বাণী

যায়	ঝিল্‌মিল্ ঝিল্‌মিল্ ঢেউ তুলে দেহের কূলে
	কে চঞ্চলা দিগঞ্চলা মেঘ-ঘন-কুন্তলা।
	দেয় দোলা পুব-সমীরণে বনে বনে দেয় দোলা।।
	চলে নাগরি দোলে ঘাগরি
	কাঁখে বরষা-জলের গাগরি
	বাজে নূপুর-সুর-লহরি
	রিমি ঝিম্‌, রিম ঝিম্, রিম ঝিম্‌ চল-চপলা।।
	দেয়ারই তালে কেয়া কদম নাচে
	ময়ূর-ময়ূরী নাচে তমাল-গাছে।
	এলায়ে মেঘ-বেণী কাল-ফণি
	আসিল কি দেব-কুমারী নন্দন-পথ-ভোলা।।

বাণী

যাবার বেলায় মিনতি আমার (শুধু) রাখিও মনে
ডাক দিও গো সাঁঝের ছায়ে সাঙ্গোপনে।।
যখন সন্ধ্যাবধূ আঁকবে রঙের আলপনা
আমার হিয়া দুলবে তখন তোমার প্রদীপ সনে
যখন নিরালাতে গাঁথবে মালা আনমনে।।
(আমি) রইব ঘিরে তোমার মালার গন্ধ সনে (প্রিয় আমার)
আমি দুলিয়ে যাব অলক তব মৃদু পবনে
ওগো একটি মালা গলায় নিও আমার স্মরণে।।

বাণী

	যাবার বেলায় সালাম লহ হে পাক রমজান।
তব	বিদায় ব্যথায় কাঁদিছে নিখিল মুসলিম জাহান।। 
	পাপীর তরে তুমি পারের তরী ছিলে দুনিয়ায়, 
	তোমারি গুণে দোজখের আগুন নিভে যায়,
	তোমারি ভয়ে লুকায়ে ছিল দূরে শয়তান।। 
	ওগো রমজান, তোমারি তরে মুসলিম যত 
	রাখিয়া রোজা ছিল জাগিয়া চাহি' তবু পথ,
	আনিয়াছিলে দুনিয়াতে তুমি পবিত্র কোরআন।। 
	পরহেজগারের তুমি যে প্রিয় প্রাণের সাথী, 
	মসজিদে প্রাণের তুমি যে জ্বালাও দ্বীনের বাতি,
	উড়িয়ে গেলে যাবার বেলায় নতুন ঈদের চাঁদের নিশান।।

বাণী

যাস্‌নে মা ফিরে, যাস্‌নে জননী ধরি দুটি রাঙা পায়।
শরণাগত দীন সন্তানে ফেলি’ ধরার ধূলায় (মা) ধরি রাঙা পায়।।
(মোরা) অমর নহি মা দেবতাও নহি
	শত দুখ সহি’ ধরণীতে রহি’,
মোরা অসহায়, তাই অধিকারী মাগো তোর করুণায়।।
দিব্যশক্তি দিলি দেবতারে মৃত্যু-বিহীন প্রাণ,
তবু কেন মাগো তাহাদেরি তরে তোর এত বেশি টান?
(আজো) মরেনি অসুর মরেনি দানব
	ধরণীর বুকে নাচে তান্ডব,
সংহার নাহি করি’ সে অসুরে চলে যাস্ বিজয়ায়।।

নাটিকা: ‘বিজয়া’

বাণী

যাবার বেলায় ফেলে যেয়ো একটি খোঁপার ফুল (প্রিয়)
আমার চোখের চেয়ে চেয়ো একটু চোখের ভুল (প্রিয়)।।
অধর –কোণের ঈয়ৎ হাসির ক্ষণিক আলোকে
রাঙ্গিয়ে যেয়ো আমার হিয়ার গহন কালোকে
যেয়ো না গো মুখ ফিরিয়ে দুলিয়ে হীরের দুল।।
একটি কথা ক’য়ে যেয়ো, একটি নমস্কার,
সেই কথাটি গানের সুরে গাইব বারেবার
হাত ধ’রে মোর বন্ধু ব’লো একটু মনের ভুল।।

বাণী

পুরুষ	:	যাও হেলে দুলে এলোচুলে কে গো বিদেশিনী
		কাহার আশে কাহার অনুরাগিনী।
স্ত্রী	:	আমি কনক চাঁপার দেশের মেয়ে
		এনু ঊষার রঙের গান গেয়ে
		আমি মল্লিকা গো পল্লীবাসিনী।
পুরুষ	:	চিনি চিনি ওই চুড়ি কাঁকনের রিনিকি রিনি
		তুমি ভোর বেলা দাও স্বপনে দেখা।
স্ত্রী	:	তোমার রঙে কবি আঁক আমারি ছবি
		তুমি দেবতা রবি আমি তব পূজারিণী।
পুরুষ	:	এসো ধরণীর দুলালী আলোর দেশে
		যথা তারার সাথে চাঁদ গোপনে মেশে
স্ত্রী	:	আনো আলোক তরী আমি যাই গো ভেসে
দ্বৈত	:	চলো যাই ধরণী ধূলির ঊর্ধে
পুরুষ	:	যথা বয় অনন্ত
স্ত্রী	:	প্রেম মন্দারিণী
পুরুষ	:	যথা বয় অনন্ত
দ্বৈত	:	প্রেম মন্দারিণী॥