কাহার্‌বা

  • রাঙা পির্‌হান প'রে শিশু নবী খেলেন পথে

    বাণী

    রাঙা পির্‌হান প'রে শিশু নবী খেলেন পথে।
    দেখে হুর-পরীরা সব লুকিয়ে বেহেশ্‌ত হ'তে।।
    মোহনী সুরত বাঁকা চাঁদে চন্দন মাখা।
    নূরানী রওশনী তাঁর চমকে দিনের আলোতে।।
    নাচের তালে তালে সোনার তাবিজ দোলে,
    চরণ তলে ধূলি কাঁদে মোহাম্মদ ব'লে।
    নীল রেশমি রুমাল বাঁধা তাঁর চাঁচর কেশে
    রাঙা সালোয়ার প'রে নাচে সে হেসে হেসে,
    খোদার আরশ টলে সে রূপ-সুধা-স্রোতে।।
    
  • রাধা শ্যাম কিশোর প্রিয়তম কৃষ্ণগোপাল

    বাণী

    রাধা শ্যাম কিশোর প্রিয়তম কৃষ্ণগোপাল বনমালী ব্রজের রাখাল।
    কৃষ্ণ গোপাল শ্রীকৃষ্ণগোপাল শ্রীকৃষ্ণগোপাল
    কভু শ্যাম রাঘব, কভু শ্যাম মাধব, কভু সে কেশব যাদব ভূপাল॥
    যমুনা বিহারী মুরলীধারী, বুন্দাবনে সখা গোপী মনহারী,
    কভু মথুরাপতি কভু পার্থসারথি কভু ব্রজে যশোদা আনন্দ দুলাল॥
    দোলে গলে তাহার মন বন ফুলহার,
    বাজে চরণে নূপুর গ্রহ তারকার কোটি গ্রহ তারকার।
    কালিয়-দমন কভু, করাল মুরারি কাননচারী শিখী পাখা ধারী;
    শ্যামল সুন্দর গিরিধারীলাল।
    কৃষ্ণগোপাল শ্রীকৃষ্ণগোপাল শ্রীকৃষ্ণগোপাল॥
    
  • রাধাকৃষ্ণ নামের মালা

    বাণী

    দ্বৈত	:	রাধাকৃষ্ণ নামের মালা
    		জপ দিবানিশি নিরালা॥
    পুরুষ	:	অগতির গতি গোকুলের পতি
    স্ত্রী	:	শ্রীকৃষ্ণে ভক্তি দেয় যে শ্রীমতী
    পুরুষ	:	ভব-সাগরে কৃষ্ণ নাম ধ্রুবজ্যোতি
    দ্বৈত	:	সেই কৃষ্ণের প্রিয়া ব্রজবালা॥
    স্ত্রী	:	পাপ-তাপ হবে দুর হরির নামে
    		শ্রীমতী রাধা যে হরির বামে
    পুরুষ	:	ঐ নাম জপি’ যাবি গোলকধামে
    দ্বৈত	:	সেই রাধা নাম হবে দুঃখ জ্বালা॥
    স্ত্রী	:	সাধনে সিদ্ধ হবে রাধা ব’লে ডাকো
    পুরুষ	:	কৃষ্ণ-মূরতি হৃদি-মন্দিরে রাখো
    দ্বৈত	:	জপ রে যুগল নাম রাধাশ্যাম
    		এই আঁধার জগৎ হবে আলো॥
    
  • রাস-মঞ্চে দোল-দোল লাগে রে

    বাণী

    রাস-মঞ্চে দোল-দোল লাগে রে, জাগে ঘূর্ণি-নৃত্যের দোল।
    আজি রাস-নৃত্য নিরাশ চিত্ত জাগো রে,
    চল যুগলে যুগলে বন-ভবনে -  
    আনো নিথর হেমন্ত হিম পবনে চঞ্চল হিল্লোল॥
    শতরূপে প্রকাশ আজি শ্রী হরি,
    শত দিকে শত সুরে বাজে বাঁশরি -  
    সকল গোপিনী আজি রাই কিশোরী, -
    যাবে তৃষ্ণা, পাবে কৃষ্ণের কোল॥
    তরল তাল ছন্দ-দুলাল নন্দ-দুলাল নাচে রে,
    অপরূপ রঙ্গে নৃত্য-বিভঙ্গে অঙ্গের পরশ যাচে রে;
    মানস-গঙ্গা অধীর-তরঙ্গা প্রেমের-যমুনা হ’ল রে উতরোল॥
    

  • রিমি ঝিম্ রিমি ঝিম্ ঐ নামিল দেয়া

    বাণী

    রিমি ঝিম্ রিমি ঝিম্ ঐ নামিল দেয়া।
    শুনি’		শিহরে কদম, বিদরে কেয়া।।
    			ঝিলে শাপলা কমল
    			ওই মলিল দল,
    		মেঘ-অন্ধ গগন, বন্ধ খেয়া।।
    		বারি-ধারে কাঁদে চারিধার
    		ঘরে ঘরে রুদ্ধ দুয়ার,
    		তেপান্তরে নাচে একা আলেয়া।।
    কাঁদে 	চখাচখি, কাঁদে বনে কেকা
    		দীপ নিভায়ে কাঁদি আমি একা,
    আজ 		মনে পড়ে সেই মন দেয়া-নেয়া।।
    
  • রিম্‌ ঝিম্‌ রিম্‌ঝিম্ ঝিম্‌ ঘন দেয়া বরষে

    বাণী

    রিম্‌ ঝিম্‌ রিম্‌ঝিম্‌ ঝিম্‌ ঘন দেয়া বরষে।
    কাজরি নাচিয়া চল, পুর-নারী হরষে।।
    কদম তমাল ডালে দোলনা দোলে
    কুহু পাপিয়া ময়ূর বোলে,
    মনের বনের মুকুল খোলে
    নট-শ্যাম সুন্দর মেঘ পরশে।।
    হৃদয়-যমুনা আজ কূল জানে না গো,
    মনের রাধা আজ বাধা মানে না গো।
    ডাকিছে ঘর-ছাড়া ঝড়ের বাঁশি
    অশনি আঘাত হানে দুয়ারে আসি’,
    গরজাক গুরুজন ভবনবাসী —
    আমরা বাহিরে যাব ঘনশ্যাম দরশে।।
    

    নাটকঃ ‌‘অর্জুন বিজয়’

  • রুমঝুম্ রুমঝুম্ রুমঝুম্ ঝুম্‌ঝুম্‌

    বাণী

    রুমঝুম্ রুমঝুম্ রুমঝুম্ ঝুম্‌ঝুম্‌
    নূপুর বাজে আসিল রে প্রিয় আসিল রে।।
    	কদম্ব-কলি শিহরে আবেশে
    	বেণীর তৃষ্ণা জাগে এলোকেশে
    হৃদি ব্রজধাম রস-তরঙ্গে প্রেম-আনন্দে ভাসিল রে।।
    	ধরিল রূপ অরূপ শ্রী হরি
    	ধরণী হলো নবীনা কিশোরী
    চন্দ্রার কুঞ্জ ছেড়ে যেন কৃষ্ণ চন্দ্রমা-গগনে হাসিল রে।।
    	আবার মল্লিকা-মালতী ফোটে
    	বিরহ-যমুনা উথলি’ ওঠে
    রোদন ভুলে রাধা গাহিয়া ওঠে সুন্দর মোর ভালোবাসিল রে।।
    

  • রুম্ ঝুম্ ঝুম্ ঝুম্ রুম্ ঝুম্ ঝুম্

    বাণী

    রুম্ ঝুম্ ঝুম্ ঝুম্ রুম্ ঝুম্ ঝুম্
    	খেজুর পাতার নূপুর বাজায়ে কে যায়।
    ওড়না তাহার ঘূর্ণি হাওয়ায় দোলে
    	কুসুম ছড়ায় পথের বালুকায়।।
    তার ভুরুর ধনুক বেঁকে ওঠে তনুর তলোয়ার,
    সে যেতে যেতে ছড়ায় পথে পাথর-কুচির হার।
    তার ডালিম ফুলের ডালি গোলাপ-গালের লালি
    			ঈদের-চাঁদ ও চায়।।
    আরবি ঘোড়ায় সওয়ার হয়ে, বাদ্‌শাজাদা বুঝি
    সাহারাতে ফেরে সেই মরীচিকা খুঁজি
    কত তরুণ মুসাফির পথ হারালো, হায়!
    কত বনের হরিণ মরে তারি-রূপ তৃষায়।।
    

    সিনেমাঃ‘চৌরঙ্গী’

  • রুম্ ঝুম্ ঝুম্ বাদল নূপুর বোলে

    বাণী

    রুম্ ঝুম্ ঝুম্ বাদল নূপুর বোলে বোলে,
    তমাল বরণী কে নাচে, কে নাচে গগন কোলে।।
    তার অঙ্গের লাবনি যেন ঝরে অবিরল
    হয়ে শীতল মেঘলা মতির ধারা জল।
    কদম ফুলের পীত উত্তরী তার পূব হাওয়াতে দোলে।।
    বিজলি ঝিলিকে কার বনমালার আভাস জাগে
    বন কুন্তলা ধরা হলো শ্যাম মনোহরা তাহারি অনুরাগে।
    কারে হেরি পাপিয়া পিয়া পিয়া কহে
    সাগর কাঁদে নদী জল বহে
    ময়ূর-ময়ূরী বন-শবরী নাচে ট’লে ট’লে।।
    

    বেতার গীতিকা: ‌‘বর্ষা মোদের প্রাণ’

  • রোজ হাশরে আল্লা আমার ক'রো না বিচার

    বাণী

    রোজ হাশরে আল্লা আমার ক'রো না বিচার (আল্লা)
    বিচার চাহি না তোমার দয়া চাহে এ গুনাহ্‌গার।।
    	আমি জেনে শুনে জীবন ভ'রে
    	দোষ করেছি ঘরে পরে
    আশা নাই যে যাব ত'রে বিচারে তোমার।।
    বিচার যদি করবে কেন রহমান নাম নিলে।
    ঐ নামের গুণেই ত'রে যাব, কেন এ জ্ঞান দিলে।
    	দীন ভিখারি ব'লে আমি
    	ভিক্ষা যখন চাইব স্বামী
    শূন্য হাতে ফিরিয়ে দিতে পারবে নাকো আর।।
    
  • লক্ষ্মী মাগো এস ঘরে

    বাণী

    লক্ষ্মী মাগো এস ঘরে সোনার ঝাঁপি লয়ে করে।
    কমল-বনের কমলা গো বিহর হৃদি-কমল পরে।।
    	কোজাগরী-পূর্ণিমাতে
    	দাঁড়াও আকাশ-আঙ্গিনাতে,
    মা গো, তোমার লক্ষ্মী শ্রী জোছনা-ধারায় পড়ুক ঝরে।।
    চঞ্চলা গো, এই ভবনে থাকো অচঞ্চলা হয়ে,
    দারিদ্র্য আর অভাব যত দূর হোক মা তোর উদয়ে।
    	সুমঙ্গলা দুঃখ-হরা।
    	অমৃত দাও পাত্র-ভরা,
    ঐশ্বর্য উপ্‌চে পড়ুক, হরি-প্রিয়া তোমার বরে।।
    

    ‘লক্ষ্মী-বন্দনা’

  • লক্ষ্মী মাগো নারায়ণী আয়

    বাণী

    লক্ষ্মী মাগো নারায়ণী আয় এ আঙিনাতে।
    সুধার পাত্র সোনার ঝাঁপি ল’য়ে শুভ হাতে।।
    	সৌভাগ্যদায়িনী তুই মা এসে
    	দারিদ্র্য ক্লেশ নাশ কর মা হেসে
    কোজাগরী পূর্ণিমা আন মা দুঃখের আঁধার রাতে।।
    আন্‌ কল্যাণ শান্তি শ্রী, জননী কমলা,
    এ অভাবের সংসারে থাক মা হয়ে অচঞ্চলা।
    	রূপ দে মা যশ দে, দে জয়,
    	অভয় পদে দে মা আশ্রয়,
    ধরা ভরবে শস্যে ফুলে ফলে মা তোর আসার সাথে।।
    
  • লহ সালাম লহ দ্বীনের বাদশাহ

    বাণী

    লহ সালাম লহ, দ্বীনের বাদশাহ, জয় আখেরি নবী।
    পীড়িত জনগণে মুক্তি দিতে এলে হে নবীকুলের রবি।।
    	তুমি আসার আগে ধরার মজলুম
    	করিত ফরিয়াদ, চোখে ছিল না ঘুম,
    ধরার জিন্দানে, বন্দী ইনসানে আজাদি দিতে এলে হে প্রিয় আল-আরবি।।
    	তব দামন ধরি’ যত গোনাহগার,
    	মাগিল আশ্রয়, তুমিই করিবে পার।
    	মানুষ ছিল আগে বন্য পশু প্রায়
    	কাঁদিত পাপে তাপে অভাব ও বেদনায়,
    শান্তি-দাতা রূপে সহসা এলে তুমি ফুটিল দুনিয়াতে নব বেহেশ্‌তের ছবি।।
    
  • লাম্ পম্ লাম্ পম্ লাম্ পম্ পম্

    বাণী

    উপস্থাপকের বক্তব্যঃ [লেডিস্ এ্যান্ড জেন্টেল্‌ম্যান !
    আজ আমাদের এই প্রীতি সম্মিলনে আপনারা যে অনুগ্রহ ক’রে যোগদান করেছেন, তার জন্য প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আমি আপনাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আজকের অনুষ্ঠানে সর্ব প্রথমেই আপনাদের অভিবাদন করবেন লোক-প্রিয় হাস্যরসিক শ্রী রঞ্জিত রায়। তিনি পরিবেশন করবেন ‘নাচের চুম্বক’। অর্থাৎ প্রত্যেক শ্রেণীর নৃত্যের সারটুকু। ইয়েস্ রেড়ি বয়, ওয়ান ! টু !!]
    লাম্ পম্ লাম্ পম্, লাম্ পম্ পম্ পম্ পম্ পম্ পম্ পম্।
    দুর্বল ডান্সের লম্-ফম্, ফম্ ঝম্-ফম্ ভুড়ি কম্‌-পম্
    মারে ডম্‌ফাই দিল্লী বোম্বাই হনুলুলু হংকং॥
    বাঁশের কঞ্চি এগার ইঞ্চি নাচে মেমের বোন্‌ঝি,
    হ্যাঁদা-খ্যাঁদার পরান ছ্যাঁদা, ভিজল ঘামে গেঞ্জি,
    	তার ভিজল ঘামে গেঞ্জি।
    কেৎরে চক্ষু দেখে মট্‌কু, আরে ও-চামারু ছক্‌কু —
    	সে চোম্‌ড়ায় দাড়ি গুম্‌ফম্॥
    ল্যাংড়া-লেংড়ি হিল্লায় ঠেংরি, উস্‌খুস্‌, করে চ্যাংড়া-চেংড়ি।
    যেন এই ট্যাংরার হাটে গল্‌দা চিংড়ি ঝুড়িতে খেলে পিং-পং॥
    
  • লায়লী তোমার এসেছে ফিরিয়া

    বাণী

    লায়লী তোমার এসেছে ফিরিয়া মজনুঁ গো আঁখি খোলো।
    প্রিয়তম! এতদিনে বিরহের নিশি বুঝি ভোর হলো।।
    মজনুঁ! তোমার কাঁদন শুনিয়া মরু–নদী পর্বতে
    বন্দিনী আজ ভেঙেছে পিঞ্জর বাহির হয়েছে পথে।
    আজিদখিনা বাতাস বহে অনুকূল,
    		ফুটেছে গোলাপ নার্গিস ফুল,
    ওগো বুলবুল, ফুটন্ত সেই গুলবাগিচায় দোলো।।
    বনের হরিণ–হরিণী কাঁদিয়া পথ দেখায়েছে মোরে,
    হুরী ও পরীরা ঝুরিয়া ঝুরিয়া চাঁদের প্রদীপ ধ’রে।
    		আমার নয়নে নয়ন রাখিয়া
    		কি বলিতে চাও, হে পরান–পিয়া!
    নাম ধ’রে ডাকো ডাকো মোরে স্বামী
    		ভোলো অভিমান ভোলো।।
    

  • লুকোচুরি খেলতে হরি হার মেনেছ

    বাণী

    লুকোচুরি খেলতে হরি হার মেনেছ আমার সনে
    লুকাতে চাও বৃথা হে শ্যাম, ধরা পড় ক্ষণে ক্ষণে।।
    গহন মেঘে লুকাতে চাও অম্‌নি রাঙা, চরণ লেগে
    যে পথে ধাও সে পথ ওঠে ইন্দ্রধনুর রঙে রেঙে,
    চপল হাসি চম্‌কে বেড়ায় বিজলিতে নীল গগনে।।
    রবি-শশী-গ্রহ-তারা তোমার কথা দেয় প্রকাশি’
    ঐ আলোতে হেরি তোমার তনুর জ্যোতি মুখের হাসি।
    হাজার কুসুম ফুটে’ ওঠে লুকাও যখন শ্যামল বনে।
    মনের মাঝে যেম্‌নি লুকাও, মন হয়ে যায় অম্‌নি মুনি,
    ব্যথায় তোমার পরশ যে পাই, ঝড়ের রাতে বংশী শুনি
    দুষ্টু তুমি দৃষ্টি হয়ে লুকাও আমার এই নয়নে
    দুষ্টু তুমি দৃষ্টি হয়ে থাক আমার এই নয়নে।।
    
  • শক্তের তুই ভক্ত শ্যামা

    বাণী

    শক্তের তুই ভক্ত শ্যামা (তোরে) যায় না পাওয়া কেঁদে।
    (তাই) শাক্ত সাধক রাখে তোরে ভক্তি-ডোরে বেঁধে।।
    (মা) শাক্ত বড় শক্ত ছেলে
    (সে) জানে দড়ি আলগা পেলে
    যাবি পালিয়ে চোখে ধূলা দিয়ে মায়া জালে বেঁধে।।
    (তুই) সুরাসুরে ভুলিয়ে রাখিস্‌ ইন্দ্রত্বের মোহে,
    (ওমা) গুণের কিছু ঘাট নাই তোর নির্গুণ তাই কহে।
    তোর মায়াতে ভুলে গিয়ে,
    বিষ্ণু ঘুমান লক্ষী নিয়ে
    (তোর) অন্ত খুঁজে শিব হয়েছেন ভবঘুরে বেদে।।
    

  • শাওন আসিল ফিরে

    বাণী

    শাওন আসিল ফিরে সে ফিরে এল না
    বরষা ফুরায়ে গেল আশা তবু গেল না।
    ধানী রং ঘাগরি, মেঘ–রং ওড়না
    পরিতে আমারে মাগো, অনুরোধ ক’রো না
    কাজরির কাজল মেঘ পথ পেল খুঁজিয়া
    সে কি ফেরার পথ পেল না মা, পেল না।।
    আমার বিদেশিরে খুঁজিতে অনুক্ষণ
    বুনো হাঁসের পাখার মত উড়ু উড়ু করে মন।
    অথৈ জলে মাগো, মাঠ–ঘাট থৈ থৈ
    আমার হিয়ার আগুন নিভিল কই?
    কদম–কেশর বলে, ‘কোথা তোর কিশোর’,
    চম্পাডালে ঝুলে শূন্য দোলনা।।
    

  • শাওন রাতে যদি

    বাণী

    শাওন–রাতে যদি স্মরণে আসে মোরে
    বাহিরে ঝড় বহে, নয়নে বারি ঝরে।।
    ভুলিও স্মৃতি মম, নিশীথ–স্বপন সম
    আঁচলের গাঁথা মালা ফেলিও পথ ‘পরে।।
    ঝুরিবে পূবালি বায় গহন দূর–বনে,
    রহিবে চাহি’ তুমি একেলা বাতায়নে।
    বিরহী কুহু–কেকা গাহিবে নীপ–শাখে
    যমুনা–নদীপারে শুনিবে কে যেন ডাকে।
    বিজলী দীপ–শিখা খুঁজিবে তোমায় প্রিয়া
    দু’ হাতে ঢেকো আঁখি যদি গো জলে ভরে।।
    
  • শাদী মোবারকবাদী শাদী মোবারক

    বাণী

    শাদী মোবারকবাদী শাদী মোবারক।
    দেয় মোবারক-বাদ আলম রসুলে-পাক আল্লা হক।।
    	আজ এ খুশির মাহফিলে
    	দুলহা ও দুলহিনে মিলে
    	মিলন হল প্রাণে প্রাণে
    		মাশুক আর আশক।।
    	আউলিয়া আম্বিয়া সবে
    	এসো এ মিলন-উৎসবে,
    	দোয়া কর আজ এ খুশির
    		গুলিস্তান গুলজার হোক।।
    

    নাটিকাঃ‘পুতুলের বিয়ে’