ফের্‌তা

  • কেঁদো না কেঁদো না মাগো কে বলেছে কালো

    বাণী

    	কেঁদো না কেঁদো না মাগো কে বলেছে কালো?
    	ইষৎ হাসিতে তোর ত্রিভুবন আলো, কে বলেছে কালো।।
    		কে দিয়েছে গালি তোরে, মন্দ সে মন্দ!
    		যে বলেছে কালি তোরে, অনধ সে অন্ধ!
    মোর	তারায় সে দেখে নাই তার নয়ন-তারা য়নাই আলো!
    		তাই তারায় সে দেখে নাই।।
    রাখে	লুকিয়ে মা তোর নয়ন-কমল (মাগো)
    		কোটি আলোর সহস্র দল
    তোর	রূপ দেখে মা লজ্জায় শিব অঙ্গে ছাই মাখালো।।
    তোর	নীল -কপোলে কোটি তারা, চন্দনেরি ফোটার পারা
    		ঝিকিমিকি করে গো —
    মা	তোর দেহলতায় অতুল কোটি রবি -শশীর মুকুল
    		ফোটে আবার ঝরে গো —
    তুমি	হোমের শিখা বহ্নি- জ্যোতি, তুমি স্বাহা দীপ্তিমতী
    	আঁধার ভুবন ভবনে মা কল্যাণ-দীপ জ্বালো
    		তুমি কল্যাণ-দীপ জ্বালা।।
    

  • ক্ষ্যাপা হাওয়াতে মোর আঁচল উড়ে যায়

    বাণী

    ক্ষ্যাপা হাওয়াতে মোর আঁচল উড়ে যায়।
    খুলে পড়ে গো বাজুবন্দ ধরিতে আঁচল
    কোন ঘূর্ণি বাতাস এলো ছন্দ-পাগল
    লাগে নাচের ছোঁয়া দেহের কাঁচ মহলায়
    হয়ে পায়েলা উতলা সাধে ধরিয়া পায়।।
    খুলিয়া পড়ে খোঁপায়, কবরীর ফুলহার
    হাওয়ার এই রূপে গো এলো কি বঁধু আমার
    এমনি দুরন্ত আদর সোহাগ তার
    একি পুলক-শিহরেণে পরান মূরছায়।।
    

  • রেশমি রুমালে কবরী বাঁধি

    বাণী

    রেশমি রুমালে কবরী বাঁধি’ —
    নাচিছে আরবি নটিনী বাঁদি।।
    বেদুঈনী সুরে বাঁশি বাজে
    রহিয়া রহিয়া তাঁবু মাঝে,
    সুদূরে সে-সুরে চাহে ঘোম্‌টা তুলিয়া শাহজাদী।।
    যৌবন-সুন্দর নোটন কবুতর নাচিছে মরু-নটী
    গাল যেন গোলাপ কেশ যেন খেজুর-কাঁদি।।
    চায় হেসে হেসে চায় মদির চাওয়ায়,
    দেহের দোলায় রং ঝ’রে যায় ঝর্‌ঝর্‌,
    ছন্দে দুলে ওঠে মরু মাঝে আঁধি।।
    
  • সুবল সখা এই দেখ্ এই পথে

    বাণী

    সুবল সখা! এই দেখ্ এই পথে তাহার, সোনার নূপুর আছে পড়ে,
    	বৃন্দাবনের বনমালী গেছে রে ইে পথ ধরে।
    	হরি চন্দন গন্ধ পথে পথে পাই
    	ঝরা ফুলে ছেয়ে আছে বনবীথি তাই।
    	ভ্রমে ভ্রমর শ্রীচরণ-চিহ্ন ঘিরে
    	রাঙ্গা কমল ভ্রমে, ভ্রমে শ্রীচরণ-চিহ্ন ঘিরে।
    	ভাসে বাঁশির বেদন তার মৃদু সমীরে।
    	তারে খুঁজবো কোথায় — সেই চোরের রাজায় খুঁজবো কোথায়?
    	তারে খুঁজলে বনে, মনে লুকায়, চোরের রাজায় খুঁজবো কোথায়?
    	সুবল রে —
    	শ্রীদাম দেখেছে তারে রাখাল দলে,
    	গোপিনীরা দেখিয়াছে যমুনা-জলে।
    	বাঁশরি দেখেছে তারে কদম শাখায়
    	কিশোরী দেখেছে তারে ময়ূর পাখায়।
    	বৃন্দা এসেছে দেখে রাজা মথুরায়,
    	যশোদানন্দ বলে কোলে সে ঘুমায়।
    	জানি না কোথায় সে দে রে দেখায়ে দে কোথা ঘনশ্যাম
    	কবে বুকে পাব তারে, মুখে জপি যাঁর নাম।।
    
  • সোনার বরণ কন্যা গো এসো আমার সোনার নায়ে

    বাণী

    পুরুষ	:	সোনার বরণ কন্যা গো, এসো আমার সোনার নায়ে
    		চল আমার বাড়ি
    স্ত্রী	:	ওরে অচিন দেশের বন্ধুরে,
    		তুমি ভিন্ গেরামের নাইয়া আমি ভিন্ গেরামের নারী।
    পুরুষ	:	গয়না দিব বৈচী খাড়ু শাড়ি ময়নামতীর।
    স্ত্রী	:	গয়না দিয়ে মন পাওয়া যায় না কুলবতীর।
    পুরুষ	:	শাপলা ফুলের মালা দেব রাঙা রেশমি চুড়ি।
    স্ত্রী	:	ঐ মন-ভুলানো জিনিস নিয়ে (বন্ধু) মন কি দিতে পারি?
    পুরুষ	:	(তুমি) কোন্-সে রতন চাও রে কন্যা, আমি কি তা জানি?
    স্ত্রী	:	তোমার মনের রাজ্যে আমি হ’তে চাই রাজরানী।
    দ্বৈত	:	হইও সাক্ষী তরুলতা পদ্মা নদীর পানি (আরে ও)
    		(আজি) কূল ছাড়িয়া দু’টি প্রাণী অকূলে দিল পাড়ি॥