বাণী

প্রিয়	মুহরে-নবুয়ত-ধারী হে হজরত
		(প্রিয়) তারিতে উম্মত এলে ধরায়
	মোহাম্মদ মোস্তফা, আমহদ মুরতজা
		নাম জপিতে নয়নে আঁসু ঝরায়।।
দিলে 	মুখে তক্‌বির, দিলে বুকে তৌহিদ
দিলে 	দুঃখেরই সান্ত্বনা খুশির ঈদ
দিলে 	প্রাণে ঈমান, দিলে হাতে কোরআন
		শিরে শিরতাজ নাম মুসলিম আমায়।।
তব	সব নসিহত মোরা গিয়াছি ভুলে
শুধু	নাম তব আছে জেগে প্রাণের কূলে
	ও-নামে এ প্রাণ-সিন্ধু তব দুলে
		আমি ঐ নামে ত’রে যাব, আছি আশায়।।

বাণী

পাপিয়া আজ কেন ডাকে সখি, পিয়া পিয়া।
শুনি’, পিয়া পিয়া বোল্‌ ঝুরিছে আমার হিয়া।।
এমনি মধুরাতি, ছিল সে মোর সাথি,
সেদিন পাপিয়া এমনি উঠিত ডাকিয়া
সে কি আজ এলো তবে, চাঁদের মত নীরবে
হাসির জোছনাতে তার দশদিশি রাঙাইয়া।।

নাটকঃ ‘সর্বহারা’

বাণী

পেয়ে কেন নাহি পাই হৃদয়ে মম
হে চির-সুদূর প্রিয়তম॥
		তুমি আকাশের চাঁদ
আমি	পাতিয়া সরসী-ফাঁদ
জনম	জনম কাঁদি কুমুদীর সম॥
		নিখিলের রূপে রূপে
		দেখা দাও চুপে চুপে
এলে না মূরতি ধরি তুমি নিরুপম॥

বাণী

	পিও পিও হে প্রিয় শরাব পিও
	চোখে রঙের নেশা লেগে সব অবসাদ হোক রমনীয়।।
	জীবনের নহবতে বাজুক সানাই
	আঁধার এ দুনিয়ায় জ্বলুক রোশনাই
আজি	আবছা আলোয় যারে লাগবে ভালো
	তারি গলায় চাঁদের মালা পরায়ে দিও।।
আজি	লেগে অনুরাগে রঙ শিরাজির
	প্রাণে প্রাণে লহর বহুক রস-নদীর
সেই	মধুর ক্ষনে বঁধু নিরজনে
	ভালোবাসি' দুটি কথা মোরে বলিও।।

বাণী

প্রেম ক্যাটারী লগ্‌ গ্যয়ি তোরে কারী কারী
প্যয়ারে ভাঁওরে জোলাৎ হ্যায় যো নিসদিন ডারী ডারী।।
শুনা প্যয়ারে ভ্যঁয়র ও প্রেম-কাহানী
বাগমে যাতা হ্যায় প্রেম সে পাতা হ্যায় কয়া মানমেঁ ঠানী।।
ফুলো সে ক্যয়া তুঝকো প্রেম হুয়া হ্যায়
মেরী তারহা ক্যায়া তু প্রেমী বানা হ্যায়
ত্যড়পত হ্যায় কিসকী তু বরহা মে নিসদিন
পাই হ্যায় কিসসে হুয়ে প্রেমনিশানী।।
ফুলমে হ্রায় গুলসে গ্যলো কি রং গাৎ
মিলতি হ্যায় ইনসে প্রীতম কি প্যারী সুরাত
ইসসে ম্যায় কারতিহু ফুলসে উলফত
ফিরত হু ব্যন ব্যন ব্যনকে দিওয়ানী।।

বাণী

প’রো প’রো চৈতালি-সাঁজে কুস্‌মি শাড়ি।
আজি তোমার রূপের সাথে চাঁদের আড়ি॥
প’রো ললাটে কাঁচপোকার টিপ,
তুমি আলতা প’রো পায়ে হৃদি নিঙাড়ি’॥
প্রজাপতির ডানা-ঝরা সোনার টোপাতে,
ভাঙা ভুরু জোড়া দিও বাতুল শোভাতে।
বেল-যূথিকার গ’ড়ে মালা প’রো খোঁপাতে
দিও উত্তরীয় শিউলি-বোঁটার রঙে ছোপাতে,
রাঙা সাঁঝের সতিনী তুমি রূপ-কুমারী॥