বাণী

তুমি দুখের বেশে এলে বলে ভয় করি কি হরি।
দাও ব্যথা যতই তোমায় ততই নিবিড় করে ধরি।
			আমি ভয় করি কি হরি।।
	আমি শূন্য করে তোমার ঝুলি
	দুঃখ নেব বক্ষে তুলি,
আমি করব দুঃখের অবসান আজ সকল দুঃখ বরি।।
	কত সে মন কত কিছুই
	হজম করে ফেলি নিতুই,
এক মনই তো দুঃখ দেবে তারে নাহি ডরি।।
	তুমি তুলে দিয়ে সুখের দেয়াল,
	ছিলে আমার প্রাণের আড়াল,
আজ আড়াল ভেঙে দাঁড়ালে মোর সকল শূন্য হরি।।

বাণী

তুমি বিরাজ কোথা হে উৎসব দেবতা
মম গৃহ অঙ্গনে এসো সঙ্গী হয়ে আনো আনন্দ বারতা॥
		পূজা সম্ভারে প্রসন্ন দৃষ্টি হানো
		শুভ শঙ্খ বাজাও দশদিক জাগানো
হে মঙ্গলময়! আসি’ অভয় দানো আনো প্রভাত আকাশ সম নির্মলতা॥
		লহ বিহগের গীতি অভিনন্দন
		চাঁদের থালিকা হতে গোপীচন্দন
আনন্দ অমরার নন্দন হে প্রণত কর চরণে কহ কথা কহ কথা॥

বাণী

তুষার-মৌলি জাগো জাগো গিরি-রাজ।
পঙ্গু তোমারে আজি হানিতেছে লাজ।।
রুদ্র ও রুদ্রাণী অঙ্কে যাহার,
দৈত্য হরিছে আজ সম্মান তার।
হে মহা-মৌনী, জাগো, পর নব সাজ।।
স্বর্গ তোমার শিরে, পদতলে হায়,
আর্যাবর্ত কাঁদে চির অসহায়
মেঘ-লোক হ’তে হান দৈত্যেরি বাজ।।