কাহার্‌বা

  • মোর বেদনার কারাগারে জাগো

    বাণী

    মোর  বেদনার কারাগারে জাগো, জাগো- বেদনাহারী হে মুরারি।
    	অসীম দুঃখ ঘেরা কৃষ্ণা তিথিতে এসো এসো হে কৃষ্ণ গিরিধারী।।
    	ব‍্যথিত এ চিত দেবকীর সম মূর্ছিত পাষাণেরি ভারে
    	ডাকে প্রাণ-যাদব, এসো এসো মাধব উথলিছে প্রেম আঁখিবারি
    		মুরারি উথলিছে প্রেম আঁখিবারি।।
    	হৃদয়-ব্রজে মম ভক্তি প্রীতি জাগিয়া আছে আশায়,
    কদম্ব ফুল সম উঠিছে শিহরি’ মম শ‍্যাম-বরষায়।
    ওগো বনশীওয়ালা, তব না শোনা বাঁশি
    	শোনে অনুরাগ রাধা প্রণয় পিয়াসি,
    গোপন ধ‍্যানের মধুবনে তব নুপুর শুনি, হে কিশোর বনচারী।।
    
  • মোরা আর জনমে হংস-মিথুন ছিলাম

    বাণী

    মোরা আর জনমে হংস–মিথুন ছিলাম নদীর চরে
    যুগলরূপে এসেছি গো আবার মাটির ঘরে।।
    তমাল তরু চাঁপা–লতার মত
    জড়িয়ে কত জনম হ’ল গত,
    সেই বাঁধনের চিহ্ন আজো জাগে হিয়ার থরে থরে।।
    বাহুর ডোরে বেঁধে আজো ঘুমের ঘোরে যেন
    ঝড়ের বন–লতার মত লুটিয়ে কাঁদ কেন।
    বনের কপোত কপোতাক্ষীর তীরে
    পাখায় পাখায় বাঁধা ছিলাম নীড়ে
    চিরতরে হ’ল ছাড়াছাড়ি নিঠুর ব্যাধের শরে।।
    
  • মোরা এক বৃন্তে দু’টি কুসুম হিন্দু-মুসলমান

    বাণী

    মোরা এক বৃন্তে দু’টি কুসুম হিন্দু-মুসলমান।
    মুসলিম তার নয়ন-মণি, হিন্দু তাহার প্রাণ।।
    	এক সে আকাশ মায়ের কোলে
    	যেন রবি শশী দোলে,
    এক রক্ত বুকের তলে, এক সে নাড়ির টান।।
    এক সে দেশের খাই গো হাওয়া, এক সে দেশের জল,
    এক সে মায়ের বক্ষে ফলাই একই ফুল ও ফল।
    	এক সে দেশের মাটিতে পাই
    	কেউ গোরে কেউ শ্মাশানে ঠাঁই
    এক ভাষাতে মা’কে ডাকি, এক সুরে গাই গান।। 
    

    নাটিকাঃ‘পুতুলের বিয়ে’

  • মোরা কুসুম হয়ে কাঁদি কুঞ্জবনে

    বাণী

    মোরা	কুসুম হয়ে কাঁদি কুঞ্জবনে
    		সুন্দর শ্যাম হে
    আমি	মরিতে চাহি ঝরি' তব চরণে
    		সুন্দর শ্যাম হে।
    	ওগো সুন্দর শ্যাম হে।।
    মোর	ক্ষণিক এ জীবন নিশি শেষে
    প্রিয়	ঝ'রে যাব গো স্রোতে ভেসে
    বঁধু	কাছে এসে ছুয়ো ভালবেসে
    	জাগায়ো প্রেম-মধু গোপন মনে
    		সুন্দর শ্যাম হে।।
    তব	সরস পরশ দিয়ে মনোহর
    মোর	এ তনু রঙে রসে পূর্ণ করো
    আমি	তোমার বুকে রবো পরম সুখে
    	ঝরিব প্রিয়, চাহি' তব নয়নে
    		সুন্দর শ্যাম হে।।
    মোর	বিদায় বেলা ঘনায়ে আসে
    মোর	প্রাণ কাদেঁ মিলন-পিয়াসে
    এই	বিরহ মম ওগো প্রিয়তম,
    	মিটিবে সে কোন শুভ লগনে,
    		সুন্দর শ্যাম হে।।
    
  • মোরা ছিলাম একা আজি মিলিনু দুজন

    বাণী

    উভয়	:	মোরা ছিলাম একা আজি মিলিনু দুজন।
    		পাপিয়ার পিয়া বোল্ কপোত-কূজন।।
    বর	:	তুমি সবুজের স্রোত এলে ঊষর দেশে
    বধূ	:	তুমি বিধাতার-বর এলে বরের বেশে,
    বর	:	তুমি গৃহে কল্যাণ
    বধূ	:	তুমি প্রভু মম ধ্যান,
    উভয়	:	সুন্দরতর হ’ল সুন্দর ত্রিভুবন।।
    

    নাটিকাঃ ‘প্রীতি-উপহার’

  • মোরা বিহান-বেলা উঠে রে ভাই চাষ করি এই মাটি

    বাণী

    		মোরা বিহান-বেলা উঠে রে ভাই চাষ করি এই মাটি।
    		যে মাটির বুকে আছে পাকা ধানের সোনার কাঠি॥
    		ফসল বুনে রোদের তাতে উঠি যখন ঘেমে
    		সদয় হয়ে আকাশ বেয়ে বৃষ্টি আসে নেমে
    (ওরে)		মুচকি হেসে বৌ এনে দেয় পান্তা ভাতের বাটি॥
    		আশ মেটে না চারা ধানের পানে চেয়ে চেয়ে
    		মরাই ভ’রে থাকবে ওরাই আমার ছেলে মেয়ে।
    (আমি)	চাই না স্বর্গ, পাই যদি এই পাকা ধানের আটি (রে ভাই)॥
    		জল নিতে যায় আড়চোখে চায় বৌ-ঝি নদীর কূলে
    		খুশিতে বুক ভ’রে ওঠে, খাটুনি যাই ভুলে।
    		এ মাঠ নয় ভাই বৌ পেতেছে ঠান্ডা শীতল পাটি॥
    

  • মোরে পূজারি কর তোমার

    বাণী

    মোরে পূজারি কর তোমার ঠাকুর ঘরে হে ত্রিজগতের নাথ।
    মোর সকল দেহ লুটাক তোমার পায়ে (হয়ে) একটি প্রণিপাত।।
    	নিত্য যেন তোমারি মন্দিরে
    	চিত্ত আমার ব্যাকুল হয়ে ফিরে
    গ্রহ যেমন সূর্যলোক ঘিরে ঘুরে দিবস রাত।।
    মোর নয়ন যেন তোমারি রূপ হেরে সকল দেখার মাঝে
    যেন এ রসনা জপে তোমারি নাম হে নাথ সকল কাজে।
    	তোমার চরণ রয় যে শতদলে
    	তারি পানে মোর মন যেন চলে
    নিত্য তোমায় নমস্কারের ছলে (যেন) যুক্ত থাকে হাত।।
    
  • মোরে ভালোবাসায় ভুলিয়ো না

    বাণী

    মোরে	ভালোবাসায় ভুলিয়ো না
    			পাওয়ার আশায় ভুলিয়ো
    মোরে	আদর দিয়ে দুলিয়ো না
    			আঘাত দিয়ে দুলিয়ো।।
    		হে প্রিয় মোর একি মোহ
    		এ প্রাণ শুধু চায় বিরহ
    তুমি	কঠিন সুরে বেঁধে আমায়
    			সুরের লহর তুলিয়ো।।
    প্রভু	শান্তি চাহে জুড়াতে সব
    			আমি চাহি পুড়িতে
    		সুখের ঘরে আগুন জ্বেলে’
    		পথে পথে ঝুরিতে;
    		বঁধু	পথে পথে ঝুরিতে।
    			নগ্ন দিনের আলোকেতে
    			চাহি না তোমায় ব’ক্ষে পেতে
    তুমি	ঘুমের মাঝে স্বপনেতে
    			হৃদয়–দুয়ার খুলিয়ো।।
    
  • মোহররমের চাঁদ এলো ঐ

    বাণী

    মোহররমের চাঁদ এলো ঐ কাঁদাতে ফের দুনিয়ায়।
    ওয়া হোসেনা ওয়া হোসেনা তারি মাতম শোনা যায়।।
    কাঁদিয়া জয়নাল আবেদীন বেহোশ হল কারবালায়
    বেহেশ্‌তে লুটিয়ে কাঁদে আলী ও মা ফাতেমায়।।
    কাশেমের ঐ লাশ লয়ে কাঁদে বিবি সাকিনা।
    আস্‌গরের ঐ কচি বুকে তীর দেখে কাঁদে খোদায়।।
    কাঁদে বিশ্বের মুসলিম আজি গাহে তারি মর্সিয়া।
    ঝরে হাজার বছর ধরে অশ্রু তারি শোকে হায়।।
    
  • মোহাম্মদ নাম যত জপি

    বাণী

    মোহাম্মদ নাম যত জপি, তত মধুর লাগে।
    নামে এত মধু থাকে, কে জানিত আগে।।
    ঐ নামেরি মধু চাহি' মন-ভ্রমরা বেড়ায় গাহি',
    আমার ক্ষুধা তৃষ্ণা নাহি ঐ নামের অনুরাগে।।
    ও নাম প্রাণের প্রিয়তম, ও নাম জপি মজনু সম,
    ঐ নামে পাপিয়া গাহে প্রাণের কুসুম-বাগে।।
    ঐ নামে মুসাফির রাহী চাই না তখত শাহানশাহী,
    নিত্য ও নাম ইয়া ইলাহী, যেন হৃদে জাগে।।
    

  • মোহাম্মদ মোর নয়ন-মণি

    বাণী

    মোহাম্মদ মোর নয়ন-মণি মোহাম্মদ নাম জপমালা।
    ঐ নামে মিটাই পিয়াসা ও নাম কওসারের পিয়ালা।।
    	মোহাম্মদ নাম শিরে ধরি,
    	মোহাম্মদ নাম গলায় পরি,
    ঐ নামের রওশনীতে আঁধার এ মন রয় উজালা।।
    	আমার হৃদয়-মদিনাতে
    	শুনি ও নাম দিনে-রাতে,
    ও নাম আমার তস্‌বি হাতে, মন-মরুতে গুলে-লালা।।
    	মোহাম্মদ মোর অশ্রু চোখের
    	ব্যথার সাথী শান্তি শোকের,
    চাইনে বেহেশ্‌ত যদি ও নাম জপ্‌তে সদা পাই নিরালা।।
    
  • মোহাম্মদ মোস্তফা সাল্লে আলা

    বাণী

    মোহাম্মদ মোস্তফা সাল্লে আলা
    তুমি বাদ্‌শারও বাদ্‌শাহ্ কম্‌লিওয়ালা।।
    পাপে-তাপে পূর্ণ আঁধার দুনিয়া
    হ’ল পুণ্য বেহেশ্‌তী নূরে উজালা।।
    গুনাহ্‌গার উম্মত লাগি’ তব
    আজো চয়ন্‌ নাহি, কাঁদিছ নিরালা।।
    কিয়ামতে পিয়াসি উম্মত লাগি’
    দাঁড়ায়ে রবে ল’য়ে তহুরার পিয়ালা।।
    জ্বলিবে রোজ হাশরে দ্বাদশ রবি
    কাঁদিবে নফ্‌সি ব’লে সকল নবী
    য়্যা উম্মতী য়্যা উম্মতী, একেলা তুমি
    কাঁদিবে খোদার পাক আরশ চুমি’ —
    পাপী উম্মত ত্রাণ তব জপমালা ধ্যান
    তব গুণ গাহিল খোদ্ আল্লাহতা’লা।।
    

  • মোহাম্মদের নাম জপেছিলি বুলবুলি তুই আগে

    বাণী

    মোহাম্মদের নাম জপেছিলি বুলবুলি তুই আগে।
    তাই কিরে তোর কণ্ঠেরি গান, (ওরে) এমন মধুর লাগে।।
    	ওরে গোলাপ নিরিবিলি
    	নবীর কদম ছুঁয়েছিলি —
    তাঁর কদমের খোশবু আজো তোর আতরে জাগে।।
    	মোর নবীরে লুকিয়ে দেখে
    	তাঁর পেশানির জ্যোতি মেখে,
    ওরে ও চাঁদ রাঙলি কি তুই গভীর অনুরাগে।।
    	ওরে ভ্রমর তুই কি প্রথম
    	চুমেছিলি তাঁহার কদম,
    গুন্‌গুনিয়ে সেই খুশি কি জানাস্‌ রে গুল্‌বাগে।।
    

  • ম্লান আলোকে ফুটলি কেন গোলক-চাঁপার ফুল

    বাণী

    ম্লান আলোকে ফুটলি কেন গোলক-চাঁপার ফুল।
    ভূষণহীনা বনদেবী কার হ'রি তুই দুল।।
    	হার হ'বি কার কবরীতে
    	সন্ধ্যারানী দূর নিভৃতে,
    ব'সে আছে অভিমানে ছড়িয়ে এলোচুল।।
    মাটির ধরার ফুলদানিতে তোর হবে কি ঠাঁই,
    আদর কে আর করবে তোরে, বসন্ত যে নাই হায় বসন্ত নাই।
    	গোলক-চাঁপা খুঁজিস কারে —
    সে দেবতা নাই রে হেথা শূন্য যে আজি গোকুল।।
    
  • যখন আমার কুসুম ঝরার বেলা তখন তুমি এলে

    বাণী

    যখন আমার কুসুম ঝরার বেলা তখন তুমি এলে
    ভাটির স্রোতে ভাসলো যখন ভেলা পারের পথিক এলে।।
    	আঁধার যখন ছাইল বনতল
    	পথ হারিয়ে এলে হে চঞ্চল
    দীপ নিভাতে এলে হে বাদল ঝড়ের পাখা মেলে।।
    শূন্য যখন নিবেদনের থালা তখন তুমি এলে
    শুকিয়ে যখন ঝরল বরণ-মালা তখন তুমি এলে।
    	নিরশ্রু এই নয়ন পাতে
    	শেষ পূজা মোর আজকে রাতে
    নিবু নিবু প্রাণ শিখাতে আরতি দীপ জ্বেলে।।
    
  • যখন আমার গান ফুরাবে তখন এসো

    বাণী

    যখন আমার গান ফুরাবে তখন এসো ফিরে
    ভাঙবে সভা বসবো একা রেবা নদীর তীরে।।
    গীত শেষে গগন তলে, শ্রান্ত-তনু পড়বে ঢলে
    ভালো যখন লাগবে না আর সুরের সারঙ্গীরে।।
    মোর কণ্ঠের জয়ের মালা তোমার গলায় নিও
    ক্লান্তি আমার ভুলিয়ে দিও প্রিয় হে মোর প্রিয়।
    ঘুমাই যদি কাছে ডেকো, হাতখানি মোর হাতে রেখো
    জেগে যখন খুঁজবো তোমায় আকুল অশ্রু-নীরে
    তখন এসো ফিরে।।
    
  • যখন প্রেমের জ্বালায় অঙ্গ জ্বলে

    বাণী

    (যখন)		প্রেমের জ্বালায় অঙ্গ জ্বলে, জুড়াই জ্বালা গজলে।
    		ছাতা দিয়ে মারি খোঁচা যেন সুরের বগলে॥
    		সিঁড়ির ধারে পিঁড়ি পেতে বিড়ি বাঁধি হায় কলকাতায়,
    		মিলন আশার তামাক ঠাসি হায় বিরহের শাল পাতায়,
    		[‘‘আরে লুল্লু আট পয়সার বিড়ি কিনে লিস্‌রে হাঁ হাঁ”]
    		জালিম বিবির দিলের ছিপি (দাদা) খুলি সুরের ফজলে॥
    		কার্ফা তালে চার পা তুলে (হায়) ছুটাই তালের লাল ঘোড়া,
    		ভজুয়া নাত্‌নি ছুটে আসে হায় ফেলে দিয়ে হায় ঝালবড়া;
    		সুরে-তালে লাগে লড়াই যেন পাঠান মোগলে॥
    
  • যত ফুল তত ভুল কণ্টক জাগে

    বাণী

    	যত ফুল তত ভুল কণ্টক জাগে
    	মাটির পৃথিবী তাই এত ভালো লাগে।।
    হেথা	চাঁদে আছে কলঙ্ক, সাধে অবসাদ
    হেথা	প্রেমে আছে গুরুগঞ্জনা অপবাদ;
    আছে	মান-অভিমান পিরিতি-সোহাগে।।
    হেথা	হারাই হারাই ভয়, প্রিয়তমে তাই
    	ব’ক্ষে জড়ায়ে কাঁদি ছাড়িতে না চাই।
    	স্বর্গের প্রেমে নাই বিরহ-অনল
    	সুন্দর আঁখি আছে, নাই আখি-জল;
    	রাধার অশ্রু নাই কুমকুম-ফাগে।।
    

    নাটকঃ অন্নপূর্ণা (নাট্যকারঃ মণিলাল বন্দোপাধ্যায়)

  • যবে তুলসীতলায় প্রিয় সন্ধ্যাবেলায়

    বাণী

    যবে		তুলসীতলায় প্রিয় সন্ধ্যাবেলায় তুমি করিবে প্রণাম,
    তব		দেবতার নাম নিতে ভুলিয়া বারেক প্রিয় নিও মোর নাম।।
    		একদা এমনি এক গোধূলি বেলা
    		যেতেছিলে মন্দির-পথে একেলা,
    		জানি না কাহার ভুল তোমার পূজার ফুল
    				আমি লইলাম —
    সেই		দেউলের পথ সেই ফুলেরই শপথ
    প্রিয়,		তুমি ভুলিলে হায় আমি ভুলিলাম।।
    		পথের দুঁধারে সেই কুসুম ফোটে — হায় এরা ভোলেনি,
    		বেঁধেছিলে তরু শাখে লতার যে ডোর হের আজো খোলেনি।
    		একদা যে নীল নভে উঠেছিল চাঁদ
    ছিল		অসীম আকাশ ভরা অনন্ত সাধ,
    আজি		অশ্রু-বাদল সেথা ঝরে অবিরাম।।
    
  • যবে ভোরের কুন্দ-কলি মেলিবে আঁখি

    বাণী

    যবে	ভোরের কুন্দ-কলি মেলিবে আঁখি
    	ঘুম ভাঙায়ে হাতে বাঁধিও রাখি।।
    		রাতের বিরহ যবে
    		প্রভাতে নিবিড় হবে
    	অকরুণ কলরবে গাহিবে পাখি।।
    যেন	অরুণ দেখিতে গিয়া তরুণ কিশোর
    	তোমারে প্রথম হেরি' ঘুম ভাঙে মোর।
    		কবরীর মঞ্জরি
    		আঙিনায় রবে ঝরি'
    	সেই ফুল পায়ে দলি এসো একাকী।।