ভজন

  • যত নাহি পাই দেবতা তোমায়

    বাণী

    যত নাহি পাই দেবতা তোমায় , তত কাঁদি আর পূঁজি।
    ত্ই লুকাও ধরা নাহি দাও, ততই তোমারে খুঁজি
    কত সে রূপের রঙের মায়ায়, আড়াল করিয়া রাখ আপনায়
    তবু তব পানে অশান্ত মন কেন ধায় নাহি বুঝি।।
    কাঁদালে যদি গো এমন করিয়া কেন প্রেম দিলে তবে
    অন্তবিহীন এ লুকোচুরির শেষ হবে নাথ কবে?
    সহে না হে নাথ বৃথা আসা যাওয়া-
    জনমে জনমে এই পথ চাওয়া
    কাঁদিয়া কাঁদিয়া ফুরায়ে গেল চোখের জলের পুঁজি।।
    

  • যুগ যুগ ধরি লোকে-লোকে মোর

    বাণী

    যুগ যুগ ধরি লোকে-লোকে মোর
    		প্রভুরে খুঁজিয়া বেড়াই;
    সংসারে গেহে , প্রীতি ও স্নেহে
    	আমার স্বামী বিনে নাই সুখ নাই।।
    তার	চরণ পাবার আশা ল'য়ে মনে
    	ফুটিলাম ফুল হয়ে কত বার বনে,
    		পাখি হয়ে তার নাম
    		শত বার গাহিলাম
    	তবু হায় কভু তার দেখা নাহি পাই।।
    	গ্রহ তারা হয়ে খুঁজেছি আকাশে,
    	দিকে দিকে ছুটেছি মিশিয়া বাতাসে,
    		পর্বত হয়ে নাম
    	কোটি যুগ ধিয়ালাম,
    	নদী হয়ে কাঁদিলাম খুঁজিয়া বৃথাই।।
    

  • রাখ রাখ রাঙা পায় হে শ্যামরায়

    বাণী

    রাখ রাখ রাঙা পায়, হে শ্যামরায়!
    ভুলে গৃহ স্বজন সবই সঁপেছি তোমায়॥
    সংসার মরু ঘোর, নাহি তরু-ছায়া,
    নব নীরদ শ্যাম, আনো মেঘ-মায়া;
    আনন্দ-নীপবনে নন্দ-দুলাল এসো,
    বাহও উজান, হরি, অশ্রুর যমুনায়॥
    একা জীবন মোর গহন ঘন ঘোর,
    এসো এ বনে বনমালী, গোপ কিশোর,
    কুঞ্জ রচেছি দুখ-শোক তমাল-ছায় -  
    প্রেম-প্রীতির গোপী চন্দন শুকায়ে যায়॥
    দারা সুত প্রিয়জন, হরি হে, নাহি চাই,
    পদ্মা-পলাশ-আঁখি যদি দেখিতে পাই;
    রাখাল-রাজা এসো, এসো হে ঋষিকেশ,
    গোকুলে লহ ডাকি’, অকূলে ভাসি হায়॥
    

  • রাখাল রাজ কি সাজে সাজালে

    বাণী

    রাখাল রাজ! কি সাজে সাজালে আমায় আজ!
    আমার ঘরের ভূষণ কেড়ে নিয়ে দিলে চির-পথিক সাজ।।
    তোমার পায়ের নূপুর আমায় দিয়ে ঘোরাও পথে-ঘাটে নিয়ে,
    বেড়াই বাউল একতারা বাজিয়ে হে, (ও মরি হায় রে)
    এই ভুবন-নাটে বেড়াই ভুলে শরম-ভরম-লাজ।।
    তোমার নৃত্য-খেলার নিত্য-সাথি আনন্দেরি গোঠে হে,
    জীবন-মরণ আমার সহজ চরণ-তলে লোটে হে।
    আমার হাতে দিলে সর্বনাশী ঘর-ভোলানো তোমার বাঁশি,
    কাজ ভুলাতে যখন তখন আসি হে’ (ও মরি হায় রে)
    আমার ভবন কেড়ে — দিলে ছেড়ে বিশ্বভুবন-মাঝ।।
    
  • রাধা শ্যাম কিশোর প্রিয়তম কৃষ্ণগোপাল

    বাণী

    রাধা শ্যাম কিশোর প্রিয়তম কৃষ্ণগোপাল বনমালী ব্রজের রাখাল।
    কৃষ্ণ গোপাল শ্রীকৃষ্ণগোপাল শ্রীকৃষ্ণগোপাল
    কভু শ্যাম রাঘব, কভু শ্যাম মাধব, কভু সে কেশব যাদব ভূপাল॥
    যমুনা বিহারী মুরলীধারী, বুন্দাবনে সখা গোপী মনহারী,
    কভু মথুরাপতি কভু পার্থসারথি কভু ব্রজে যশোদা আনন্দ দুলাল॥
    দোলে গলে তাহার মন বন ফুলহার,
    বাজে চরণে নূপুর গ্রহ তারকার কোটি গ্রহ তারকার।
    কালিয়-দমন কভু, করাল মুরারি কাননচারী শিখী পাখা ধারী;
    শ্যামল সুন্দর গিরিধারীলাল।
    কৃষ্ণগোপাল শ্রীকৃষ্ণগোপাল শ্রীকৃষ্ণগোপাল॥
    
  • রাধা-তুলসী প্রেম-পিয়াসি গোলকবাসী শ্রীকৃষ্ণ নারায়ণ

    বাণী

    রাধা-তুলসী, প্রেম-পিয়াসি, গোলকবাসী শ্রীকৃষ্ণ নারায়ণ।
    নাম জপ মুখে, মূরতি রাখ বুকে ধ্যান দেখ তারি রপ মোহন।।
    	অমৃত রসঘন কিশোর-সুন্দর,
    	নব নীরদ শ্যাম মদন মনোহর —
    সৃষ্টি প্রলয় যুগল নূপুর শোভিত যাহার রাঙা চরণ।।
    	মগ্ন সদা যিনি লীলারসে,
    	যে লীলা-রস ভরা গোপী-কলসে,
    কান্না-হাসির আলো-ছায়ার মায়ায় যাহার মোহিত ভূবন।।
    
  • রাধাকৃষ্ণ নামের মালা

    বাণী

    দ্বৈত	:	রাধাকৃষ্ণ নামের মালা
    		জপ দিবানিশি নিরালা॥
    পুরুষ	:	অগতির গতি গোকুলের পতি
    স্ত্রী	:	শ্রীকৃষ্ণে ভক্তি দেয় যে শ্রীমতী
    পুরুষ	:	ভব-সাগরে কৃষ্ণ নাম ধ্রুবজ্যোতি
    দ্বৈত	:	সেই কৃষ্ণের প্রিয়া ব্রজবালা॥
    স্ত্রী	:	পাপ-তাপ হবে দুর হরির নামে
    		শ্রীমতী রাধা যে হরির বামে
    পুরুষ	:	ঐ নাম জপি’ যাবি গোলকধামে
    দ্বৈত	:	সেই রাধা নাম হবে দুঃখ জ্বালা॥
    স্ত্রী	:	সাধনে সিদ্ধ হবে রাধা ব’লে ডাকো
    পুরুষ	:	কৃষ্ণ-মূরতি হৃদি-মন্দিরে রাখো
    দ্বৈত	:	জপ রে যুগল নাম রাধাশ্যাম
    		এই আঁধার জগৎ হবে আলো॥
    
  • লুকোচুরি খেলতে হরি হার মেনেছ

    বাণী

    লুকোচুরি খেলতে হরি হার মেনেছ আমার সনে
    লুকাতে চাও বৃথা হে শ্যাম, ধরা পড় ক্ষণে ক্ষণে।।
    গহন মেঘে লুকাতে চাও অম্‌নি রাঙা, চরণ লেগে
    যে পথে ধাও সে পথ ওঠে ইন্দ্রধনুর রঙে রেঙে,
    চপল হাসি চম্‌কে বেড়ায় বিজলিতে নীল গগনে।।
    রবি-শশী-গ্রহ-তারা তোমার কথা দেয় প্রকাশি’
    ঐ আলোতে হেরি তোমার তনুর জ্যোতি মুখের হাসি।
    হাজার কুসুম ফুটে’ ওঠে লুকাও যখন শ্যামল বনে।
    মনের মাঝে যেম্‌নি লুকাও, মন হয়ে যায় অম্‌নি মুনি,
    ব্যথায় তোমার পরশ যে পাই, ঝড়ের রাতে বংশী শুনি
    দুষ্টু তুমি দৃষ্টি হয়ে লুকাও আমার এই নয়নে
    দুষ্টু তুমি দৃষ্টি হয়ে থাক আমার এই নয়নে।।
    
  • শুধু নামে যাঁহার এত মধু সে বঁধু কেমন

    বাণী

    শুধু নামে যাঁহার এত মধু সে বঁধু কেমন
    শুধু নাম শুনে যাঁর জাগে জোয়ার পরানে এমন।।
    	শুধু যাহার বাঁশির সুরে
    	আমার এত নয়ন ঝুরে
    ওগো না জানি তার রূপ কেমন মদন-মোহন।।
    সে বুঝি লো' অপরূপ সে চির-নতুন
    বাঁশির সুরের মতো আঁখি-সকরুণ।
    	তারে আমি দেখি যদি
    	কাঁদিব কি নিরবধি
    ওগো, যেমন ক'রে ঐ যমুনা কাঁদে অনুক্ষণ।।
    
  • শুভ্র সমুজ্জ্বল হে চির–নির্মল

    বাণী

    শুভ্র সমুজ্জ্বল, হে চির–নির্মল শান্ত অচঞ্চল ধ্রুব–জ্যোতি
    অশান্ত এ চিত কর হে সমাহিত সদা আনন্দিত রাখো মতি।।
    দুঃখ–শোক সহি অসীম সাহসে
    অটল রহি যেন সম্মানে যশে
    তোমার ধ্যানের আনন্দ–রসে
    	নিমগ্ন রহি হে বিশ্বপতি।।
    মন যেন না টলে খল কোলাহলে, হে রাজ–রাজ!
    অন্তরে তুমি নাথ সতত বিরাজ, হে রাজ–রাজ!
    বহে তব ত্রিলোক ব্যাপিয়া, হে গুণী,
    ওঙ্কার–সংগীত–সুর–সুরধুনী,
    হে মহামৌনী, যেন সদা শুনি
    	সে সুরে তোমার নীরব আরতি।।
    
  • শোক দিয়েছ তুমি হে নাথ তুমি এ প্রাণে শান্তি দাও

    বাণী

    শোক দিয়েছ তুমি হে নাথ তুমি এ প্রাণে শান্তি দাও।
    দুখ্ দিয়ে কাঁদালে যদি তুমি হে নাথ সে দুখ ভোলাও।।
    যে হাত দিয়ে হানলে আঘাত
    তুমিঅশ্রু মোছাও সেই হাতে নাথ
    বুকের মানিক হ’রলে যা’র —
    	তারে তোমার শীতল বক্ষে নাও।।
    তোমার যে চরণ প্রলয় ঘটায়
    সেই চরণ কমল ফোটায়
    শূন্য করলে তুমি যে বুক
    	সেথা তুমি এসে বুক জুড়াও।।
    

  • শ্যাম-সুন্দর-গিরিধারী

    বাণী

    শ্যাম-সুন্দর-গিরিধারী।
    মানস মধু-বনে মধুমাধবী সুরে মুরলী বাজাও বনচারী।।
    মধুরাতে হে হৃদয়েশ মাধবী চাঁদ হয়ে এসো,
    হৃদয়ে তুলিও ভাবেরই উজান রস-যমুনা-বিহারী।।
    অন্তর মন্দিরে প্রীতি ফুলশয্যায় বিলাস কর লীলা-বিলাসী,
    আঁখির প্রদীপ জ্বালি' শিয়রে জাগিয়া রব শ্যাম, তব রূপ-পিয়াসি।
    যত সাধ আশা গেল ঝরিয়া, পর তাই গলে মালা করিয়া;
    নূপুর করিব তব চরণে গাঁথি' মম নয়নের বারি।।
    
  • শ্রী রঘুপতি রাম লহ প্রণাম

    বাণী

    দ্বৈত	:	শ্রী রঘুপতি রাম
    		লহ প্রণাম শ্রী রঘুপতি রাম
    		নব দূর্বাদল শ্যাম অভিরাম।
    স্ত্রী	:	সুরাসুর কিন্নর যোগী ঋষি নর
    পুরুষ	:	চরাচর যে নাম জপে অবিরাম॥
    স্ত্রী	:	সরযূ নদীর জল ছল ছল কান্তি
    পুরুষ	:	ঢল ঢল অঙ্গ ললাটে প্রশান্তি
    স্ত্রী	:	নাম স্মরণে টোটে শোক তাপ ভ্রান্তি
    দ্বৈত	:	পদারবিন্দে মূরছিত কোটি কাম॥
    স্ত্রী	:	জানকী বল্লভ সুঠাম অঙ্গ
    পুরুষ	:	পরশে নিমেষে হয় হরধনু ভঙ্গ
    দ্বৈত	:	রাবণ ভয় হরে যাঁহার নাম॥
    স্ত্রী	:	পিতৃ সত্যব্রত পালনকারী
    পুরুষ	:	চির বল্কলধারী কাননচারী
    দ্বৈত	:	প্রজারঞ্জন লাগি সর্বসুখ ত্যাগী
    		যে নামে ধরা হল আনন্দধাম॥
    
  • শ্রীকৃষ্ণ নাম মোর জপ-মলা নিশিদিন

    বাণী

    শ্রীকৃষ্ণ নাম মোর জপ-মলা নিশিদিন শ্রীকৃষ্ণ নাম মোর ধ্যান।
    শ্রীকৃষ্ণ বসন শ্রীকৃষ্ণ ভূষণ ধরম করম মোর জ্ঞান।।
    শয়নে স্বপনে ঘুমে জাগরণে বিজড়িত শ্রীকৃষ্ণ নাম (মোর)
    কৃষ্ণ আত্মা মম কৃষ্ণ প্রিয়তম ওই নাম দেহ মন প্রাণ।।
    কৃষ্ণ নয়ন-ধার কৃষ্ণ গলার হার এ হৃদয় তাঁরি ব্রজধাম
    ঐ নাম-কলঙ্ক ললাটে আঁকিয়া গো ত্যাজিয়াছি লাজ কুল মান।।
    

  • শ্রীকৃষ্ণ নামের তরীতে কে হবি পার

    বাণী

    শ্রীকৃষ্ণ নামের তরীতে কে হবি পার কৃষ্ণ নামের তরীতে!
    তরাইতে পাপী পতিত মানবে এলো তরী ভব-নদীতে।।
    ডাকিছে আর্তজনে বাঁশির সুরে নাইয়া কানাইয়া ‘আয় আয়’ ব’লে
    মধুর নামের তরী টলমল দোলে আশ্রিতে পারে নিতে।।
    ঘন দুর্দিন-ঘেরা আঁধার সংসার নাম প্রদীপ আশার;
    জপ প্রেম-ভরে তাঁহারই প্রিয় নাম (তরঙ্গে) তরী ডুবিবে না আর।
    তাঁর নাম পারের তরী, কান্ডারি শ্রীচরণ শরণ নে রে তোরা তাঁরই
    নামের আলোকে যাবি রে গোলকে নাম গাহিতে গাহিতে।।
    
  • শ্রীকৃষ্ণ মুরারী গদাপদ্মধারী

    বাণী

    শ্রীকৃষ্ণ মুরারী গদাপদ্মধারী
    মধুবন-চারী গিরিধারী ত্রিভুবন-বিহারী।।
    	লীলা-বিলাসী গোলকবাসী
    	রাধা তুলসী প্রেম-পিয়াসী
    মহা বিরাট বিষ্ণু ভূ-ভার হরণকারী।।
    	নব-নীরদ-কান্তি-শ্যাম
    	চির কিশোর অভিরাম
    রসঘন-আনন্দ-রূপ মাধব বনোয়ারী।।
    
  • শ্রীকৃষ্ণ রূপের করো ধ্যান অনুক্ষণ

    বাণী

    শ্রীকৃষ্ণ রূপের করো ধ্যান অনুক্ষণ
    হবে নিমেষে সংসার-কালীয় দমন।।
    	নব-জলধর শ্যাম
    	রূপ যাঁর অভিরাম
    (যাঁর)	আনন্দ ব্রজধাম লীলা নিকেতন।।
    বিদ্যুৎ - বর্ণ পীতান্বরধারী,
    বনমালা-বিভূষিত মধুবনারী;
    গোপ-সখা গোপী-বঁধু মনোহারী
    নওল-কিশোর তনু মদনমোহন।।
    
  • সকাল সাঁঝে প্রভু সকল কাজে

    বাণী

    সকাল সাঁঝে প্রভু সকল কাজে উঠুক তোমারি নাম —
    				বেজে উঠুক তোমারি নাম।
    নিশীথ রাতে তারার মত উঠুক তোমারি নাম —
    				বেজে উঠুক তোমারি নাম।।
    তরুর শাখায় ফুলের সম
    বিকশিত হোক (প্রভু) তব নাম নিরুপম,
    সাগর মাঝে তরঙ্গ সম বহুক তোমারি নাম।।
    পাষাণ শিলায় গিরি নির্ঝর সম বহুক তোমারি নাম
    অকুল সমুদ্রে ধ্রুবতারা-সম জাগি’ রহুক তব নাম
    				প্রভু জাগি’ রহুক তব নাম।
    	শ্রাবণ দিনে বারি ধারার মত
    	ঝরুক ও নাম প্রভু অবিরত
    মানস কমল বনে মধুকর সম লুটুক তোমারি নাম।।
    

    নাটক: ‌‘রূপকথা’

  • সখি লো তায় আন ডেকে

    বাণী

    সখি লো তায় আন ডেকে যে গান গেয়ে যায় পথ দিয়ে।
    সই দিব তারে কণ্ঠহার, তার কণ্ঠেরি ঐ সুর নিয়ে॥
    		কারুর পানে নাহি চায়
    	সে 	আপন মনে গেয়ে যায়
    প্রাণ কাঁপে সুরের নেশায় নয়ন আসে ঝিমিয়ে॥
    		সখি লো শুধিয়ে আয়
    		সে শিখিল এ গান কোথায়
    এত মধু তার গলায় কার অধর-সুধা পিয়ে॥
    		যার গানে এত প্রাণ মাতায়
    		না জানি কি হয় দেখ্‌লে তায়
    তার সুর শুনে কেউ প্রাণ পায় কেউ ফেলে প্রাণ হারিয়ে॥
    
  • সে চ'লে গেছে ব'লে কি গো

    বাণী

    সে চ'লে গেছে ব'লে কি গো স্মৃতিও হায় যায় ভোলা
    ওগো মনে হ'লে তারি কথা আজো মর্মে সে মোর দেয় দোলা।।
    	ঐ প্রতিটি ধূলি কণায়
    	আছে তার ছোঁওয়া লেগে হেথায়,
    আজো তাহারি আসার আশায়, রাখি মোর ঘরেরই সব দ্বার খোলা।।
    	হেথা সে এসেছিল যবে
    	ঘর ভরেছিল ফুল-উৎসবে,
    মোর কাজ ছিল শুধু ভবে তার হার গাঁথা আর ফুল তোলা।।
    	সে নাই ব'লে বেশি ক'রে
    	শুধু তার কথাই মনে পড়ে,
    হেরি তার ছবি ভুবন ভ'‌রে তারে ভুলিতে মিছে বলা।।