তেওড়া

  • এসো আনন্দিতা ত্রিলোক-বন্দিতা

    বাণী

    এসো আনন্দিতা ত্রিলোক-বন্দিতা কর দীপান্বিতা আঁধার অবনি মা।
    ব্যাপিয়া চরাচর শারদ অম্বর ছড়াও অভয় হাসির লাবনি মা।।
    	সারাটি বরষ নিখিল ব্যথিত
    	চাহিয়া আছে মা তব আসা-পথ,
    ধরার সন্তানে ধর তব কোলে ভুলাও দুঃখ-শোক চির-করুণাময়ী মা।।
    	অটুট স্বাস্থ্য দীর্ঘ পরমায়ু
    	দাও আরো আলো নির্মল বায়ু,
    দশ হাতে তব আনো মা কল্যাণ পীড়িত-চিত গাহে অকাল জাগরণী মা।।
    
  • কে বলে মোর মাকে কালো

    বাণী

    কে বলে মোর মাকে কালো, মা যে আমার জ্যোতির্মতী।
    কোটি চন্দ্র সূর্য তারা নিত্য করে যার আরতি।।
    	কালো রূপের মায়া দিয়ে
    	মহামায়া রয় লুকিয়ে,
    মায়ের শুভ্ররূপ দেখেছে শুভ্র শুচি যার ভকতি।।
    যোগীন্দ্র যাঁর চরণ-তলে ধ্যান করে রে যাঁর মহিমা,
    দু’টি নয়ন-প্রদীপ জ্বেলে খুঁজি সেই অসীমার সীমা।
    	সাজিয়ে কালী গৌরী মাকে
    	পূজা করি তমসাকে,
    মায়ের শুভ্ররূপ দেখেছে শুভ্র শুচি যার ভকতি।।
    
  • জয় বিবেকানন্দ সন্ন্যাসী বীর

    বাণী

    জয় বিবেকানন্দ সন্ন্যাসী বীর চির গৈরিকধারী।
    জয় তরুণ যোগী, শ্রীরামকৃষ্ণ-ব্রত-সহায়কারী।।
    	যজ্ঞাহুতির হোমশিখা সম,
    	তুমি তেজস্বী তাপস পরম
    ভারত-অরিন্দম নমো নমঃ বিশ্বমঠ বিহারী।।
    (মদ) গর্বিত বল-দর্পীর দেশে মহাভারতের বাণী
    শুনায়ে বিজয়ী ঘুচাইলে স্বদেশের অপযশ গ্লানি।
    (নব)	ভারতে আনিলে তুমি নব বেদ
    	মুছে দিলে জাতি ধর্মের ভেদ
    জীবে ঈশ্বরে অভেদ আত্মা জানাইলে হুঙ্কারি১।।
    

    ১. উচ্চারি

  • তুই জগত-জননী শ্যামা

    বাণী

    তুই জগত-জননী শ্যামা আমি কি মা জগত ছাড়া,
    কোন দোষে মা তুই থাকিতে আমি চির মাতৃহারা।।
    পুত্র অপরাধী ব'লে মা কি তারে নেয় না কোলে,
    মা শাসন করে মারে-ধরে তবু কাছ ছাড়া করে না তারা।
    কোন দোষে মা তুই থঅকিতে আমি চির মাতৃহারা।।
    ছেলের চোখে ঠুলি দিয়ে কি মা নিজেরে লুকিয়ে রাখে
    ছেলের দুঃখে মা উদাসীন দেখিনি তো এমন মাকে।
    মাতৃস্নেহ পেলে শ্যামা এমন মন্দমতি হতেম না মা
    তুই যাহারে হানিস হেলা তার কে মোছাবে নয়ন-ধারা
    কোন দোষে মা তুই থাকিতে আমি চির মাতৃহারা।।
    
  • মধুর ছন্দে নাচে আনন্দে নওল কিশোর মদনমোহন

    বাণী

    মধুর ছন্দে নাচে আনন্দে নওল কিশোর মদনমোহন!
    চারু ত্রিভঙ্গিম ঠাম বঙ্কিম, বন্দে পদ কোটি চন্দ্র তপন॥
    	বৃষ্টিধারা সম নব নবতম,
    	সৃষ্টি পড়ে ঝরি সে নাচে নিরূপম
    রতন মঞ্জির বাজে রমঝম, ঘোরে গ্রহতারা ঘিরি শ্রীচরণ॥
    

    চলচ্চিত্রঃ ‘ধ্রুব’

  • মরণ ডাকে আয় রে চ’লে

    বাণী

    মরণ ডাকে — ‘আয় রে চ’লে!’ জীবন বলে — ‘যাই গো যাই।’
    জীবনে হায় পায়নি ব’লে (আমার) মরণে তাই চাই গো চাই।।
    	জীবন শুধু কাঁটায় ভরা
    	তাই বুঝি সে দেয়নি ধরা,
    ফুল-বিছানো কবরে তার মধুর পরশ পাই গো পাই।
    মরণ-বঁধূর ডাক শুনে আর জীবনে সাধ নাই গো নাই।।
    

    নাটকঃ ‘কাফন চোরা’

  • মহাকালের কোলে এসে

    বাণী

    	মহাকালের কোলে এসে গৌরী হ’ল মহাকালী,
    	শ্মশান–চিতার ভস্ম মেখে ম্লান হ’ল মার রূপের ডালি।।
    		তবু মায়ের রূপ কি হারায়
    	সে যেছড়িয়ে আছে চন্দ্র তারায়,
    	মায়ের রূপের আরতি হয় নিত্য সূর্য–প্রদীপ জ্বালি’ ।।
    	উমা হ’ল ভৈরবী হায় বরণ ক’রে ভৈরবেরে,
    হেরি’	শিবের শিরে জাহ্নবী রে শ্মশানে মশানে ফেরে।
    		অন্ন দিয়ে ত্রি–জগতে
    		অন্নদা মোর বেড়ায় পথে,
    	ভিক্ষু শিবের অনুরাগে ভিক্ষা মাগে রাজদুলালী।।
    
  • মা খড়গ নিয়ে মাতিস রণে

    বাণী

    (মা)		খড়গ নিয়ে মাতিস রণে নয়ন দিয়ে বহে ধারা (মা)
    (এমন)	একাধারে নিষ্ঠুরতা কৃপা তোরই সাজে তারা।।
    			তোর করে অসুর-মুন্ডরাশি
    			অধরে না ধরে হাসি
    		জানিস্ মরলে তোর আঘাতে তোরই কোলে যাবে তারা।।
    		মা দুই হাতে তোর বর ও অভয় আর দু’হাতে মুন্ড অসি,
    		ললাটে তোর পূর্ণিমা-চাঁদ, কেশে কৃষ্ণা চতুর্দ্দশী।
    			জননী-প্রায় আঘাত করে
    			দিস্ মা দোলা বক্ষে ধ’রে
    		পাপ-মুক্ত করার ছলে অসুর বধিস ভব-তারা।।