লোকাঙ্গিক

  • ওরে রাখাল ছেলে বল্ কি রতন পেলে

    বাণী

    ওরে রাখাল ছেলে বল্ কি রতন পেলে
    দিবি হাতের বাঁশি, তোর ঐ হাতের বাঁশি।
    বাঁধা দিয়ে খাড়ু আনব ক্ষীরের নাড়ু
    অম্‌নি হেলেদুলে এক্‌বার নাচ্ রে আসি॥
    দেখ মাখাতে তোর গায়ে ফাগের গুড়া,
    আমার আঙ্গিনাতে ঝরা কৃষ্ণচূড়া।
    আমার গলার হার খুলে পরাব আয় কিশোর
    		তোর পায়ে ফাঁসি॥
    যেন কালিদহের জলে সাপের মানিক জ্বলে,
    চোখের হাসি, তোর ঐ চোখের হাসি,
    ও তুই কি চাস্ চপল মোরে বল্
    আমি মরেছি যে তোরে ভালোবাসি॥
    আসিস্ আমার বাড়ি রাখাল দিন ফুরালে
    আমার চুড়ির তালে দুলবি কদম ডালে।
    ছেড়ে গৃহ-সংসার ওর বাঁশুরিয়া,
    		হব চরণ দাসী।
    
  • সাপুড়িয়া রে বাজাও বাজাও

    বাণী

    গানের শুরুতে নীচের কথাগুলি সাপুড়েদের মন্ত্র-পড়ার ঢংয়ে আবৃত্তি করা হয়েছে :-

    [খা খা খা
    তোর বক্ষিলারে খা
    তারি দিব্যি ফণাতে তোর যে ঠাকুরের পা'
    বিষহরি শিবের আজ্ঞ্যে দোহাই মনসা,
    আমায় যদি কামড়াস খাস জরৎ-কারুর হাড়
    নাচ নাগিনী ফণা তুলে, নাচ রে হেলেদুলে
    মারলে ছোবল বিষ-দাঁত তোর অমনি নেব তুলে
    বাজ তুবরী বাজ ডমরু বাজ, নাচ রে নাগ-রাজা।।]
    সাপুড়িয়া রে —
    বাজাও বাজাও সাপ-খেলানোর বাঁশি।
    কালিদহে ঘোর উঠিল তরঙ্গ রে
    কালনাগিনী নাচে বাহিরে আসি।।
    ফণি-মনসার কাঁটা-কুঞ্জতলে
    গোখরা কেউটে এলো দলে দলে রে
    সুর শুনে ছুটে এলো পাতাল-তলের
    বিষধর বিষধরী রাশি রাশি।।
    শন-শন-শন-শন পুব হাওয়াতে
    তোমার বাঁশি বাজে বাদলা-রাতে
    মেঘের ডমরু বাজাও গুরু গুরু বাঁশির সাথে।
    অঙ্গ জর জর বিষে
    বাঁচাও বিষহরি এসে রে
    এ কি বাঁশি বাজালো কালা, সর্বনাশী।।
    
  • সোনার বরণ কন্যা গো এসো আমার সোনার নায়ে

    বাণী

    পুরুষ	:	সোনার বরণ কন্যা গো, এসো আমার সোনার নায়ে
    		চল আমার বাড়ি
    স্ত্রী	:	ওরে অচিন দেশের বন্ধুরে,
    		তুমি ভিন্ গেরামের নাইয়া আমি ভিন্ গেরামের নারী।
    পুরুষ	:	গয়না দিব বৈচী খাড়ু শাড়ি ময়নামতীর।
    স্ত্রী	:	গয়না দিয়ে মন পাওয়া যায় না কুলবতীর।
    পুরুষ	:	শাপলা ফুলের মালা দেব রাঙা রেশমি চুড়ি।
    স্ত্রী	:	ঐ মন-ভুলানো জিনিস নিয়ে (বন্ধু) মন কি দিতে পারি?
    পুরুষ	:	(তুমি) কোন্-সে রতন চাও রে কন্যা, আমি কি তা জানি?
    স্ত্রী	:	তোমার মনের রাজ্যে আমি হ’তে চাই রাজরানী।
    দ্বৈত	:	হইও সাক্ষী তরুলতা পদ্মা নদীর পানি (আরে ও)
    		(আজি) কূল ছাড়িয়া দু’টি প্রাণী অকূলে দিল পাড়ি॥