Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

কেন চাঁদিনী রাতে মেঘ আসে ছায়া ক’রে

বাণী

কেন চাঁদিনী রাতে মেঘ আসে ছায়া ক’রে।
সুখের বাসরে কেন, প্রাণ ওঠে বিষাদে ভ’রে।।
কেন মিলন রাতে, সলিল আঁখি পাতে,
কেন ফাগুন প্রাতে, সহসা বারি ঝরে।।
ডাকিয়া ফুলবনে, থাকে সে আনমনে,
কাঁদায় নিরজনে, কাঁদে কে কিসের তরে।।

কবে সে মদিনার পথে

বাণী

কবে সে মদিনার পথে, গিয়াছে সুজন।
বহায়ে নয়ন বারি, ভিজিল বসন।।
	রমজানের ঐ চাঁদ নবী,
	পাঠাইলেন নূরের খুবী,
পাগল করে আমার হিয়া করেছে হরণ।।
	পশুপাখি তরুলতা,
	তারা শুধায় পারের কথা,
আমি একলা বসে ভাবছি হেথা নবীজীর কারণ।।
	বেড়াই আমি পথে পথে,
	খুঁজে না পাই মদিনাতে,
কোথায় গেলেন পাক মোস্তফা অমূল্য রতন।।

[দুখুমিয়ার লেটোগান, সংগ্রহ ও সম্পাদনা : মুহম্মদ আয়ুব হোসেন, বিশ্বকোষ পরিষদ, কলকাতা, ২০০৩]

রেকর্ড

কবে সে মদিনা পথে গিয়াছে সুজন।
বহায়ে নয়ন-বারি (আমার) ভিজায়ে বদন।।
	রমজানের চাঁদে নবী, 
	পাঠায় সদা নূরের ছবি, 
পাগল করে আমার মন করেছে হরণ।।
	পশুপাখি তরুলতা, 
	তাদের শুধাই পথের কথা, 
কেমনে পাবো সে চাঁদে জীবন-শরণ।।
	খুঁজে সে মদিনা-নাথে, 
	কেঁদে ফিরি পথে পথে, 
কোথা গেলে পাবো আমি ও রাঙা চরণ।।

কি দিয়ে পূজি ভগবান

বাণী

	কি দিয়ে পূজি ভগবান!
আমার ব’লে কিছু নাহি হরি সকলি তোমারি যে দান
	মন্দিরে তুমি, মূরতিতে তুমি
	পূজার ফুলে তুমি, স্তব-গীতে তুমি,
ভগবান দিয়ে ভগবান পূজা করিতে — তুমি যদি ভাব অপমান॥
	কেমন তব রূপ দেখিনি হরি
	আপন মন দিয়ে তোমারে গড়ি,
কাঁদ না হাস তুমি সে-রূপ হেরি — বুঝিতে পারি না আমি তাই কাঁদে প্রাণ॥
	কোটি রবি-শশী আরতি করে যারে,
	প্রদীপ জ্বালিয়া খুঁজি আমি তারে।
বন-ডালা যাঁর পূজার সম্ভার, যোগী মুনি করে যুগযুগ ধ্যান।
কোথা শ্রীমুখ তব কোথা শ্রীচরণ, চন্দন দিব কোন্‌খান ॥

কাজরি গাহিয়া এসো গোপ-ললনা

বাণী

কাজরি গাহিয়া এসো গোপ-ললনা।
শ্রাবণ-গগনে দোলে মেঘ-দোলনা।।
পর সবুজ-ঘাগরি চোলি নীল ওড়না,
মাখো অধরে মধুর হাসি, চোখে ছলনা।।
কদম-চন্দ্রহার প’রে এসো চন্দ্রাবলী
তমাল-শাখা-বরণা এসো বিশাখা-শ্যামলী,
বাজায় করতাল দূরে তাল-বনা।।
লাবনি-বিগলিতা এসো সকরুণ ললিতা
যমুনা-কূলে এসো ব্রজবধূ কুল-ভীতা,
অলকে মাখিয়া নব জল-কণা।।

কোন্ মহাব্যোমে ধ্বনি ওঠে ওম্

বাণী

কোন্ মহাব্যোমে ধ্বনি ওঠে ওম্, আদি আকাশ বাণী।
কোন্ মহামৌনীর ধ্যান ভাঙে কোন্ বিরহের বীণাপাণি —
			নাহি জানি নাহি জানি।।
	নিথর শূন্য অসীমে কোথায়
	কে সে প্রণব-শঙ্খ বাজায়,
সেই ধ্বনি বুঝি জ্যোতির্জ্জগতে বাহিরে আনিছে টানি।।
কোন্ অজানার অলখ-জটায় কথার গঙ্গা কাঁদে
কোন্ মায়াতীত সুন্দর হ’ল পড়িয়া মায়ার ফাঁদে।
	কার সাথে এত কথা কহিবার
	এত সে-গোপন সাধ ছিল তার,
তাহারি বাঁশরি-ধ্বনির কথা কি ব্রজে হয় কানাকানি।।

কানাই রে কই তোর চূড়া বাঁশরি

বাণী

নিত্যানন্দ	:	কানাই রে কই তোর চূড়া বাঁশরি!
			তুই নাকি সেই নন্দদুলাল এলি নদীয়ায় ব্রজ পাশরি’।।
নিমাই		:	কি পুছসি আমারে ভাই
			এবার চূড়া বাঁশরি নাই,
			ব্রজের খেলা বাঁশির তান
			ন’দের খেলা হরি-গান।
			ব্রজের বেশ ধড়াচূড়া
			ন’দের বেশ কৌপীন পরা,	
			ব্রজের খেলা রাখাল হয়ে,
			ন’দের খেলা ধূলি ল’য়ে।
নিত্যানন্দ	:	নদীয়াতে বিষ্ণুপ্রিয়া, ব্রজের রাইকিশোরী।।

নাটক : ‘বিষ্ণুপ্রিয়া’ (নিত্যানন্দ ও নিমাইয়ের গান)

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan