
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

তব মাধবী-লীলায় কর মোরে সঙ্গী (হে বন-লক্ষ্মী)। তব অপাঙ্গে হইব ভ্রুভঙ্গি।। মোরে জ্বালায়ে জ্বালো তব বাসরে আলো, মোরে নূপুর করি’ বাঁধ চরণে তারি — নাচে তোমার সভায় যে কুরঙ্গী।। তব রূপের দেশে এনু বাউল বেশে, যেন ফিরে নাহি যাই আঁখি-প্রসাদ পাই — হব কেশে তব বেণীর ভুজঙ্গী।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

তুমি যখন এসেছিলে তখন আমার ঘুম ভাঙেনি মালা যখন চেয়েছিলে বনে তখন ফুল জাগেনি।। আমার আকাশ আঁধার কালো তোমার তখন রাত পোহালো তুমি এলে তরুণ-আলো তখন আমার মন রাঙেনি।। ওগো রুদ্ধ ছিল মোর বাতায়ন পূর্ণ শশী এলে যবে, আঁধার-ঘরে একেলা জাগি হে চাঁদ আবার আসবে কবে। আজকে আমার ঘুম টুটেছে বনে আমার ফুল ফুটেছে ফেলে যাওয়া তোমারি মালায় বেঁধেছি মোর বিনোদ-বেনী।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা

ত্রিজগত আলো করে আছে কালো মেয়ের পায়ের শোভা। মহাভাবে বিভোর শঙ্কর, ঐ পা জড়িয়ে মনোলোভা।। দলে দলে গগন বেয়ে গ্রহ তারা এলো ধেয়ে, ঐ চরণ শোভা দেখবে বলে, ঐ পায়ের নূপুর হওয়ার ছলে সেই শোভা কেমন বলতে গিয়ে ব্রহ্ম হলো চিরমৌনী বোবা।। ঐ চরণ শোভা দেখার তরে, যোগী থাকেন ধেয়ান ধ'রে ত্রিভুবন ভুলে অনন্তকাল যোগী থাকেন ধেয়ান ধ'রে। ও শুধু চরণ শোভা নয়, ঐ যে পরব্রহ্ম জ্যোতি শ্রী চণ্ডী বেদ পুরাণে ওরই প্রেম-আরতি মা দেখ্ত যদি নিজের চরণ নিজেই দিত বিল্বজবা আপনার ঐ রাঙা পায়ে নিজেই দিত বিল্বজবা।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা
১.

২.

তরুণ প্রেমিক প্রণয় বেদন জানাও জানাও বেদিল প্রিয়ায়। ওগো বিজয়ী নিখিল হৃদয় কর কর জয় মোহন মায়ায়।। নহে ঐ এক হিয়ার সমান হাজার কাবা হাজার মস্জিদ; কি হবে তোর কাবার খোঁজে, আশয় খোঁজ তোর হৃদয় ছায়ায়।। প্রেমের আলোয় যে দিল্ রোশন, যেথায় থাকুক সমান তাহার — খোদার মস্জিদ মুরত–মন্দির ঈসাই–দেউল ইহুদ–খানায়।। অমর তার নাম প্রেমের খাতায় জ্যোতির্লেখায় রবে লেখা, দোজখের ভয় করে না সে, থাকে না সে বেহেশ্ত্ আশায়।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা

তোরা সব জয়ধ্বনি কর! তোরা সব জয়ধ্বনি কর! ঐনূতনের কেতন ওড়ে কালবোশেখির ঝড় তোরা সব জয়ধ্বনি কর!! আস্ল এবার অনাগত প্রলয়–নেশায় নৃত্য–পাগল, সিন্ধু–পারের সিংহ–দ্বারে ধমক হেনে ভাঙল আগল! মৃত্যু–গহন অন্ধকুপে, মহাকালের চন্ড–রূপে ধূম্র–ধূপে বজ্র–শিখার মশাল জ্বেলে আসছে ভয়ংকর! ওরে ওই হাসছে ভয়ংকর! তোরা সব জয়ধ্বনি কর!! দ্বাদশ রবির বহ্নি–জ্বালা ভয়াল তাহার নয়ন–কটায়, দিগন্তরের কাঁদন লুটায় পিঙ্গল তার ত্রস্ত জটায়! বিন্দু তাহার নয়ন –জলে সপ্ত মহাসিন্ধু দোলে কপোল–তলে! বিশ্ব –মায়ের আসন তারই বিপুল বাহুর ‘পর – হাঁকে ঐ “জয় প্রলয়ংকর!” তোরা সব জয়ধ্বনি কর!! মাভৈঃ, ওরে মাভৈঃ, মাভৈঃ, মাভৈঃ জগৎ জুড়ে প্রলয় এবার ঘনিয়ে আসে জরায়–মরা মুমূর্ষুদের প্রাণ–লুকানো ঐ বিনাশে। এবার মহা–নিশার শেষে আসবে ঊষা অরুণ হেসে করুণ্ বেশে! দিগম্বরের জটায় লুটায় শিশু–চাঁদের কর! আলো তার ভরবে এবার ঘর! তোরা সব জয়ধ্বনি কর!!
রাগঃ মালকোষ-ভৈরব-মেঘ-বসন্ত-হিন্দোল-শ্রী-পঞ্চম-নটনারায়ণ
তালঃ দ্রুত–দাদ্রা
শিল্পীঃ স্বাগতালক্ষী

তুমি আমায় ভালোবাস তাই তো আমি কবি আমার এ রূপ সে যে তোমার ভালোবাসার ছবি।। আপন জেনে হাত বাড়ালো আকাশ বাতাস প্রভাত-আলো, বিদায় বেলায় সন্ধ্যা-তারা পূবের অরুণ রবি, — তুমি ভালোবাস ব’লে ভালোবাসে সবি।। আমার আমি লুকিয়েছিল তোমার ভালোবাসায়, আমার আশা বাইরে এলো তোমার হঠাৎ আসায়। তুমিই আমার মাঝে আসি’ অসিতে মোর বাজাও বাঁশি আমার পূজার যা আয়োজন তোমার প্রাণের হবি। আমার বাণী, জয়মাল্য, রানি! তোমার সবি।।
রাগঃ সাহানা
তালঃ আদ্ধা-কাওয়ালি
Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan