
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।

ওরে যোগ-সাধনা পরে হবে নাম জপ্ তুই আগে। সকল কাজে সকাল সাঁঝে গভীর অনুরাগে।। ওরে যে ঠাকুরে পরান যাচে সে নামের মাঝে লুকিয়ে আছে, যেমন বীজের মাঝে মহাতরু সঙ্গোপনে জাগে।। বীজ না বুনে আগে ভাগেই ফসল খুঁজিস্ তুই, তাই চিরকাল পোড়ো জমি রইল মনের ভুঁই। তোর কোন্ পথ নাম জপের শেষে দেখিয়ে দেবেন তিনিই এসে, তোর জীবন হবে প্রেমে রঙীন রঙ যদি রে লাগে। তাঁর মধুর নামের রঙ যদি রে লাগে।।
রাগঃ
তালঃ
(ওরে) হতভাগী রক্ত-খাগী, কোথায় ছিলি বল্! (তোর) দেখে ছিরি ভয়ে মরি চোখে আসে জল।। বেণী খুলে এলোকেশে বেড়াস্ এ কোন্ পাগল-বেশে, চাঁদকে ফেলে নীল আকাশে আন্লি কোন্ অনল।। (কপালে জ্বাল্লি কোন্ অনল) (ঐ) সদ্য ফোঁটা পদ্মফুলে কে মাখাল কালি? মা আমরি কপাল মন্দ কারে দিব গালি। রাজ-দুলালী আদর পেয়ে সাজ্লি ছি ছি নাগর মেয়ে, (তোর) চিন্তে পারি, গৌরী দেখে রাঙা পদতল।।
রাগঃ
তালঃ
মেয়েঃ ও শাপ্লা ফুল নেবো না বাবলা ফুল এনে দে নইলে দেবো না বাঁশি ফিরিয়ে। ছেলেঃ খুলে বেণীর বিনুনী, খোঁপার চিরুনি হাতে দে, যাব খানিক জিরিয়ে। মেয়েঃ বন-পায়রার পালক দে কুড়িয়ে, ছেলেঃ তোর চোখের চাওয়া পায়রা দিল উড়িয়ে, দুজনেঃ মোদের ঝগড়া দেখে হালকা হাওয়া বহে ঝিরঝিরিয়ে। ছেলেঃ তোর জোড়া ভুরু-ধনুক মোর নাসিকা বাঁশি লো মেয়েঃ চাঁদের চেয়ে ভালো লাগে কালো রূপের হাসি রে তোর কালো রূপের হাসি ছেলেঃ ওই কালো চোখের হাসি। মেয়েঃ তুই যাদু করে মন দিলি দুলিয়ে দুজনেঃ মোদের কথা শুনে শিরিষ পাতা ওঠে শিরশিরিয়ে॥
সিনেমাঃ ‘অভিনয় নয়’
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

ও কে উদাসী বেণু বাজায় ডাকে করুণ সুরে আয় আয়।। ও সে বাঁধন হারা বাহির বিলাসী গৃহীরে করে সে পরবাসী রস যমুনায় উজান বহায়।। মম মনের ব্রজে ওসে কিশোর রাখাল যেন বাজায় বাঁশি শুনি অনাদিকাল তার সরল বাঁশি তার তরল তাল অন্তরে গরল-সুধা মেশায়।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দাদ্রা ও কাহার্বা)

ওরে হুলো রে তুই রাত বিরেতে ঢুকিস্নে হেঁসেল্। তুই কবে বেঘোরে প্রাণ হারাবি বুঝিস্নে রাস্কেল্।। আমি স্বীকার করি শিকারি তুই তোর গোঁফ দেখেই চিনি, গাছে কাঁঠাল ঝুলতে দেখে দিস্ গোঁফে তুই তেল।। ওরে ছোঁচা ওরে ওঁছা বাড়ি বাড়ি তুই হাঁড়ি খাস, নাদ্নার বাড়ি খেয়ে কোন্দিন ধনে প্রাণে বা মারা যাস্, কেঁদে মিয়াঁও মিয়াঁও ব’লে বিবি বেরালি করবে রে হার্টফেল।। তানপুরারই সুরে যখন তখন গলা সাধিস্, শুনে ভুলো তোরে তেড়ে আসে, ন্যাজ তুলে ছুটিস্, তোরে বস্তা পু’রে কবে কে চালান দিবে ধাপা-মেল।। বৌঝি যখন মাছ কোটে রে, তুমি খোঁজ দাঁও, বিড়াল-তপস্বী আড়নয়নে থালার পানে চাও, তুই উত্তম মধ্যম খা’স এত তবু হ’ল না আক্কেল।।
রাগঃ পিলু-সাহানা
তালঃ কাহার্বা

ও-তুই যাস্নে রাই-কিশোরী কদমতলাতে, সেথা ধরবে বসন-চোরা ভূতে, পারবিনে আর পালাতে॥ সে দেখলে কি আর রক্ষে আছে, ও-তোর বসন গিয়ে উঠ্বে গাছে, ওলো গোবর্ধন-গিরিধারী সে — পারবিনে তায় টলাতে॥ দেখতে পেলে ব্রজবালা, ঘট কেড়ে সে ঘটায় জ্বালা, (ওলো) নিজেই গ’লে জল হ’বি তুই পারবিনে তায় গলাতে॥ ঠেলে ফেলে অগাধ-নীরে সে হাসে লো দাঁড়িয়ে তীরে, শেষে ভাসিয়ে নিয়ে প্রেম-সাগরে ওলো দোলায় নাগরদোলাতে॥
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দ্রুত-দাদ্রা ও কাহার্বা)

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan