গজল

  • আগুন জ্বালাতে আসিনি গো আমি

    বাণী

    আগুন জ্বালাতে আসিনি গো আমি এসেছি দেয়ালি জ্বালাতে
    শুধু ক্রন্দন হয়ে আসিনি এসেছি চন্দন হতে থালাতে॥
    	ধরায় আবার আসিয়াছি প্রিয়া
    	তব মুখখানি দেখিব বলিয়া
    তাই	প্রদীপ হইয়া নীরবে পুড়ি তোমারই বরণ ডালাতে॥
    তব	মিলন বাসরে ঘুম ভাঙাইতে আসিনি
    	তুমি কেন লাজে ওঠো আকুলি
    তব	রাঙা মুখখানি রাঙাইয়া যাব চলে গো
    	আমি সাঁঝের ক্ষণিক গোধূলি।
    তব কাজল নয়ন-পল্লব ছায়ে, অশ্রুর মত রহিব লুকায়ে
    ঝরিতে এসেছি ফুল হয়ে আমি তোমার বুকের মালাতে॥
    
  • আজি আকাশ মধুর বাতাস মধুর

    বাণী

    আজি আকাশ মধুর বাতাস মধুর, মধুর গানের সুর
    			আজি ভুবন লাগে মধুর।
    পরানের কাছে যেন আসিয়াছে হারানো প্রিয়া সুদূর।।
    	একি মাধুরী জড়িত লতায় পাতায়,
    	যাহা হেরি তাই পরান মাতায়,
    অবনি ভরিয়া ঝরিছে লাবনি মাধুরীতে ভরপুর।।
    আগেও ফুটেছে এ গাঁয়ের মাঠে পথপাশে ভাঁটফুল,
    এই পথ বেয়ে জলে যেত বধূ পিঠভরা এলোচুল।
    	আজ মনে হয় নতুন সকলি
    	মধুময় লাগে বিহগ কাকলি
    আজি অকারণ নেচে ফেরে মন যেন বনের ময়ূর।।
    
  • আধো-আধো বোল লাজে-বাধো-বাধো বোল

    বাণী

    আধো আধো বোল্ লাজে-বাধো-বাধো বোল
    				ব’লো কানে কানে।
    যে কথাটি আধো রাতে মনে লাগায় দোল
    				ব’লো কানে কানে।।
    যে কথার কলি সখি আজও ফুটিল না, হায়
    শরমে মরম-পাতে দোলে আন্‌মনা, হায়
    যে কথাটি ঢেকে রাখে বুকের আঁচল
    				ব’লো কানে কানে।।
    যে কথা লুকায়ে থাকে লাজ-নত চোখে
    না বলিতে যে কথাটি জানাজানি লোকে
    যে কথাটি ধ’রে রাখে অধরের কোল
    লুকিয়ে ব’লো নিরালায় থামিলে কলরোল।
    যে কথাটি বলিতে চাও বেশভূষার ছলে
    যে কথা দেয় ব’লে তব তনু পলে পলে
    যে কথাটি বলিতে সই গালে পড়ে টোল্ —
    				ব’লো কানে কানে।।
    

  • আমার যাবার সময় হলো

    বাণী

    আমার যাবার সময় হলো, দাও বিদায়।
    মোছ আঁখি, দুয়ার খোলো, দাও বিদায়।।
    ফোটে যে ফুল আঁধার রাতে
    ঝরে ধূলায় ভোর বেলাতে
    আমায় তারা ডাকে সাথে - আয় রে আয়।
    সজল করুণ নয়ন তোলো, দাও বিদায়।।
    অন্ধকারে এসেছিলাম থাকতে আঁধার যাই চ’লে;
    ক্ষণিক ভালোবেসেছিলেম চিরকালের না-ই হ’লে।
    হ’লো চেনা হ’লো দেখা
    নয়ন-জলে রইলো লেখা
    দূর বিরহের ডাকে কেকা বরষায়
    ফাগুন স্বপন ভোলো ভোলো,দাও বিদায়।।
    
  • আলগা কর গো খোঁপার বাঁধন

    বাণী

    আলগা কর গো খোঁপার বাঁধন দিল ওহি মেরা ফঁস্‌ গয়ি।
    বিনোদ বেণীর জরীন ফিতায় আন্ধা এশ্‌ক্‌ মেরা কস্‌ গয়ি।।
    	তোমার কেশের গন্ধ কখন,
    	লুকায়ে আসিল লোভী আমার মন
    বেহুঁশ হো কর্‌ গির্‌ পড়ি হাথ মে বাজু বন্দ মে বস্‌ গয়ি।।
    	কানের দুলে প্রাণ রাখিলে বিঁধিয়া,
    	আঁখ্‌, ফিরা দিয়া চোরী কর্‌ নিদিয়া,
    দেহের দেউড়িতে বেড়াতে আসিয়া আউর নেহিঁ উয়ো ওয়াপস্‌ গয়ি।।
    
  • আসল যখন ফুলের ফাগুন

    বাণী

    আসল যখন ফুলের ফাগুন, গুল্-বাগে ফুল চায় বিদায়।
    এমন দিনে বন্ধু কেন বন্ধুজনে ছেড়ে যায়॥
    মালঞ্চে আজ ভোর না হতে বিরহী বুলবুল কাঁদে,
    না ফুটিতে দলগুলি তার ঝর্‌ল গোলাব হিম-হাওয়ায়॥
    পুরানো গুল-বাগ এ ধরা, মানুষ তাহে তাজা ফুল,
    ছিঁড়ে নিঠুর ফুল-মালী আয়ুর শাখা হতে তায়॥
    এই ধূলিতে হল ধূলি সোনার অঙ্গ বে-শুমার,
    বাদশা অনেক নূতন বধূ ঝরল জীবন-ভোরবেলায়॥
    এ দুনিয়ার রাঙা কুসুম সাঁজ না হতেই যায় ঝ’রে,
    হাজার আফ্‌সোস, নূতন দেহের দেউল ছেড়ে প্রাণ পালায়॥
    সামলে চরণ ফেলো পথিক, পায়ের নিচে মরা ফুল
    আছে মিশে এই সে ধরার গোরস্থানে এই ধূলায়॥
    হল সময় — লোভের ক্ষুধা মোহন মায়া ছাড় হাফিজ,
    বিদায় নে তো ঘরের কাছে দূরের বঁধূ ডাকছে আয়॥
    
  • এত কথা কি গো কহিতে জানে

    বাণী

    এত কথা কি গো কহিতে জানে
    		চঞ্চল ঐ আঁখি
    নীরব ভাষায় কি যে ক'য়ে যায়
    	ও সে মনের বনের পাখি।।
    বুঝিতে পারি না ঐ আঁখির ভাষা
    জলে ডুবে তবু মেটে না পিপাসা,
    আদর সোহাগ প্রেম ভালোবাসা
    	অভিমান মাখামাখি।।
    মুদিত কমলে ভ্রমরেরি প্রায়
    বন্দী হইয়া কাঁদিয়া বেড়ায়
    চাহিয়া চাহিয়া মিনতি জানায়
    	সুনীল আকাশে ডাকি'।।

  • এত জল ও কাজল চোখে

    বাণী

    এত জল ও কাজল চোখে, পাষানী আনলে বল কে।
    টলমল জল-মোতির মালা দুলিছে ঝালর-পলকে ।।
    দিল কি পূব হাওয়াতে দোল, বুকে কি বিঁধিল কেয়া?
    কাঁদিয়া কুটিলে গগন এলায়ে ঝামর-অলকে।।
    চলিতে পৈঁচি কি হাতের বাঁধিল বৈচি-কাঁটাতে?
    ছাড়াতে কাঁচুলির কাঁটা বিঁধিল হিয়ার ফলকে।।
    [যে দিনে মোর দেওয়া-মালা ছিঁড়িলে আনমনে সখি,
    জড়াল জুই-কুসুমি-হার বেণীতে সেদিন ওলো কে।।
    যে-পথে নীর ভরণে যাও বসে রই সে পথ-পাশে
    দেখি, নিত কার পানে চাহি কলসীর সলিল ছলকে।।]
    মুকুলী-মন সেধে সেধে কেবলি ফিরিনু কেঁদে,
    সরসীর ঢেউ পালায় ছুটি' না ছুঁতেই নলিন-নোলকে ।।
    বুকে তোর সাত সাগরের জল, পিপাসা মিটল না কবি
    ফটিক জল ! জল খুঁজিস যেথায় কেবলি তড়িৎ ঝলকে।। 
    
  • এলো ফুলের মরশুম

    বাণী

    এলো ফুলের মরশুম শরাব ঢালো সাকি
    বকুল শাখে কোকিল ওঠে ডাকি’।।
    গেয়ে ওঠে বুলবুল আঙ্গুর-বাগে
    নীল আঁখি লাল হলো রাঙ্-অনুরাগে
    আজি ফুল-বাসরে শিরাজির জল্‌সা
    		বরবাদ্‌ হবে না-কি।।
    চাঁপার গেলাস ভরি’ ভোমরা মধু পিয়ে
    মহুয়া ফুলের বাসে আঁখি আসে ঝিমিয়ে।
    পাপিয়া পিয়া পিয়া ডাকে বন-মাঝে
    গোলাপ-কপোল রাঙে গোলাপী লাজে
    হৃদয়-ব্যথার সুধা আছে তব কাছে
    		রেখো না তারে ঢাকি’।।
    

  • ঐ ঘর ভুলানো সুরে

    বাণী

    ঐ ঘর ভোলানো সুরে কে গান গেয়ে যায় দূরে। 
    তার সুরের সাথে সাথে মোর মন যেতে চায় উড়ে।। 
    তা'র সহজ গলার তানে ১
    সে ফুল ফোটাতে জানে, 
    তা'র সুরে ভাটির-টানে নব জোয়ার আসে ঘুরে।। 
    তা'র সুরের অনুরাগে 
    বুকে প্রণয়-বেদন জাগে; 
    বনে ফুলের আগুন লাগে, ফুল সুধায় ওঠে পুরে।। 
    বুঝি সুর-সোহাগে ওরি, 
    পায় যৌবন কিশোরী, 
    হিয়া বুঁদ হয়ে গো নেশায় তার পায়ে পায়ে ঘুরে।।
    

    ১. গানে

  • কে বিদেশি বন-উদাসী

    বাণী

    কে বিদেশি		বন-উদাসী'
    বাঁশের বাঁশি		বাজাও বনে।
    সুর-সোহাগে	তন্দ্রা লাগে
    কুসুম-বাগের	গুল-বদনে।।
    ঝিমিয়ে আসে	ভোমরা-পাখা
    যুথীর চোখে		আবেশ মাখা
    কাতর ঘুমে		চাঁদিমা রাকা
    ভোর গগনের	দর-দালানে
    দর-দালানে		ভোর গগনে।।
    লজ্জাবতীর		লুলিত লতায়
    শিহর লাগে		পুলক-ব্যথায়
    মালিকা সম		বঁধুরে জড়ায়
    বালিকা-বঁধু		সুখ-স্বপনে।।
    বৃথাই গাঁথি		কথার মালা
    লুকাস কবি		বুকের জ্বালা,
    কাঁদে নিরালা	বনশিওয়ালা
    তোরি উতলা	বিরহী মনে।।
    
  • কেউ ভোলে না কেউ ভোলে

    বাণী

    কেউ		ভোলে না কেউ ভোলে অতীত দিনের স্মৃতি
    কেউ		দুঃখ ল’য়ে কাঁদে কেউ ভুলিতে গায় গীতি।।
    কেউ		শীতল জলদে হেরে অশনির জ্বালা
    কেউ		মুঞ্জরিয়া তোলে তার শুষ্ক কুঞ্জ–বীথি।।
    হেরে		কমল–মৃণালে কেউ কাঁটা কেহ কমল।
    কেউ		ফুল দলি’ চলে কেউ মালা গাঁথে নিতি।।
    কেউ		জ্বালে না আর আলো তার চির–দুখের রাতে,
    কেউ		দ্বার খুলি’ জাগে চায় নব চাঁদের তিথি।।
    
  • কেন দিলে এ কাঁটা যদি গো কুসুম দিলে

    বাণী

    কেন দিলে এ কাঁটা যদি গো কুসুম দিলে
    ফুটিত না কি কমল ও কাঁটা না বিঁধিলে।।
    	কেন এ আঁখি-কূলে
    	বিধুর অশ্রু দুলে
    কেন দিলে এ হৃদি যদি না হৃদয় মিলে।।
    	কেন কামনা-ফাঁদে
    	রূপ-পিপাসা কাঁদে
    শোভিত না কি কপোল ও কালো তিল নহিলে।।
    	কাঁটা-নিকুঞ্জে কবি
    	এঁকে যা সুখের ছবি
    নিজে তুই গোপন রবি তোরি আঁখির সলিলে।।
    
  • গুল–বাগিচার বুলবুলি আমি

    বাণী

    গুল–বাগিচার বুলবুলি আমি রঙিন প্রেমের গাই গজল।
    অনুরাগের লাল শারাব মোর আঁখি ঝলে ঝলমল (হায়)।।
    	আমার গানের মদির ছোঁয়ায়
    	গোলাপ কুঁড়ির ঘুম টুটে যায়,
    সে গান শুনে প্রেমে–দীওয়ানা কবির আঁখি ছলছল (হায়)।।
    লাল শিরাজীর গেলাস হাতে তন্বী সাকি পড়ে ঢুলে,
    আমার গানের মিঠা পানির লহর বহে নহর–কূলে।
    ফুটে ওঠে আনারকলি নাচে ভ্রমর রং–পাগল (হায়)।।
    	সে সুর শুনে দিশেহারা
    	ঝিমায় গগন ঝিমায় তারা,
    চন্দ্র জাগে তন্দ্রাহারা বনের চোখে১ শিশির জল (হায়)।।
    

    ১. বনের পাতায়

  • চেয়ো না সুনয়না আর চেয়ো না

    বাণী

    চেয়ো না সুনয়না আর চেয়ো না এ নয়ন পানে।
    জানিতে নাইকো বাকি, সই ও আঁখি কি যাদু জানে।।
    একে ঐ চাউনি বাঁকা সুর্মা আঁকা তা’য় ডাগর আঁখি রে
    বধিতে তা’য় কেন সাধ? যে মরেছে ঐ নয়ন বাণে।
    			মরেছে ঐ আঁখির বাণে।।
    চকোর কি প’ড়ল ধরা পীযূষ ভরা ঐ মুখ-চাঁদে (রে),
    কাঁদিছে নার্গিসের ফুল লাল কপোলের কমল-বাগানে।
    জ্বলিছে দিবস রাতি মোমের বাতি রূপের দেওয়ালি (রে),
    নিশিদিন তাই কি জ্বলি’ পড়ছ গলি’ অঝোর নয়ানে।
    মিছে তুই কথার কাঁটায় সুর বিঁধে হায় হার গাঁথিস কবি (রে)।
    বিকিয়ে যায় রে মালা এই নিরালা আঁখির দোকানে।।
    
  • চোখের নেশার ভালোবাসা

    বাণী

    চোখের নেশার ভালোবাসা সে কি কভু থাকে গো
    জাগিয়া স্বপনের স্মৃতি স্মরণে কে রাখে গো।।
    তোমরা ভোল গো যা’রে চিরতরে ভোল তা’রে
    মেঘ গেলে আবছায়া থাকে কি আকাশে গো।।
    পুতুল লইয়া খেলা খেলেছ বালিকা বেলা
    খেলিছ পরাণ ল’য়ে তেমনি পুতুল খেলা।
    ভাঙ্গিছ গড়িছ নিতি হৃদয়–দেবতাকে গো।
    চোখের ভালোবাসা গ’লে
    শেষ হ’য়ে যায় চোখের জলে
    বুকের ছলনা সেকি নয়ন জলে ঢাকে গো।।
    
  • ঝর্‌ল যে-ফুল ফোটার আগেই

    বাণী

    ঝর্‌ল যে-ফুল ফোটার আগেই তারি তরে কাঁদি, হায়!
    মুকুলে যার মুখের হাসি চোখের জলে নিভে যায়।।
    হায় যে-বুলবুল গুল্‌বাগিচায় গোলাপ কুঁড়ির গাইত গান,
    আকুল ঝড়ে আজ সে প'ড়ে পথের ধূলায় মূরছায়।।
    সুখ-নদীর উপকূলে বাঁধিল যে সোনার ঘর,
    আজ কাঁদে সে গৃহ-হারা বালুচরে নিরাশায়।।
    যাবার যারা, যায় না তারা — থাকে কাঁটা, ঝরে ফুল।
    শুকায় নদী মরুর বুকে, প্রভাত আলো মেঘে ছায়।।
    
  • তোমার কুসুম বনে আমি আসিয়াছি ভুলে

    বাণী

    তোমার কুসুম বনে আমি আসিয়াছি ভুলে।
    তবু মুখপানে প্রিয় চাহ মুখ তুলে।।
    দেখি সে-দিনের সম, ওগো ভুলে-যাওয়া স্মৃতি মম
    তব ও-নয়নে আজো ওঠে কি-না দুলে।।
    ওগো ভুল ক’রে আসিয়াছি, জানি ভুলেছ, তুমিও
    তবু ক্ষণেকের তরে সে-ভুল ভেঙো না প্রিয়।
    তীর্থে এসেছি মম দেবীর দেউলে।।
    তোমার মাধবী-রাতে, আসিনি আমি কাঁদাতে
    কাঁদিতে এসেছি একা বিদায়-নদীর কূলে।।

  • দাঁড়ালে দুয়ারে মোর

    বাণী

    		দাঁড়ালে দুয়ারে মোর		কে তুমি ভিখারিনী।
    		গাহিয়া সজল চোখে		বেলা-শেষের রাগিণী॥
    		মিনতি-ভরা আঁখি			ওগো কে তুমি ঝড়ের পাখি
    (ওগো)	কি দিয়ে জুড়াই ব্যথা		কেমনে কোথায় রাখি
    		কোন্ প্রিয় নামে ডাকি’		মান ভাঙাব মানিনী॥
    		বুকে তোমায় রাখতে প্রিয়	চোখে আমার বারি ঝরে,
    (ওগো)	চোখে যদি রাখিতে চাই		বুকে উঠে ব্যথা ভ’রে।
    		যত দেখি তত হায়,		ওগো পিপাসা বাড়িয়া যায়
    		কে তুমি যাদুকরী			স্বপন-মরু-চারিণী॥
    
  • নতুন নেশার আমার এ মদ

    বাণী

    নতুন নেশার আমার এ মদ বল কি নাম দেবো এরে বঁধুয়া।
    গোপী চন্দন গন্ধ মুখে এর বরণ সোনার চাঁদ চুঁয়া।।
    	মধু হ'তে মিঠে পিয়ে আমার মদ
    	গোধূলি রং ধরে কাজল নীরদ,
    প্রিয়েরে প্রিয়তম করে এ মদ মম, চোখে লাগায় নভোনীল ছোঁওয়া।।
    	ঝিম্ হয়ে আসে সুখে জীবন ছেয়ে,
    	পান্‌সে জোছনাতে পান্‌সি চলে বেয়ে,
    মধুর এ মদ নববধূর চেয়ে আমার মিতালী এ মহুয়া।।