মাধব এই রঙেরই পথ চিনে।।
    

  • গিন্নির চেয়ে শালী ভালো

    বাণী

    গিন্নির চেয়ে শালী ভালো মেসোর চেয়ে মামা।
    আর ডাইনের চেয়ে ডুগি ভালো অর্থাৎ কিনা বামা।।
    একশালা সে দোশালা আচ্ছা, চন্ডুর চেয়ে গাঁজা,
    আর হাতের চেয়ে ভালো, তেনার হাতদিয়ে পান সাজা,
    আর ধাক্কার চেয়ে গুঁতো ভালো, উকোর চেয়ে ঝামা।।
    টিকির চেয়ে বেণী ভালো, ধূতির চেয়ে শাড়ি,
    আর পাঠার চেয়ে মুরগি ভালো, থানার চেয়ে ফাঁড়ি
    ঠুঁটোর চেয়ে নুলো ভালো, প্যান্ট চেয়ে পায়জামা।।
    আর পেয়াদার চেয়ে যম ভালোরে (ভাই), শালের চেয়ে বাঁশ,
    আর দাঁড়ির চেয়ে গোফ্ ভলো ভাই আঁটির চেয়ে শাঁস,
    আর ছেলের চেয়ে ছালা ভালো (ওগো), ঝুড়ির চেয়ে ধামা।।
    পাকার চেয়ে কাঁচা ভালো, কালোর চেয়ে ফরসা
    আর পেত্‌নীর চেয়ে ভূত ভালো ভাই, ছাড়বার থাকে ভরসা,
    আর ঝগ্‌ড়ার চেয়ে কুস্‌তি ভালো, কাল্লুর চেয়ে গামা।।
    
  • ঝড় এসেছে ঝড় এসেছে কাহারা যেন ডাকে

    বাণী

    ঝড় এসেছে ঝড় এসেছে কাহারা যেন ডাকে।
    বেরিয়ে এলো নতুন পাতা পল্লবহীন শাখে।।
    	ক্ষুদ্র আমার শুকনো ডালে
    	দুঃসাহসের রুদ্র ভালে
    কচি পাতার লাগলো নাচন ভীষণ ঘূর্ণিপাকে।
    স্তবির আমার ভয় টুটেছে গভীর শঙ্খ-রবে,
    মন মেতেছে আজ  নতুনের ঝড়ের মহোৎসবে।
    	কিশলয়ের জয়-পতাকা
    	অন্তরে আজ মেললো পাখা
    প্রণাম জানাই ভয়-ভাঙানো অভয়-মহাত্মাকে।।
    

  • দূর আজানের মধুর ধ্বনি বাজে বাজে

    বাণী

    দূর আজানের মধুর ধ্বনি বাজে বাজে মসজিদেরই মিনারে।
    এ কী খুশির অধীর তরঙ্গ উঠলো জেগে’ প্রাণের কিনারে।।
    মনে জাগে হাজার বছর আগে
    	ডাকিত বেলাল এমনি অনুরাগে,
    তাঁর খোশ এলেহান, মাতাইত প্রাণ গলাইত পাষাণ ভাসাইত মদিনারে
    		প্রেমে ভাসাইত মদিনারে।।
    তোরা ভোল গৃহকাজ, ওরে মুসলিম থাম
    চল খোদার রাহে, শোন, ডাকিছে ইমাম।
    মেখে’ দুনিয়ারই খা, বৃথা রহিলি না-পাক,
    চল মসজিদে তুই, শোন মোয়াজ্জিনের ডাক,
    তোর জনম যাবে বিফলে যে ভাই এই ইবাদতে বিনা রে।।
    
  • নতুন নেশার আমার এ মদ

    বাণী

    নতুন নেশার আমার এ মদ বল কি নাম দেবো এরে বঁধুয়া।
    গোপী চন্দন গন্ধ মুখে এর বরণ সোনার চাঁদ চুঁয়া।।
    	মধু হ'তে মিঠে পিয়ে আমার মদ
    	গোধূলি রং ধরে কাজল নীরদ,
    প্রিয়েরে প্রিয়তম করে এ মদ মম, চোখে লাগায় নভোনীল ছোঁওয়া।।
    	ঝিম্ হয়ে আসে সুখে জীবন ছেয়ে,
    	পান্‌সে জোছনাতে পান্‌সি চলে বেয়ে,
    মধুর এ মদ নববধূর চেয়ে আমার মিতালী এ মহুয়া।। 
    
  • নদীর নাম সই অঞ্জনা

    বাণী

    নদীর নাম সই অঞ্জনা নাচে তীরে খঞ্জনা,
    		পাখি সে নয় নাচে কালো আঁখি।
    আমি যাব না আর অঞ্জনাতে জল নিতে সখি লো,
    		ঐ আঁখি কিছু রাখিবে না বাকি॥
    সেদিন তুলতে গেলাম দুপুর বেলা
    কলমি শাক ঢোলা ঢোলা (সই)
    হ’ল না আর সখি লো শাক তোলা,
    আমার মনে পড়িল সখি, ঢল ঢল তা’র চটুল আঁখি
    ব্যথায় ভ’রে উঠলো বুকের তলা।
    ঘরে ফেরার পথে দেখি,
    নীল শালুক সুঁদি ও কি
    ফু’টে আছে ঝিলের গহীন জলে।
    আমার অমনি পড়িল মনে
    সেই ডাগর আঁখি লো
    ঝিলের জলে চোখের জলে হ’ল মাখামাখি॥
    
  • নমঃ নমঃ নমো বাঙলাদেশ মম

    বাণী

    নমঃ নমঃ নমো		বাঙলাদেশ মম
    চির মনোরম		চির মধুর
    বুকে নিরবধি		বহে শত নদী
    চরণে জলধির		বাজে নূপুর।।
    গ্রীষ্মে নাচে বামা		কালবোশেখি ঝড়ে
    সহসা বরষাতে		কাঁদিয়া ভেঙ্গে পড়ে
    শরতে হেসে চলে		শেফালিকা-তলে
    গাহিয়া আগমনী		গীতি বিধুর।।
    হরিত অঞ্চল		হেমন্তে দুলায়ে
    ফেরে সে মাঠে মাঠে		শিশির ভেজা পায়ে
    শীতের অলস বেলা		পাতা ঝরারি খেলা
    ফাগুনে পরে সাজ		ফুল-বধূর।।
    এই দেশের মাটি		জল ও ফুলে ফলে
    যে রস যে সুধা		নাহি ভূমণ্ডলে
    এই মায়েরি বুকে		হেসে খেলে সুখে
    ঘুমাবো এই বুকে		স্বপ্নাতুর।।
    
  • নিশি ভোর হলো জাগিয়া পরান-পিয়া

    বাণী

    নিশি ভোর হলো জাগিয়া, পরান-পিয়া
    কাঁদে ‘পিউ কাহাঁ’ পাপিয়া, পরান-পিয়া।।
    	ভুলি’ বুলবুলি-সোহাগে
    	কত গুল্‌বদনী জাগে
    রাতি গুল্‌সনে যাপিয়া, পরান-পিয়া।।
    	জেগে রয়, জাগার সাথী
    	দূরে চাঁদ, শিয়রে বাতি
    কাঁদি ফুল-শয়ন পাতিয়া, পরান-পিয়া।।
    	গেয়ে গান চেয়ে কাহারে
    	জেগে র’স কবি এপারে
    দিলি দান কারে এ হিয়া, পরান-পিয়া।।