ভজন

  • কাঁদবো না আর শচীদুলাল তোমায় ডেকে ডেকে

    বাণী

    কাঁদবো না আর শচীদুলাল তোমায় ডেকে ডেকে
    		মোরা কাঁদবো না —
    (প্রিয়) তুমি গেছ চলে তোমার প্রেম গিয়েছ রেখে 
    		তাই কাঁদব না॥
    	ত্যাগ যেখানে প্রেম যেখানে
    	তোমার মধু-রূপ সেখানে
    ওগো জগন্নাথের দেউল তোমায় রাখবে কোথায় ঢেকে॥
    হল বৈরাগিনী ধরা তোমার চরণ ধূলি মেখে
    তোমার মন্ত্র নিল অসীম আকাশ চাঁদের তিলক এঁকে।
    	সুন্দর যা কিছু হেরি
    	ওগো রূপ সে শচী-নন্দনেরি
    তোমার ডাক শুনি যে আজো হৃদয়পুরীর সাগর থেকে।
    তোমার ডাক শুনি যে ওহে প্রিয়
    ডাক শুনি যে আজো হৃদয়পুরীর সাগর থেকে॥
    
  • কি দিয়ে পূজি ভগবান

    বাণী

    	কি দিয়ে পূজি ভগবান!
    আমার ব’লে কিছু নাহি হরি সকলি তোমারি যে দান
    	মন্দিরে তুমি, মূরতিতে তুমি
    	পূজার ফুলে তুমি, স্তব-গীতে তুমি,
    ভগবান দিয়ে ভগবান পূজা করিতে — তুমি যদি ভাব অপমান॥
    	কেমন তব রূপ দেখিনি হরি
    	আপন মন দিয়ে তোমারে গড়ি,
    কাঁদ না হাস তুমি সে-রূপ হেরি — বুঝিতে পারি না আমি তাই কাঁদে প্রাণ॥
    	কোটি রবি-শশী আরতি করে যারে,
    	প্রদীপ জ্বালিয়া খুঁজি আমি তারে।
    বন-ডালা যাঁর পূজার সম্ভার, যোগী মুনি করে যুগযুগ ধ্যান।
    কোথা শ্রীমুখ তব কোথা শ্রীচরণ, চন্দন দিব কোন্‌খান ॥
    
  • কিশোরী সাধিকা রাধিকা শ্রীমতী

    বাণী

    কিশোরী সাধিকা রাধিকা শ্রীমতী।
    চির-কিশোর আরাধিকা শ্রীমতী।।
    	কমলা গোলোকে
    	গোপিনী ভুলোকে,
    সেবিকা প্রকৃতি পরমা তপতী।।
    	শ্যাম ভুবন কালো
    	রাই অরুণ আলো,
    হরি পূজারিণী প্রেম মূর্তিমতী।।
    	ব্রজধাম বাসিনী
    	লীলা বিলাসিনী,
    শ্যাম নাম ভাষিণী বিরহ ভারতী।।
    	শ্যাম মেঘ গলে
    	রাই বিজলি দোলে,
    শ্যাম পত্র কোলে রাই ফুল আরতি।।
    	লয়ে যাঁহার নাম
    	হরি হন রাধা শ্যাম,
    সুর নর অবিরাম করে যাঁর প্রণতি।।
    
  • কৃষ্ণ কৃষ্ণ বল্ রসনা

    বাণী

    কৃষ্ণ কৃষ্ণ বল্ রসনা রাধা রাধা বল্,
    রাধাকৃষ্ণ রাধাকৃষ্ণ রাধাকৃষ্ণ বল্।।
    যোগে খোঁজেন শিব কৃষ্ণ-গোবিন্দে
    ব্রহ্মা পূজেন রাধা-চরণারবিন্দে,
    অধরা যুগল চাঁদে ধরিল প্রেমের ফাঁদে গোপ গোপীদল।।
    (মোর) শ্রীকৃষ্ণে থাকে যেন অটল মতি
    সেই মতি দেন্ মোর রাধা শ্রীমতী,
    মন-বৃন্দাবনে ফোটে কৃষ্ণ নামের ফুল —
    ঝরায়ে সে-ফুল রাই দেন সবে প্রেম-ফল।।
    রাধাকৃষ্ণ বল্ ওরে নর-নারী
    সংসার বনে তোরা যেন শুক-শারি,
    তার, পরানে নিত্য রাস-রসের উল্লাস —
    যাহার হৃদয়ে দোলে মূরতি যুগল।।
    
  • কেহ বলে তুমি রূপ সুন্দর

    বাণী

    		কেহ বলে তুমি রূপ সুন্দর, কেহ বলে তুমি জ্যোতি!
    		আমি জানি প্রভু তুমি যে আমার চির-জনমের পতি।।
    			কেহ বলে তুমি চিরদিন দূরে রহ
    			কেহ বলে, আছে অন্তরে অহরহ,
    যার		যাহা সাধ ডাকে সেই নামে (প্রভু) তোমার নাহিক ক্ষতি।।
    		অন্ধ দেখে না চন্দ্র-সূর্য তবু জানে আলো আছে,
    (আমি) 	দেখিনি, তবুও তোমার প্রকাশ সহজ-আমার কাছে
    			রূপ কি অরূপ কাহারেও নাহি দুষি,
    			নাই দেখি ফুল সুরভি পেয়েই খুশি,
    (আমি)		অঞ্জলি ভরি’ অমৃত চাই, পাত্রে নাহিক মতি।।
    
  • কোথায় তুই খুঁজিস ভগবান্

    বাণী

    কোথায় তুই খুঁজিস ভগবান্, সে যে রে তোরই মাঝে রয়,
    			চেয়ে দেখ সে তোরই মাঝে রয়।
    সাজিয়া যোগী ও দরবেশ খুঁজিস্ যায় পাহাড় জঙ্গলময়।।
    আঁখি খোল্ ইচ্ছা-অন্ধের দল নিজেরে দেখ্ রে আয়নাতে,
    দেখিবি তোরই এই দেহে নিরাকার তাঁহার পরিচয়।।
    ভাবিস্ তুই ক্ষুদ্র কলেবর, ইহাতেই অসীম নীলাম্বর,
    এ দেহের আধারে গোপন রহে সে বিশ্ব-চরাচর।
    প্রাণে তোর প্রাণের ঠাকুর বেহেশ্‌তে স্বর্গে কোথাও নয়।।
    এই তোর মন্দির-মসজিদ এই তোর কাশী-বৃন্দাবন,
    আপনার পানে ফিরে চল কোথা তুই তীর্থে যাবি, মন!
    এই তোর মক্কা-মদিনা, জগন্নাথ-ক্ষেত্র এই হৃদয়।।
    
  • খেলে নন্দের-আঙিনায় আনন্দ দুলাল

    বাণী

    খেলে নন্দের-আঙিনায় আনন্দ দুলাল।
    রাঙা চরণে মধুর সুরে বাজে নূপুর-তাল॥
    	নবীন নাটুয়া বেশে
    	নাচে কভু হেসে হেসে,
    যাশোমতীর কোলে এসে দোলে কভু গোপাল॥
    ‘ননী দে’ বলিয়া কাঁদে কভু রোহিণী-কোলে,
    জড়ায়ে ধ’রে কদম তরু তমাল-ডালে দোলে।
    	দাঁড়ায়ে ত্রিভঙ্গ হ’য়ে
    	বাজায় মুরলী ল’য়ে,
    কভু সে চরায় ধেনু বনের রাখাল॥
    
  • গগনে প্রলয় মেঘের মেলা

    বাণী

    গগনে প্রলয় মেঘের মেলা জীবন-ভেলা দোলে টলমল
    নীর অপার ভব পারাবার তীর না হেরে পরান বিকল
    	তীর না হেরে নয়নে পরান বিকল।।
    	দীন দয়াল ভীত দীন জনে
    	মাগে শরণ তব অভয় চরণে
    দুস্তর দুর্গম দুঃখ জলধি তরিতে চরণ-তরী ভরসা কেবল।।
    
  • গম্ভীর আরতি নৃত্যের ছন্দে

    বাণী

    গম্ভীর আরতি নৃত্যের ছন্দে।
    হে প্রভু! তোমারে প্রকৃতি বন্দে।।
    	চন্দ্র সূর্য কত শত গ্রহ তারা
    	তোমারে ঘিরি’ নাচে প্রেমে মাতোয়ারা,
    অনন্ত কাল ঘোরে ধূমকেতু উল্কা আগুন জ্বালায়ে বুকে উগ্র আনন্দে
    লীলায়িত সিন্ধু অবোধ১ উল্লাসে২,
    মেঘ হ’য়ে উড়ে যেতে চায় তব পাশে।
    	নব নব সৃষ্টি বৃষ্টিধারার প্রায়
    	সেই ছন্দের তালে অবিরাম ঝ’রে যায়,
    ধরণীর গোপন অনুরাগ ভক্তি ফুটে ওঠে নীরব পুষ্প-সুগন্ধে।।
    

    ১. প্রেম ২. ভাব উল্লাসে

  • গাহ নাম অবিরাম কৃষ্ণনাম

    বাণী

    গাহ নাম অবিরাম কৃষ্ণনাম কৃষ্ণনাম।
    মহাকাল যে নামের করে প্রাণায়াম।।
    যে নামের গুণে কংস কারার খোলে দ্বার।
    বসুদেব যে নামে যমুনা হ’ল পার।
    যে নাম মায়ায় হল তীর্থ ব্রজধাম।।
    দেবকীর বুকের পাষাণ গলে,
    যে নাম দোলে যশোদার কোলে।
    যে নাম লয়ে কাঁদে রাই রসময়ী,
    কুরুক্ষেত্রে যে নামে হল পান্ডব জয়ী।
    গোলকে নারায়ণ, ভূলোকে রাধাশ্যাম।।
    
  • গিরিধারী গোপাল ব্রজ গোপ দুলাল

    বাণী

    গিরিধারী গোপাল ব্রজ গোপ দুলাল
    অপরূপ ঘনশ্যাম নব তরুণ তমাল॥
    বিশাখার পটে আঁকা মধুর নিরুপম
    কান্ত ললিতার শ্রীরাধা প্রীতম
    রুক্মিণী-পতি হরি যাদব ভূপাল॥
    যশোদার স্নেহডোরে বাঁধা ননীচোর
    নন্দের নয়ন-আনন্দ-কিশোর
    শ্রীদাম-সুদাম-সখা গোঠের রাখাল॥
    কংস-নিসূদন কৃষ্ণ মথুরাপতি
    গীতা উদ্‌গাতা পার্থসারথি
    পূর্ণ ভগবান বিরাট বিশাল॥
    
  • গিরিধারী লাল কৃষ্ণ গোপাল

    বাণী

    গিরিধারী লাল কৃষ্ণ গোপাল যুগে যুগে হ’য়ো প্রিয়
    জনমে জনমে বঁধু তব প্রেমে আমারে ঝুরিতে দিও॥
    	তুমি চির চঞ্চল চির পলাতকা
    	প্রেমে বাঁধা প’ড়ে হ’য়ো মোর সখা
    মোর জাতি কুল মান তনু মন প্রাণ হে কিশোর হ’রে নিও॥
    রাধিকার সম কুব্জার সম রুক্সিণী সম মোরে
    গোকুল মথুরা দ্বারকায় নাথ রেখো তব সাথী করে।
    	গোপনে চেয়ো সব শত গোপীকায়
    	চন্দ্রাবলী ও সত্যভামায়
    তেমনি হে নাথ চাহিও আমায় লুকায়ে ভালেবাসিও॥
    
  • গোঠের রাখাল বলে দে রে

    বাণী

    		গোঠের রাখাল, বলে দে রে কোথায় বৃন্দাবন।
    (যথা)		রাখাল–রাজা গোপাল আমার খেলে অনুক্ষণ।।
    (যথা)		দিনে রাতে মিলন–রাসে
    		চাঁদ হাসে রে চাঁদের পাশে,
    (যা’র)		পথের ধূলায় ছড়িয়ে আছে শ্রীহরি–চন্দন।।
    (যথা)		কৃষ্ণ–নামের ঢেউ ওঠে রে সুনীল যমুনায়,
    (যা’র)		তমাল–বনে আজো মধুর কানুর নূপুর শোনা যায়।
    		আজো যাহার কদম ডালে
    		বেণু বাজে সাঁঝ–সকালে,
    		নিত্য লীলা করে যথা মদন–মোহন।।
    
  • ঘন-ঘোর-মেঘ-ঘেরা দুর্দিনে ঘনশ্যাম

    বাণী

    ঘন-ঘোর-মেঘ-ঘেরা দুর্দিনে ঘনশ্যাম ভূ-ভারত চাহিছে তোমায়।
    ধরিতে ধরার ভার নাশিতে এ হাহাকার আরবার এসো এ ধরায়।।
    		নিখিল মানবজাতি কলহ ও দ্বন্দ্বে
    		পীড়িত শ্রান্ত আজি কাঁদে নিরানন্দে,
    শঙ্খপদ্ম হাতে এ ঘোর তিমির-রাতে তিমির-বিদারী এসো অরুণ-প্রভায়।।
    বিদূরিত কর এই নিরাশা ও ভয়, মানুষে মানুষে হোক প্রেম অক্ষয়।
    কলিতে দলিতে এসো এই দুখ-পাপ-তাপ আন বর সুন্দর, শেষ হোক অভিশাপ,
    গদা ও চক্র করে অরিন্দম এসো, হত-মার দুর্বল মাগিছে সহায়।।
    
  • চল মন আনন্দ-ধাম

    বাণী

    চল	মন আনন্দ-ধাম।
    	চল মন আনন্দ-ধাম রে,
    	চল আনন্দ-ধাম।।
    	লীলা-বিহার প্রেম লোক
    	নাই রে সেথা দুঃখ শোক,
    সেথা	বিহরে চির-ব্রজ-বালক — 
    	বন্‌শিওয়ালা শ্যাম রে
    	চল আনন্দ-ধাম।।
    	নাহি মৃত্যু নাহি ভয়
    	নাহি সৃষ্টি, নাহি লয়,
    খেলে	চির-কিশোর চির-অভয় —
    	সঙ্গীত ওম্ না রে
    	চল আনন্দ ধাম।।১
    	নাহি চরাচর নাহি রে ব্যোম
    	লীলা-সাথী গ্রহ রবি ও সোম,
    	সঙ্গীত ‘ওম্’ নাম রে
    	চল আনন্দ ধাম।।
    

    ১. অবাঙ্‌মনস-গোচরম্‌

  • জগজন মোহন সঙ্কটহারী

    বাণী

    জগজন মোহন সঙ্কটহারী
    কৃষ্ণমুরারী শ্রীকৃষ্ণমুরারী।
    রাম রচাও ত শ্যামবিহারী
    পরম যোগী প্রভু ভবভয়-হারী।।
    গোপী-জন-রঞ্জন-ব্রজ-ভয়হারী,
    পুরুষোত্তম প্রভু গোলক-চারী।।
    বন্‌শী বাজাও ত বন বন-চারী
    ত্রিভুবন-পালক ভক্ত-ভিখারি,
    রাধাকান্ত হরি শিখি-পাখাধারী —
    কমলাপতি জয় গোপী-মনহারী।।
    
  • জগতের নাথ তুমি তুমি প্রভু প্রেমময়

    বাণী

    জগতের নাথ তুমি, তুমি প্রভু প্রেমময়।
    আমি জগতের বাহিরে নহি দেহ চরণে আশ্রয়।।
    যাহাদের তরে আমি খাটিনু দিবস-রাতি,
    (আমার)যাবার বেলায় কেহ তাদের হ’ল না সাথের সাথি।
    সম্পদ মোর পাঁচ ভূতে খায়, কর্ম কেবল সঙ্গে রয়।।
    ভুলিয়া সংসার মোহে লই নাই তোমারি নাম —
    তরাতে এমন পাপী পাবে না হে ঘনশ্যাম।
    শুনেছি তোমারে যদি কাঁদিয়া কেহ ডাকে —
    তুমি অমনি তারে কর ক্ষমা চরণে রাখ তাকে।
    আমি সেই আশাতে এসেছি নাথ যদি তব কৃপা হয়।।
    
  • জাগো জাগো শঙ্খ চক্র-গদা-পদ্ম-ধারী

    বাণী

    জাগো জাগো শঙ্খ চক্র-গদা-পদ্ম-ধারী 
    জাগো শ্রীকৃষ্ণ-তিথির তিমির অপসারি’।।
    	ডাকে বসুদেব দেবকী ডাকে
    	ঘরে ঘরে, নারায়ণ, তোমাকে।
    ডাকে বলরাম শ্রীদাম সুদাম ডাকিছে যমুনা-বারি।।
    	হরি হে, তোমায় সজল নেত্রে
    	ডাকে পাণ্ডব কুরুক্ষেত্রে!
    দুঃশাসন সভায় দ্রৌপদী ডাকিছে লজ্জাহারী।।
    	মহাভারতের হে মহাদেবতা
    	জাগো জাগো, আনো আলোক-বারতা!
    ডাকিছে গীতার শ্লোক অনাগতা বিশ্বের নর-নারী।।
    
  • তিমির বিদারী অলখ-বিহারী কৃষ্ণ মুরারি

    বাণী

    তিমির বিদারী অলখ-বিহারী কৃষ্ণ মুরারি আগত ঐ
    টুটিল আগল নিখিল পাগল সর্বসহা আজি সর্বজয়ী।।
    বহিছে উজান অশ্রু-যমুনায়
    হৃদি-বৃন্দাবনে আনন্দ ডাকে, (ওরে) ‌‘আয়’,
    বসুধা যশোদার স্নেহধার উথলায়
    (ওগো) কাল্‌-রাখাল নাচে থৈ-তা-থৈ।।
    বিশ্ব ভরি' ওঠে স্তব নমো নমঃ
    অরির পুরী-মাঝে এলো অরিন্দম।
    ঘিরিয়া দ্বার বৃথা জাগে প্রহরী জন
    বন্ধ কারায় এলো বন্ধ-বিমোচন,
    ধরি' অজানা পথ আসিল অনাগত
    জাগিয়া ব্যথাহত ডাকে, মাভৈঃ।।
    
  • তুমি আনন্দ ঘনশ্যাম আমি প্রেম-পাগলিনী রাধা

    বাণী

    তুমি আনন্দ ঘনশ্যাম আমি প্রেম-পাগলিনী রাধা।
    তব ডাক শুনে ছুটে যাই বনে আমি না মানি কুলের বাধা।।
    	শূন্য প্রাণের গাগরি ঘিরে
    	নিতি আসি রস-যমুনার তীরে
    অঙ্গ ভাসায়ে তরঙ্গ-নীরে শুনি তব বাঁশি সাধা।।
    যুগ-যুগান্ত অনন্ত কাল হৃদয়-বৃন্দাবনে
    তোমাতে আমাতে এই লীলা, নাথ! চলেছে, সঙ্গোপনে।
    	মোর সাথে কাঁদে প্রেম-বিগলিতা
    	ভক্তি ও প্রীতি বিশাখা-ললিতা।
    তোমারে যে চায়, মোর মতো, হায়! সার শুধু তার কাঁদা।।