ইসলামী

  • আজি আল কোরায়শী প্রিয় নবী এলেন ধরাধাম

    বাণী

    আজি	আল কোরায়শী প্রিয় নবী এলেন ধরাধাম
    তাঁর	কদম মোবারকে লাখো হাজারো সালাম।
    	তওরত ইঞ্জিলে মুসা ঈসা পয়গম্বর
    	বলেছিলেন আগাম যাঁহার আসারি খবর
    	রব্বুলে দায়ের যাঁহার দিয়েছিলেন নাম
    	সেই আহমদ মোর্তজা আজি এলেন আরব ধাম।।
    	আদমেরি পেশানিতে জ‍্যোতি ছিল যাঁর
    	যাঁর গুণে নূহ তরে গেল তুফান পাথার
    	যাঁর নূরে নমরুদের আগুন হলো ফুলহার
    	সেই মোহাম্মদ মুস্তাফা এলেন নিয়ে দীন-ইসলাম।।
    	এলেন কাবার মুক্তিদাতা মসজিদের প্রাণ,
    	শাফায়াতের তরী এলে পাপী তাপীর ত্রাণ
    	দিকে দিকে শুনি খোদার নামের আজান
    	নবীর রূপে এলো খোদার রহমতেরি জাম।।
    
  • আঁধার মনের মিনারে মোর

    বাণী

    আঁধার মনের মিনারে মোর হে মুয়াজ্জিন, দাও আজান
    গাফেলতির ঘুম ভেঙে দাও হউক নিশি অবসান॥
    	আল্লাহ নামের যে তক্‌বীরে
    	ঝর্না বহে পাষাণ চিরে
    শুনি’ সে তক্‌বিরের আওয়াজ জাগুক আমার পাষাণ প্রাণ॥
    জামাত ভারি জমবে এবার এই দুনিয়ার ঈদগাহে,
    মেহেদী হবেন ইমাম সেথায় রাহ্ দেখাবেন গুমরাহে।
    	আমি যেন সেই জামাতে
    	সামিল হতে পারি প্রাতে
    ডাকে আমায় শহীদ হতে সেথায় যতো নওজোয়ান॥
    
  • আবহায়াতের পানি দাও মরি পিপাসায়

    বাণী

    আবহায়াতের পানি দাও, মরি পিপাসায়
    শরণ নিলাম নবীজির মোবারক পা’য়।।
    ভিখারিরে ফিরাবে কি শূন্য হাতে,
    দয়ার সাগর তুমি যে মরু সাহারায়।।
    অন্ধ আমি আঁধারে মরি ঘুরিয়া,
    দেখাবে না-কি মোরে পথ, এই নিরাশায়।।
    যে-মধু পিয়ে রহে না ক্ষুধা তৃষ্ণা,
    মরার আগে সেই মধু দিও গো আমায়।।
    
  • আমার ধ্যানের ছবি আমার হজরত

    বাণী

    আমার ধ্যানের ছবি আমার হজরত।
    ও নাম প্রাণে মিটায় পিয়াসা,
    আমার তামান্না আমারি আশা,
    আমার গৌরব আমারি ভরসা,
    এ দীন গোনাহগার তাঁহারই উম্মত।।
    ও নামে রওশন জমীন আসমান,
    ও নামে মাখা তামাম জাহান,
    ও নামই দরিয়ায় বহায় উজান,
    ও নাম ধেয়ায় মরু ও পর্বত।।
    আমার নবীর নাম জপে নিশিদিন
    ফেরেশ্‌তা আর হুর পরী জিন্‌,
    ও নাম জপি আমার ভোমরায়
    পাবো কিয়ামতে তাঁহার শাফায়ৎ।।
    
  • আমার প্রিয় হজরত নবী কমলিওয়ালা

    বাণী

    আমার প্রিয় হজরত নবী কমলিওয়ালা
    যাঁহার রওশনীতে দীন দুনিয়া উজালা।।
    যাঁরে খুঁজে ফেরে কোটি গ্রহ তারা,
    ঈদের চাঁদে যাঁহার নামের ইশারা,
    বাগিচায় গোলাব গুল্‌ গাঁথে যাঁর মালা।।
    আউলিয়া আম্বিয়া দরবেশ যাঁর নাম
    খোদার নামের পরে জপে অবিরাম
    কেয়ামতে যাঁর হাতে কওসর-পিয়ালা।।
    পাপে-মগ্ন ধরা যাঁহার ফজিলতে
    ভাসিল সুমধুর তৌহিদ-স্রোতে,
    মহিমা যাঁহার জানেন এক আল্লাতা’লা।।
    
  • আমার মোহাম্মদের নামের ধেয়ান

    বাণী

    আমার	মোহাম্মদের নামের ধেয়ান হৃদয়ে যার রয়
    		ওগো হৃদয়ে যার রয়।
    	খোদার সাথে হয়েছে তার গোপন পরিচয়।।
    ঐ	নামে যে ডুবে আছে
    	নাই দুখ-শোক তাহার কাছে
    ঐ	নামের প্রেমে দুনিয়াকে সে দেখে প্রেমময়।।
    	যে খোশ-নসীব গিয়াছে ঐ নামের স্রোতে ভেসে'
    	জেনেছে সে কোরআন-হাদিস-ফেকা এক নিমেষে।
    		মোর নবীজীর বর-মালা,
    		করেছে যার হৃদয় আলা
    	বেহেশতের সে আশ রাখে না, তার নাই দোজখে ভয়।।
    

  • আমার যখন পথ ফুরাবে

    বাণী

    আমার যখন পথ ফুরাবে, আসবে গহীন রাতি (খোদা) —
    তখন তুমি হাত ধ'রো মোর হয়ো পথের সাথী (খোদা)।। 
    অনেক কথা হয়নি বলা, বলার সময় দিও, খোদা —
    আমার তিমির অন্ধ চোখে দৃষ্টি দিও প্রিয়, খোদা
    বিরাজ করো বুকে তোমার আরশটিকে পাতি'।।
    সারা জীবন কাটলো আমার বিরহে বঁধু,
    পিপাসিত কন্ঠে এসে দিও মিলন-মধু।
    তুমি যথায় থাকো প্রিয় সেথায় যেন যাই, খোদা
    সখা ব'লে ডেকো আমায়, দীদার যেন পাই, খোদা।
    সারা জনম দুঃখ পেলাম, যেন এবার সুখে মাতি।।
    
  • আমি গরবিনী মুসলিম বালা

    বাণী

    আমি গরবিনী মুসলিম বালা
    সংসার সাহারাতে আমি গুলে লালা।।
    জ্বালায়েছি বাতি (আমি) আঁধার কাবায়
    এনেছি খুশির, ঈদে শিরনির থালা।।
    আনিয়াছি ঈমান প্রথম আমি
    আমি দিয়াছি সবার আগে মোহাম্মদে মালা।।
    কত শত কারবালা বদরের রণে
    বিলায়ে দিয়াছি স্বামী-পুত্র স্বজনে;
    জানে গ্রহ-তারা জানে আল্লাহ তালা।।
    

  • আমি যদি আরব হতাম মদিনারই পথ

    বাণী

    আমি যদি আরব হ’তাম — মদিনারই পথ।
    এই পথে মোর চ’লে যেতেন নূর নবী হজরত।।
    পয়জার তাঁর লাগত এসে আমার কঠিন বুকে,
    আমি ঝর্না হয়ে গ’লে যেতাম অম্‌নি পরম সুখে;
    সেই চিহ্ন বুকে পুরে পালিয়ে যেতাম কোহ্‌-ই-তুরে,
    দিবা নিশি করতাম তাঁর কদম জিয়ারত।।
    মা ফাতেমা খেলতো এসে আমার ধূলি ল’য়ে
    আমি পড়তাম তাঁর পায়ে লুটিয়ে ফুলের রেণু হয়ে।
    হাসান হোসেন হেসে হেসে নাচতো আমার বক্ষে এসে
    চক্ষে আমার বইতো নদী পেয়ে সে নেয়ামত।।
    
  • আমিনা-দুলাল নাচে হালিমার কোলে

    বাণী

    আমিনা-দুলাল নাচে হালিমার কোলে
    তালে তালে সোনার বুকে সোনার তাবিজ দোলে।।
    সে কাঁদিলে মুক্তা ঝরে হাসলে ঝরে মানিক
    	ঈদের চাঁদে লেগে আছে সেই খুশির খানিক।
    তাঁর কচি মুখে খোদার কালাম আধো আধো বলে।।
    	দেখেছিল লুকিয়ে সে নাচ কোটি গ্রহতারা
    	আসমানে তাই ঘোরে তারা আজো দিশাহারা
    সেদিন নেচেছিল বিশ্বভুবন ইয়া মোহাম্মদ ব’লে।।
    	কোরানের আয়াতে লেখা সেই নাচেরই ছন্দ
    	তকবীরের ধ্বনিতে বাজে তাহারি আনন্দ
    আমি থাকলে সেদিন হতাম ধূলি তাঁহার পায়ের তলে।।
    

  • আমিনার কোলে নাচে হেলে দুলে

    বাণী

    আমিনার কোলে নাচে হেলে দুলে
    শিশু নবী আহমদ রূপের লহর তুলে।।
    রাঙা মেঘের কাছে ঈদের চাঁদ নাচে
    যেন নাচে ভোরের আলো গোলাব গাছে।
    চরণে ভ্রমরা গুঞ্জরে গুল ভুলে।।
    সে খুশির ঢেউ লাগে আরশ কুরসি পাশে
    হাততালি দিয়ে হুরী সব বেহেশতে হাসে
    সুখে ওঠে কেঁপে হিয়া চরণ মূলে।।
    চাঁদনি রাঙা অতুল মোহন মোমের পুতুল
    আদুল গায়ে নাচে খোদার প্রেমে বেভুল
    আল্লার দয়ার তোহ্ফা এলো ধরার কূলে।।
    
  • আয় মরু পারের হাওয়া নিয়ে যা রে

    বাণী

    আয় মরু পারের হাওয়া নিয়ে যা রে মদিনায় —
    জাত-পাক মুস্তাফার রওজা মুবারক যেথায়।।
    মরিয়া আছি দুখে মাশরেকী এই মুল্লুকে,
    পড়ব মাগরিবের নামাজ কবে খানা-এ কা'বায়।।
    হজরতের নাম তসবি করে যাব রে মিসকিন বেশে
    ইসলামের ঐ দ্বীনী ডঙ্কা বাজল প্রথম যে দেশে।
    কাঁদব ধরে মাজার শরীফ ধরে শুনব সেথায় কান পাতি, —
    নবীর মুখে তেমনি কি রে রব ওঠে 'এ্যায় উম্মতি'!
    পাক কোরানের কালাম হয়ত সেথা শোনা যায়।।
    
  • আল্লা নামের বীজ বুনেছি

    বাণী

    আল্লা নামের বীজ বুনেছি এবার মনের মাঠে।
    ফলবে ফসল বেচব তারে কেয়ামতের হাটে।।
    	পত্তনীদার যে এ জমির
    	খাজনা দিয়ে সেই নবীজীর
    বেহেশতেরই তালুক কিনে বসব সোনার খাটে।।
    মসজিদে মোর মরাই বাঁধা হবে নাকো চুরি,
    মনকির নকির দুই ফেরেশতা হিসাব রাখে জুড়ি' রে;
    	রাখবো হেফাজতের তরে
    	ঈমানকে মোর সাথী করে,
    রদ হবে না কিস্তি (মোর), জমি উঠবে না আর লাটে।।
    

  • আল্লা ব’লে কাঁদ বারেক্ রসুল ব’লে কাঁদ্

    বাণী

    	আল্লা ব’লে কাঁদ বারেক্ রসুল ব’লে কাঁদ্।
    	সাফ্ হবে তোর মনের আকাশ উঠবে ঈদের চাঁদ।।
    	ভোগে কেবল দুর্ভোগ সার, বাড়ে দুখের বোঝা
    	ত্যাগ শিখ্ তুই সংযম শিখ, সেই তো আসল রোজা,
    এই	রোজার শেষে ঈদ আস্‌বে, রইবে না বিষাদ।।
    	আস্‌বে খোদার দরগা থেকে শিরনি তোর তরে
    	কমলিওয়ালা নবীর দেখা পাবি রে অন্তরে,
    	খোদার প্রেমের স্রোত বইবে ভেঙ্গে মনের বাঁধ।।
    	তোর হৃদয়ের কারবালাতে বইবে ফোরাত নদী
    	শহীদের দর্‌জা তোরে দেবেন আল্লা হাদী,
    	দুনিয়াদারি ক’রেই পাবি বেহেশ্‌তেরি স্বাদ।।
    
  • আল্লাকে যে পাইতে চায়

    বাণী

    আল্লাকে যে পাইতে চায় হজরতকে ভালবেসে।
    আরশ্‌ কুরসি লওহ কালাম, না চাহিতেই পেয়েছে সে।।
    রসুল নামের রশি ধ’রে যেতে হবে খোদার ঘরে,
    নদী-তরঙ্গে যে পড়েছে ভাই, দরিয়াতে সে আপনি মেশে।।
    তর্ক ক’রে দুঃখ ছাড়া কি পেয়েছিস্‌ অবিশ্বাসী,
    কি পাওয়া যায় দেখ্‌ না বারেক হজরতে মোর ভালবাসি’।
    এই দুনিয়ায় দিবা-রাতি ঈদ্‌ হবে তোর নিত্য সাথী,
    তুই যা চাস্‌ তাই পাবি রে ভাই আহমদ চান যদি হেসে।।
    
  • আল্লাজী আল্লাজী রহম কর তুমি যে রহমান

    বাণী

    আল্লাজী আল্লাজী রহম কর তুমি যে রহমান
    দুনিয়াদারির ফাঁদে পড়ে কাঁদে আমার প্রাণ।।
    	পাই না সময় ডাকতে তোমায়
    	বৃথা কাজে দিন বয়ে যায়
    চলতে নারি মেনে আমার নবীর ফরমান।।
    দুনিয়াদারির চিন্তা এসে মনকে ভোলায় সদা
    তাইতো মনে তোমায় স্মরণ করতে নারি খোদা।
    	দাও অবসর তুমি ডাকার
    	এই বেদনা সহে না আর
    সংসারে এই দোজখ হতে করো মোরে ত্রাণ।।
    
  • আল্লাজী গো আমি বুঝি না রে তোমার খেলা

    বাণী

    আল্লাজী গো, আমি বুঝি না রে তোমার খেলা।
    তাই দুঃখ পেলে ভাবি — বুঝি হানিলে হেলা।। 
    কুমার যখন হাঁড়ি গড়ে, কাঁদে মাটি —
    ভাবে, কেন পোড়ায় আমায় চড়িয়ে ভাটি;
    ফুলদানি হয় পোড় খেয়ে সেই মাটির ঢেলা।। 
    মা শিশুরে ধোয়ায় মোছায়, শিশু ভাবে —
    ছাড়া পেলে, মা ফেলে সে পালিয়ে যাবে।
    মোরা, দোষ করে তাই দুষি তোমায় সারা বেলা।।
    আমরা তোমার বান্দা, খোদা তুমি জানো —
    কেন হাসাও, কেন কাঁদাও, আঘাত হানো।
    যে গড়তে জানে তাঁরই সাজে ভেঙে ফেলা।।
    
  • আল্লাতে যার পূর্ণ ঈমান কোথা সে মুসলমান

    বাণী

    আল্লাতে যার পূর্ণ ঈমান কোথা সে মুসলমান
    কোথা সে আরিফ অভেদ যাহার জীবন মৃত্যু জ্ঞান।।
    (যাঁর)	মুখে শুনি তৌহিদের কালাম —
    	ভয়ে মৃত্যুও করিত সালাম।
    যাঁর দীন দীন রবে কাঁপিত দুনিয়া জীন পরি ইনসান্‌।।
    স্ত্রী পুত্রে আল্লারে সঁপি জেহাদে যে নির্ভীক।
    হেসে কোরবানি দিত প্রাণ হায় আজ তারা মাগে ভিখ্‌।
    	কোথা সে শিক্ষা আল্লাহ্‌ ছাড়া,
    	ত্রিভুবনে ভয় করিত না যাঁরা।
    আজাদ করিতে এসেছিল যাঁরা সাথে লয়ে কোর্‌আন্‌।।
    
  • আল্লার নাম জপিও ভাই দিবসে ও রেতে

    বাণী

    		আল্লার নাম জপিও ভাই দিবসে ও রেতে
    		সকল কাজের মাঝে রে ভাই তাঁহার রহম পেতে
    কোরাস:   	আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ্, আল্লাহ্ ।।
    		হাত করবে কাজ রে ভাই মন জপবে নাম
    	ঐ	নাম জপতে লাগে না ভাই টাকা কড়ি দাম,
    		নাম জপো ভাই মাঠে ঘাটে হাটের পথে যেতে।
    কোরাস:	আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ্, আল্লাহ্ ।।
    	ঐ	আল্লার নাম যদি রে ভাই তুমি থাকো ধ’রে
    	ঐ	নামও তোমায় থাকবে ধ’রে দুঃখ বিপদ ঝড়ে,
    	ঐ	নামেরে সঙ্গী করো নাইতে শুতে খেতে।
    কোরাস:	আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ্, আল্লাহ্ ।।
    		তোমার দেহ মন হবে রে ভাই নূরেতে রওশন
    		মাতোয়ারা হও যিকির করো খোদার প্রেমে মেতে।
    কোরাস:	আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ্, আল্লাহ্ ।।
    
  • আল্লার নাম মুখে যাহার বুকে আল্লার নাম

    বাণী

    আল্লার নাম মুখে যাহার বুকে আল্লার নাম।
    এই দুনিয়াতেই পেয়েছে সে বেহেশ্‌তের আরাম।।
    সে সংসারকে ভয় করে না নাই মৃত্যুর ডর
    দুনিয়াকে শোনায় শুধু আনন্দেরি খবর
    দিবানিশি পান করে সে কওসরেরি জাম —
    		পান করে কওসরেরি জাম।।
    

    ইসলামী নক্সা : ‘আল্লার রহম’