বাণী

পল্লু ছোড়ো সাজান ঘর যানা রে
জারা ন্যায়নো সে ন্যায়না মিলানা রে।
মাটি পরে শরাবো সে পিনেসে গাগারিয়া
সুবাহ হো গ্যায়ি করুঁ কিয়া বাহানা রে।।
বড়া পেয়ার হ্যায় তু্নে পানঘাটসে আনে কা
জারা ধীরে সে বীণ বাজানা রে।।
সাড়ি তেরি হ্যায় পল রাঙ্গীন আঁখিয়া টুটেগা
জারা সিনে সে আঁচাল হাঠানা রে।।

বাণী

পিয়াসী প্রাণ তারে চায়, এনে দে তা’য়।
জনম জনম বিরহী প্রাণ মম
সাথিহীন পাখি সম কাঁদিয়া বেড়ায়।।
চাঁদের দীপ জ্বালি’ খুঁজিছে আকাশ তা’রে
না পেয়ে তাহার দিশা কাঁদে সে বাদল-ধারে।
ঝরে অভিমানে ফুল তারে না-দেখতে পেয়ে,
বহে কাঁদন-নদী পাষাণ গিরি বেয়ে।
আসিব ব’লে সে গেছে চ’লে —
(আমি) আজো আছি বেঁচে তা’রি আশায়।।

বাণী

পরান-প্রিয়! কেন এলে অবেলায়
শীতল হিমেল বায়ে ফুল ঝ’রে যায়।।
	সেদিনও সকাল বেলা
	খেলেছি কুসুম–খেলা,
আজি যে কাঁদি একেলা ভাঙ্গা এ মেলায়।।

বাণী

(মম)	প্রাণ নিয়ে নিঠুর খেল এ কি খেলা (হায়)।
	ক্ষণে ভালোবাসা হায় ক্ষণে অবহেলা।।
	সকালে গাঁথিয়া মালা পায়ে দল বিকালে তায়।
	তেমনি দলিতে চাহ আমার পরান কি হায়।
	সহিতে পারি না আর এই হেলাফেলা।।
	জলরূপী একি কোন্ মরীচিকা তুমি কি গো।
	ডেকে এনে মরুভূমে বধিবে এ বনমৃগ।
	বুঝিয়াছি কখন হায় ফুরায়েছে বেলা।।

বাণী

পিয়াল তরুতে হেরিয়াছিল প্রিয়া তোমার দীঘল তনু।
ফুল-ভারনত শাখাতে তাহার বাঁকা তব ভুরু-ধনু।।

নাটিকা: ‘লায়লী-মজনু’ (মজনু গান)

বাণী

প্রথম প্রদীপ জ্বালো মম ভবনে হে আয়ুষ্মতী
আঁধার ঘিরে' আশার আলো আনুক তোমার গৃহের জ্যোতি।।
	হেরিয়া তোমার আঁখির আলোক
	বিষদিত সাঁঝ পুলকিত হোক,
যেন দূরে যায় সব দুখ শোক, তব শঙ্খরব শুনি', হে সতী।।
	কাঁকন পরা তব শুভ কর
	মুখর করুক এ নীরব ঘর
এ গৃহে আনুক বিধাতার বর তোমার মধুর প্রেম-আরতি।।