মাঢ়

  • বকুল চাঁপার বনে কে মোর

    বাণী

    বকুল চাঁপার বনে কে মোর চাঁদের স্বপন জাগালে —
    অনুরাগের সোনার রঙে হৃদয়-গগন রাঙালে।।
    ঘুমিয়ে ছিলাম কুমুদ-কুঁড়ি বিজন ঝিলের নীল জলে
    পূর্ণ শশী তুমি আসি’ আমার সে ঘুম ভাঙালে।।
    হে মায়াবী তোমার ছোঁয়ায় সুন্দর আজ আমার তনু
    তোমার মায়া রচিল মোর বাদল মেঘে ইন্দ্র ধনু।
    		তোমার টানে হে দরদি
    		দোল খেয়ে যায় কাঁদন-নদী
    কূল হারা মোর ভালোবাসা আজকে কূলে লাগালে।।
    
  • লক্ষ্মী মা তুই ওঠ্ গো আবার

    বাণী

    লক্ষ্মী মা তুই ওঠ্ গো আবার সাগর জলে সিনান করি’।
    হাতে ল’য়ে সোনার ঝাঁপি, সুধার পাত্রে সুধা ভরি’।।
    আন্ মা আবার আঁচলে তোর নবীন ধানের মঞ্জরি সে,
    টুনটুনিতে ধান খেয়েছে, খাজনা মাগো দিব কিসে।
    ডুবে গেছে সপ্ত-ডিঙা, রত্ন বোঝাই সোনার তরী।।
    ক্ষীরোদ-সাগর-কন্যা যে তুই, খেতে দে ক্ষীর সর মা আবার,
    পান্তা লবণ পায় না ছেলে, জননী তোর এ কোন বিচার?
    কার কাছে মা নালিশ করি, অনন্ত শয়নে হরি।।
    তোরও কি মা ধর্‌ল ঘুমে নারায়ণের ছোঁয়াচ লেগে,
    বর্গী এল দেশে মাগো, খোকারা তোর কাঁদে জেগে।
    এসে এবার ঘুম পাড়া মা, মাগো ভয়ে ক্ষিদেয় মরি।।
    কোন্‌ দুখে তুই রইলি ভুলে বাপের বাড়ি অতল-তুলে,
    ব্যথার সিন্ধু মন্থন শেষ, ভ’রল যে দেশ হলাহলে।
    অমৃত এনে সন্তানে তোর, বাঁচা মা, তোর পায়ে ধরি।।
    
  • সখি লো তায় আন ডেকে

    বাণী

    সখি লো তায় আন ডেকে যে গান গেয়ে যায় পথ দিয়ে।
    সই দিব তারে কণ্ঠহার, তার কণ্ঠেরি ঐ সুর নিয়ে॥
    		কারুর পানে নাহি চায়
    	সে 	আপন মনে গেয়ে যায়
    প্রাণ কাঁপে সুরের নেশায় নয়ন আসে ঝিমিয়ে॥
    		সখি লো শুধিয়ে আয়
    		সে শিখিল এ গান কোথায়
    এত মধু তার গলায় কার অধর-সুধা পিয়ে॥
    		যার গানে এত প্রাণ মাতায়
    		না জানি কি হয় দেখ্‌লে তায়
    তার সুর শুনে কেউ প্রাণ পায় কেউ ফেলে প্রাণ হারিয়ে॥