
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

রাঙা জবার বায়না ধ’রে আমার কালো মেয়ে কাঁদে সে তারার মালা সরিয়ে ফেলে এলোকেশ নাহি বাঁধে॥ পলাশ অশোক কৃষ্ণচূড়ায়, রাগ ক’রে সে পায়ে গুঁড়ায় সে কাঁদে দু’হাত দিয়ে ঢেকে যুগল আঁখি সূর্য চাঁদে॥ অনুরাগের রাঙাজবা থাক না মোর মনের বনে আমার কালো মেয়ের রাগ ভাঙাতে ফিরি জবার অন্বেষণে। মা’র রাঙা চরণ দেখতে পেয়ে, বলি এই যে জবা হাবা মেয়ে (সে) জবা ভেবে আপন পায়ে উঠলো নেচে মধুর ছাঁদে॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

রাখাল রাজ! কি সাজে সাজালে আমায় আজ! আমার ঘরের ভূষণ কেড়ে নিয়ে দিলে চির-পথিক সাজ।। তোমার পায়ের নূপুর আমায় দিয়ে ঘোরাও পথে-ঘাটে নিয়ে, বেড়াই বাউল একতারা বাজিয়ে হে, (ও মরি হায় রে) এই ভুবন-নাটে বেড়াই ভুলে শরম-ভরম-লাজ।। তোমার নৃত্য-খেলার নিত্য-সাথি আনন্দেরি গোঠে হে, জীবন-মরণ আমার সহজ চরণ-তলে লোটে হে। আমার হাতে দিলে সর্বনাশী ঘর-ভোলানো তোমার বাঁশি, কাজ ভুলাতে যখন তখন আসি হে’ (ও মরি হায় রে) আমার ভবন কেড়ে — দিলে ছেড়ে বিশ্বভুবন-মাঝ।।
রাগঃ
তালঃ খেম্টা

রুম্ ঝুম্ রুম ঝুম্ কে বাজায় জল-ঝুম্ঝুমি। চমকিয়া জাগে ঘুমন্ত বনভূমি ॥ দুরন্ত অরণ্যা গিরি- নির্ঝরিণী রঙ্গে সঙ্গে ল’য়ে বনের হরিণী, শাখায় শাখায় ঘুম ভাঙায় ভীরু মুকুলের কপোল চুমি’ ॥ কুহু-কুহু কুহরে পাহাড়ি কুহু পিয়াল-ডালে, পল্লব-বীণা বাজায় ঝিরিঝিরি সমীরণ তা’রি তালে তালে। সেই জল-ছলছল সুরে জাগিয়া সাড়া দেয় বন-পারে বাঁশি রাখালিয়া১’, পল্লীর প্রান্তর ওঠে শিহরি’ বলে — ‘চঞ্চলা কে গো তুমি’ ॥
১. ‘বউ কথা কও কোকিল পাপিয়া’ পঙক্তিটি অতিরিক্ত আছে।
রাগঃ নির্ঝরিণী (নজরুল-সৃষ্ট)
তালঃ ত্রিতাল

রাত্রি-শেষের যাত্রী আমি যাই চ’লে যাই একা। শুকতারাতে রইল আমার চোখের জলের লেখা।। ফোটার আগে ঝরে যে ফুল সঙ্গী আমার সেই সে-মুকুল, ছায়াপথে জাগে আমার বিদায় পথ-রেখা।। অনেক ছিল আশা আমার অনেক ছিল সাধ, ব্যর্থ হ’ল না পেয়ে কা’র আাঁখির পরসাদ। দীপ নেভানো শূন্য ঘরে এসো না আর খুঁজতে মোরে, তারার দেশে চন্দ্রলোকে হবে আবার দেখা।।
রাগঃ মালকোষ মিশ্র
তালঃ দাদ্রা

রে অবোধ! শূন্য শুধু শূন্য ধূলো মাটির ধরা। শূন্য ঐ অসীম আকাশ রংবেরং-এর খিলান-করা।। হাওয়াতে শূন্য নিমেষ নিমেষে যার হ’য়ে শেষ। এসেছি পথিক এ পর-দেশ জীবন-মৃত্যু ভরা।। হুরী আর গানের প্রিয়া, সাথে তার শারাব নিয়া চল ঐ সবুজ-বিথার ঝর্না-কিনার গোলাব-ঝরা।। এর অধিক সুখের বিলাস স্বরগে করিসনে আশ সে স্বরগ নাই রে কোথাও এমন উধাও দুখ্-পসরা।।
রাগঃ বেহাগ
তালঃ দাদ্রা

দ্বৈত : রাধাকৃষ্ণ নামের মালা জপ দিবানিশি নিরালা॥ পুরুষ : অগতির গতি গোকুলের পতি স্ত্রী : শ্রীকৃষ্ণে ভক্তি দেয় যে শ্রীমতী পুরুষ : ভব-সাগরে কৃষ্ণ নাম ধ্রুবজ্যোতি দ্বৈত : সেই কৃষ্ণের প্রিয়া ব্রজবালা॥ স্ত্রী : পাপ-তাপ হবে দুর হরির নামে শ্রীমতী রাধা যে হরির বামে পুরুষ : ঐ নাম জপি’ যাবি গোলকধামে দ্বৈত : সেই রাধা নাম হবে দুঃখ জ্বালা॥ স্ত্রী : সাধনে সিদ্ধ হবে রাধা ব’লে ডাকো পুরুষ : কৃষ্ণ-মূরতি হৃদি-মন্দিরে রাখো দ্বৈত : জপ রে যুগল নাম রাধাশ্যাম এই আঁধার জগৎ হবে আলো॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan