কাহার্‌বা

  • জয় দুর্গা দুর্গতিনাশিনী

    বাণী

    জয় দুর্গা, দুর্গতিনাশিনী।
    হরি-হৃদি-কমল-বনবাসিনী।।
    সব বন্ধন পাপ-তাপ-হরা
    সব শোক-দুঃখ-ব্যথা শীতল করা
    জয় অভয়া, শুভদা, শিব-স্বয়ম্বরা।
    জয় জননী-রূপা চির সুমঙ্গলা
    শুভ্র রুচির হাসিনী
    জয় দুর্গা, জয় দুর্গা জয় দুর্গা।।

    নাটিকাঃ ‘শ্রীমন্ত’

  • জয় হোক জয় হোক

    বাণী

    জয় হোক জয় হোক —
    শান্তির জয় হোক, সাম্যের জয় হোক্,
    সত্যের জয় হোক জয় হোক॥
    সর্ব অকল্যাণ পীড়ন অশান্তি
    সর্ব অপৌরুষ মিথ্যা ও ভ্রান্তি,
    হোক ক্ষয়, ক্ষয় হোক জয় হোক জয় হোক॥
    দূর হোক অভাব ব্যাধি শোক
    দুখ দৈন্য গ্লানি বিদ্বেষ অহেতুক,
    মৃত্যুবিজয়ী হোক্ অমৃত লভুক —  
    ভয়-ভীত দুর্বল নির্ভয় হোক।
    রবে না এ শৃঙ্খল উচ্ছৃঙ্খলতার
    বন্ধন কারাগার হবে হবে চুরমার,
    পার হবে বাধার গিরি মরু পারাবার —  
    নির্যাতিত ধরা মধুর, সুন্দর প্রেমময় হোক,
    জয় হোক জয় হোক॥
    
  • জহরত পান্না হীরার বৃষ্টি

    বাণী

    পুরুষ	:	জহরত পান্না হীরার বৃষ্টি
    		তব হাসি-কান্না চোখের দৃষ্টি
    		তারও চেয়ে মিষ্টি মিষ্টি মিষ্টি॥
    স্ত্রী	:	কান্না-মেশানো পান্না নেবো না, বঁধু।
    		এই পথেরই ধূলায় আমার মনের মধু
    		করে হীরা মানিক সৃষ্টি মিষ্টি আরো মিষ্টি॥
    পুরুষ	:	সোনার ফুলদানি কাঁদে লয়ে শূন্য হিয়া
    		এসো মধু-মঞ্জরি মোর! এসো প্রিয়া, প্রিয়া!
    স্ত্রী	:	কেন ডাকে বউ কথা কও, বউ কথা কও,
    		আমি পথের ভিখারিনী গো, নহি ঘরের বউ।
    		কেন রাজার দুলাল মাগে মাটির মউ।
    		বুকে আনে ঝড়, চোখে বৃষ্টি তার সকরুণ দৃষ্টি তবু মিষ্টি॥
    

    সিনেমাঃ চৌরঙ্গী

  • জাগত সোওত আঁঠু জাম

    বাণী

    জাগত সোওত আঁঠু জাম রাহত প্রভু মনমে তুমহারে ধ্যান।
    রাত আধেঁরি মে চাঁদ সমান প্রভু উজ্জ্বল কর মেরা প্রাণ।।
    এক সুর বোলে ঝিওর সারি রাত
    এ্যায়সে হি জপত হুঁ তেরা নাম হে নাথ,
    রুম রুম মে রম রহো মেরে এক তুমহারা গান।।
    গয়ি বন্ধু কুটুম স্বজন
    ত্যজ দিনু ম্যায় তুমহারে কারণ,
    তুমহো মেরে প্রাণ-আধারণ, দাসী তুমহারী আন।।
    
  • জাগে না সে জোশ ল'য়ে আর মুসলমান

    বাণী

    জাগে না সে জোশ ল'য়ে আর মুসলমান। 
    হায় করিল জয় যে তেজ ল'য়ে দুনিয়া জাহান।। 
    যাহার তক্‌বির-ধ্বনি, তক্‌দির বদলালো দুনিয়ার
    না-ফরমানের জামানায় আনিল ফরমান খোদার,
    হায় পড়িয়া বিরান আজি সে গুল্‌-গুলিস্তান।।
    নাহি সাচ্চাই সিদ্দিকের, উমরের নাহি সে ত্যাগ আর
    নাহি আর বেলালের ঈমান, নাহি আলীর জুল্‌ফিকার,
    হায় নাহি আর সে জেহাদ-লাগি' বীর শহীদান।।
    নাহি আর বাজুতে কুওত, নাহি খালেদ, মুসা, তারেক
    নাহি বাদ্‌শাহি তখ্‌তে তাউস, ফকির আজ দুনিয়ার মালেক
    হায় ইসলাম কিতাবে শুধু মুসলিম গোরস্তান।।
    
  • জাগো অনশন-বন্দী ওঠ রে যত

    বাণী

    জাগো		অনশন-বন্দী, ওঠ রে যত
    		জগতের লাঞ্ছিত ভাগ্যহত!
    যত		অত্যাচারে আজি বজ্র হানি’
    হাঁকে		নিপীড়িত-জন-মন-মথিত বাণী,
    নব		জনম লভি’ অভিনব ধরণী ওরে ঐ আগত।।
    আদি		শৃঙ্খল সনাতন শাস্ত্র আচায়
    মূল		সর্বনাশের, এরে ভাঙিব এবার।
    ভেদি’		দৈত্য-কারা আয় সর্বহারা;
    কেহ		রহিবে না আর পর-পদ-আনত।।
    		নব ভিত্তি ‘পরে —
    নব		নবীন জীবন হবে উত্থিত রে!
    শোন্‌		অত্যাচারী! শোন্‌ রে সঞ্চয়ী!
    		ছিনু সর্বহারা, হব সর্বজয়ী।
    ওরে		সর্বশেষের এই সংগ্রাম-মাঝ।
    নিজ		নিজ অধিকার জুড়ে দাঁড়া সবে আজ;
    এই		‘জনগন-অন্তর-সংহতি’ রে
    হবে		নিখিল মানব জাতি সমুদ্ধত।।
    

  • জাগো জাগো গোপাল নিশি হ’ল ভোর

    বাণী

    জাগো	জাগো গোপাল নিশি হ’ল ভোর,
    কাঁদে		ভোরের তারা হেরি’ তোর ঘুম-ঘোর॥
    		দামাল ছেলে তুই জাগিস্‌নি তাই
    বনে		জাগেনি পাখি ঘুমে মগ্ন সবাই ,
    		বাতাস নিশ্বাস ফেলে খুঁজিছে বৃথাই
    তোর		বাঁশরি লুটায়ে কাঁদে আঙিনায় মোর॥
    তুই		উঠিস্‌নি ব’লে দেখ রবি ওঠেনি
    ঘরে		আনন্দ নাই, বনে ফুল ফোটেনি।
    		ধোয়াবে বলিয়া তোর মুখের কাজল
    		থির হ’য়ে আছে ঘাটে যমুনার জল,
    		অঞ্চল-ঢাকা মোর, ওরে চঞ্চল,
    আমি		চেয়ে আছি কবে ঘুম ভাঙিবে তোর॥
    
  • জাগো জাগো রে মুসাফির

    বাণী

    জাগো জাগো, রে মুসাফির হ’য়ে আসে নিশিভোর।
    ডাকে সুদূর পথের বাঁশি ছাড় মুসাফির-খানা তোর।।
    অস্ত-আকাশ-অলিন্দে ঐ পান্ডুর কপোল রাখি’
    কাঁদে মলিন ভোরের শশী, বিদায় দাও বন্ধু চকোর।।
    মরুচারী খুঁজিস সলিল অগ্নিগিরির কাছে, হায়!
    খুঁজিস অমর ভালোবাসা এই ধরণীর এই ধূলায়।
    দারুণ রোদের দাহে খুঁজিস কুঞ্জ-ছায়া স্বপ্ন-ঘোর।।
    
  • জাগো দুস্তর পথের নব যাত্রী

    বাণী

    জাগো	দুস্তর পথের নব যাত্রী
    		জাগো জাগো!
    ঐ	পোহাল তিমির রাত্রি।।
    	দ্রীম দ্রীম দ্রীম রণ-ডঙ্কা
    	শোন বোলে নাহি শঙ্কা!
    	আমাদের সঙ্গে নাচে রণ-রঙ্গে
    	দনুজ-দলনী বরাভয়-দাত্রী।।
    	অসম্ভবের পথে আমাদের অভিযান
    	যুগে যুগে করি মোরা মানুষেরে মহীয়ান।
    	আমরা সৃজিয়া যাই নতুন যুগভাই
    	মোরা নবতম ভারত-বিধাত্রী।।
    	সাগরের শঙ্খ ঘন ঘন বাজে,
    	রণ-অঙ্গনে চল কুচকাওয়াজে।
    	বজ্রের আলোকে মৃত্যুর মুখে
    	দাঁড়াব নির্ভীক উগ্র সুখে
    	ভারত-রক্ষী মোরা নব শাস্ত্রী।।
    

  • জানি জানি তুমি আসিবে ফিরে

    বাণী

    জানি জানি তুমি আসিবে ফিরে।
    আবার উঠিবে চাঁদ নিরাশার তিমিরে।।
    	নিঝুম কাননে থাকি
    	ডাকিবে গানের পাথি,
    দখিন-সমীরণ আবার বহিবে ধীরে।।
    আবার গাঙের জলে আসিবে জোয়ার
    জ্বলিবে আশায় দীপ, রবে না আঁধার।
    	তোমার পরশ লেগে
    	ঘুম মোর যাবে ভেঙে,
    একদা প্রভাতে প্রিয় আকুল নয়ন-নীরে।।
    

  • জানি জানি প্রিয় এ জীবনে মিটিবে না সাধ

    বাণী

    জানি	জানি প্রিয়, এ জীবনে মিটিবে না সাধ
    আমি	জলের কুমুদিনী ঝরিব জলে
    তুমি	দূর গগনে থাকি’ কাঁদিবে চাঁদ।।
    	আমাদের মাঝে বঁধু বিরহ বাতাস
    	চিরদিন ফেলে যাবে দীরঘ শ্বাস
    	পায় না বুকে কভু পায় না বুকে তবু মুখে মুখে
    	চাঁদ কুমুদীর নামে রটে অপবাদ।।
    তুমি	কত দূরে বঁধু, তবু বুকে এত মধু কেন উথলায়?
    	হাতের কাছে রহো রাতের চাঁদ গো
    	ধরা নাহি যায় তবু ছোঁওয়া নাহি যায়।
    	মরু-তৃষা ল’য়ে কাঁদে শূন্য হিয়া
    	সকলে বলে আমি তোমারি প্রিয়া
    সেই	কলঙ্ক-গৌরব সৌরভ দিল গো
    	মধুর হ’ল মোর বিরহ-বিষাদ।।
    

  • ঝড় এসেছে ঝড় এসেছে কাহারা যেন ডাকে

    বাণী

    ঝড় এসেছে ঝড় এসেছে কাহারা যেন ডাকে।
    বেরিয়ে এলো নতুন পাতা পল্লবহীন শাখে।।
    	ক্ষুদ্র আমার শুকনো ডালে
    	দুঃসাহসের রুদ্র ভালে
    কচি পাতার লাগলো নাচন ভীষণ ঘূর্ণিপাকে।
    স্তবির আমার ভয় টুটেছে গভীর শঙ্খ-রবে,
    মন মেতেছে আজ  নতুনের ঝড়ের মহোৎসবে।
    	কিশলয়ের জয়-পতাকা
    	অন্তরে আজ মেললো পাখা
    প্রণাম জানাই ভয়-ভাঙানো অভয়-মহাত্মাকে।।
    

  • ঝলমল জরীণ বেণী দুলায়ে

    বাণী

    ঝলমল জরীণ বেণী দুলায়ে প্রিয়া কি এলে 
    সজল শাওন-মেঘে কাজল নয়ন মেলে।।
    কেয়া ফুলের পরিমল, ঝুরে মরে তব পথে,
    হেরি দীঘল তব তনু তাল পিয়াল তরু পড়ে হেলে’।।
    পরিবে বলিয়া খোঁপায় ঝরিছে বকুল চাঁপা
    তোমায় খুঁজিছে আকাশ তারার প্রদীপ জ্বেলে।।
    তোমারি লাবনি প্রিয়া ঝরিছে শ্যামল মেঘে,
    ফুটালে ফুল মরুভূমে চঞ্চল চরণ ফেলে।।
    
  • ঝুমকো-লতার চিকন পাতায়

    বাণী

    ঝুমকো-লতার চিকন পাতায়
    হেরেছি তোমার লাবনি প্রিয়া।
    মহুয়া-ফুলের মদির গন্ধে
    তোমারই মুখ-মদের অমিয়া।।
    শুকতারায় তব নয়নের মায়া,
    তমাল-বনে তারি স্নিগ্ধ-ঘন-ছায়া।
    তাল পিয়ালে হেরি দীঘল তনু তব,
    ইহুদী দুল্ দুলে শশী-লেখায় নব।।
    ডালিম-দানাতে তব গালের লালী,
    তোমারি সুরে গাহে পিয়া-পাপিয়া।।
    
  • ঝুলন ঝুলায়ে ঝাউ ঝক্‌ ঝোরে

    বাণী

    ঝুলন ঝুলায়ে ঝাউ ঝক্‌ ঝোরে, দেখো সখি চম্পা লচ্‌কে
    	বাদরা গরজে দামিনী দমকে
    আও বৃজকি কোঙারী ওড়ে নীল সাড়ি,
    	নীল কমল-কলিকে পহনে ঝুমকে।।
    হায়রে ধান কি লও মে হো বালি
    ওড়নী রাঙাও সতরঙ্গী আলি,
    ঝুলা ঝুলো ডালি ডালি।
    আও প্রেম কোঙারী মন ভাও,
    প্যারে প্যারে সুরমে শাওনী সুনাও।
    রিমঝিম রিমঝিম পড়তে কোয়ারে
    সুন্‌ পিয়া পিয়া কহে মুরলী পুকারে,
    	ওহি বোলী সে হিরদয় খটকে।।
    
  • ঝুলনের এই মধু লগনে

    বাণী

    ঝুলনের এই মধু লগনে।
    মেঘ দোলায় দোলে; দোলে রে বাদল গগনে।।
    উদাসী বাঁশির সুরে ডাকে শ্যামরায়,
    ব্রজের ঝিয়ারি আয়, পরি নীল শাড়ি আয়,
    নীল কমল কুঁড়ি দোলায়ে শ্রবণে।।
    বাঁশির কিশোর ব্রজগোপী চিতচোর,
    অনুরাগে ডাকে আয় দুলিবি কে ঝুলনে।।
    মেঘ মৃদং বাজে, বাজে কী ছন্দে,
    রিমঝিম বারিধারা ঝরে আনন্দে।
    বুঝি এলো গোকুল ব্রজে নেমে
    কৃষ্ণ রাখাল প্রেমে শুনি বাঁশি তায়
    ফোটে হাসি গোপীজন আননে।।
    
  • ঝুলে কদমকে ডারকে ঝুলনা পে

    বাণী

    ঝুলে কদমকে ডারকে ঝুলনা পে কিশোরী কিশোর।
    দেখে দোউ এক এককে মুখকো চন্দ্রমা চকোর,
    য্যায়সে চন্দ্রমা চকোর হোকে প্রেম নেশা বিভোর।।
    মেঘ মৃদং বাজে ওহি ঝুলনাকে ছন্দ্‌ মে
    রিম্‌ঝিম্‌ বাদর বরসে আনন্দ্‌ মে,
    দেখনে যুগল শ্রীমুখ চন্দকো গগন ঘেরি ঘনঘটা ঘোর।।
    নব নীর বরসনে কো চাতকিনী চায়
    ওয়সে গোপী ঘনশ্যাম দেখ তৃষ্ণা মিটায়,
    সব দেবদেবী বন্দনা গীত গায় — 
    ঝরে বরসামে ত্রিভুবনকি প্রেমাশ্রুলোর।।
    
  • টলমল্ টলমল্ টলে সরসী

    বাণী

    টলমল্ টলমল্ টলে সরসী
    জল নিতে এলে কি গো ষোড়শী।।
    হেরিয়া তোমার রাঙা পদতল
    ফুটিল প্রেমের কুমুদ কমল
    খেলিছে চঞ্চল তরঙ্গ-দল ল’য়ে তব কলসি।।
    হেরি’তোমার নীলাম্বরী কাজল-আঁখি
    হলোকাজ্‌লা দীঘির জল সুনীল না-কি!
    হাতেশাপলা মৃণাল দিয়ে বাঁধে রাখি
    নাচেলীলায়িত ঢেউ তব তনু পরশি’।।
    

  • টারালা টারালা টারালা টা টারালা

    বাণী

    	টারালা টারালা টারালা টা টারালা টারালোল্লা
    নাচে	শুটকী শুকনো সাহেবকে ধ'রে মুটকি মিস আরসোল্লা।
    		হা-হা- হা-হা- হা।।
    	খুরওয়ালা জুতা পরে খটখট ঠেংরী নাড়ে
    	চাবুক খেয়ে জোড়া ঘোড়ায় যেন পেছলি ঝাড়ে!
    দেখে	পাদ্রি, পুরুত, মোল্লা বাবাজী কাছা খোল্লা।
    		আর বাবাজী কাছা খোল্লা।।
    দেখে	আণ্ডাওয়ালা ভাবে বুঝি খেল ডাণ্ডাগুলি
    হা	গণ্ডার মার্কা ষণ্ডা বিবি খেল ডাণ্ডাগুলি
    হা	ভাব-আবেশের নয়ন তাহার হলো নয়ান ঝুলি;
    	নেকু বাবুর ঢেকুর ওঠে পেটে মেকুর আচড়ায়!
    	কাল্লু ভাবে মেম পালোয়ান সাহেবকে বুঝি পাছড়ায়। ( হায় হায় হায়)
    	যতো কাবলিওয়ালা মাউড়া সব হো গিয়া ভাই বাউড়া
    	মোষের গাড়োয়ান প্রেম-রসে হলো রসগোল্লা।।
    
  • ডেকে ডেকে কেন তারে ভাঙালি ঘুমের ঘোর

    বাণী

    ডেকে ডেকে কেন তারে ভাঙালি ঘুমের ঘোর
    	কেন ভাঙালি
    স্বপনে মোর এসেছিল, সখি, স্বপন কুমার মনচোর
    	কেন ভাঙালি ঘুমের ঘোর।।
    সে যেন লো পাশে ব'সে কহিল হেসে হেসে
    ‌‘যাব না আর পরদেশে’, সখি, মোছ মোছ আঁখিলোর’।।
    দেখালো তার হৃদয় খুলি’, কহিল : ‌‘হের প্রিয়ে
    তোমার অধিক ব্যথা হেথায় তোমারে ব্যথা দিয়ে।’
    জানি না মোর হিয়ার চেয়েও অধিক ক্ষত তার হৃদয়
    সে হৃদয়ে আমার ছবি, সকল হিয়া আমি-ময়।
    তাহার জীবন-মালারি মাঝে, সখি, আমি যেন সোনার ডোর।।
    আমি কহিনু, বুঝেছি সখা তোমার এ দুখ দেওয়ার ছল,
    ভালোবাসার ফুল না শুকায় তুমি তাই চাহ মোর চোখেরই জল’।
    জেগে দেখি কেঁদে কেঁদে, সখি, ভিজেছে বুকের আঁচল।।