বাণী

পুষ্পিত মোর তনুর কাননে হায়।
ওগো ফুলধনু, লগ্ন যে ব’য়ে যায়।।
আজি ফাগুন ঋতু উৎসবে
এ দেহ দেউল শূন্য কি রবে,
রতির আরতি ধূপ কি পুড়িবে বিফল কামনায়।।

বাণী

প্রিয় এমন রাত যেন যায় না বৃথাই
পরি চাঁপা ফুলের শাড়ি খয়েরিটিপ,
জাগি বাতায়নে জ্বালি আঁখি প্রদীপ,
মালা চন্দন দিয়ে মোর থালা সাজাই।।
তুমি আসিবে বলে সুদূর অতিথি
জাগে চাঁদের তৃষা লয়ে কৃষ্ণা তিথি,
কভু ঘরে আসিকভু বাহিরে চাই।।
আজি আকাশে বাতাসে কানাকানি,
জাগে বনে বনে নবফুলের বাণী,
আজি আমার কথা যেন বলিতে পাই।।

বাণী

প্রেম ক্যাটারী লগ্‌ গ্যয়ি তোরে কারী কারী
প্যয়ারে ভাঁওরে জোলাৎ হ্যায় যো নিসদিন ডারী ডারী।।
শুনা প্যয়ারে ভ্যঁয়র ও প্রেম-কাহানী
বাগমে যাতা হ্যায় প্রেম সে পাতা হ্যায় কয়া মানমেঁ ঠানী।।
ফুলো সে ক্যয়া তুঝকো প্রেম হুয়া হ্যায়
মেরী তারহা ক্যায়া তু প্রেমী বানা হ্যায়
ত্যড়পত হ্যায় কিসকী তু বরহা মে নিসদিন
পাই হ্যায় কিসসে হুয়ে প্রেমনিশানী।।
ফুলমে হ্রায় গুলসে গ্যলো কি রং গাৎ
মিলতি হ্যায় ইনসে প্রীতম কি প্যারী সুরাত
ইসসে ম্যায় কারতিহু ফুলসে উলফত
ফিরত হু ব্যন ব্যন ব্যনকে দিওয়ানী।।

বাণী

	পুব সাগরে ডুব দিয়ে ঐ সোনার রবি উঠ্ল রে।
	রাতের চোখের অশ্রু ঝ’রে কুসুম হয়ে ফুট্ল রে।।
		যাত্রী ওরে যেতে হবে
		গভীর ব্যথা পেতে হবে,
তাই	মিলন রাতের বালুর মালা জাগরণে টট্ল রে।।

নাটক : ‘মধুমালা’ (ঘুমপরীর গান)

বাণী

পথ চলিতে যদি চকিতে কভু দেখা হয়, পরান-প্রিয়!
চাহিতে যেমন আগের দিনে তেমনি মদির চোখে চাহিও।।
		যদি গো সেদিন চোখে আসে জল,
		লুকাতে সে জল করিও না ছল,
যে-প্রিয় নামে ডাকিতে মোরে সে-নাম ধরে বারেক ডাকিও।।
		তোমার বঁধু পাশে (হায়) যদি রয়,
		মোরও প্রিয় সে, করিও না ভয়,
কহিব তা’রে, ‘আমার প্রিয়ারে আমারো অধিক ভালোবাসিও’।।‌
		বিরহ-বিধুর মোরে হেরিয়া,
		ব্যথা যদি পাও যাব সরিয়া,
রব না হ’য়ে পথের কাঁটা, মাগিব এ বর মোরে ভুলিও।।

বাণী

পিউ পিউ বোলে পাপিয়া
ফাল্গুন উন্মন বন ব্যাপিয়া।।
বিরহিনী মন বিহগী —
ওরি সাথে কাঁদে,একা
ঘরে নিশি জাগিয়া।।